Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

খুপরির দিনলিপি

IMG_20220215_205303
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • February 16, 2022
  • 6:45 am
  • No Comments
  1. পাড়ায় ঢুকেই দীর্ঘশ্বাস ছাড়ি। বাড়ির সামনে ভিড় জমে গেছে। টোটো, অটো, সাইকেল, বাইক, মানুষ মিলে জট পাকিয়ে গেছে। কোনও রকমে স্কুটারটা গ্যারেজে ঢোকাই। জমায়েতের লোকজনের মধ্যে চাঞ্চল্য দেখা যায়। ডাক্তার চলে এসেছে। তাঁদের প্রতীক্ষার অবসান হবে। দুয়েকজন ভাবেন হয়ত তাঁদের যন্ত্রণারও অবসান হবে। আমি শঙ্কিত হই। এক জায়গায় ভিড় ফাঁকা করে এলাম, আবার এই ভিড়।
ভিড়ের মধ্যে থেকে পাড়ার দুটো কুকুর চেনা লোক দেখে কাছে আসে। প্যান্ট শোঁকে, খুশি হয়। স্কুটার থামাতেই প্রথম বসন্তের বাতাস আদর করে। সোয়েটার খুলি। পার্থকে বলি, ‘প্রেশার মাপা শুরু করো। আমি আসছি।’
তিন মিনিট আঠারো সেকেন্ডে ভাত খাওয়া শেষ করে রোগীদের মুখোমুখি। অষ্টাদশী রোগিণী ভ্রূলতা ধনুকের মতো বাঁকিয়ে জানায়, তাকে ঘোড়ায় কামড়েছে।
কোনও কিছুতেই চমকাই না আমি। পৃথিবীর যাবতীয় চমক বহুদিন আমার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। মেয়েটিই শোনাতে উৎসুক, বসন্তদিনের প্রাক্কালে পরিবার সহ সে গেছিল কলকাতা পরিদর্শনে। সেখানে ভিক্টোরিয়ার সামনে একটি ঘোড়ার গলায় হাত বুলিয়ে আদর করতে গেছিল। সেই অকৃতজ্ঞ ঘোড়া এই নারী নিগ্রহের ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
মেয়েটির বাবা প্রতিবাদ করলেন। বললেন, ‘ওটা খচ্চর ছিল। মোটেই ঘোড়া ছিল না।’
অপমানিত মেয়েটি বলে, ‘ আলবাত ঘোড়া ছিল। তুমি ঘোড়া- খচ্চর কোনোটাই চেন না।‘
‘হুঁ আমি চিনি না, তুই খুব চিনিস।’
আমি বললাম, ‘ঘোড়াই হোক- খচ্চরই হোক, তোকে তো ভ্যাকসিন নিতে হবে। কালকে কামড়েছে। এর মধ্যে তো প্রথম ডোজ নিয়ে নেওয়ার কথা।’
মেয়েটির বাবা বললেন, ‘সেটাই তো দোকানদাররা ঠিক করে বলতে পারছে না। কেউ বলছে ভ্যাকসিন লাগবে, কেউ বলছে লাগবে না। কেউ আবার বলছে কুকুরে কামড়ানোর ভ্যাকসিনে হবে না। ঘোড়ার জন্য আলাদা ভ্যাকসিন।’
আমি বললাম, ‘ভ্যাকসিনটা মোটেই কুকুরে কামড়ানোর ভ্যাকসিন নয়। জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন। কুকুরে কামড়াক, ঘোড়ায় কামড়াক আর বাঘেই কামড়াক ওই এক ভ্যাকসিন নিতে হবে।
মেয়েটি বলল, ‘এটা আপনি কী বললেন ডাক্তারবাবু, বাঘে কামড়ালে আদৌ কী ভ্যাকসিন নেওয়ার দরকার হবে?’ বলে হাসি শুরু করল।
বসন্তের দিনে বেলা বারোটায় অষ্টাদশীর দন্তরুচিকৌমুদী সকলের মাথার বারোটা বাজানোর জন্য আদর্শ, একমাত্র চিকিৎসকের ছাড়া। ব্যাজার মুখে বললাম, ‘পরের জন।‘
পরের জনের রক্তচাপ অস্বাভাবিক রকমের বেশি। বললেন নিয়মিত প্রেশারের ওষুধ খাচ্ছেন।
‘ওষুধ পত্র দেখান।‘
‘সে তো সঙ্গে আনিনি ডাক্তারবাবু। আপনি নতুন করে সব শুরু করেন।’
সবিনয়ে জানাই আগে কী ওষুধ খাচ্ছেন না জেনে চিকিৎসা অসম্ভব।
ভদ্রলোক বলেন, ‘ ওই যে আমলা… না কী যেন?’
‘আপনি কি আয়ুর্বেদিক ওষুধ খাচ্ছেন? পতঞ্জলি? ‘
‘না না, আমলা…জিন…’
‘অ্যাম্লোডিপিন?’
‘হ্যাঁ হ্যাঁ, ওটাই সকালে খাই। আর রাত্রে আট… আটা…?’
‘রুটি?’
‘না না, ওষুধ। নামটা…কী যেনো…’
‘বাড়ি কোথায় আপনার?’
ভদ্রলোক জানান, ‘পাশেই, কারবেলায়।’
‘যান, বাড়ি গিয়ে ওষুধ নিয়ে আসেন। এভাবে আন্দাজে চিকিৎসা করলে আপনার ক্ষতি অবশ্যম্ভাবী।‘
ভদ্রলোক মনঃক্ষুণ্ণ হয়ে বিদায় নেন। বসন্তের বেলা গড়ায়। লাইনের রোগীদের দেখা হয়। নতুন রোগীরা এসে আবার লাইন করে।
শীর্ণ চেহারার রোগিণী বলে, ‘হাত পা কাঁপে, কাজ করতে পারিনা, উলটে উলটে পরে যাই।‘
‘কত বয়স আপনার? ‘
‘ছাব্বিশ… ডাক্তারবাবু, আমার না… ছেলে হওয়ার সময় সুগার ছিল।‘ মেয়েটি কোলের বছর দেড়েকের ছেলেকে দেখায়।
গৌরকে সুগার মাপতে বলি… ৪৫৬। গৌর চমকায়, আমি চমকাই না।
আমার চমকিত হওয়ার ক্ষমতা বহুদিন চলে গেছে। বলি, ‘বাচ্চা হওয়ার পর সুগার মাপেন নি কেন, ওষুধ খান নি কেন?’
মেয়েটি মাথা নিচু করে। বলে, ‘লক ডাউনে প্রথমে ওর বাবার কাজটা গেল। তারমধ্যেই ছেলে হল। তারপর গতবছর মে মাসে করোনায় লোকটাই চলে গেল। চার বাড়ি ঝি এর কাজ করি। ছেলেকে নিয়েই কাজে যাই।‘
মিন মিন করে বলতে যাই, ‘সরকারি হাসপাতাল তো ছিল।’
আমার আওয়াজ চাপা পড়ে যায়। বাইরে ভোটের মিছিল যাচ্ছে, ‘ভোট দিন, ভোট দিন।’ ঠিক দু’সপ্তাহ পর পৌরসভা ভোট। এই মেয়েটিও ভোট দিতে যাবে। হয়তো বাচ্চাটিকে কোলে করে নিয়েই যাবে।
মেয়েটি তার তাপ্পি দেওয়া চটের ব্যাগটি হাতড়ায়। তারপর ম্যাজিকের মতো সেটা থেকে একেবারে নতুন একটা জুনিয়র হরলিক্সের কৌটো বার করে। বলে, ‘আচ্ছা ডাক্তারবাবু, বাচ্চাকে ভালোমন্দ খাওয়াতে পারি না। মাসে একটা করে এটা খাওয়ালে হবে? অনেক দাম, একটার বেশি কেনা মুশকিল। ‘
আমি চমকাই না। আমার চমকিত হওয়ার ক্ষমতা বহুদিন নষ্ট হয়ে গেছে।
PrevPreviousপ্রথম হাজার দিনের যত্নঃ নতুন কিছু ভাবনা
Next“স্বাস্থ্য অধিকার”– প্রথম পর্বNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

