Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

করোনার দিনগুলি ৪৪ সেলিব্রিটি

IMG_20200620_190119
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • June 21, 2020
  • 5:59 am
  • No Comments

সেলিব্রিটি না হলে খবরে আসা যায় না। সারা জীবন খবর শুনেই কাটিয়ে দিতে হয়। নেতা-মন্ত্রী, ফিল্ম আর্টিস্ট, খেলোয়াড়দের বাণী সহ খবরের কাগজে পাতা জোড়া ছবি বেরোয়। আমরা মনোযোগ দিয়ে সেই খবর পড়ি।

যখন খবরের অভাব ঘটে তখন সাধারণ মানুষকেও সেলিব্রিটি করার চেষ্টা হয়। তবে তার জন্য সাধারণ মানুষদের বড় বেশি মূল্য দিতে হয়।

কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় কারখানা থেকে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হলে সর্বভারতীয় খবর হয়। তবে তা দিন দুয়েকের জন্য।

একজন অভিনেতার আত্মহত্যার ঘটনায় ঘন্টার পর ঘন্টা টিভিতে আলোচনা চলে। সঞ্চালক নিজেই রীতিমতো মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠেন। কিন্তু প্রতিদিন গড়ে আঠাশ জন কৃষক আত্মহত্যা করলেও তাঁদের পরিবার ছাড়া কেউই চোখের জল ফেলেন না।

তবে ইদানিং আমাদের মতো অতি সাধারণ চিকিৎসকদেরও মাঝারি মাপের সেলিব্রেটি হওয়ার সুযোগ হয়েছে। সৌজন্যে করোনা মহামারী ও ফেসবুক।

লকডাউনের মরশুমে রোগীর চাপ কম থাকায় নিয়মিত ‘করোনার দিনগুলি’ লিখছিলাম। কোনো কোনো লেখা হাজারখানেক লাইক পাচ্ছিল। দুশো- তিনশো শেয়ার। ফেসবুকের ছোটখাটো সেলিব্রিটি হয়ে উঠেছিলাম। সরকার হঠাৎ করে লকডাউন তুলে নেওয়ায় রোগীর চাপ বেড়ে গেছে। লেখালেখি মাথায় উঠেছে।

আজ থেকে কয়েক বছর আগে হলেও পুরো বিষয়টাকে বেশ উপভোগ করতে পারতাম। ইনবক্সে অনেক অচেনা মানুষ মহামারীর সাথে লড়াইয়ের জন্য এই পাতি চিকিৎসককে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বয়সটা বছর দশেক কম হলে হয়তো এই অভিনন্দনে খুশিই হতাম।

কিন্তু সময়ের সাথে সাথে অনেক কিছু ঠেকে শিখেছি। সেসব প্রকাশ করে অস্বস্তির কারণ হতে চাই না। তবে প্রশংসায় যে গলে যেতে নেই, এটাই সেই শিক্ষার মধ্যে প্রধান শিক্ষা।

আর কিসের লড়াই। আমি রোগী দেখছি যথেষ্ট প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে এবং পয়সার বিনিময়ে। এই লকডাউন আমার অর্থনৈতিক অবস্থার উপর আদৌ বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারেনি।

বরঞ্চ বহু মানুষ কোনো রকম প্রতিরক্ষা ছাড়াই সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্য মহামারীর সময়েও মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছেন। চিরকাল সোনার কাজ করা যুবক সাইকেলে আলু, পেঁয়াজ নিয়ে বাড়ি বাড়ি ফেরি করেছেন। যিনি পাড়ায় পাড়ায় মাছ বিক্রি করছেন, তাঁর মাছ কাটার মরিয়া চেষ্টা দেখে বোঝা গেছে তিনি এ ব্যাপারে এখনো শিক্ষানবিশ।

প্রতিদিনই শূন্য দৃষ্টি নিয়ে একাধিক মানুষ বাড়ি এসে বলেছেন, ‘কোন কাজ আছে? যে কোন কাজ। যা ইচ্ছে দেবেন।’

লকডাউন ওঠার পরও মানুষের মরিয়া প্রচেষ্টা দেখে আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছি। সাইকেলে করেই বহু মানুষ রোজ কলকাতা যাচ্ছেন। যাওয়া-আসা মিলিয়ে প্রতিদিন পঞ্চাশ কিলোমিটার সাইকেল চালাচ্ছেন।

কয়েক বছর আগের ঘটনা। দুর্গাপুজোর অষ্টমীর দিন মেডিকেল কলেজের মেডিসিন ডিপার্টমেন্টের নাইট ডিউটি। নিজেকে বঞ্চিতের, হতভাগ্যের দলে মনে করে আত্মপ্রসাদ অনুভব করছিলাম।

মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগী কম। এমারজেন্সিতে গিয়ে ইন্টার্নদের সাথে গল্প করছিলাম। গল্পের বিষয়বস্তু বারবার ঘুরে যাচ্ছিল ডাক্তার হওয়ার কুফলগুলির দিকে। অষ্টমীর রাত্রে কলকাতার রাস্তায় জন সমুদ্র। আর আমরা গুটিকতক লোক প্রিয়জনদের থেকে দূরে হাসপাতাল সামলাচ্ছি।

আমার দুঃখ আরও বেশি। কারণ দশমীতে রোটেশনাল এডমিশন ডে। সেদিনও হাসপাতালে কাটবে।

একজন বলল, ‘এর থেকে স্কুল শিক্ষক বা অফিসের কেরানি হলে ভালো হতো। অন্তত লাইফ বলে কিছু থাকতো।’

গল্পে গল্পে রাত দেড়টা বেজে গেছে। একটি বছর-দশেকের ছেলে এমার্জেন্সিতে ঢুকলো। সঙ্গে একজন মধ্যবয়স্ক লোক।

মধ্যবয়স্ক ব্যক্তিটি বললেন, ‘ডাক্তারবাবু, একে একটু দেখে দিন। গরম জল পড়ে পা পুড়ে গেছে।’

দেখলাম ডান পায়ে বড় বড় ফোস্কা। ধূলি ধূসরিত খালি পা। বললাম, ‘গরম জল পড়ল কি করে?’

