Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

জিয়াভরলিঃ ৩য় পর্ব

FB_IMG_1635662596838
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • November 1, 2021
  • 8:07 am
  • No Comments

২য় পর্বের পর

ফেরার পথ বেশ অন্ধকার হয়ে এসেছে। হাল্কা জোলো হাওয়া বইছে। বাতাসে সোঁদা গন্ধ। দূরে কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে মনে হয়। মাথা থেকে দুশ্চিন্তা ঝেড়ে ফেলে এই রোমান্টিক পরিবেশ উপভোগ করতে করতে ঘরে ফিরল দুজনে।

‘আচ্ছা, এই শহরটার নাম ভালুকপং হল কেন? এখানকার জঙ্গলে কি অনেক ভালুক থাকে?’ কৌতুহলী স্বরে জিজ্ঞাসা করে বিদিশা।

‘এই জঙ্গলে ভালুক থাকে কি না জানি না। তবে আদিবাসী রাজা ভালুকা-র নামে এই শহরের নাম ভালুকপং। দশম শতাব্দীতে সেই রাজা ভালুকার তৈরী একটা দূর্গও আছে এখানে। এখন অবশ‍্য সবই প্রায় ধ্বংসস্তুপ। মহাভারতেও আছে সেই রাজত্বের কথা।’

চলো না ‘কালকে দূর্গটা দেখে আসি।’

‘যাওয়া যেতে পারে। ব্রেকফাষ্টের পরেই বেরিয়ে পড়ব তাহলে। ওখান থেকে তারপর না হয় যাব টাইগার রিজার্ভে।’

মাঝপথে টিপটিপ করে বৃষ্টি নামল। ওদের সঙ্গে ছাতা নেই। দ্রুত পা চালিয়ে ফিরছিল দুজনে।

রিসর্টে ঢোকার মুখে ম‍্যানেজার সংগ্রাম বরজাতিয়া-র সাথে দেখা। তার হাতে একটা ষ্টীলের বাঁটের শক্তপোক্ত লম্বা ছাতা।
ছাতাটা দেখিয়ে অরূপ বিদিশাকে বলল, ‘এটাই হল আসল ছাতা। আমাদের ফোল্ডিং ছাতাগুলো কোনো কাজের না।’

সংগ্রাম তেজপুরের মানুষ। ওর স্ত্রী এয়ারফোর্সের স্কুলে পড়ায়। আর ভাইয়ের একটা ট্রাভেল এজেন্সী আছে। ওর ভাইয়ের থেকে গাড়ি নিয়েই অরূপরা তাওয়াং গেছিল। সেই সূত্রে একটু বিশেষ পরিচয় আছে লোকটার সাথে।

‘এত অন্ধকারে নদীর পাড়ে থাকবেন না। সাপ বেরোয় এই সময়ে। ভীষণ বিষাক্ত।’ ম‍্যানেজার ওদের সতর্ক করে দিল।

রাতের খাবার খেতে ডাইনিং হলে গিয়ে ওরা দেখল বেশ গমগমে ভীড়। অনেক নতুন মুখ। ওরা পরে এসেছে। সুতরাং বেশ কিছুক্ষণ বসতে হবে।

ঠিক উল্টোদিকের কোণার টেবিলে একজন আধা মঙ্গোলয়েড লোক একা বসে আপনমনে মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটি করছে। বয়স আন্দাজ করা মুশকিল। চোখমুখে তীব্র কাঠিন‍্য। একজন বয় এসে তার টেবিলে খাবার দিতে সে ফোন রেখে খাবারে মনযোগ দিল। থালায় দুটো স‍্যান্ডউইচ। রাতের খাবারে স‍্যান্ডউইচ! ব‍্যপারটা অদ্ভূত তো। অরূপ উৎসুক হয়ে লোকটাকে লক্ষ্য করল। লোকটা সামনের প্লেটে রাখা স‍্যান্ডউইচ দুটোর মধ‍্যে থেকে একটা তুলে নিয়ে খাওয়ার আগে সেটা খুলে কি একটা দেখল। অনেকটা পানের খিলি খুলে দেখে নেওয়া যে ভেতরে চুন, খয়ের ঠিক মত দেওয়া আছে কিনা। সেরকম, স‍্যান্ডউইচের ভেতরে কি পুর দেওয়া আছে সেটা দেখছে বোধহয়। ও মা। তা নয় তো। স‍্যান্ডউইচের মাঝখান থেকে ছোট্ট কি একটা জিনিস বের নিয়ে করে সে পকেটে পুরে ফেলল।

পুরো ঘটনাটা এত দ্রুত ঘটে গেল যে, অরূপ ভালো করে ব্যাপারটা বুঝতেই পারল না। কিন্তু কিছু একটা অস্বাভাবিক যে ঘটল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সন্ধানী দৃষ্টিতে এদিক-ওদিকে তাকাতেই সে দেখতে পেল দুটো টেবিল পরেই সেই দীর্ঘদেহী জার্মান ভদ্রলোক আগের লোকটার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে তার কর্মকান্ড দেখছে।

লোকটা খুব তাড়াতাড়ি প্রায় গপগপ্ করে স‍্যান্ডউইচ দুটো খেয়েই খাওয়ার ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল। তারপর অরূপের সাথে জার্মান সাহেবের চোখাচোখি হতেই উনি টেবিলে পড়ে থাকা নিজের ফোনের প্রতি অরূপকে ইশারা করলেন। তার মানে, ডাল মে সত‍্যিই কুছ কালা হ‍্যায়। কিন্তু স‍্যান্ডউইচখোর লোকটা কে? আর স‍্যান্ডউইচের ভিতর কি খুঁজে পেল সে?

