Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ডায়েট অফ ওয়ার্মস—ক্রিমি দিয়ে পথ্য

284444776_5542346652463620_7269274800574696100_n
Dr. Jayanta Das

Dr. Jayanta Das

Dermatologist
My Other Posts
  • May 29, 2022
  • 8:36 am
  • No Comments
স্টিফেন জে গুল্ড ছিলেন বির্বতনীয় জীববিজ্ঞানের তাত্ত্বিক ও অসাধারণ বিজ্ঞান লেখক। তাঁর এক প্রবন্ধের নাম ছিল ‘ডায়েট অফ ওয়ার্মস’। (টীকা ১) শব্দ নিয়ে খেলা করতে ভালবাসতেন জে গুল্ড। এখানে ডায়েট মানে পথ্য নয়, ওয়ার্ম মানে ক্রিমি নয়। মার্টিন লুথারকে পোপ ধর্মচ্যুত ঘোষণা করার পরে তার বিচারসভা (Diet) ওয়ার্মস নামক শহরে অনুষ্ঠিত হয়। (টীকা ২) ‘ডায়েট অফ ওয়ার্মস’-এর অর্থ ওয়ার্মস শহরে (মার্টিন লুথারের) বিচারসভা।
কিন্তু ‘ডায়েট অফ ওয়ার্মস’ শুনলে আমাদের মার্টিন লুথারের বিচারের কথা মনে হয় না, মনে হয় ক্রিমি খাবার কথা। আর আমি গুল্ড নই, আমি শব্দ দিয়ে কিমা বানাচ্ছি না। ‘ডায়েট অফ ওয়ার্মস’ দিয়ে আমি সত্যিকারের ক্রিমি খাবার কথা বলছি। ম্যাগোঃ!
.
২০১৬ সালে ‘নেচার’ পত্রিকায় বলেছিল, (তথ্যসূত্র ১)
“মানুষের অন্ত্রে লুকিয়ে থাকা পরজীবী ক্রিমি দেখলে বীভৎস লাগে, তবে তারা ক্রোন’স ডিজিজ ও অন্যান্য ধরণের অন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগ প্রতিরোধ করে বলে মনে হয়।”
ক্রিমি সর্বরোগহর গোমূত্র নয়, ফলে বিজ্ঞানের প্রমাণ ছাড়া ক্রিমি খেতে কেউ রাজি হবেন না। সেই প্রমাণ পাবার কাজ চলছে। (তথ্যসূত্র ২) কিন্তু এর পেছনকার তত্ত্বটি বেশ দ্যোতক। (তথ্যসূত্র ৩) তত্ত্বুপ্রস্তাবটির নাম ‘হাইজিন হাইপোথিসিস’ বা ‘স্বাস্থ্যবিধি তত্ত্বপ্রস্তাব’। কথাটা শুনে মনে হয় এটা স্বাস্থ্যবিধি মেনে রোগ দূর করার তত্ত্ব। আসলে কিন্তু ‘স্বাস্থ্যবিধি তত্ত্বপ্রস্তাব’ হল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ফলে রোগ হবার তত্ত্ব।
.
কথাটা আরেকবার বলি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে রোগ হবে না, তাই তাকে বলি স্বাস্থ্যবিধি। হাত না ধুয়ে খেতে বসলে আমরা বলি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাত ধোও, নইলে কিন্তু পেটের রোগ হবে। কথাটা সত্যি। কিন্তু আমরা তো আর আকাশ থেকে পড়িনি, বিগত দু-তিন লক্ষ বছর ধরে আমরা বনেজঙ্গলে বাস করে, শিকার করে, কুড়িয়ে বাড়িয়ে খেয়ে বেঁচেছি। তখন ‘হাত ধুয়ে খেতে বস’ ফরমান জারি করলে চলত না। আমরা হাত না ধুয়ে খেয়েছি, ফলে পেটে ক্রিমি হয়েছে। ক্রিমি মারার ওষুধ ছিল না, আমাদের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ক্রিমির সঙ্গে লড়াই করেছে। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এমনভাবে তৈরি হয়েছে যে, সে জানে তাকে ক্রিমির সঙ্গে লড়াই করেই বাঁচতে হবে। কিন্তু আমরা বিংশ শতকে এসে তাকে বলছি, “অন্ত্রখাঁজ হ’তে ক্রিমি মেরে খায়, মোরা বলি, বাঘ, খাও হে ঘাস।” (নজরুল স্বয়ং আমার কৈফিয়ৎ দিয়েছেন)। সে কি আর কথা শোনে!
.
