Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

করোনা হেল্থ ক্যাম্প

IMG_20200605_212227
Dr. Soumendu Nag

Dr. Soumendu Nag

Doctor in a local self-government hospital.
My Other Posts
  • June 6, 2020
  • 6:32 am
  • One Comment

ব্যাপারটা শুরু হয়েছিল শংকর পাণ্ডের হাত ধরে। ওদের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেবার খবরের পাশে এক অপুষ্ট বাচ্চার খবর লেখা হয়। বারাসাতে। মুখার্জি পাড়ার কাছে। তখন সবে সবে লক ডাউন। লোকজন বেরোচ্ছেন। রাস্তায় ফাঁকা পীচ পথ শুয়ে থাকে খাঁ খাঁ। ঠিক করি হেলথ ক্যাম্প হবে। ওদের বাড়ির কাছে গিয়ে। সেই শুরু। তারপর থেকে অনেকগুলি হল।

বাড়ির কাছে গেলে রুগীদের বাড়ির লোক বাড়ির লোক লাগে। তাদের বেঁচে থাকা, দিন যাপন, ঘরের ছাদ, নড়বড়ে দেওয়াল, মলিন জলের গ্লাস ছাপ ফেলে ডাক্তারীতে। পাল্টে যায় অনেক কিছুই। কাছ থেকে, একেবারে ঘরের ভেতর থেকে দেখা যায় অসুখ, অসুখের উৎস। নিরাময়ের রাস্তা। তার অদেখা জটিলতার আনাচ কানাচ। এই যেমন ধান তলার সেই ছেলেটা, অ্যাকসিডেন্টে ভেঙে যাওয়া হাঁটুর নীচটা। অনেকগুলো অপারেশনের পরও অস্টিওমায়েলাইটিস খুবলে নিচ্ছে প্রতিদিন। ট্রেন চলছেনা। দিন আনি দিন খাই পরিবারের সামর্থ্য নেই গাড়ী ভাড়া করে জহরলাল যায়। অপেক্ষায় দিন গুনছে ক্রমশই বাড়তে থাকা লক ডাউনের শেষ হবার। যেন অলৌকিক সেই ভোরে স্বাভাবিক পৃথিবীর স্বাভাবিক আউটডোরে আবার দেখাবে সে। ততদিন কত কি হয়ে যেতে পারে! সে হয়তো বোঝেও। তবুও অপেক্ষা করে। লকডাউন শেষ হবার।

এই কদিনে এদিকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের খুব আকাল। ট্রেনে করে আসতেন যাঁরা, আসতে পারছেন না। অতএব যা হয়। কার্ডিওলজি থেকে গাইনোকলজি সব কেস এসে ভীড় করে ক্যাম্পে। সামান্য বিদ্যে নিয়ে যত্ন করে দেখি। যতটুকু বুঝি পরামর্শ দিই। মাঝে মাঝে বন্ধুবান্ধবদের, দাদাদের ফোন করে জ্বালাই।

এই যেমন আমাদের পাড়ার ছেলেটি। টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস। নীলরতনে চিকিৎসা নিয়ে ভালোই ছিল। কিন্তু হকার বাবার ট্রেন না চললে ইনকাম ফক্কা। হাসপাতাল থেকে পাওয়া ইনসুলিনের ভান্ডার শেষ হতেই ধুঁকতে বসেছে সে।

কদিন আগে এরকমই এক ক্যাম্পে বসেছিলাম, গলদঘর্ম। হঠাৎ খবর এল একজন অজ্ঞান হয়ে গেছে। পাশেই। যদি একটু যাই। পাশেই। তা গেলাম। গিয়ে দেখি বছর ত্রিশের এক গৃহবধূ। ইনফার্টিলিটির চিকিৎসা চলছিল কলকাতায়। এসেও ছিল ইস্যু। তিনমাস। কয়েকদিন আগে হঠাৎ মিসক্যারেজ। সেই আমার অজ্ঞান হওয়া পেসেন্ট।

দেখলাম। আপাতত ভয়ের কিছু নেই। আসলে মানসিক অবসাদ চেপে ধরেছে তাকে। তার বিছানার পাশে ডাঁই করা ওষুধ। ফলিক অ্যাসিড। ভিটামিন। মাদার্স হরলিক্স। এসব কিছুই আর দরকার নেই। যার জন্য এতকিছু সেই আর নেই। মূর্তিমান হতাশার মত সব কিছু শেষ হবার পরও সেগুলি স্পর্শহীন রয়ে গেছে। এসব দেখি। কিছুই করতে পারি না। ঘুমের ওষুধ, ডিপ্রেশনের ওষুধ লিখি। সান্ত্বনা দিয়ে চলে আসি। ‘এখনও বয়েস যায়নি। সব ঠিক হয়ে যাবে।’

