Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মনে পড়ে গেল কাদম্বিনী বসুর কথা

FB_IMG_1787494563198
Dr. Samudra Sengupta

Dr. Samudra Sengupta

Health administrator
My Other Posts
  • August 26, 2026
  • 7:27 am
  • No Comments

১১৯ আগস্ট ২০২৬

গত দুদিন ভারী চমৎকার কাটলো। কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ পেলাম আমার প্রিয় কমিউনিটি হেলথ অফিসারদের কুষ্ঠ রোগ নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালায়।

ওই কর্মশালায় যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের অনেক ছাত্রীই বিবাহিত, সন্তানের মা। সংসার সামলে, স্বামী, সন্তানের প্রতি দায়িত্ব পালন করে ছাত্রী সুলভ টিপিক্যাল বয়েস পেরিয়ে এসেও অনেকেই যে অখন্ড মনযোগ সহকারে দুদিন ধরে লেখাপড়াটা করলেন, তাদের চেয়ে অনেক ছোট সহপাঠিনীদের সাথে পাল্লা দিয়ে সেটা দেখে মনে পড়ে গেল কাদম্বিনী বসুর কথা আজ।

ঠিক কবে থেকে কাদম্বিনী বসুর চিকিৎসক হওয়ার ইচ্ছে হয়েছিল সেটা জানতে পারিনি। কিন্তু দেখতে পাচ্ছি যে ১৮৮২ সালে উনি এফ এ পাশ করার পরেই ডাক্তারি পড়ার চেষ্টা করেন কিন্তু গ্র্যাজুয়েট না হওয়ার কারণে সুযোগ পাননি। এর পরে ১৮৮৩ সালে বি এ পাশ এর মধ্যে উনি প্রেম করে বিয়ে করেছেন নিজের থেকে ১৭ বছরের বড় বিপত্নীক দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়কে। বিয়ের সময় দ্বারকানাথের দুই সন্তান, কন্যা বিধুমুখী আর পুত্র মানসিক প্রতিবন্ধী সতীশচন্দ্র। চিকিৎসক হওয়ার সেই অদম্য ইচ্ছে কিন্তু কমে নি।

বি এ পাশ করার পরে আবার আবেদন করেন।
মেডিক্যাল কাউন্সিল আপত্তি করে। বিদেশি শাসকের আমলাতন্ত্রের আপত্তির কারণ তবু কিছুটা আন্দাজ করা যায়। কিন্তু এর সাথে দেশীয় লোকজনও হৈ চৈ শুরু করে। একটি মেয়ে ডাক্তারি পড়বে এমন অনাসৃষ্টি কান্ড তারা সহজে মেনে নেয় নি। মেডিক্যাল কলেজের একজন বাঙালি অধ্যাপকের তো ঘোর আপত্তি ছিল।

বাজারী পত্রিকায় ২রা জুলাই, ১৮৮৩ সালে ওইসব আপত্তিকে তাদের বিবেচনায় “যুক্তিসঙ্গত” আখ্যা দিয়ে লেখা হল, “শ্রীমতি কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় (বসু?) বি. এ. কলিকাতার মেডিকেল কালেজে প্রবিষ্ট হইয়াছেন। মেডিকেল কালেজের অনেক শিক্ষক কয়েকটি প্রধান কারণ দর্শাইয়া স্ত্রীলোকদিগের উক্ত কালেজে প্রবিষ্ট করিবার সম্বন্ধে আপত্তি করেন। তাঁহারা বলেন, উক্ত কালেজে ছাত্র দিগের রাত্রিতে যখন কালেজে থাকিতে হয়, তখন দুইজন করিয়া ছাত্র একঘরে থাকে। এরূপ অবস্থায় স্ত্রীলোক কিরূপ করিয়া পুরুষের সহিত এক ঘরে থাকিবে। এবং যখন ছাত্রদিগকে পুরুষ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বুঝাইয়া দিতে হয়, তখন পুরুষ শিক্ষক স্ত্রীলোকদিগকে কিরূপে উহা বুঝাইয়া দিবে। আরও অন্যান্য আপত্তির মধ্যে উক্ত কালেজের একজন ছাত্র বলেন যে নিয়ম আছে সমস্ত বক্তৃতাতে উপস্থিত না থাকিলে, পরীক্ষা তে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না। এবং যদি এই পাঁচ বৎসরের মধ্যে কোন রমণীর গর্ভ হয়, তবে প্রসবকালীন তিনি কি করিয়া বক্তৃতায় উপস্থিত থাকিবেন ?”