তন্ময় হয়ে ভাবছিল অরূপ। মোবাইল থেকে একটা পিং করে আওয়াজ হতে ওর সম্বিত ফিরল । ‘ম‍্যাক্স মায়ারস্ গ‍্যালাক্সি ট‍্যাব গিভিং পেয়ারিং রিকোয়েষ্ট’ এই মেসেজটা মোবাইল স্ক্রিনে ভেসে উঠল। স্নায়ু অত‍্যন্ত সজাগ হয়ে উঠল অরূপের। বিপদ খুব কাছে এসে গেলে এইরকম হয় ওর। মাথাটা তখন বরফের মত ঠান্ডা হয়ে যায়, আর দ্রুত চিন্তা করার ক্ষমতা আসে।

তার মানে, ম‍্যাক্স মায়ার ব্লু-টুথের মাধ‍্যমে কিছু পাঠাতে চায়। এখানে অন‍্যভাবে পাঠানোর উপায় নেই। কারণ, এখানে কয়েকদিন যাবৎ মোবাইলে কোনো নেটওয়ার্ক নেই। এই ডাইনিং হলের ভেতর ভদ্রলোক ওর কাছাকাছি এসে দেখা করতেও বোধহয় চাইছেন না। পেয়ারিং রিকোয়েস্ট অ্যাক্সেপ্ট করল অরূপ। তারপর একটা ভিডিও এল ম‍্যাক্স মায়ারের ফোন থেকে।

ভিডিওটা চালু করল সে। আরে, এ তো একটু আগেই ঘটে যাওয়া ঘটনাটা! জার্মান ভদ্রলোক রেকর্ড করতে পেরেছে তা হলে। থেমে থেমে, ভিডিওতে ‘ফ্রেম বাই ফ্রেম’ দেখতে লাগল লোকটাকে। লোকটার গলায় ডানদিকে একটা নীল রঙের একটা ছোট উল্কি আঁকা। উল্কিটা ভালো করে লক্ষ করতেই অরূপের ভ্রু কুঁচকে গেল। লোকটা একটা কালো মত ছোট্ট জিনিস খুঁজে পেল স‍্যান্ডউইচের ভেতর থেকে। জিনিসটা কি- এই কৌতুহল তখন চেপে বসেছে অরূপের মাথায়। ভিডিওটা থামিয়ে ওই ফ্রেমের স্ক্রিনশট নিয়ে সেটা জুম করতেই ব‍্যপারটা পরিষ্কার হল। কালো মত আয়তাকার জিনিসটা একটা মেমরি কার্ড। একটু পরেই সেটা পকেট থেকে ওয়ালেটে চালান করে দিয়েছিল লোকটা। অরূপ জুম করা ছবিটা বিদিশাকে দেখাতেই সে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেল।

বেশ রাত হয়েছে। বাইরে আবার বৃষ্টি নেমেছে। সঙ্গে হালকা হাওয়া। ডাইনিং হল থেকে নামতেই সংগ্রাম মাথায় ছাতা ধরে ওদের কটেজে পৌঁছে দিল।

(চলবে)

PrevPreviousহঠাৎ করে একটা কানে শুনতে না পাওয়া
Nextক্যান্সার জয় আর স্বাভাবিক জীবন যাপনNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কিছুই বলতে চাইছি না

June 15, 2026 No Comments

কোন একটা হিন্দি সিনেমার একটা দৃশ্য মনে পড়ল। খোলা গর্তের পাশে দাঁড়িয়ে এক মাতাল গর্তের দিকে আঙুল তুলে জড়ানো গলায় বলছে – পঁচ্‌চিশ, পঁচ্‌চিশ… কোনও

অভয়া মঞ্চের প্রলয়-স্মরণ

June 14, 2026 No Comments

৯ জুন ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চ।

বর্তমান ভূত

June 14, 2026 No Comments

তুমি ভেবেছিলে কালজয়ী হবে ঠিক চোখ খুলে দেখো সড়ক নরক ভালো মানুষের লেগেছে মড়ক কাকে দেবে শত ধিক? গুণী জন ছিল পায়ের তলায় কাকে কাকে

পশ্চিমবঙ্গের এই ছোট দোকানিরা ভারতেরও নাগরিক

June 14, 2026 No Comments

রাতে ফেরার সময় দেখলাম ঢাকুরিয়া এবং বাঘাযতীন স্টেশনের ছোট দোকানদারদের (‘হকার’ শব্দটা ব্যবহার করলাম না) মধ্যে চাপা উত্তেজনা এবং বেশ খানিকটা ভয়। এঁদের কয়েকজনের সঙ্গে

ন্যায়বিচারের সন্ধানে অভয়া মঞ্চের অবিচল পথচলা ।। ৯ জুন ২০২৬ ।। ২২ মাস

June 14, 2026 No Comments

৯ জুন, ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চে অনুষ্ঠিত কর্মসূচী।

সাম্প্রতিক পোস্ট

কিছুই বলতে চাইছি না

Dr. Bishan Basu June 15, 2026

অভয়া মঞ্চের প্রলয়-স্মরণ

Abhaya Mancha June 14, 2026

বর্তমান ভূত

Shila Chakraborty June 14, 2026

পশ্চিমবঙ্গের এই ছোট দোকানিরা ভারতেরও নাগরিক

Dr. Koushik Dutta June 14, 2026

ন্যায়বিচারের সন্ধানে অভয়া মঞ্চের অবিচল পথচলা ।। ৯ জুন ২০২৬ ।। ২২ মাস

Abhaya Mancha June 14, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

631162
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]