Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ডায়াবেটিসের অ থেকে চন্দ্রবিন্দুঃ পর্ব ১২ (ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি)

Diabetes symbol
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • May 17, 2020
  • 11:32 am
  • No Comments

ডায়াবেটিসে মৃত্যুর অন্যতম কারণ নেফ্রোপ্যাথি। ভারতবর্ষে কিডনি ফেলিওর হয়ে যত রোগী শেষ জীবনে ডায়ালাইসিসের উপর নির্ভর করতে বাধ্য হয়, তার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি দায়ী।

আমাদের মত গরীব দেশে এতো বিপুল সংখ্যক মানুষের ডায়ালাইসিস চালানোর মতো পরিকাঠামো নেই। এবং দরিদ্র পরিবারের অধিকাংশ মানুষই অর্থনৈতিক কারণে ডায়ালাইসিস চালাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুকেই বেছে নেন। ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথিতে রেনাল ফেলিওর হলে তা সারানোর একমাত্র উপায় আত্মীয়দের কারো কাছ থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন। সেটি আরও বেশী খরচ সাপেক্ষ এবং ফলাফলও খুব বেশি সন্তোষজনক নয়।

কিভাবে বোঝা যাবে কিডনি খারাপ হচ্ছে?

অধিকাংশ মানুষই জানেন ক্রিয়েটিনিন বেড়ে যাওয়া মানে কিডনি খারাপ হওয়া। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে অন্তত ৯০% কিডনির কার্যক্ষমতা নষ্ট হওয়ার পরেই তবে ক্রিয়েটিনিন বাড়তে শুরু করে।

একবার ক্রিয়েটিনিন বাড়তে শুরু হওয়া মানে অন্তত ৯০% কিডনির কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেছে। তখন হাজার চিকিৎসা করলেও কিডনি আগের অবস্থায় ফেরে না। আস্তে আস্তে এর কার্যক্ষমতা আরও হ্রাস পায়।

অতএব ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথিকে প্রাথমিক অবস্থায় ধরার জন্য আমাদের আলাদা পরীক্ষার প্রয়োজন। এক্ষেত্রে দুটি পরীক্ষা করা যায়। দুটি পরীক্ষাতেই নির্ভর করা হয়, আমাদের মূত্রে কি পরিমাণ এলবুমিন বেরোচ্ছে তার উপর। কিডনির কার্যক্ষমতা স্বাভাবিক থাকলে মূত্রে কোনো এলবুমিন বেরোয় না।

১. ২৪ ঘণ্টার মূত্রে এলবুমিনের পরিমাপঃ এক্ষেত্রে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মূত্র একটি পাত্রে সংগ্রহ করা হয়। তারপর সেই মূত্রে এলবুমিনের পরিমাণ পরিমাপ করা হয়।
৩০- ২৯৯ মিগ্রা/ডেসিলি= মাইক্রোএলবুমিনিউরিয়া।
>৩০০ মিগ্রা/ডেসিলি= ম্যাক্রোএলবুমিনিউরিয়া।

২. স্পট ইউরিনে এলবুমিন ক্রিয়েটিনিন রেসিও বা এ সি আরঃ এক্ষেত্রে যেকোনো সময়ে দেওয়া মূত্রের নমুনায় এলবুমিন ক্রিয়েটিনিন রেসিও বার করা হয়।

৩০- ২৯৯= মাইক্রোএলবুমিনিউরিয়া।
>৩০০= ম্যাক্রোএলবুমিনিউরিয়া।

যেহেতু এই পরীক্ষায় সারাদিন ধরে মূত্র জমিয়ে রাখার দরকার নেই তাই এ সি আর পরীক্ষা বেশি জনপ্রিয়।

মাইক্রোএলবুমিনিউরিয়ার রোগীদের চিকিৎসার মাধ্যমে এই স্তরেই আটকে রাখা যায়, অথবা এলবুমিন বেরোনো বন্ধ করে ভালো করে তোলা যায়। কিন্তু একবার ম্যাক্রোএলবুমিনিউরিয়া হলে তা অপরীবর্তনশীল। আস্তে আস্তে রোগী রেনাল ফেলিওরের দিকে এগিয়ে চলে এবং ৭-১০ বছরের মধ্যে তাদের রেনাল ফেলিওর হয়।

এখানে আরেকটা কথা বলে রাখা উচিৎ, রক্তে গ্লুকোজ অনিয়ন্ত্রিত থাকলেও সকলের কিন্তু ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি হয় না। এক অজানা কারণে মাত্র ২০-৪০% রোগীর নেফ্রোপ্যাথি হয়। কোনো ডায়াবেটিস রোগীর নিকটাত্মীয়ের কারো আগে ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি হলে, তার ক্ষেত্রে নেফ্রোপ্যাথি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