ক্রিমি রাক্ষস বধের পরে সে রামও নেই, সে অযোধ্যাও নেই, কেবল লঙ্কাকাণ্ড সমানে চলছে। ছোটবেলা থেকে টিপটাপ থাকার ফলে আমাদের ইমিউন সিস্টেম অন্য শত্রুর অভাবে ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ করে গাত্রে ব্যথা করেই চলেছে। আলসারেটিভ কোলাইটিস, ক্রোন’স ডিজিজ, ও নানা রকম অ্যালার্জিঘটিত অসুখ সম্ভবত আমাদের ইমিউন সিস্টেমের আত্মঘাতী যুদ্ধের ফল।
রোগ সৃষ্টিকারী পরজীবী ও জীবাণুর সঙ্গে ইমিউন সিস্টেমের মোকাবেলা হবে কিনা, সেটা নানা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। ধনী ও বেশি শিক্ষিতদের মধ্যে পরজীবী ও জীবাণু সংক্রমণের হার কম, গরীব, পথবাসী বস্তিবাসীদের মধ্যে এই হার বেশি। যাদের বিছানায় একাধিক মানুষ শোয় বা যাদের কুকুর-বেড়াল ইত্যাদি পোষ্য আছে, তাদের ইমিউন সিস্টেমের সঙ্গে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ক্রিমির লড়াই চলে। বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠির মানুষের মধ্যে ইমিউন মেডিয়েটেড ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজের হারে ফারাক বেশ ইন্টারেস্টিং। ‘ইমিউন মেডিয়েটেড ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ’ শুনে ঘাবড়ে যাবেন না। আলসারেটিভ কোলাইটিস বা ক্রোন’স ডিজিজ-এর মত রোগ, যারা আমাদের নিজেদের প্রতিরোধ-ব্যবস্থার অতিক্রিয়ার ফলে উদ্ভূত, এটা তাদের সাধারণ নাম।
.
মোটা দাগে বলা যায়, যাদের জীবনযাত্রার মান নীচের দিকে, তাদের ইমিউন মেডিয়েটেড ইনফ্ল্যামেটরি রোগ কম। আমরা জানি, জীবনযাত্রার মান খারাপ হলে স্থূলত্ব কম হয়, ফলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কম হয়। (টীকা ৩) গরীবরা রোগা হবে ও মোটাদের রোগে ভুগবে না, এটা সহজে বোঝা যায়। কিন্তু তারা অ্যালার্জি-জাতীয় রোগে ভুগবে না কেন?
.
মানুষ ও তার পরজীবীদের সহ-বিবর্তন ঘটে। আমাদের পেটের পরজীবীরা আমাদের ইমিউন সিস্টেম এড়ানোর জন্য খুব জটিল প্রক্রিয়ায় আমাদের প্রতিরোধক্ষমতাকে আংশিকভাবে দমন করেছে। এর ফলে মানুষের অসুবিধা, তার প্রতিরোধ ক্ষমতা যায় কমে। কিন্তু মানুষ কি আর কম যায়! সেও এমন অবস্থায় আন্ত্রিক পরজীবীর উপস্থিতিতে আরেকটু বেশি ইমিউন ক্রিয়া দেখাতে শিখে গেছে।
.
এদিকে ১৯১০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অন্ত্রের হুকওয়ার্ম ক্রিমির প্রাদুর্ভাব ছিল শতকরা ৬৫ ভাগ, আর ১৯৮০ সালে সেটা শতকরা ২ ভাগেরও নীচে চলে গেছে। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মানুষের অন্ত্রে ক্রিমিজাতীয় পরজীবীর সহাবস্থানের ফলে আমাদের ইমিউন ব্যবস্থা এমন উঁচু তারে বাঁধা হয়ে গেছে যে, পরজীবী দিয়ে খানিক অবদমিত না হলে, সেই ব্যবস্থা যেন বাড়াবাড়ি রকমের ক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে।
.
