Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ধারালি – বিপর্যয়ের এক নতুন ক্ষেত্র

18 c
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • August 18, 2025
  • 7:52 am
  • 3 Comments

উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর ধারালির বিপর্যয়ের কথা এতোদিনে সকলেই জেনে গেছি। নিঃসন্দেহে ২০১৩ সালের কেদারনাথের মহাপ্লাবনের স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনলো এই ঘটনা। এই বছর মৌসুমী বায়ুর নতুন খেলা দেখছে গোটা দেশ বিশেষ করে উত্তর ভারতের তিন পার্বত্য রাজ্য – উত্তরাখণ্ড, হিমাচল এবং অতি সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরের একাংশ।  এমন বড়ো মাপের বিপর্যয়ের সম্ভাব্য কারণ নিয়ে তথ্যভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞরা নেমে পড়েছেন আসরে। তাঁদের মুখ থেকেই উঠে আসছে এমন একটা ভয়ঙ্কর ঘটনার পেছনের নানান কাহিনি। তাঁরা এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে তার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করার সপক্ষে মতামত দিয়েছেন।

বিপর্যয়ের অব্যবহিত পরে বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে চাউর হয়ে গিয়েছিল মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টির কারণেই ধারালিতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। চারিদিকে ঘোর ঘনঘটা আর অবিশ্রান্ত বৃষ্টিপাতের কারণে এমনটা হ‌ওয়া মোটেই অস্বাভাবিক ছিলোনা। পরবর্তীতে অবশ্য এই সম্ভাবনাকে খারিজ করে দেন আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকরা। তাঁরা জানান যে ঐদিন উত্তরকাশীতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এমন প্রবল ছিলোনা যাতে মেঘ ভাঙার বিষয়টি মান্যতা পায়। এখানেই উঠে এসেছে অন্যতর সম্ভাবনার বিষয়। কী সেই কারণ যা এমন ঘটনা ঘটালো?একদল গবেষক অবশ্য ঘটনাটিকে  শিলা- হিমবাহ সম্প্রপাতের ( rock – ice avalanche  ) ফলাফল হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁদের মতে, পর্বতের উচ্চতর অংশে রয়েছে হিমবাহ। উষ্ণায়নের ফলে দুনিয়া জুড়েই জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটছে। হিমবাহরা বাধ্য হচ্ছে পিছু হটতে।এমন অবস্থা নষ্ট করে ফেলেছে হিমবাহের ভারসাম্য। একসময় এই ঝুলন্ত হিমবাহটি হিম উপত্যকায় ফেলে যাওয়া নুড়িপাথর বা গ্রাব সহ বৃষ্টিপাতের কারণে হুড়মুড়িয়ে ক্ষীর গঙ্গা নদীর খাত বরাবর নেমে আসার ফলেই এমন বিপর্যয় ঘটেছে।

