ছবিটা আমার ভাই Bhaskarএর কাছ থেকে নেওয়া।
ওর মূল পোস্টে ও চিকিৎসা তথা স্বাস্থ্য আর শিক্ষার বাণিজ্য করণের কথা বলেছে।
ছবির বক্তব্য কী? বেসরকারি ক্ষেত্রে খরচ বেশি। আর সেটা আমাকেই খরচ করতে হবে। এবং তাতে কোনও ছাড় নেই।
গত কয়েকবছর ধরে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে সরকারি যে দুটি ক্ষেত্রকে ক্রমশ দুর্বল করা হয়েছে, তা হল শিক্ষা আর স্বাস্থ্য।
সরকারি স্বাস্থ্যক্ষেত্রকে, হাসপাতালগুলিকে অবাধ চুরি মাৎস্যন্যায়, অনৈতিকতায় অথর্ব করে দিল রাক্ষসী।
আর সরকারি শিক্ষা? এই আমলে চাকরি পাওয়া একটা শিক্ষকও বুকে হাত দিয়ে বলতে পারে না যে সে “যোগ্য”। টাকা না দিয়ে চাকরি পেয়েছে যে গুটিকতক, তাদের খাতা আদৌ ঠিক ভাবে দেখা হয়েছে কিনা চোররাণী আর তার সাঙ্গোপাঙ্গরা সার্টিফাই করতে পারেনি, কেন না ওরা জানে যে খাতা আদৌ যাতে দেখা না হয় তার জন্য ওরা রাষ্ট্রীয় তদারকি করেছে প্রতি স্টেজে।
কলেজে ভর্তির পোর্টালে ইচ্ছে করে ওবিসি জট রেখে দিয়ে, কলেজে ভর্তিটাকেও অথৈ জলে ফেলে রাখা হল।
হায়ারসেকেন্ডারি পাশ করা ছেলেমেয়েদের অভিভাবকরা অনিশ্চয়তায় না থেকে, একশগুণ বেশি খরচ করে বিশাল-বিশাল(!) গজিয়ে ওঠা বেসরকারি ইউনিভার্সিটিতে সন্তানদের ভর্তি করে ফেলেছে ইতিমধ্যে।
এই যে সরকারি হাসপাতাল আর স্কুল দুর্বল হয়ে গেল, এতটাই দুর্বল যে সরকারি স্কুলের শিক্ষকও নিজের ছেলে মেয়েকে বেসরকারি স্কুল ছাড়া ভর্তি করে না, এটাও কিন্তু খুব প্ল্যান করে।
প্রশ্নটা হচ্ছে, কেন?
উত্তর অতি সহজ। বেসরকারি হাসপাতাল হোক বা স্কুল কলেজ, সবার থেকে চড়া হারে কাটমানি খাচ্ছে মহামান্যা চোর-মহাশয়া আর দলবল।
সরকারি স্কুল কলেজ আর হাসপাতালের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল এই কাটমানির চক্করে।