এর বিপরীতে দ্বারকানাথ গাঙ্গুলি প্রমুখ আন্দোলন করেন। এসব জানার পরে ছোট লাট রিভার্স অগাস্টাস টমসনের হস্তক্ষেপে মেডিক্যাল কাউন্সিল তাদের আগের সিদ্ধান্ত পাল্টে কাদম্বিনীকে ভর্তির অনুমতি দেয়। বাধা বিপত্তি এড়িয়ে ভর্তি হয়েও বিপদ কাটেনি। কিছু পরীক্ষকের রোষে (সম্ভবত ওই বাঙালি চিকিৎসক অধ্যাপক ও ছিলেন তার মধ্যে) কাদম্বিনী মেটিরিয়া মেডিকা ও এনাটমিতে ফেল করেন। তাঁকে গ্রেস নম্বর দিয়ে পাশ করানো হয়।

এই গ্রেস দেয়া নিয়েও পত্রিকা লেখে, “শ্রীমতী গঙ্গোপাধ্যায় মেটিরিয়া মেডিকা ও এনাটমিতে ফেল হন। এখন শুনিতেছি সিন্ডিকেটের দয়ায় তিনি এ পরীক্ষায় পাশ করেন”

এই আপত্তিকর “দয়া” শব্দটা কতটা যুক্তিযুক্ত সেটা আমরা এক্ষুনি দেখবো। ১৮৮৮ সালে কাদম্বিনী গ্রাজুয়েট অফ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজ উপাধি পেয়ে কলেজ থেকে বের হন। এর পরে ১৮৯২ সালে স্বামী পুত্র কে বাড়িতে রেখে বিলেত যান আর ১৮৯৩ সালের মধ্যে এডিনবরা থেকে LRCPL এবং LRCS আর গ্লাসগো থেকে LFPS এই তিন খানি ডিগ্রি লাভ করে দেশে ফিরে আসেন।

কোনোভাবে ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল কাদম্বিনী (গঙ্গোপাধ্যায়) সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন।।১৮৮৮ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি তিনি তার এক বন্ধুকে লিখছেন:-

“তুমি মিসেস গাঙ্গুলি সম্পর্কে কিছু জানো, আমায় কিছু পরামর্শ দিতে পারবে ? এর মধ্যেই ওই মহিলা সেই পাশ করে ফেলেছেন যাকে বলে মেডিসিন আর সার্জারিতে ফার্স্ট লাইসেনসিয়েট এর পরের মার্চে ফাইনাল এক্সামে বসছেন। এই ইয়াং লেডি, মিসেস গাঙ্গুলি নাকি বিবাহিত ! বিয়ের পরেই নাকি উনি ডাক্তার হবেন বলে মনস্থির করেন ! আর ওনার না কি একটি নয়, দুটি ছোট বাচ্ছা আছে ! ইনি বাচ্ছা হওয়ার পরে মাত্র তেরো দিন শুয়ে ছিলেন, একটাও লেকচার ক্লাশ না কি মিস করেন নি।”

মিস নাইটিংগেল নিজে একজন মেয়ে হয়ে বুঝতেন যে বিয়ের পরে, মা হয়ে যাওয়ার পরে, পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া, মেয়েদের পক্ষে কত কষ্টকর। তাও আবার সেই সময়ের ভারতে, বাংলাদেশে। তাই তার ওই ছোট্ট চিঠিতে বিস্ময়বোধক চিহ্নের এতো ছড়াছড়ি। সেই বিস্ময় বোধ থেকে জন্ম নেওয়া মুগ্ধতা, সে থেকে জন্ম নেওয়া শ্রদ্ধা, ভালোবাসা থেকেই আমরা দেখতে পাচ্ছি, উনি লেডি ডাফরিন কে সুপারিশ করছেন বাংলা তথা ভারত তথা সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম মহিলা গ্র্যাজুয়েট ডাক্তার এর একটা চাকরির জন্য, “ফর এনি পোস্টস এবাউট দ্যা ফিমেল ওয়ার্ড অফ ক্যালকাটা।