অতি-ক্রিয়াশীল ইমিউন সিস্টেম অনেকটা অতি-দেশভক্তের মত, দেশের শত্রু না পেলে দেশের লোককে দেশশত্রু বানিয়ে তাকে মেরে ফেলে তবে তার শান্তি। জীবাণু মারার কাজ করে অতি-ক্রিয়াশীল ইমিউন সিস্টেমের খাঁই মেটে না, সে অন্য কাউকে মারতে চায়। সে হাত-পা ছুঁড়ে মুখ খিঁচিয়ে যুদ্ধ করে, কিন্তু আশেপাশে জীবাণু নেই, আছে মানুষেরই অন্য সব কোষ। তারাই মারা পড়ে। তাকে বলে নিজেকে-আক্রমণ রোগ বা অটো-ইমিউন ডিজিজ। উন্নত দেশগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রচলন সেখানে ছোয়াঁচে নানা রোগ কমিয়েছে, কিন্তু সম্ভবত সেই কারণেই ছোঁয়াচে নয় এমন নানা রোগ বাড়ছে। এটাই হল সংক্ষপে হাইজিন হাইপোথেসিস বা স্বাস্থ্যবিধি (পালনের ফলে রোগ বাড়া) তত্ত্বপ্রস্তাব।
.
২০২২ সালে এসে দেখতে পাচ্ছি, এখনও বিজ্ঞানীরা সঠিক ক্রিমি-চিকিৎসা খুঁজে পাননি। তাঁরা বলছেন, ক্রিমি [হেলমিন্থ জাতীয় পরজীবী] থেকে প্রাপ্ত অণুগুলি দিয়ে আমাদের ইমিউন সিস্টেম বদলে দেবার গবেষণা এখনও সীমিত। (তথ্যসূত্র ৪) তবুও সেই অণু দিয়ে ইমিউন মেডিয়েটেড ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজগুলোর চিকিত্সার দুর্দান্ত সম্ভাবনা রয়েছে।
কুচো-ক্রিমি খেয়ে না-হোক ক্রিমি কুচিয়ে খেয়ে বেশ অনেক রকমের রোগ সারবে বলে আশা করাই যায়। তবে কেমন করে ক্রিমি কুচোলে অর্থাৎ প্রক্রিয়াকরণ করলে সুফল বেশি, সে নিয়ে এখনও একমত হওয়া যায়নি।
.
ততদিন আমরা কি বুড়ো আঙ্গুল চুষব? না না, ওটা নেহাত আন-হাইজিনিক, কেননা ওতে পেটে ক্রিমি হতে পারে!!
.
টীকা
১) প্রবন্ধটির পুরো নাম “The Diet of Worms and the Defenestration of Prague”।
২) ডায়েট কথাটা এখনও আইনসভা অর্থে প্রচলিত, যেমন জাপানের পার্লামেন্টের ইংরাজি নাম হল ডায়েট।
৩) সেটা অবশ্য এখন আমেরিকার মত দেশে বদলে যাচ্ছে, কারণ সেখানে গরীবরা বেশি ক্যালোরিযুক্ত খারাপ খাদ্য বেশি খাচ্ছে। সেটা অন্য প্রশ্ন।
.
চিত্র পরিচিতি
১) Leonardo’s Mountain of Clams and the Diet of Worms. স্টিফেন জে গুল্ড
২) হুকওয়ার্ম, আমাদের রক্তচোষক ক্রিমি
৩) ইমিউন মেডিয়েটেড ইনফ্ল্যামেটরি রোগ বা অতি-ক্রিয়াশীল ইমিউন সিস্টেমজনিত রোগ
৪) কীভাবে যে ক্রিমি দিয়ে ডিনার করা যায়?
.
তথ্যসূত্র
১) Parasitic worms may prevent Crohn’s disease by altering bacterial balance. Nature News Biology 14 Apr 2016
২) Sipahi AM, Baptista DM. Helminths as an alternative therapy for intestinal diseases. World J Gastroenterol. 2017;23(33):6009-6015.
৩) Maruszewska-Cheruiyot M, Donskow-Łysoniewska K, Doligalska M. Helminth Therapy: Advances in the use of Parasitic Worms Against Inflammatory Bowel Diseases and its Challenges. Helminthologia. 2018;55(1):1-11.
৪) Shi W, Xu N, Wang X, Vallée I, Liu M, Liu X. Helminth Therapy for Immune-Mediated Inflammatory Diseases: Current and Future Perspectives. J Inflamm Res. 2022;15:475-491
PrevPreviousপরশপাথর
Nextশিশুদের পাতলা পায়খানা প্রসঙ্গেNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ঝাড়খন্ডের ছাত্র আন্দোলনের সংহতিতে

