Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

বানভাসি রাজস্থান ও মুকুলের সোনার কেল্লা

sonar kella cN
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • July 30, 2025
  • 6:43 am
  • One Comment

লেখাটা গত বছরের। যদিও এ বছরেও তার প্রাসঙ্গিকতা কমে যায়নি। উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর পরিচিত বৃষ্টিপাতের ছন্দ গিয়েছে বদলে। ধারাবাহিক বৃষ্টি এখন স্বল্পমেয়াদি প্রবল বৃষ্টিতে পরিণত হয়েছে অনেক ক্ষেত্রেই। এমন ঘটনা নতুন করে ভাবাচ্ছে সকলকেই। খুব সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের হড়পা বানের বিধ্বংসী রূপ আমরা সবাই দেখেছি। প্রবল বৃষ্টি স্মার্ট শহর গুরুগ্রামের আভিজাত্য খর্ব করেছে। মাত্র কিছুদিন আগেই রাজস্থানের আজমেঢ় শহরে বৃষ্টির দাপটে শহরের রাস্তায় নদীর ছবি ধরা পড়েছে। জয়পুরের ঝুনঝুনুতে আরাবল্লি পর্বতের লাগোয়া বসতি বিধ্বস্ত হয়েছে পাথরের চাঙড় ভেঙে পড়ার কারণে । আবার বৃষ্টি বেড়ে যাওয়ায় মরুরাজ্য রাজস্থানের একাংশ হয়ে উঠেছে শস্য শ্যামলা। প্রকৃতির এই দোলাচলের লীলাখেলায় গত বছর সোনার কেল্লার দেশ জয়সলমীর বেসামাল। এবারেও বন্যার ভ্রুকুটি সেখানে। অতীতের আয়নায় আসুন এই সময়কে একবার চাক্ষুষ করি সবাই। আজ থেকে ঠিক পাঁচ দশক আগের একটা দৃশ্যকে একটু ফিরে দেখার চেষ্টা করি। একটি ছোট্ট ছেলে- সম্ভবত জাতিস্মর,মানে যে তার পূর্বজন্মের কথা মনে করতে পারে, চলেছে তার বিগত জন্মের ভিটের খোঁজে দুই দুষ্টু লোকের সঙ্গে। আসলে ছেলেটিকে কিডন্যাপ করেছে ঐ দুইজন। উদ্দেশ্য, ছেলেটির কথায় উঠে আসা হীরা,জহরৎ হাতিয়ে নেওয়া। ছেলেটি জানিয়েছে তার আগের বাড়ি ছিল অনেক অনেক কেল্লার দেশে।‘কেল্লার দেশ’ বললেই আমাদের মনে আসে ভারতের যে রাজ্যটির কথা, তার নাম রাজস্থান। সত্যিই রাজপুত রাজা তথা রানাদের বাসভূমি,  যার অতীত বৈভবের গৌরব আজ‌ও বিস্মিত করে পর্যটক থেকে শুরু করে আম জনতাকে। রাজস্থানে ঠিক কত সংখ্যক দুর্গ বা কেল্লা আছে? এই রাজ্যে রাজসিক ট্যুর সেরে আসা কোনো তালেবর পর্যটককে যদি এই প্রশ্নটি করা হয় ,তাহলে তিনি কি উত্তর দেবেন তা আমার জানা নেই। তবে আমি উত্তর না দিলে পাছে আপনারা উশখুশ করেন, তাই সবিনয়ে জানাই রাজস্থানে কমবেশি ২৫০ টির মতো কেল্লা আছে যেগুলো ভূতপূর্ব রাজপুত রাজারা তাঁদের বসবাস তথা সামরিক সুরক্ষার জন্য ব্যবহার করতেন। এই প্রসঙ্গে আপনাদের একটি কথা জানিয়ে রাখি যে, এই কেল্লাগুলোকে তাদের অবস্থান ও নির্মাণশৈলীর বিশিষ্টতা অনুসারে নটি শ্রেণিতে ভাগ করেছেন স্থাপত্যবিদরা। আজকের আলোচনা যেহেতু কেল্লা নিয়ে নয় তাই এই প্রসঙ্গে আরও কিছু অজানা তথ্য পরিবেশন করা থেকে সজ্ঞানে বিরত থাকছি। তবে আমাদের আলোচনা রাজস্থানের রুখা শুখা মাটিতেই আজকে আঁচড় কাটবে।