অথচ ঠিক হয় না কত কিছুই। সেই মাকেই বা সান্ত্বনা কি করে দেব আমি, যার রেফার হওয়া সন্তান মারা গেছে মায়েরই কোলে। ইন্টেস্টিনাল অবস্ট্রাকশন । সামাজিক দূরত্বের ভয়, ভয় দিনকালে অর্থ জোগাড়, গাড়ী জোগাড়, তারপরও কত শত বিপত্তি থাকে! তবু সে গেছিল। কিন্তু ততক্ষণে দেরী হয়ে গেছে। হয়তো এসব না থাকলে গাড়ি জোগাড় হত তাড়াতাড়ি। রাজস্থানে আটকে থাকা ছেলেটার বাবা বাড়ি থাকলে চটপট জোগাড় হত সব। হয়তো… হয়তো… প্রতিটা দিন একগাদা হয়তো-র অপরাধবোধ কুঁড়ে কুঁড়ে খাওয়া একটা মাকে কিভাবে সামলাবো আমি। আমার সামান্য চিকিৎসাবিদ্যা কিভাবে সামলাবে এইসব এত এত যন্ত্রণার অভাবের ইতিহাস! পারি না। তবুও বসি। ক্যাম্পের সামান্য কিছু ওষুধ আর বিনিপইসার পাশকরা ডাক্তার দেখাবার জন্য প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে ভীড় করা মানুষগুলোর বিপি মাপি, গল্প শুনি।

একগাদা কিচ্ছু না করতে পারা অপরাধ বোধের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকে দু একটা শুকনো চোখ জলে টস টস মা। কেরালার সেই হাতিটার মতন …

PrevPreviousসাইক্লোন বিধ্বস্ত হিঙ্গলগঞ্জের স্বাস্থ্য শিবির থেকে
NextফুলরোদNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
দীপঙ্কর ঘোষ
দীপঙ্কর ঘোষ
6 years ago

অসাধারণ

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

July 31, 2026 No Comments

ইংল্যান্ডে থাকা আমাদের দেশের এক ছেলে, মুম্বাই থেকে তার বাবা- মা কে যন্তরমন্তরে পাঠিয়েছেন এই বলে, “বাবা, তুমি আমার হয়ে পুলিশের কাছে একটা ডান্ডা খেয়ে

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

July 31, 2026 No Comments

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৪ জুলাই ২০২৬ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ একটি ‘উপদেশ’ জারি করেছেন (মেমো নম্বর BMC/2192) তাঁর নিজস্ব প্রশাসনিক আওতাভুক্ত কলেজ, ছাত্রাবাস, হাসপাতাল, হাসপাতালের

আ জা দি

July 31, 2026 No Comments

আ -য়ে আক্রমণ, আ-য়ে আগ্নেয়াস্ত্র, আ -তে আর্তনাদ, আতংক, আশঙ্কা, আততায়ী, সবই বড় ভয়ানক আ। অমন আ’দের মুখে আগুন জ্বেলে, আকাশের মতো অন্য আ’দের চাই,

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

July 30, 2026 9 Comments

সাত সকালে ইউ টিউবে ভেসে আসা ছবিটা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়েছিলাম। আপনাদের‌ও নিশ্চয়ই চোখে পড়েছে অমন চমকদার দৃশ্যখানি – সারসার মহিলার দেহ শোয়ানো রয়েছে চিতার

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

July 30, 2026 No Comments

গত ২৪শে জুলাই শহর কলকাতায় এক রূপকথার জন্ম হল। পড়ন্ত সূর্যের মায়াবি আলোয় লাখো মানুষের মিছিলে জ্বলে উঠল হাজার আশার ঝাড়বাতি। এই রূপকথার নির্মাণ যারা

সাম্প্রতিক পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

Sukalyan Bhattacharya July 31, 2026

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

The Joint Platform of Doctors West Bengal July 31, 2026

আ জা দি

Arya Tirtha July 31, 2026

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

Somnath Mukhopadhyay July 30, 2026

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

Gopa Mukherjee July 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

656831
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]