August 23, 2026 No Comments

ঝাড়খণ্ডে ছাত্র আন্দোলন শেষ ১৬ দিন ধরে গোটা রাজ্যকে উত্তাল করেছে। আমরা এই ন্যায্য আন্দোলনের সংহতি তে রয়েছি প্রথম থেকেই। এই আন্দোলন যদিও প্রশ্নপত্র ফাঁসের

যাদবপুরে “বিদ্যার্থী”দের “গেরুয়া” তাণ্ডব এবং গণপ্রতিক্রিয়া

August 23, 2026 No Comments

২১.০৮.২০২৬-এ প্রকাশিত দুটি প্রথমসারির সংবাদপত্রের প্রথমপৃষ্ঠার শিরোনাম আশা করি এতক্ষণে সবাই পড়েছেন, দেখেছেন এবং জেনে গেছেন. (আনন্দবাজার – ২১.০৮.২০২৬) (দ্য টেলিগ্রাফ – ২১.০৮.২০২৬) (দ্য ওয়াল

We deserve justice. কেউ আটকাতে পারবে না।

August 23, 2026 No Comments

২২ আগস্ট ২০২৬ “তুমি কি ভেবেছো চুনকাম করলেই ইতিহাস মুছে যায়?প্রতিটি ইঁটের পাঁজরে ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে অমাবস্যায়।” “We Want Justice” এই লেখা বাঙালীর মন,

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

August 22, 2026 No Comments

এক ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে তৎকালীন শাসকের প্রশ্রয়পুষ্ট গুণ্ডারা, যাদের সংবাদমাধ্যম মিষ্টি করে দুষ্কৃতী বলে,এই শহরের এক অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে যথেচ্ছ ভাঙচুর করেছিল

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

August 22, 2026 No Comments

২০২৬ সালটিকে ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল এসেম্বলির তরফ থেকে “আন্তর্জাতিক মহিলা কৃষক বর্ষ” হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কৃষির সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে, আমাদের খাদ্যের

সাম্প্রতিক পোস্ট

ঝাড়খন্ডের ছাত্র আন্দোলনের সংহতিতে

West Bengal Junior Doctors Front August 23, 2026

যাদবপুরে “বিদ্যার্থী”দের “গেরুয়া” তাণ্ডব এবং গণপ্রতিক্রিয়া

Dr. Jayanta Bhattacharya August 23, 2026

We deserve justice. কেউ আটকাতে পারবে না।

Abhaya Mancha August 23, 2026

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

Vishag Gupta August 22, 2026

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

Somnath Mukhopadhyay August 22, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

669400
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]