–“ রাজস্থান রুখা শুখা?  দাঁড়ান, দাঁড়ান। রাজস্থানে সেদিন কতটা বৃষ্টি হয়েছে জানেন? রাজস্থানে এখন রীতিমতো বন্যা হয়! এসব‌ই  হলো…. ইঞ্জিনের কেরামতি! পশ্চিমে অবস্থিত বলে কোনোরকম বঞ্চনা করা চলবে না।” এই বলেই চায়ের দোকানে পাশে বসে থাকা সত্যপ্রিয় আমার চোখের সামনে এক খবরের কাগজ মেলে ধরে।এককালে সামান্য কিছু ভূ-শাস্ত্র পাঠ করার কথা বেমালুম চেপে গিয়ে , নিরাসক্ত ভঙ্গিতে চশমার কাঁচ দুটো পাঞ্জাবি দিয়ে মুছে আমি মেলে ধরা কাগজে চোখ রাখি। ওমা! এতো বিলকুল হক কথা! রাজস্থানের পশ্চিম প্রান্তীয় কেল্লা শহর জয়সলমীরে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের কর্মীরা রবারের তৈরি নৌকায় বন্যা পীড়িত মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। অবাক বিস্ময়ে নাকের ডগায় ঝুলে পড়া চশমাটাকে আবার ঠিক জায়গায় বসিয়ে নিয়ে ইংরেজি কাগজে ছাপা খবরের শিরোনামটা পড়ে ফেলি চট্ করে – “Rajasthan: Unprecedented Monsoon Rains Transform Jaisalmer’s Desert Landscape; Rivers Flow, Villages Flooded, 3 Dead .”উপমহাদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের  তৃষিত প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মৌসুমী বায়ু ভারতের সমগ্র অংশে এই মুহূর্তে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কিছু বাড়াবাড়িও যে হচ্ছেনা তাও নয়।

আমরা সবাই জানি যে ভারতের অর্থনীতি মৌসুমী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কে সম্পর্কিত। পরিমাণ ও আঞ্চলিক বন্টনের বিচারে সুষম বৃষ্টিপাত সবসময়ই কাম্য। কিন্তু আমরা যেমন চাইবো পর্জন্যদেব ঠিক তেমনই প্রসাদের ব্যবস্থা করবেন এমনটা কখনোই নয়, বিশেষ করে যখন বাতাবরণ বিভাগের প্রচলিত নিয়মকানুন বাতিল করে দিয়েছি আমরা। তাই ম‌ওসিনরাম বা চেরাপুঞ্জি যখন আকাশের দিকে তাকিয়ে “ম্যাঘ দে পানি দে” করে হেদিয়ে মরে, তখন বারমের, চুরু বা জয়সলমীর বানভাসি হয়। এমন দ্বৈধতার কথা মাথায় রেখেই একবার বরং পশ্চিম দিকে তাকিয়ে বৃষ্টির চলতি চরিত্রের আন্দাজ করার চেষ্টা অন্তত করে দেখি।গতবছরের মতো এবারও রাজস্থানে অপ্রত্যাশিত প্রবল বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দফতর থেকে জানা গেছে যে, রাজ্যের কিছু কিছু অঞ্চলে গত কয়েক দিন ধরে এমন প্রবল বৃষ্টি হয়েছে যা বর্ষাকালে মৌসুমী বৃষ্টিপাতের মোট পরিমাণের অর্ধেকেরও বেশি। এরফলে যা হবার ঠিক তাই হয়েছে, রাজ্যের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের তুলনায় এরমধ্যেই অনেক বেশি বৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যের আবহাওয়া দফতর থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী গত ৬, আগস্ট,২০২৪ গোটা রাজ্যে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৩৪.৮৫ সে.মি. যা এই সময়ের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ( ২৪. ৯৬সে.মি. ) থেকে ৪০% বেশি।

রাজস্থানের পূর্ব প্রান্তে গতবছরের তুলনায় প্রায় ২৭% বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। সাধারণভাবে আগস্টের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে এখানে গড়ে ৩৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, কিন্তু এইবছর এক অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের জেরে এখনও পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ৪৪৫.২ মিলিমিটার।রাজস্থানের শুষ্ক বৃষ্টিহীন মরুভূমির অংশ বলে পরিচিত পশ্চিম প্রান্তেও এই সময়ের মধ্যে যে বৃষ্টিপাত হয়েছে তা স্বাভাবিকের তুলনায় ৬০% অতিরিক্ত বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া দফতর। পশ্চিমের জেলাগুলোতে যেমন টোঙ্ক, বারমের ও জয়সলমীরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। মরুভূমির মধ্যে অবস্থিত জয়সলমীর জেলায় বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ যেখানে ১৭৬.৯ মিলিমিটার, সেখানে আগস্টের ৬ তারিখে একদিনে বৃষ্টি হয়েছে ৯৬.৯ মিলিমিটার,যার অর্থ মোট বৃষ্টিপাতের ৫৫% হয়েছে একদিনে, মাত্র ২৪ ঘন্টায়।