‘আজ্ঞে ডাক্তারবাবু, আমার চায়ের দোকান। ওখানে পুজোর সময়ে ভিড় সামলানোর জন্য নিয়েছি। কিন্তু এমন ক্যাবলা ছেলে জানবো কি করে?’

‘আপনি এইটুকু বাচ্চাকে দিয়ে কাজ করাচ্ছেন?’

লোকটি বিরক্ত ভাবে বললেন, ‘করাতে চাইনি ডাক্তারবাবু। কিন্তু ওর বাপ এসে এমন ভাবে ধরলো! মুর্শিদাবাদে বাড়ি। বাপটা কলেজ স্কোয়ারের পুজোর ঢাক বাজাতে এসেছে। ছেলেকে নিয়ে এসেছে সঙ্গে। হাতে পায়ে ধরে পাঁচ দিনের জন্য দোকানে কাজে ঢুকিয়ে দিয়েছে।’

‘কখন পুড়েছে?’

‘হয়েছে তো সন্ধ্যায়। কিন্তু তখন এতো ভিড়, আসবো কি করে! দোকানে একটু ভিড় কমতেই নিয়ে এসেছি।’

এমার্জেন্সির আলমারি থেকে সিলভার এক্স আর একটা নরমাল স্যালাইনের বোতল বের করলাম। নিজেই ড্রেসিং করতে শুরু করলাম। কিছুটা সময় কাটবে।

ছেলেটি কাঁদছে। মধ্য বয়স্ক ব্যক্তিটি বললেন, ‘কাঁদিস নে। তোকে আমি গ্যাস বেলুন কিনে দেবো।’

এভাবে গ্যাস বেলুনের লোভ দেখিয়ে কত কান্না যে বন্ধ করা হয়েছে জানিনা। শুধু এটুকু জানি গ্যাস বেলুন সামান্য আঘাতেই ফাটতে সময় লাগে না। আর এটাও জানি আমরা ডাক্তাররাও পুরোপুরি সেলিব্রিটি না হলেও আধা সেলিব্রিটি।

তবে অধিকাংশ মানুষ যাঁরা সেলিব্রিটি নন, তাঁদের মহামারী নেই। লকডাউন নেই। পুজো নেই। মৃত্যুভয় নেই। আছে শুধু জীবন যুদ্ধ।

PrevPreviousমন ভালো নেই
Nextমেডিকেল কলেজ নিয়ে কিছু বাস্তবসম্মত প্রস্তাবNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

হক আর কানুন

June 6, 2026 No Comments

হক আর কিছু রইলো না কারো মাফ করে ভাই, যাও আগে বাড়ো সাজিয়ে রেখেছি শ’বুলডোজারও ওই দেখো হাঁটু মুড়ে পক্ষে আমার আইন ও পুলিশ হকের

হকার উচ্ছেদ: বদলে গেছে বাঙালি, বঙ্গ মিডিয়া বুলডোজার এখন এই রাজ্যে “নিউ নরমাল”

June 6, 2026 1 Comment

হকার উচ্ছেদ বাঙালির সামনে বাঙালিকে দাঁড় করিয়ে দিল। সামনে এনে দিল একটা গভীর প্রশ্ন: বাঙালি কি বদলে গেছে? কেন্দ্র ও রাজ্যের বিজেপি সরকারের অমানবিক মুখই

OCD কী?

June 6, 2026 No Comments

স্বাস্থ্য সাথীর বদলে আয়ুষ্মান ভারত — পশ্চিমবঙ্গে কি এবার স্বাস্থ্যব্যবস্থার হাল বদলাবে?

June 5, 2026 No Comments

২৫ শে মে, ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

Whistleblower Army

June 5, 2026 No Comments

২৯ শে মে, ২০২৬ আমার এক অনুজ চিকিৎসক বন্ধু প্রায়ই পরিহাস ছলে বলে  ‘শুনে চোখে জল চলে এলো’। পরিহাস করছি না, সত্যি সত্যিই আমার চোখে

সাম্প্রতিক পোস্ট

হক আর কানুন

Arya Tirtha June 6, 2026

হকার উচ্ছেদ: বদলে গেছে বাঙালি, বঙ্গ মিডিয়া বুলডোজার এখন এই রাজ্যে “নিউ নরমাল”

Parichay Gupta June 6, 2026

OCD কী?

Dr. Aditya Sarkar June 6, 2026

স্বাস্থ্য সাথীর বদলে আয়ুষ্মান ভারত — পশ্চিমবঙ্গে কি এবার স্বাস্থ্যব্যবস্থার হাল বদলাবে?

Dr. Punyabrata Gun June 5, 2026

Whistleblower Army

Dr. Amit Pan June 5, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

628582
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]