যাঁরা যাঁরা বলেন – মানে আক্ষেপ করেন – যে শিক্ষিত লোক কেন রাজনীতিতে আসেন না, শিক্ষিত লোক আসেন না বলেই রাজনীতির এই হাল ইত্যাদি প্রভৃতি, তাঁরা এই ছবিটা দেখে রাখুন।
কে কে রাজনীতিতে আসছে বা এসেছে, তার চাইতে ঢের বড় কথা হলো – যে আসছে, সে কী বা কীসের রাজনীতি করতে আসছে।
রাজনীতি বলতে যদি চুরি-দুর্নীতি-ধান্দাবাজি-ঔদ্ধত্যের রাজনীতি হয়, তাহলে তথাকথিত শিক্ষিত রাজনীতিক তথাকথিত অশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিতর চাইতে ঢের বেশি বিপজ্জনক – অনেক বড় মাপের শু-য়ো-রে-র বা-চ্চা – হতে পারে।
যেমন ধরুন – ব্রাত্য বসু।
নাট্যকার-নাট্যপরিচালক-অভিনেতা ইত্যকার শিল্পী-পরিচয়ের কথা ছেড়েই দিন, ইনি পেশায় অধ্যাপক ছিলেন। হ্যাঁ, অধ্যাপক থাকা এই মালটিই – এমনকি এর বাবাও, যদ্দূর জানি, অধ্যাপক ছিলেন – আজ, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে, মন্ত্রীর গাড়ির রাস্তা আটকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা ছাত্রদের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দিল। একজন ছাত্র – গুরুতর আহত – আইসিইউ-এ ভর্তি।
এ দৃশ্য কলকাতায় ঘটছে দেখে এতখানিই স্তম্ভিত হয়ে গেছি, যে, ব্রাত্য বসুর পদত্যাগ ও গ্রেফতারির দাবিটুকুও জানাতে পারছি না।
ঘেন্না আর একদলা থুতু – ব্রাত্যর জন্য।
আর ঘেন্না তাদের জন্যও, যারা এই সবকিছু দেখেও ইনিয়েবিনিয়ে ব্রাত্যর দলের হয়ে লম্বা লম্বা হ্যাজ নামান – এবং এখনও, এই মুহূর্তেও, যাঁরা, হয়তো, বসে বসে মাথা ঘামাচ্ছেন কীভাবে কোন ঘটনা নিয়ে লম্বা বক্তব্য নামিয়ে এই ঘটনা থেকে নজর ঘোরাতে পারবেন!