প্রশিক্ষণ শিবির শেষে ওই CHO দিদিদের আবদার ছিল একসাথে একটা ছবি তোলার। ট্রেইনিং হল থেকে যখন বেরিয়ে আসছি তখন মনে পড়ে কাদম্বিনী বসুর কথা।

বিশ্বাস করুন, সেকালেও সহজ ছিল না, আজও সহজ নয়, খুব, খুব কঠিন কাজ। কাদম্বিনীদের প্রেরণা হয়ে ওঠার কাহিনীগুলো মনে রাখাটা তাই জরুরী আমাদের কাছে। কাদম্বিনীরা আমাদের আসে পাশেই আছে হয়তো, চিনে নিতে হবে শুধু। ভালো থাকবেন আমার প্রিয় CHO এরা

PrevPreviousসংগ্রামী গণ মঞ্চের প্রেস বিজ্ঞপ্তি
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

সংগ্রামী গণ মঞ্চের প্রেস বিজ্ঞপ্তি

August 26, 2026 No Comments

২৫ আগস্ট ২০২৬ আগস্ট মাসের ১ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী আচমকাই ঘোষণা করলেন ওনার কাছে খবর আছে যে ২৭ লক্ষ ডিলিটেড ভোটারের মধ্যে মাত্র ৭ লক্ষ

পশ্চিমবঙ্গে সরকারি ডাক্তারের চাকরি শুধু একটা চাকরি নয়, একটা রোমাঞ্চকর অভিযান,

August 26, 2026 No Comments

ক’দিন আগে একখান পোস্টে বলেছিলাম, সরকারি চাকরি করব না। সেই সূত্রে একটা প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়েছি, সবাই যদি দায় ঝেড়ে ফেলে, তাহলে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা চলবে কীভাবে!

ইন্দাস থেকে যাদবপুর : আক্রান্ত ন্যায়, স্বাধীনতা, মুক্তচিন্তা , এরপরেও কি হিন্দু-মুসলমান করব??

August 25, 2026 No Comments

নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলার মনীষী, সংস্কৃতি ও শিক্ষাঙ্গনের উপর লাগাতার গৈরিক হামলা ঘটেই চলেছে। বাঁকুড়ার ইন্দাসে সিজেপি-র সমর্থকের বাবাকে বাড়িতে ঢুকে পিটিয়ে মারা,

অনিরুদ্ধ কর: লাস্ট অফ দ্যা মোহিক্যান্স

August 25, 2026 1 Comment

কাজের চাপে একটা দিন দেরি হয়ে গেল। লেখাটা কাল দেওয়ার ছিল। স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রশাসক মানেই যে স্টিরিওটাইপ ছবিটা ভেসে ওঠে সেটা এমন একটা লোকের ছবি

Five Lessons Bacteria Can Teach Humanity

August 24, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

মনে পড়ে গেল কাদম্বিনী বসুর কথা

Dr. Samudra Sengupta August 26, 2026

সংগ্রামী গণ মঞ্চের প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Sangrami Gana Mancha August 26, 2026

পশ্চিমবঙ্গে সরকারি ডাক্তারের চাকরি শুধু একটা চাকরি নয়, একটা রোমাঞ্চকর অভিযান,

Dr. Subhanshu Pal August 26, 2026

ইন্দাস থেকে যাদবপুর : আক্রান্ত ন্যায়, স্বাধীনতা, মুক্তচিন্তা , এরপরেও কি হিন্দু-মুসলমান করব??

Parichay Gupta August 25, 2026

অনিরুদ্ধ কর: লাস্ট অফ দ্যা মোহিক্যান্স

Dr. Samudra Sengupta August 25, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

669968
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]