Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মালতী মুর্মুর আখ্যান

Oplus_16908288
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • July 22, 2025
  • 7:19 am
  • 3 Comments

আমরা তখন কলেজের ফার্স্ট ইয়ারে।দেওয়াল জুড়ে সেইসময় নানান কথার আঁকিবুঁকি। নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন দেখার শুরু। একটা দেওয়াল লিখনের কথা কথা বারবার দেখতে দেখতে মনের গভীরে কেমন দেগে গিয়েছিল – শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব। এক সময় ধীরে ধীরে এসব স্বপ্নমুখরতার পর্ব কেমন যেন উবে গেল। আর হয়তো সেই কারণেই শিক্ষা নামের আলোটুকুও এখনো পৌঁছয়নি এই পোড়া দেশের প্রতিটি কোণে। এমন‌ই এক গ্রামের নাম হলো জিলিং সেরেন। সাকিন পুরুলিয়া – যার শরীরে অনুন্নয়নের ছাপ দেগে দিয়েই দায়মুক্ত হবার তাগিদ যেন সকলের।

অযোধ্যা পাহাড়ের একেবারে লাগোয়া এই গ্রামের গৃহবধূ হলেন মালতী – মালতী মুর্মু। বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুর বাড়িতে এসে মেয়েরা আর‌ও একটু উন্নত ব্যবস্থা প্রত্যাশা করে। এ বিষয়ে জিলিং সেরেন তাঁকে খানিকটা হতাশ করে।

শাল পলাশ কুসুমের ছায়ায় ঘেরা পাহাড়তলির ছোট্ট গ্রাম জিলিং সেরেন, তবে তার শরীর জুড়ে কেমন অপুষ্টির ছাপ। এককালে গ্রামের খানিক তফাতে একটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলা হয়েছিল –জেলিং সেরেন প্রাথমিক বিদ্যালয়। মালতীর গ্রামের ছেলেমেয়েরা বনের আলপথে পা চালিয়ে পৌঁছে যেত সেখানে। সকলেই তারা,একালের হিসেবে, প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়া। ট্যুরিজমের দৌলতে এই অঞ্চলে শহুরে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে খানিকটা বটে, তবে তাতে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে ষোলোআনা। গ্রামের ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের ঘিরে রাখতে একটা বাঁধন দেওয়া দরকার, না হলেই ….!মালতী মন স্থির করেন। গ্রামের ঘরে ঘরে আলো পৌঁছে দেবেন, শিক্ষার আলো। ২০১৯ সালে করোনা মহামারীর ঘোর ঘনঘটায় আঁধার হয়ে আসা সময়ে মালতীর প্রথম বারের জন্য শ্বশুর বাড়িতে আসা। এই সময়ের বুকে দাঁড়িয়েও বিদ্যালয় বিহীন গ্রামের কথা মনে করে কেমন আৎকে ওঠেন মালতী ;

কিন্তু চাইলেই তো আর মাটি ফুঁড়ে স্কুল উঠে আসবে না! তার জন্য একটা ন্যূনতম  উদ্যোগ,আয়োজন করা দরকার। হাতের সময় চলে যাচ্ছে দেখে মালতী নিজের বাড়িতেই শুরু করলেন ছোট্ট একটা স্কুল – অবৈতনিক বিদ্যালয় ‌।

বিচ্ছিন্ন বিক্ষিপ্ত মহামারী কালের শূন্যতা পূরণ করতে সরকারের তরফ থেকে ফরমান জারি করা হয় – অনলাইনে ক্লাস করাতে হবে। এমনিতেই ক্লাস হয়না তাতে করে আবার অনলাইনে ক্লাস। নুন আনতে পান্তা ফুরোয় এমন সব হতশ্রী পরিবারের প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়াদের জন্য অনলাইনে ক্লাস? এমন স্বপ্নচারী প্রশাসকরা তো আর মালতী মুর্মুর স্কুলের অস্তিত্ত্বের কথা জানেনা। তাহলে উপায়? মালতী কী করে সামলে উঠবেন এমন কঠিন পরিস্থিতিকে।