বেশ কিছু মানুষের জীবনহানি হয়েছে, এখনো পর্যন্ত খোঁজ মেলেনি বহু মানুষের। অবশ্য উদ্ধারকারীরা অনেককেই উদ্ধার করেছে, তছনছ হয়ে গেছে গঙ্গোত্রী যাবার পথে থাকা তীর্থযাত্রীদের অন্যতম আস্তানা ধারালি গ্রাম। প্রায় ৫০ টির মতো হোটেল,হোম স্টে, বসতবাড়ি লোপাট হয়ে গেছে ধেয়ে আসা পাথর,বরফ আর কাদাজলের আঘাতে। উত্তরকাশীতে এমন ঘটনা এই প্রথমবারের জন্য ঘটলো তেমন কিন্তু নয়। নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে এমন ঘটনা এখানে ঘটেই চলেছে। প্রশ্ন হলো কেন এমন ঘটছে?মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টি অথবা শিলা- হিমবাহ সম্প্রপাতের সাথে সাথে উঠে এসেছে তৃতীয় এক প্রাকৃতিক সম্ভাবনার কথা। একদল বিজ্ঞানীর মতে গ্লফ বা হিমবাহ হ্রদের জল উপচে পড়ার ফলেই এমনটা ঘটেছে। কেদারনাথেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। ইসরোর তরফে সদ্য প্রকাশিত স্যাটেলাইট ইমেজ এই আশঙ্কাকে জোরদার করেছে। উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ায় কারণে পর্বতের উপর জমে থাকা বরফের স্তূপ গলছে। সেই বরফগলা জল পার্বত্য উপত্যকার নিঁচু অংশে জমা হয়ে তৈরি করছে হ্রদের। অনেক সময় হিমগ্রাবের অবক্ষেপের সঞ্চয়ের ফলে নদীখাত অবরুদ্ধ হয়েও তৈরি হচ্ছে সাময়িক জলাধার বা হ্রদের। যে ভাবেই হোক না কেন এই পরিবর্তন ঘটছে সকলের অলক্ষ্যে এবং অজান্তেই, কেননা এই বিষয়ে লাগাতার খোঁজখবর নেবার মতো ব্যবস্থা ও উদ্যোগ দুইয়ের‌ই অভাব রয়েছে। ধারালির ঘটনা আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে খোঁজখবর নেবার ব্যাপারে আমাদের ঔদাসীন্য ও গা ছাড়া মনোভাবকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই ধরনের বিপর্যয়ের ঘটনাকে আজ আর স্থানীয় স্তরে বিচার করলে চলবে না, আমাদের ভাবতে হবে এবং সেই অনুযায়ী উদ্যোগ নিতে হবে বৈশ্বিকভাবে। উত্তরকাশীতে যে বিপর্যয় ঘটেছে তা কেবলমাত্র সেই অঞ্চলের সমস্যা নয়, এটা গোটা দুনিয়ার সমস্যা। পৃথিবী জুড়েই চলছে গ্রাম সরিয়ে শহরায়ণের কাজ, বাড়ছে নগরায়িত জনপদের আবাসিকদের বিদ্যুতের চাহিদা, লাগামহীনভাবে বেড়ে চলেছে নিঃসৃত কার্বনের মাত্রা। এইসব কর্মকান্ডের নীট ফল হলো পৃথিবীর উষ্ণায়ন, হিম স্তূপের গলন এবং হিমালয়ের প্রাকৃতিক ভারসাম্যের পরিবর্তন। দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের হিমবাহগুলোর স্থিতিশীলতা এরফলে বিনষ্ট হচ্ছে, হিমবাহ গলা জল জমে তৈরি হচ্ছে অস্থায়ী হিম- হ্রদের। এগুলো অস্থিত প্রকৃতির হবার কারণে এক সময় জল উপচে পড়ছে এবং কেদারনাথ বা ধারালির মতো বিপর্যয় ডেকে আনছে। একা রামে রক্ষা নেই সুগ্রীব দোসরের মতো হিমবাহ গলা জলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে দক্ষিণের সাগর থেকে বয়ে আনা জলের মেঘ হয়ে বৃষ্টি ঝরানোর ঘটনা। ধারালির ক্ষেত্রেও হয়তো এমনটাই ঘটেছে।পর্বতের ওপরের দিকে কী ঘটছে তা নজরে আসেনা সহজে। পর্বতের সানু দেশে বসবাসরত মানুষের কাছে তা অজানাই থেকে যায়। কিন্তু ঘটনাক্রম থেকে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় সম্পর্কে সকলকে আগাম সচেতন করতে হলে ঢালের ওপরে থাকা হিমবাহের হাল হকিকত সম্পর্কে নিবিড় অনুসন্ধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব এলাকায় মানুষের বসবাস, সেই সব যায়গায় হিমবাহ হ্রদের আকার, আয়তন, অবস্থান, ঝুঁকির মাত্রা সম্পর্কে অনুপুঙ্খ তথ্য সংগ্রহ করতে হবে আশু পদক্ষেপ হিসেবে। পাশাপাশি খোঁজখবর নিতে হবে বরফগলা জল কোন্ পথ বেয়ে গড়িয়ে নেমে আসে পর্বতের উচ্চতর অংশ থেকে নিচের দিকে। অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে যে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই জল ছোট ছোট ধারায় বয়ে এসে কোনো বড়ো নদীতে এসে মিশে যায়। সেক্ষেত্রে এই সব নদীর তীরে গড়ে ওঠা বাড়িঘর বা গ্রাম ঠিক নিরাপদ জায়গায় রয়েছে কিনা তাও সরজমিনে খতিয়ে দেখা দরকার। ধারালিতে হোটেল,হোম স্টে বাংলো ইত্যাদি গড়ে তোলা হয়েছিল ক্ষীর গঙ্গা নদীর বিস্তির্ণ পলল ব্যজনীর ওপর । পর্বতের ওপর থেকে বয়ে আনা নুড়ি,বালি ,পলি পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে তৈরি হয় পলল ব্যজনী । নদীর প্রবাহ পথকে আড়াল করে গাঠনিক ভাবে দুর্বল পলল ব্যজনীর ওপর যথেচ্ছভাবে কংক্রিটের শাসন কায়েম করার ধৃষ্টতা দেখালে এমন পরিণতি অবশ্যম্ভাবী। ধারালিতে তাই হয়েছে।অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে যে,আগে যেসমস্ত এলাকাকে বসতি স্থাপনের জন্য নিরাপদ বলে মনে করা হতো সেই সমস্ত এলাকা পরিবর্তিত আবহিক পরিস্থিতিতে আর তেমন নিরাপদ নয়। এই কারণেই আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির আমূল পরিবর্তন ঘটাতে হবে আগামী দিনে।বদল আনতে হবে পার্বত্য অঞ্চলের জনবসতির এতোদিনের বিন্যাসে। বদলে যাওয়া জলবায়ু পরিবেশের সঙ্গে যুঝতে হলে এ ছাড়া গত্যন্তর নেই। আমাদের বুঝতে হবে যে মানুষের জীবন ও জীবিকা আজ নতুন সংকটের সামনে এসে পৌঁছেছে। একথা মানতেই হবে যে হিমালয় পর্বত‌ই হয়ে উঠেছে এই সমস্ত পরিবর্তনের প্রথম আক্রান্ত ক্ষেত্র। এখানে পক্ষপাতিত্বের সামান্য সুযোগ নেই। এই বিচারের পর্বটি বড়োই রূঢ় বাস্তবতার মুখোমুখি হতে বাধ্য করছে আমাদের। দেবভূমি বলে বিশেষ কোনো খাতির নেই। নাহলে কল্প কেদারের এতদিনের মন্দির ওপর থেকে বয়ে আসা অবস্করের তলায় চাপা পড়ে? আমাদের ঔদ্ধত্য হয়তো আগামীদিনে আমাদের বিণাশের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আমরা কোনো সতর্কবার্তা মানিনি,অথচ বিশেষজ্ঞরা বারংবার আমাদের যথেচ্ছাচারে রাশ টানতে বলেছেন।প্রকৃতি একের পর এক ঘটনার মধ্য দিয়ে আমাদের সতর্ক করেছে – কেদারনাথের মহাপ্লাবন, সিকিমের হ্রদ ভাঙ্গা। আমরা সতর্ক হ‌ইনি, শিক্ষা নিইনি। অথচ ধারাবাহিকভাবে হিমাচল, কাশ্মীর, সিকিমে বিপর্যয়ের ঘটনাক্রম জারি রয়েছে। নিজেদের ভুল ভ্রান্তি থেকে শিক্ষা নিতে নিতেই মানুষ তিলতিল করে নিজেকে গড়ে পিটে নিয়েছে সময়ের উপযোগী করে। অথচ এখন আমরা বিপ্রতীপ চলনে অভ্যস্ত হতে চাইছি। কি আশ্চর্য রূপান্তর! ধারালিতে আজ যা ঘটেছে তা কেবলমাত্র ঐ রাজ্যের ঘটনা তা নয়, এটা গোটা হিমালয়ের সমস্যা। বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা, ভাবনা না করলে, বিপর্যয় মোকাবিলা করতে সর্বাত্মক প্রয়াস না করলে এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে। আর আমরা কেবল হাহুতাশ করে নিজেদের দায়মুক্তির চেষ্টা করে যাবো। সিকিমের দুর্ঘটনার পর কিছু উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হলেও খুব কাজের কাজ কিছুই যে হয়নি,হার্সিল উপত্যকায় ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনা তা আবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

