Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

করোনার দিনগুলি ১২ঃ মিষ্টি গল্প

IMG-20200406-WA0005
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • April 7, 2020
  • 9:05 am
  • One Comment

আমি খুবই ভীতু মানুষ। তাই আর বিতর্কিত বিষয়ে যাব না। ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যকর্মীদের PPE নিয়ে গলা ফাটানোর জন্য এক ডাক্তারবাবুকে পুলিশের হাতে নাকাল হতে হয়েছে। অতএব আমি PPE নিয়ে কিছু লিখবনা। আমি চিকিৎসক। চিকিৎসা করতে গিয়ে টিবি, হেপাটাইটিস, করোনা সবকিছুতেই আক্রান্ত হতে পারি। সেটা অকুপেশানাল হ্যাজার্ড। তাতে আমার তেমন আপত্তি নেই। কিন্তু পুলিশ-টুলিশ আমার তেমন সহ্য হয় না।

এমনিতেও করোনায় না মরলেও পাবলিকের হাতে মরতেই হবে। দিল্লীতে এক হাসপাতালে করোনা রোগী সাতদিন ভেণ্টিলেশনে থেকে মারা যাওয়ার পরে রোগীর তথাকথিত আত্মীয়রা এক তরুণ ডাক্তারকে উদোম পিটিয়েছে। সম্ভবত ইন্দোরে জ্বরের রোগীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করার সময় দুজন চিকিৎসক গণপিটুনি খেয়েছেন। তার মধ্যে একজন মহিলা চিকিৎসক। আমি এখনও সেই গণপিটুনি খাওয়ার ভিডিও দেখার সাহস অর্জন করতে পারিনি।

সেসব নিয়েও কিছু লিখবনা আমি। ঐ যে বললাম, প্রশাসনকে বড়ই ভয় পাই। পুলিশের সামনে নির্ভয়ে ডাক্তারকে চড় মারা যায়। কিন্তু সেই চড় খাওয়া নিয়ে উচ্চবাচ্য করলেই প্রশাসন ডাক্তারকেই ধমক লাগায়।

জানিনা আমাদের এই অশান্ত সময়ে কি করা উচিৎ। কিন্তু ঐ যে ফাইনাল ইয়ারে সকলেই প্রতিজ্ঞা করে ফেলেছিলাম, একটা বস্তাপচা হাজার বছরের পুরোনো সেন্টিমেণ্টাল প্রতিজ্ঞা, ‘সবসময় রোগীর ভালোর জন্য যা করার তাই করব। কোনো ভয়, ঘৃণা, এমনকি নিজের জীবনের ঝুঁকির জন্যও রোগীর অনিষ্ট কখনও কামনা করবো না।’ সেটা যে আমার কয়েকজন ভাইবোন একেবারে আত্তীকরণ করে ফেলেছে, স্পষ্ট বুঝতে পারছি। শুধু আমাদের দেশ নয়, চীন, ইতালি, কিউবা এমনকি আমেরিকার মতো ধনতান্ত্রিক দেশেও। সেসব নিয়েও কিছু লিখব না আমি।

বরঞ্চ আজ মিষ্টি নিয়ে লিখি। মিষ্টি নিয়ে মিষ্টি লেখায় কোনও রিস্ক নেই।

ঘোলা থেকে রোগী দেখে ফিরছিলাম। সবই জ্বরের রোগী এবং সকলেই প্রায় নিঃসন্দেহ তাঁর করোনা হয়েছে। কারো জ্বরের সাথে গলা ব্যথা। কারো বুকে সাঁই সাঁই। কারো নাক দিয়ে লবণ জল গাড়াচ্ছে। কারো আবার জ্বর জ্বর ভাব। থার্মোমিটারে স্বাভাবিক তাপমাত্রা দেখাচ্ছে। কিন্তু রোগীর দাবী তাঁর জ্বর আসছে। থার্মোমিটারের পারদে ভেজাল আছে।

এধরণের জ্বরের চিকিৎসা করাই সবচেয়ে ঝামেলার। এই জ্বরের চিকিৎসা করার জন্য আমার নিজস্ব একটি পদ্ধতি আছে। কিন্তু যেহেতু এই লেখাটা আমার অনেক রোগীই পড়বেন, এবং সেই পদ্ধতির সাথে তাঁদের চিকিৎসা পদ্ধতির মিল পেলে মনঃক্ষুণ্ণ হতে পারেন, তাই আর বিশদে লিখলাম না।

বরঞ্চ মিষ্টির গল্পে ফেরত আসি। ঘোলা থেকে ফেরার সময় সাজিরহাট ব্রিজের কাছে একটা মিষ্টির দোকান খোলা দেখে দাঁড়ালাম। জানি আট দিনের বাসী মিষ্টি। কিন্তু মিষ্টি তো।

গুটি গুটি পায়ে দোকানে গিয়ে দাঁড়ালাম। দোকানদার আমায় ভালোমতো চেনেন। আমারই রোগী। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ভালো মিষ্টি কোনটা হবে?’

উনি আমায় দেখে কেমন থতোমতো খেলেন। বললেন, ‘ডাক্তারবাবু, আজই আটদিন বাদে প্রথম খুললাম। আজই মিষ্টি নেবেন?’