মালতী বুঝতে পারেন অসীম ধৈর্য্যে তিলতিল করে যেটুকু আলো পৌঁছে দিতে পেরেছেন ওই মৌন ম্লান মুখের মানবকদের মধ্যে ওৎ পেতে থাকা অশিক্ষার অন্ধকার যে তাকে নিমেষেই শুষে নেবে ! একটা উপায় বের করতে মরীয়া হয়ে ওঠেন মালতী। নিজে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন। ইচ্ছে ছিল আরও খানিকটা পথ পাড়ি দেবার, কিন্তু পরিবেশ পরিস্থিতির কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। এ জন্য মনে গভীর আক্ষেপ রয়ে গেছে মালতীর। মালতী জানে এইসব শিক্ষার্থীরা একবার স্কুলের ছায়ার বাইরে চলে গেলে তাদের ফিরিয়ে আনা এক রকম অসম্ভব।  মালতী বুঝতে পারেন, সকলের মধ্যে বিশ্বাস না জাগলে তারা কখনও পঠনপাঠনের প্রতি আকৃষ্ট হবে না। তাই ভেঙে না পড়ে নতুন উদ্যমে অভীষ্ট লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাবার পথ খুঁজতে থাকেন তিনি। পরিবারের বিধি নিষেধকে পাশ কাটিয়ে এই লড়াইয়ে তাঁর পাশে এসে দাঁড়ায়  স্বামী বাঙ্কা মুর্মু । গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঘুরে ঘুরে তাঁরা রক্ষণশীল গ্রাম সমাজে শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতন করতে শুরু করেন।দীর্ঘদিনের জমাট বাঁধা অন্ধকার কি আর অত সহজে দূর হয়! হার না মানা লড়াই চলতে থাকে। মালতীর অদম্য আগ্রহ আর আন্তরিকতা দেখে একটু একটু করে এগিয়ে আসেন অভিভাবকরা। একটি দুটি করে বাড়তে থাকে ছাত্র ছাত্রী। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তৈরি করা হয়েছে দুটি ছোট্ট ঘর বিশিষ্ট স্কুল বাড়ি। একেবারে শুরুতে সাঁওতালি ভাষায় চলতো পঠনপাঠনের কাজ। শত হলেও সাঁওতালি হলো ওইসব শিশুদের মাতৃভাষা। মাতৃভাষায় শিক্ষা দান করা হলে তার প্রভাব হবে স্থায়ী। একথা জানেন মালতী । সময়ের চাহিদার

কথা মাথায় রেখে আস্তে আস্তে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় তাদের সড়গড় করে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। শুধু ব‌ইয়ের কথাতেই আটকে থাকলে চলবে না। আদিবাসী মানুষদের মনের ভেতর জমে থাকা অবৈজ্ঞানিক বিশ্বাস আর কুসংস্কার গুলো ভেঙে নতুন বিশ্বাসের আলোয় আলোকিত করতে হবে তাঁর শিক্ষার্থীদের । তবেই সম্ভব হবে নতুন সমাজ গঠনের।

মালতী বুঝতে পারেন যে, লেগে থাকলে একদিন এরাই নতুন বিশ্বাসের জন্ম দেবে। সেই বিশ্বাসের বাতাস পালে লাগিয়ে অনেক অনেক দূরের পথ পাড়ি দেবে তাঁর ছোট্ট শিক্ষার্থীরা, তাঁদের সমাজ। এখন খালি নিমগ্ন নির্মিতির সময়।

পুনশ্চ

 সংবাদপত্রের সূত্র থেকেই মালতীর কথা লেখা। আরও কিছু জানতে গিয়ে দেখি, ঐ ছোট্ট স্কুলটিকে ঘিরে সম্প্রতি কিছু বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বিতর্কের প্রথম হেতু – স্থানীয় সরকারি    ‌প্রাথমিক বিদ্যালয়টিকে পাশ কাটিয়ে মালতীর বিদ্যালয় প্রচারের সব আলো কেড়ে নিচ্ছে। সরকারি স্কুলটিতে বর্তমানে নথিভুক্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা – ৪৩ জন। মালতীর স্কুলে –৪৫ জন। সরকারি স্কুলের কিছু স্কুলছুট্ ছাত্র এখন মালতীর স্কুলে ভর্তি হয়েছে। এই বিষয়টি সম্ভবত উষ্মার কারণ। গ্রামের অভিভাবকরা অবশ্য মালতীর বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন ব্যবস্থায় খুশি। এই নিয়ে টানাপড়েন চলছে।