এমন লাগামছাড়া বৃষ্টিপাতের ফল হয়েছে রীতিমতো উদ্বেগজনক। বানভাসি হয়েছে পশ্চিম রাজস্থানের বিস্তির্ণ পরিসর। গড়িয়ে যাওয়া জল খাত কেটে বালিয়াড়ির বুক চিরে তরতরিয়ে ব‌ইছে নদীর মতো করে। জল থৈ থৈ গোটা এলাকাকে দেখে ওখানকার মানুষজন বিলকুল হতবাক। ছোট ছোট গ্রামগুলো এখন জল ঘেরা হয়ে দ্বীপের চেহারা নিয়েছে। বালিয়াড়ির জন্য বিখ্যাত স্যাম্ ( sam ) গ্রামে এখন নৌকা বিহারের আয়োজন চলছে। ভেঙে পড়েছে জয়সলমীরের বিখ্যাত সোনার কেল্লার বাইরের প্রাকারের একটা বড়সড় অংশ। ভাঙনের কবলে পড়েছে কেল্লার ভেতরের অংশ‌ও।এতো কাছে যখন এসেই পড়েছি তখন একটু কেল্লার কাছাকাছি ঘুরে যাই। আমরা এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছি কেল্লার ঠিক পাশেই শিব রোডের দিকে। আমাদের সামনেই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ৮৬৮ বছরের পুরনো সেই কেল্লার  বৃষ্টিতে ভেঙে পড়া বাইরের প্রাকারের একটা অংশ। কেল্লার দেশ রাজস্থানের অন্যতম প্রধান একটি কেল্লা হলো এই জয়সলমীর ফোর্ট বা সোনার কেল্লা। সত্যজিতের ছবির কল্যাণে যে নাম সেই কবেই পৌঁছে গেছে বাঙালির ঘরে ঘরে। ইউনেস্কোর বিশ্ব পরম্পরাগত ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে স্বীকৃত এই কেল্লার বাইরের দেওয়ালের বেশ কিছু অংশ সাম্প্রতিক প্রবল বর্ষণের ফলে ধসে পড়েছে। ১১৫৬ খৃষ্টাব্দে রানা রাওয়াল জয়সাল এই দুর্গটি নির্মাণ করেন। তাঁর নাম অনুসারেই শহরের নাম জয়সলমীর । শহর আগলে দাঁড়িয়ে থাকা হলুদ রঙের বেলেপাথরে তৈরি এই কেল্লাটি দিনের বেলায় সিংহের গায়ের পাটকেল রঙের দেখতে লাগে, আর সূর্যাস্তের পর তার রং বদলে হয়ে যায় ঘন মধুর রঙের মতো সোনার বর্ণের। এই কেল্লার আরও একটি বৈশিষ্ট্য হলো, এটি এখনো পর্যন্ত আবাসিক অর্থাৎ এখানে এখনও প্রাচীরের ভেতরে লোকজন বসবাস করে । তাই এইটি একটি Living Fort.এমন একটি ঐতিহাসিক কেল্লার বাইরের দেওয়ালের কিছু অংশ বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ায় স্থানীয় মানুষজন বেজায় ক্ষুব্ধ। তবে তাঁরা  অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পরিবর্তে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বিভাগের দিকে। তাঁদের বক্তব্য, সরকারি দপ্তরের নিয়মিত পর্যবেক্ষণের অভাবেই বারংবার এমন বিপর্যয় ঘটছে এই ঐতিহাসিক কেল্লায়। এই কেল্লাকে ঘিরেই এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।  বিভাগীয় অবহেলার কারণে যদি কেল্লাটি এভাবে নষ্ট হয়ে যায় তাহলে আগামী দিনে পশ্চিম রাজস্থানের পর্যটন শিল্পের বিকাশ ব্যাহত হবে। অবশ্য বিশেষজ্ঞদের মতে সোনার কেল্লার নির্মাণে সেই সময় যে মর্টার বা মশলা ব্যবহার করা হয়েছিল তাতে চুনের ভাগ ছিল কম, ফলে এমন বিপর্যয় ঘটেছে। বাইরের প্রাকারের পাশাপাশি ভেঙে পড়েছে কেল্লার ভেতরের একটি আবাসিক অংশের ছাদ। সময়ের কারণে দুর্বল হয়ে আসা কেল্লার শরীরে বৃষ্টি এসে থাবা বসিয়ে দুর্গের হাল হকিকত আবারও নতুন করে বুঝিয়ে দিয়ে গেল। কিন্তু বৃষ্টির এমন রুদ্র রূপের রহস্য কি? IMD’ র বিজ্ঞানীদের মতে,আরব সাগরের ওপর একটা গভীর নিম্নচাপের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছিল। এইটিই ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে রাজস্থানে প্রবেশ করে এমন বৃষ্টিপাত ঘটিয়েছে। রাজস্থানের এমন লাগামছাড়া বৃষ্টিপাতের ঘটনা থেকে একটা বিষয় বেশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বৃষ্টিপাতের চরিত্রে খুব বড়ো রকমের রদবদলের বিষয়টি ক্রমশই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এরফলে একদিকে যেমন বৃষ্টিপাতের পরিমাণে হেরফের ঘটছে ঠিক তেমনই বৃষ্টিপাতের চরিত্র বদলের‌ও  ইঙ্গিত পাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। গোটা বছরের বৃষ্টি যদি দু পাঁচ দিনের মধ্যে ঝরে পড়ে তাহলে তা ওয়েনাড়, সিমলা, মানালি বা জয়সলমীরের মতো আকস্মিক বিপর্যয় ডেকে আনবে এমনটাই স্বাভাবিক। সাম্প্রতিক সময়ে উপমহাদেশের ওপর ঝরে পড়া বৃষ্টিপাতের চরিত্র বিশ্লেষণ করে আবহবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে নানাবিধ কারণে এই অঞ্চলের মৌসুমী বৃষ্টিপাতের চরিত্রে বড়ো রকমের ছন্দপতন ঘটেছে। এটা যে একটা বৈশ্বিক সমস্যা তাও জানিয়েছেন তাঁরা।তাঁদের মতে –