বললাম, ‘কেন? অনেকরকম মিষ্টিই তো আছে দেখছি।’

উনি বললেন, ‘ডাক্তারবাবু, দোকানের ভেতরে আসুন। আপনার সাথে কথা আছে।’

গেলাম ভেতরে। দু মিটার দূরে দাঁড়িয়ে বললাম, ‘বলুন কি কথা?’

উনি ইতস্তত করে বললেন, ‘আজ্ঞে ডাক্তারবাবু, সব মিষ্টিই আগের সোমবার বানানো। শুধু কাঁচাগোল্লাটাই গরম। তবে সব ফ্রিজে ভরে রেখেছিলাম। কিন্তু প্রাণে ধরে আপনাকে বাসী মিষ্টি দিতে পারব না। আপনি আমার রোজকার খদ্দের। তার উপর আমার ডাক্তার। আজ যদি ছানা জোগাড় করতে পারি, তাহলে কাল রসগোল্লা বানাব। কাল গরম রসগোল্লা নেবেন।’

আমি ততক্ষণে মোহনভোগ, ছানার জিলাপির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছি। আহা, কতদিনের অদর্শনের পর দেখা। বললাম, ‘বাসী হোক, ও দুটো আমায় খান দশেক করে দিন।’

দোকানদার বললেন, ‘যদি অভয় দেন একটা কথা বলি। নেওয়ার আগে আপনি টেস্ট করে নেন। ভালো থাকলে তবে নেবেন।’

মোহনভোগ খেলাম, ছানার জিলাপিও খেলাম। দিব্যি আছে। দোকনদার বললেন, ‘জলভরাটাও একটা টেস্ট করেন। এটা কড়াপাকের। নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’

জলভরা খেলাম। তারপর ক্ষীরকদম্ব। তারপর কালাকাঁদ। তারপর ক্ষীরের প্যাঁড়া, আমসত্ত্বের স্যান্ডুইচ মিষ্টি, চকলেট মিষ্টি, মিহিদানার লাড্ডু। বললাম, ‘সব ঠিক আছে।’

দোকানদারকে টাকা দিলাম। কিছুতেই নিলেন না। বললেন, ‘এবার নির্ভয়ে বিক্রি করতে পারব। কেউ কিছু বললেই বলব, স্বয়ং ডাক্তারবাবু এসে আমার মিষ্টি টেস্ট করে সার্টিফিকেট দিয়ে গেছেন।’

PrevPreviousডা নন্দ ঘোষের চেম্বার পর্ব ২৯ঃ কোয়ারেন্টাইন বনাম আইসোলেশন
Next“Physical distancing” or “social distancing”?Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Debnath Chakraborty
Debnath Chakraborty
6 years ago

যাক , মিষ্টি নিয়ে দুশ্চিন্তা কমল । সাধু সাধু……

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ফ্যাসিবাদী স্বৈরতন্ত্র কায়েম করার সরকারি প্রচেষ্টাকে সংগ্রামী গণমঞ্চ তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছে

July 29, 2026 No Comments

২৭ জুলাই, ২০২৬ ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা এবং দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে দীর্ঘ দিন ধরে চলা আন্দোলনের সংহতিতে গত ২৪ জুলাই বামপন্থী

আমিষ বনাম নিরামিষ: আসল প্রশ্ন কোনটা?

July 29, 2026 No Comments

সহরচনাকারঃ পারমিতা দাশ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি বিদ্যালয়ের  মিড ডে মিলের মেনুর বদল নিয়ে জোরদার বিতর্ক শুরু হয়েছে। নতুন সরকার মিড  ডে মিলের জন্যে বরাদ্দ

স্বৈরাচারের এক অনন্য নিদর্শন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের

July 29, 2026 No Comments

সারা দেশ বর্তমানে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা নিয়ে উত্তাল। ক্ষোভের আঁচ রাজধানীর সীমানা পেরিয়ে গোটা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছে, কারণ এই সমস্যা আমাদের প্রত্যেকের। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে

কলমি শাক

July 28, 2026 No Comments

হরিপদ বারুই ছাতনাতলা জেনেরাল হাসপাতালের জেনেরাল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসার, যাকে সরকারিভাবে সংক্ষেপে এবং বেসরকারিভাবে কিছুটা ইয়ের সঙ্গে বলা হয় জিডিএমও। হাসপাতালের সদ্য ল্যাজ নাড়তে শেখা

টিকটিকি

July 28, 2026 No Comments

এই শোন, তোরা দেখিসনি কিছু…ঠিক কিনা বল? ঠিক, ঠিকই! যারা গেছে যাক, মারা গেলে যাক, যাবি না ওখানে ঠিক ঠিকই। মুখ খুললেই দেশ-বিদ্বেষ, করব নিকেশ।

সাম্প্রতিক পোস্ট

ফ্যাসিবাদী স্বৈরতন্ত্র কায়েম করার সরকারি প্রচেষ্টাকে সংগ্রামী গণমঞ্চ তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছে

Sangrami Gana Mancha July 29, 2026

আমিষ বনাম নিরামিষ: আসল প্রশ্ন কোনটা?

Debashish Goswami July 29, 2026

স্বৈরাচারের এক অনন্য নিদর্শন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের

West Bengal Junior Doctors Front July 29, 2026

কলমি শাক

Dr. Partha Bhattacharya July 28, 2026

টিকটিকি

Dr. Arunachal Datta Choudhury July 28, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

656037
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]