২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
আর জি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির মামলা চলছে তার বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়ে দ্রুত শাস্তি হোক এটি হয়তো প্রশাসন চাইছে না। কারণ গভীর।
আমরা বারবার বলেছি, ‘নাটক ছেড়ে বিচার করো, আর জি করের মাথা ধরো’..কোন মাথাকে বাঁচানোর জন্য এক বা একাধিক চোরকে এবং খুনীদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে, তা আমরা জানতে চাই। অভয়ার অপরিসীম যন্ত্রণা কারা দিয়েছিল? কারা তার প্রাণটা কেড়ে নিল? তার তো কথা ছিল স্টেথোস্কোপ নিয়ে হসপিটালে যাওয়ার, হেসে খেলে জীবন কাটানোর। সব এক রাতে শেষ করে দেওয়া হল।
দুর্নীতির আঁতুড়ঘর থেকেই সবকিছু ধামাচাপা দেওয়ার নির্দেশ এসেছিল বলে আমরা মনে করি। এটি আরও বেশি করে প্রমাণিত হয় যখন দেখা যায় সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মামলায় সরকারি অনুমতি মেলে না।
আমরা বারবার বলেছি অভয়ার হত্যার সঙ্গে দুর্নীতি যোগ সুস্পষ্ট। তবে অভয়ার বৃহত্তর পরিবার অর্থাৎ রাজ্যের জনগণের আন্দোলনের ফলেই সরকার বাধ্য হয়েছে অনুমতি দিতে। সিবিআই অফিসে ডেপুটেশন দিতে গিয়ে আমরা তা জানতে পারি।
কিছুটা হলেও মানুষের আন্দোলনের ফলে বিচার ত্বরান্বিত হবে এই আশা রাখি। যদিও সিবিআই এবং রাজ্য প্রশাসন উভয়পক্ষ সম্বন্ধে আমাদের অসীম অবিশ্বাস। কিন্তু এটুকু আমরা নিশ্চিত জানি মানুষের চোখ শাসককে দেখছে। মানুষের লড়াই জারি আছে। স্বাস্থ্য ভবনের সামনে আমরা প্রশাসনকে সতর্কবার্তা দিয়ে এসেছি..’যতই তুমি ধূর্ত হবে, লড়াই ততো তীব্র হবে।’ যে ভয়ংকর হত্যাকারী দুর্বৃত্তরা এখনো খোলা হাওয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের চরম শাস্তি না দেওয়া পর্যন্ত আমরা রাস্তা ছাড়ছি না। রাজ্যের সব মেয়েদের নিরাপত্তা আজ প্রশ্নের মুখে। আমরা আমাদের মেয়ের মৃত্যু যন্ত্রণা বহন করে চলেছি। তাই কোনোভাবেই কোন শক্তি পার পাবে না। দুর্বৃত্ত এবং মদত দাতা শাসক সাবধান।