একটি কথা আমাদের অবশ্যই বুঝতে হবে যে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সক্রিয়তাকে আমরা আর এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবোনা ; আমরা যা পারবো তা হলো এই পরিবর্তনের সঙ্গে যথাসম্ভব খাপ খাইয়ে নিয়ে আমাদের টিকে থাকার লড়াইকে দীর্ঘায়িত করার প্রচেষ্টা করা। সেই গতানুগতিক ধারার নগরায়ন, পরিকাঠামোর সংস্কার ও নির্মাণ এবং বসতি বিন্যাসের প্রচেষ্টাকে বাতিল করে যে অবস্থায় আমরা আজ এসে পৌঁছেছি তার উপযুক্ত ব্যবস্থাকে কায়েম করতে হবে। একাজে ফাঁক রাখা যাবে না। এই মুহূর্তের বাস্তবতাকে স্বীকার করে নেওয়াই হবে দূরদর্শিতার পরিচয়।নাঙ্গা পর্বত থেকে নামচে বার‌ওয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হিমালয় পর্বতের প্রায় ২৫০০ কিলোমিটার অংশে অবস্থিত রাজ্যগুলি সহ দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপাল ও ভুটানকে সঙ্গে নিয়ে একসাথে পরিকল্পনা করে ভবিষ্যতে এগোতে হবে সকলকে। এই মুহূর্তে যখন ধারালির বিপর্যয় নিয়ে এই নিবন্ধটি শেষ করবো বলে ভাবছি তখনই বিপন্ন মানুষের আর্তনাদ ভেসে আসছে কাশ্মীরের কিশত‌ওয়ার থেকে । প্রবল মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টির কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হয়েছে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরেও নেমে এসেছে ভয়ঙ্কর বিপর্যয়। হিমাচল প্রদেশ এখন প্রাকৃতিক রোষের হিট লিস্টে অবস্থান করছে। একের পর এক বিপর্যয় নেমে এসেছে এই পার্বত্য রাজ্যের বুকে। গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য – ভারতের মাটিতে মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টির তাণ্ডব বাড়ছে যার অর্থ হলো লাগাতার বিপর্যয়ের আশঙ্কা। চট্ করে এসব ঘটনা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে না। তাই নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে হবে সকলকে। প্রকৃতির সহন ক্ষমতাকে অতিক্রম করে নয়, বাঁচতে হবে প্রকৃতির নিয়মানুসারে। তবেই সুস্থিত হবে আমাদের যাপন।