উষ্ণায়নের ফলে জলবায়ুর পরিবর্তন, সমুদ্রে এল নিনো এবং লা নিনার প্রভাব, কৃষি – শিল্প – নগরায়নের উদ্দেশ্যে প্রাকৃতিক ভূমি ব্যবস্থাপনার যথেচ্ছ পরিবর্তন, দূষণজনিত কারণে বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্যের অবক্ষয়, দূষণের কারণে বায়ুতে এ্যারোসলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, স্থলভাগ ও জলভাগের তাপীয় সমতায় নেতিবাচক পরিবর্তন, উপমহাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের বৈশিষ্ট্যের কারণে জলবায়ুর পরিবর্তনীয়তা – এ সবই বৃষ্টিপাতের এতোদিনের চেনা ছন্দের সুর কেটেছে। এ বছর স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহবিদরা। তেমন হলে আরও বড়ো কিছুর আশঙ্কা রয়েছে। এই মুহূর্তে অপেক্ষা করা ছাড়া আমাদের কাছে আর কোনো উপায় বোধহয় নেই।

জুলাই ২২,২০২৫

PrevPreviousকালিঘাট চলো
Nextসব সুনসান! সন্নাটা! আমি জানতে চাই কেন?Next
3.3 3 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
8 months ago

আর‌ও একটি তথ্যসমৃদ্ধ সচিত্র প্রতিবেদন উপহার দেবার জন্য লেখককে অনেক ধন্যবাদ। মূল প্রসঙ্গ বানভাসি অবস্থা। তবে তার আড়ালে অনেক অনেক অজানা বিষয় লেখাটিকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

SIR এবং আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মানুষ

April 15, 2026 3 Comments

ভোটের দোরগোড়ায় পশ্চিমবঙ্গবাসী। ইতিমধ্যে SIR তথা Special Intensive Revision (বিশেষ নিবিড় সংশোধন)-এর কল্যাণে এবং প্রযুক্তিগত হস্তক্ষেপে প্রায় ৯১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। সহজ কথায়,

What Does it Mean to Be a Revolutionary Doctor Today? (Part 3)

April 14, 2026 1 Comment

Micro-Institutions in Practice: A Workers’ Health Model In the earlier parts, I tried to touch upon the dilemmas faced by young professionals and the broader

।।অভয়া আন্দোলন দ্রোহের দলিলঃ একটি প্রতিবেদন।।

April 14, 2026 No Comments

ডাঃ পুণ্যব্রত  গুণ সম্পাদিত “অভয়া আন্দোলন দ্রোহের দলিল” বা ডক্টরস ডায়লগ সংকলন এক কথায় এই দশকের প্রতিষ্ঠান বিরোধী গণ আন্দোলনের যে ধারাবাহিকতা বা দুর্নীতিপরায়ণ শাসকের

সাম্প্রতিক পোস্ট

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

SIR এবং আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মানুষ

Dr. Jayanta Bhattacharya April 15, 2026

What Does it Mean to Be a Revolutionary Doctor Today? (Part 3)

Dr. Avani Unni April 14, 2026

।।অভয়া আন্দোলন দ্রোহের দলিলঃ একটি প্রতিবেদন।।

Shila Chakraborty April 14, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617805
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]