মিলিটারী হাসপাতাল আমেদাবাদের দ্বিতীয় ইনিংস
SMO course-এর পর ছুটি কাটিয়ে আমেদাবাদে ফিরলাম। পুরোনো বাড়িতে এসে উঠলাম medical specialist Col K. B. Roy-এর সাহায্যে। বিটোপা ও লাছমি তখনও ঐ বাড়ির servant quarter-এ থাকে। ওদের সাহায্য পেলাম।
Station Headquarter-এ আমার পরিচিত Lt. Col. Gupta ছিলেন adm officer, উনি আমার অনেক দিন quarter না পাওয়ায় priority accommodation allot করলেন। আমেদাবাদের medical battalion-এর Lt. Col. S. Dhar posting যাচ্ছিলেন G & K-এর Udhampur-এ। ওনার quarter ছিল golf ground-এর পাশে দোতলা নতুন quarters- এর উপর তলায়। ঐ quarter পেয়ে গেলাম। আমার নীচে ছিল MES-এর GE Mr Patel, family নিয়ে। এখানেও window-তে কোন grill ছিলনা। একদিন আমার ছেলেকে খোলা জানালায় বসে থাকতে দেখে GE নিজেই adhoc grill-এর ব্যবস্থা করেন। বিটোপা ও লাছমি ঐ বাড়ীর servant quarter-এ চলে এল।
Professional কাজ শুরু হল। Medical specialist ছুটিতে গেলে আমি ward দেখতাম, Medical College-এ Prof. Lal-এর চেম্বার এ আমাদের trainee দের case discussion চলত। বিকালে case দেখা।
কুন্তলার দাদা Bombay-তে official কাজে এসেছিলেন। আমাদের quarter-এ ঘুরে গেলেন। খুবই ভাল লাগল। এর পরে আমার শ্বশুরমশাই ও শ্বাশুড়ী মা এবং তার পরে কুন্তলার ছোট বোন ও জামাইবাবুও এলেন বেড়াতে। সকলেই আমেদাবাদে গান্ধীজীর সবরমতী আশ্রম দেখলেন। গান্ধীজীর চরকা কাটার ঘর ও নদীর ধারে আশ্রমের প্রদর্শনী ঘরে ঘুরে সকলের খুবই ভাল লেগেছিল। আমাদের আত্মীয়দের আগমনে আমরাও খুবই আনন্দিত ও তৃপ্ত হলাম।
আর একটা কথা বলার হল, ওখানকার government bus service খুবই প্রশংসনীয়। প্রতিটি stoppage-এ board-এ time লেখা থাকত কখন bus পাওয়া যাবে। ঠিক নির্দিষ্ট সময়ে bus আসত–city ও market-এ যাওয়ার খুবই punctual service.
ওখানকার মানুষজন বেশীরভাগ নিরামিষাশী হলেও বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাছ পাওয়া যেত। ইলিশ মাছের মত স্বাদ ‘ভীম’, চিংড়ি এবং বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ পাওয়া যেত। বেশীরভাগ Bombay থেকে চালানি আসত।
আর পাওয়া যেত মিলের কাপড় খুবই সস্তায়। গরীবদের জন্য অল্প দামে ২ টা অর্ধেক কাপড় মিলের rejected মাল থেকে।
Professional কাজে মন দিলাম আর hospital-এর medical patients-এর পুরো দায়িত্ব আমার ঘাড়ে। অন্য specialist-রা সবসময় আমার কাজে help করত।
একবার দোলের পর এক young officer হাসপাতালে ভর্তি হলেন বেহুঁশ হয়ে উনি একটু বেশী মাত্রায় alcohol খেয়েছিলেন । প্রাথমিক চিকিৎসার পর ওর জ্বর এল। Hospital-এর ওষুধ দিয়ে ঠিকমত response পাচ্ছিলাম না। বেশ কদিন কেটে গেছে। খুবই চিন্তিত ছিলাম।
Cantonment-এর কাছে একটা হনুমানজীর মন্দির ছিল। প্রতি শনিবার সেখানে মানুষের খুব ভীর হত। নারকেল পূজো দিয়ে মানত করত এবং শুনেছি বেশীর ভাগ সফল হত। আমার কাজের লোকেদের খুব বিশ্বাস ছিল। আমি ওই officer patient-এর জন্য হনুমানজীর মন্দিরে পুজো দিলাম। দেখি কি হয়। আমার মনে হল medicine বাজার থেকে কিনে বদলে দিই। Inj Chtoromycetin। ২ দিনের মধ্যে সত্যিই কাজ দিল।
এমন ভাবেই কাজকর্ম চলছিল আর post-graduate-এর desertation তৈরী শুরু হল। অনেক photo তুলতে Airop-এর colonel খুবই সাহায্য করেছিল।
এমন সময় ১ মাসের জন্য আমাকে Mt Abu Section Hospital-এ temp duty যেতে হল সেখানকার ডাক্তার ছুটিতে relief করার জন্য। Family ও প্রোফেসনাল training ছেড়ে চলে যেতে হল।
আমেদাবাদে আমার কোন telephone ছিলনা। Call book নিয়ে ambulance আসত message নিয়ে। Mt Abu Hospital-এ telephone ছিল। কিন্তু family এর সঙ্গে কথা বলতে নীচে GE Patel-এর বাড়ীতে civil call book করে বসে থাকতে হোত। Military exchange-এর মধ্যে দিয়ে call পেতে অনেক দেরী হত। তখন mobile-এর নাম কেউ শোনেনি। Communication-এর ছিল এমনই অবস্থা।
Temp duty থেকে ফিরে এলাম। কিছুদিন পরে আমার posting এসে গেল। Corps Medical Battalion Faizabad পাততাড়ি গোটানোর পালা। Desertation half complete, আবার একমাসের ছুটি নিলাম। Family নিয়ে Faizabad-এ মালপত্র রেখে বাড়ী চললাম।