দ্বিতীয়ত – বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মালতীকে সাহায্য করেছে অর্থ ও উপকরণ দিয়ে । অথচ মালতী ও তাঁর স্বামী বাঙ্কা সেই অবদান সম্পর্কে নীরবতা পালন করছে বলে তাঁদের অভিযোগ । ফলে তাঁরাও খানিকটা অভিমান করেছে।

নিবন্ধকার এইসব বিতর্ককে পাশ কাটিয়ে এক আদিবাসী মহিলার ইচ্ছে শক্তিকেই কুর্ণিশ জানাচ্ছে।

জুলাই ২১.২০২৫

PrevPreviousস্বাস্থ্য অধিকর্তা হাততালি কুড়িয়ে বেরিয়ে যাবেন!!
Nextস্বাস্থ্য আর শিক্ষার বাণিজ্যকরণNext
4.7 3 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
3 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
1 year ago

চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতেই মালতীর আখ্যান পড়ে ফেললাম। খুবই উৎসাহব্যঞ্জক আখ্যান মালতীর। আমাদের চেনা গণ্ডির মধ্যেই এমন অচেনা মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য লেখককে অনেক ধন্যবাদ। পুনশ্চ অংশে সংযোজিত বক্তব্য কিছুটা হলেও মনকে দমিয়ে দেয়।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
1 year ago

মালতীর মতো মানুষেরাই আমাদের অনেকের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রেখেছে। লড়াইটা ওদের। ওদের‌ই লড়তে হবে।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
1 year ago

জিলিং সেরিং গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য সরকারের তরফ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে । এই প্রয়াস পুরুলিয়া জেলার এই প্রত্যন্ত অঞ্চলের আদিবাসী মানুষদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে এক সদর্থক প্রয়াস বলেই মনে করছি। এই বিদ্যালয়টির পরিকাঠামোর উন্নয়ন সামগ্রিক পরিস্থিতির পক্ষে এক ইতিবাচক পদক্ষেপ। মালতীর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ডাক্তার, তবুও….

September 6, 2026 No Comments

“মৃত পশুদের মতো আমাদের মাংস ল’য়ে আমরাও প’ড়ে থাকি।” এই লাইনটি জীবনানন্দ দাশের ‘ক্যাম্পে’ কবিতা থেকে নেওয়া। তেমন কোনো গূঢ় উদ্দেশ্য নেই। ইতিহাস লিখতে বসে

আলো

September 6, 2026 No Comments

নিচের লেখাটা গল্প – আবার গল্প নয়ও। আজ আমার এক খ্যাতনামা সাহিত্যিক দিদির কাছে জানতে পারলাম, জীবনদায়ী রক্তেরও ধর্মীয় বিশুদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে কোনও কোনও

ওয়াচ ডগ

September 6, 2026 1 Comment

ছোটবেলা থেকে একটা কথা শুনে আসছি যে সাংবাদিকরা হলেন গণতন্ত্রের ওয়াচ ডগ। চাকরি করতে এসে ভাবতাম আমরা সরকারি কর্মচারী বা তাহলে কি? এত দিন চাকরি

কথা বলার মানুষ আছে, তবু একা কেন?

September 5, 2026 No Comments

৩১ শে আগস্ট ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

মরণোত্তর দেহদান বিতর্ক

September 5, 2026 No Comments

আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে কারণেই হোক, ভেবে কিংবা না ভেবে, একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে এনেছেন। বাস্তবিক পক্ষে, এটা ঠিক একটা নয় তিনটে ভাগে বিভক্ত। ১) মারা

সাম্প্রতিক পোস্ট

ডাক্তার, তবুও….

Smaran Mazumder September 6, 2026

আলো

Dr. Sukanya Bandopadhyay September 6, 2026

ওয়াচ ডগ

Dr. Samudra Sengupta September 6, 2026

কথা বলার মানুষ আছে, তবু একা কেন?

Doctors' Dialogue September 5, 2026

মরণোত্তর দেহদান বিতর্ক

Dr. Amit Pan September 5, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

673205
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]