Five Lessons Bacteria Can Teach Humanity

August 24, 2026 No Comments

ডিলিটেড ভোটার দের নাম তোলার দাবীতে ২রা সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতির কাছে গণডেপুটেশন সফল করুন।

August 24, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেল। সরকার পরিবর্তনও হয়ে গেছে। ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে খারাপ দিক হল, প্রায় সাড়ে ৩২ লাখ মানুষ তাদের

স্মৃতি কেউ মুছে দিতে পারবে না।

August 24, 2026 No Comments

‘মুছে দেওয়া’ শাসকের অত্যন্ত প্রিয় অস্ত্র। সময় যায়, শাসকের মুখ পাল্টায়, কিন্তু এই অস্ত্রের ব্যবহার বদলায় না। নিপীড়ন ও দমন-পীড়নের চিহ্ন মুছে দিয়ে মানুষকে ভুলিয়ে

যাদবপুরে “বিদ্যার্থী”দের “গেরুয়া” তাণ্ডব এবং গণপ্রতিক্রিয়া

August 23, 2026 1 Comment

২১.০৮.২০২৬-এ প্রকাশিত দুটি প্রথমসারির সংবাদপত্রের প্রথমপৃষ্ঠার শিরোনাম আশা করি এতক্ষণে সবাই পড়েছেন, দেখেছেন এবং জেনে গেছেন. (আনন্দবাজার – ২১.০৮.২০২৬) (দ্য টেলিগ্রাফ – ২১.০৮.২০২৬) (দ্য ওয়াল

We deserve justice. কেউ আটকাতে পারবে না।

August 23, 2026 No Comments

২২ আগস্ট ২০২৬ “তুমি কি ভেবেছো চুনকাম করলেই ইতিহাস মুছে যায়?প্রতিটি ইঁটের পাঁজরে ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে অমাবস্যায়।” “We Want Justice” এই লেখা বাঙালীর মন,

সাম্প্রতিক পোস্ট

Five Lessons Bacteria Can Teach Humanity

Satya Sagar August 24, 2026

ডিলিটেড ভোটার দের নাম তোলার দাবীতে ২রা সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতির কাছে গণডেপুটেশন সফল করুন।

Sangrami Gana Mancha August 24, 2026

স্মৃতি কেউ মুছে দিতে পারবে না।

West Bengal Junior Doctors Front August 24, 2026

যাদবপুরে “বিদ্যার্থী”দের “গেরুয়া” তাণ্ডব এবং গণপ্রতিক্রিয়া

Dr. Jayanta Bhattacharya August 23, 2026

We deserve justice. কেউ আটকাতে পারবে না।

Abhaya Mancha August 23, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

669721
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]