পড়ে দেখতে পারেন

মানালি থেকে ধারালি; বিপর্যয়ের এক অনন্ত আখ্যান …..

৪ নম্বর প্লাটফর্ম ই- ম্যাগাজিনে প্রকাশিত।

আগস্ট ১০, ২০২৫

PrevPrevious“সোডিয়াম থায়োসালফেট ইনজেকশন, একজন অভয় মানুষ এবং আমাদের তেরঙ্গা পতাকা”
Nextসত্যি বলছি গল্প নয় ৬Next
4.7 3 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
3 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
11 months ago

খুব তথ্যসমৃদ্ধ লেখা। চার নম্বর প্লাটফর্মের লেখাটার লিংক থাকলে ভালো হতো। বিপর্যয় পিছু ছাড়ছেনা। ঐ অঞ্চলের বিপন্ন মানুষদের জন্য সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
11 months ago

আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। মন্তব্য লেখার বিষয়ে পাঠকদের কার্পণ্য সকলের জানা। পরিবেশ প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের আগ্রহ নেই। ফলে পরিবেশের এমন বিয়োগান্তক পরিণতি। আক্রান্ত বিপর্যস্ত মানুষদের জন্য আপনার উদ্বেগ যথার্থ।

0
Reply
DrSouravM
DrSouravM
11 months ago

Nature always reminds us who the real boss is …

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

Bacteria Sacrifice Themselves for Each Other?

August 4, 2026 No Comments

কে গুণ্ডা? কাকে দমন করতে চায় রাজ্য?

August 4, 2026 No Comments

রাজ্যে নতুন সরকার গড়তে না গড়তেই নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিতে এক নতুন ভয়ঙ্কর গুণ্ডা দমন আইন এনেছে বিজেপি সরকার। আপাতত সেটি আদালতের বিচারাধীন। আইনটির

স্বাস্থ্য; নতুন সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা ও বাস্তব

August 4, 2026 No Comments

২৭শে জুলাঈ ২০২৬ ফেসুবুক লাইভে আলোচিত।

শালীন আনুগত্য বনাম অশালীন প্রতিবাদ

August 3, 2026 2 Comments

দুর্নীতি, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে চরম অব্যবস্থা এবং লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরে জমতে থাকা ক্ষোভ একটি ভয়াবহ ধর্ষণ ও হত্যাকে কেন্দ্র করে আসমুদ্র হিমাচল তোলপাড় করে

২৭ লক্ষ ডিলিটেড ভোটার: প্রতিবাদে সংগ্রামী গণমঞ্চ

August 3, 2026 No Comments

১-০৮-২০২৬ গত ৩০ শে জুলাই সংগ্রামী গণমঞ্চের একটি প্রতিনিধিদল রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সাথে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে অপেক্ষারত ২৭ লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে এবং ট্রাইব্যুনালগুলোর

সাম্প্রতিক পোস্ট

Bacteria Sacrifice Themselves for Each Other?

Satya Sagar August 4, 2026

কে গুণ্ডা? কাকে দমন করতে চায় রাজ্য?

Parichay Gupta August 4, 2026

স্বাস্থ্য; নতুন সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা ও বাস্তব

Dr. Punyabrata Gun August 4, 2026

শালীন আনুগত্য বনাম অশালীন প্রতিবাদ

Gopa Mukherjee August 3, 2026

২৭ লক্ষ ডিলিটেড ভোটার: প্রতিবাদে সংগ্রামী গণমঞ্চ

Sangrami Gana Mancha August 3, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

658052
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]