আরও একটি কথা আমাদের মনে রাখা দরকার, ডায়াবেটিস রোগীদের মূত্রে অ্যালবুমিন কিন্ত অন্য কারণেও বেরোতে পারে। যেমন মূত্রনালিতে সংক্রমণের জন্য অথবা অত্যাধিক রক্তচাপের জন্য। পরীক্ষা করার সময় এই বিষয়গুলি মনে রাখা উচিৎ এবং দরকার হলে পরীক্ষাটি আরেকবার করা উচিৎ।

চিকিৎসাঃ

আগেই বলেছি মাইক্রোএলবুমিনিউরিয়ার রোগীদের চিকিৎসার মাধ্যমে এই স্তরেই আটকে রাখা যায়, অথবা এলবুমিন বেরোনো বন্ধ করে ভালো করে তোলা যায়। কিন্তু একবার ম্যাক্রোএলবুমিনিউরিয়া হলে তা অপরীবর্তনশীল। সে কারণে প্রতিবছরই ডায়াবেটিস রোগীদের অন্তত একবার করে ইউরিনে এলবুমিন ক্রিয়েটিনিন রেসিও বা এ. সি. আর. পরীক্ষা করা উচিৎ। তার সাথে বছরে অন্তত একটি বার রক্তের ক্রিয়েটিনিনও পরীক্ষা করা উচিৎ।

নেফ্রোপ্যাথি বা এলবুমিনিউরিয়া ধরা পড়লে তার চিকিৎসাঃ

১. রক্তের গ্লুকোজ ঠিক রাখা।

রক্তের গ্লুকোজ স্বাভাবিক রাখার সময় আমাদের মনে রাখতে হবে ইনসুলিন নিষ্ক্রমণের প্রধান স্থান কিডনি। রেনাল ফেলিওরের রোগীদের কিডনি ফাংশান খারাপ হওয়ার সাথে সাথে ইনসুলিনের প্রয়োজন কমে। এবং ইনসুলিনের মাত্রা না কমালে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে। যা রেনাল ফেলিওর রোগীদের ক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাছাড়া ডায়াবেটিসের বেশিরভাগ মুখে খাওয়ার ওষুধই রেনাল ফেলিওরের রোগীকে দেওয়া যায় না।

২. রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখা। (< ১৩০/৮০মিমি এইচজি)

৩. রক্তের কোলেস্টেরল ঠিক রাখা।

৪. এ ছাড়াও কিছু  ওষুধ পত্র মাইক্রোএলবুমিনিউরিয়াকে ঠিক করতে পারে।

৫. আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশানের গাইডলাইন অনুযায়ী নেফ্রোপ্যাথি রোগীদের খাদ্যে প্রোটিন কম করা উচিৎ।

মাইক্রোএলবুমিনিউরিয়ার ক্ষেত্রে প্রতিকেজি দেহের ওজনের জন্য প্রতিদিন ০.৮- ১ গ্রাম প্রোটিন।

ম্যাক্রোএলবুমিনিউরিয়ার ক্ষেত্রে প্রতিকেজি দেহের ওজনের জন্য প্রতিদিন <০.৮ গ্রাম প্রোটিন।

PrevPreviousচুলকায়িত
NextDemand Unconditional Release of Prisoner of Conscience Dr. Kafeel KhanNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

May 1, 2026 No Comments

ঊনবিংশ  শতকের শুরুতে ইংল্যান্ডের সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ রবার্ট আওয়েন আট ঘণ্টা কাজ, আট ঘণ্টা বিশ্রাম এবং আট ঘণ্টা খুশি মত সময় কাটানোর দাবি তোলেন যা  শ্রমিক

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

May 1, 2026 No Comments

গত শতকের তিনের দশকে জন মেনার্ড কেইনস বলেছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি শিগগিরই এমন সুদিন এনে দেবে, যাতে মানুষকে সপ্তাহে পনের-ষোল ঘণ্টা কাজ করলেই চলবে।

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

May 1, 2026 No Comments

মাঝখানে উজ্জ্বল একফালি জমি, দুধারে ঢাল বেয়ে তরল অন্ধকার গড়িয়ে গিয়েছে, কিনারায় ছায়ার ফাঁকে ফাঁকে তালসুপারিহিজলতমাল যেখানে যেমন মানায় নিপুন হাতে গুঁজে দেয়া, আর্দ্রতার প্রশ্রয়

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

April 30, 2026 No Comments

না! আমি কাউকে বেইমান বলাটা সমর্থন করি না। সন্তানহারা মাকে বলাটা তো নয়ই! এটা অপ্রার্থিত, এবং আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়! তবে, রাজনীতির আখড়ায় প্রাচীনযুগ থেকেই এসব

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

April 30, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে বিশেষ করে ২০১১ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর পঞ্চায়েত – পুরসভা থেকে বিধানসভা – লোকসভা প্রতিটি নির্বাচন ঘিরে শাসক দলের প্রশ্রয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

Gopa Mukherjee May 1, 2026

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

Dr. Bishan Basu May 1, 2026

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

Debashish Goswami May 1, 2026

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

Dr. Koushik Lahiri April 30, 2026

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

Bappaditya Roy April 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620230
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]