Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মুখোমুখি লড়াই

IMG_20200731_070602
Dr. Amit Das

Dr. Amit Das

Physician in a government hospital of North Bengal
My Other Posts
  • August 6, 2020
  • 6:32 am
  • No Comments

ভুল করে এই ধারাবাহিকের তৃতীয় তথা শেষাংশ প্রকাশিত হয়ে গিয়েছিল দ্বিতীয়াংশের আগে। আজ তাই পরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় অংশ প্রকাশ করা হল।     

মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত উত্তর বঙ্গের এই শহরে কোভিড ১৯ এর প্রকোপ ছিলো সীমিত। এ শহরের প্রথম রোগী চেন্নাই থেকে চিকিৎসা করিয়ে ফেরা এক ভদ্রমহিলা, বাঁচানো যায়নি তাঁকে। তাঁর থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে প্রাণ কেড়ে নিলো তাঁর পাশের বিছানার ভদ্রলোকেরো। আক্রান্ত হলেন ঐ ভদ্রমহিলার পরিবারের এগারো জন সদস্য, দুটি শিশু সহ, তাদের গাড়ির চালক এবং গৃহভৃত্য মহিলা এবং হাসপাতালে ওনার চিকিৎসারতা দুই নার্স, এক নার্সের স্বামী, শিশুকন্যা ও শাশুড়ি। এনাদের চিকিৎসার ভার পরলো আমার উপরে। রোগী ও চিকিৎসক উভয়েরই সৌভাগ্যক্রমে কোভিড ১৯ এর করাল রূপ প্রকট হলো না এই রোগীদের মধ্যে। সকলকেই আমরা সুস্থ করে বাড়ি ফিরিয়ে দিতে পেরেছিলাম। এরপরের দুই তিন সপ্তাহ বেশি লোক আক্রান্ত হলো না। তারপর মানুষ জন লক ডাউনকে আর পাত্তা দিতে লাগলো না। ট্রেন বোঝাই হয়ে ফিরতে লাগলো ভিন রাজ্য থেকে মানুষরা। ধীরে ধীরে বাড়তে লাগলো আক্রান্তের সংখ্যা গুণোত্তর প্রগতিতে।

এই লড়াই এ আমাদের শস্ত্র বিষয়ে শিখতে হলো আমাদের। সারা শরীর বস্তায় (পি পি ই) ঢেকে ঝাড়া ছয় ঘণ্টা রোগী দেখা। না জল খাওয়া যাবে, না বাথরুম যাওয়া। কাজ শেষে বস্তা খুললে সারা শরীরের জমে থাকা ঘাম কুলকুল করে বইতে শুরু করে। এই ভাবেই চললো লড়াই। কোভিড ১৯ এর মারণ রূপ ও প্রত্যক্ষ্য করলাম। কেমন সে অভিজ্ঞতা? ধরুন আপনার সামনে একটি মানুষকে জলে ডুবতে দেখছেন, অথচ আপনি সাঁতার জানেন না। দূর থেকে কাঠের টুকরো ছুঁড়ে দিয়ে চেষ্টা চালাচ্ছেন। সামনে গেলেও বিপদ, মানুষটি তখন আপনাকে আঁকড়ে ধরেই বাঁচার শেষ চেষ্টা করবে এবং ডোবাবে আপনাকেও।

করোনার গ্রাসে

করোনা সাগরে সাঁতার শেখার চেষ্টা চালাতে লাগলাম পুরোদমে। চীন, ইটালি, ইংল্যান্ড, মার্কিন মুলুকের চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতা পড়তে থাকলাম। তার উপরে কলকাতা, দিল্লি, মুম্বাই-এর চিকিৎসকদের টিপ্পণী। প্রথম দিকে তো বাঁশবনে ডোম কানা দশা। লাখো তথ্যের ভিড়ে জ্ঞান কোথায়? অপবিজ্ঞানের আড়ালে বিজ্ঞান কতোটা? পড়তে পড়তে আলোচনা চলতে লাগলো। কিছু কিছু রোগী সেরে উঠতে লাগলেন, কয়েকজনকে কোনভাবেই বাঁচানো গেলো না। এর মধ্যেই হাসপাতালের আরও দুই সহকর্মী চিকিৎসকের সঙ্গে আমি নিজেও পরলাম করোনার খপ্পরে।

লক্ষ্মণ জানা থাকায় প্রথম মওকাতেই ওষুধ খাওয়া শুরু করে দিলাম, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের আগেই। পরীক্ষার রিপোর্ট আসতে ভর্তি হতে হলো হাসপাতালে। সি টি স্ক্যান ছবিতে ফুসফুসে ছোপ পড়ায় পাঁচ দিন স্টেরয়েড ইনজেকশন ফুঁড়তে হলো শিরায়। তিন দিনের মাথাতেই করোনা পালালো আমাকে ছেড়ে। মোট বারো দিন ভুগিয়ে আট দিন হাসপাতালে রেখে মুক্তি দিলো আমাকে। সঙ্গে ভয় আর আশঙ্কা থেকেও মুক্তি এবং পরবর্তী রোগীদের চিকিৎসায় কাজে লাগানো যাবে এমন দুর্লভ অভিজ্ঞতা।

কিছু অভিজ্ঞতা সবাইকে জানানো প্রয়োজন

১) ঘন ঘন নিয়ম মেনে কুড়ি সেকেন্ড ধরে হাতের প্রতিটি জায়গা সাবান দিয়ে ভালো ভাবে ধোয়া এবং নাক ও মুখ আঁটোসাঁটো ভাবে ঢেকে মুখোশ পরার কোনো বিকল্প নেই।

২) ভিড়, বাজার, সামাজিক অনুষ্ঠান, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক জমায়েত থেকে দূরে থাকুন।

৩) আক্রান্ত রোগী, এবং তাঁদের চিকিৎসারত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, নার্স, পুলিশ কর্মী, পরিবহন কর্মী– এঁদের যথোপযুক্ত সামাজিক মর্যাদা দিন। সকলকেই এঁদের মুখাপেক্ষী হতে হয়, আপনাকেও হবে।

৪) করোনা রোগের লক্ষ্মণ প্রকট হলে তা কখনোই গোপন করবেন না। যতো দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পরীক্ষা করান (নাক ও মুখের নিঃসরণ, যা নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে সংগ্রহ করতে হয়, লালা বা থুথু নয়), রিপোর্ট পজিটিভ এলে ভেঙে না পরে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, বেশির ভাগ মানুষ বাড়িতে থেকেই সুস্থ হয়ে উঠছেন ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছেন।

৫) সব মানুষের দেহ সমান নয়, এই ভাইরাসের আচরণও সবার ক্ষেত্রে এক নয়। কখন বুঝবেন পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে, তখন কোথায় ভর্তি হবেন, কিভাবে যাবেন সেই বিষয়ে আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে আগাম পরামর্শ নিয়ে পরিকল্পনা করে রাখুন ও আপনার নিকটাত্মীয়দের সেই রকম নির্দেশ দিয়ে রাখুন।

৬) করোনা থেকে সেরে উঠেছেন, অভিনন্দন। আরও লক্ষ মানুষকে বাঁচিয়ে তুলতে আপনার রক্তরস (প্লাজমা) দান করুন, সেরে উঠবার একমাস পরে।

PrevPreviousমুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের স্থাপনা দিবসঃ আমাদের স্বাভিমান
Nextকরোনার ক্রন্দনNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617867
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]