Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

জিয়াভরলি (৪র্থ পর্ব)

FB_IMG_1636334291739
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • November 9, 2021
  • 7:27 am
  • No Comments

৩য় পর্বের পর…

ছাতাটা বড় হলেও একটা ছাতা তিনজনের পক্ষে যথেষ্ট নয়। তাছাড়া অরূপ ওদের মধ‍্যে সবচেয়ে লম্বা। প্রায় পাঁচ ফুট দশ। ছাতাটা সংগ্রাম অনেক উঁচু করে ধরে ছিল। তাই অরূপ সেটা নিজে ধরতে চাইল। কিন্তু সংগ্রাম কিছুতেই ওর হাতে দিল না।

কটেজে পৌঁছে ওরা ভিজে জামাকাপড় পাল্টে ফেলল। সকালে বৃষ্টি থামলে হয়! এগুলো শুকোতে হবে। ভিজে জামাকাপড় লাগেজে নেওয়া যাবে না।

বিদিশা অরূপের ফোনটা নাড়াচাড়া করছিল।

‘মেমরি কার্ডটাতে কি থাকতে পারে?’

‘হয়ত গোপনীয় কিছু। তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হল, মেমরি কার্ডটা কার কাছ থেকে এল?’

‘কার কাছ থেকে বলে তোমার মনে হয়?’

অরূপ উত্তর না দিয়ে চুপ করে বাইরের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে রইল। খুব গভীর চিন্তা করার সময়ে সে এরকম দূরে তাকিয়ে থাকে।

অনেকক্ষণ চুপ করে থাকার পরে অরূপ হঠাৎ বলল, ‘আজ আমাদের ঘরে থাকা চলবে না।’

‘কেন?’

‘আমরা যে দেখে ফেলেছি এবং ছবি তুলেছি সেটা ওরা দেখেছে।’

‘তাহলে?’

‘দেখি কি করা যায়!’

ভালো করে বিছানা করল বিপাশা। অরূপ বালিশ দুটো লম্বা করে পাশাপাশি রেখে চাদর দিয়ে ঢাকা দিল। অন্ধকারে দেখে মনে হয় দুজন মানুষ বিছানায় শুয়ে আছে। তারপর বৃষ্টি থামতেই সুইস টেন্ট আর স্লিপিং ব‍্যাগ দুটো নিয়ে রিসর্টের পিছনের অন্ধকার শুঁড়ি পথ বেয়ে নিঃশব্দে বেরিয়ে গেল। বড় ট‍্যুরে গেলে ওদের সাথে একটা ছোট সুইস তাঁবু থাকে।

গোটা ট‍্যুরিষ্ট লজ তখন ঘুমিয়ে পড়েছে। অন্ধকার হলেও কিছুক্ষণ বাদে চোখ সয়ে যায়। তারার আলোয় পথঘাটের আন্দাজ পাওয়া যায়। বড় ঝাঁকড়া গাছটার পাশ দিয়ে নদীর ধারে নেমে মোটামুটি সমতল একটা জায়গা বাছল ওরা। বিকেলে ঘুরতে এসে জায়গাটা দেখে রেখেছিল বিপাশা। পাথরগুলো ভিজে ভিজে। মোবাইল ফোনের টর্চ জ্বালানোর চেষ্টা করছিল অরূপ। হাত চেপে ধরে মানা করল বিদিশা। হাতড়ে হাতড়ে একটু শুকনো জায়গা দেখে তাঁবুটা খাটালো দুজনে মিলে। এই সুইস তাঁবু গুলো খাটানো বেশ সহজ।

রাতটা কোনোক্রমে কাটিয়ে ভোরের আলো ফোটার আগেই ওরা কটেজে ফিরল। তখনো কারও সাড়াশব্দ নেই। ঘরে ঢুকে দেখল সব লন্ডভন্ড। কে বা কারা ঘরের প্রতিটা ব‍্যাগপত্তর ঘেঁটে, বিছানা-বালিশ ছিঁড়েখুঁড়ে রেখে গেছে। রাতে ঘরে না থাকার সিদ্ধান্তটা তার মানে ঠিকই ছিল।

একটু পরে ইলেকট্রিক কেটলিতে চায়ের জল বসালো বিদিশা। আর অরূপ জিনিসপত্র গোছগাছ শুরু করল। এমন সময় বাইরে থেকে একটু গুঞ্জন কানে এল। তারপর বাড়তে বাড়তে হইচই। অন‍্য কটেজে চা দিতে যাওয়া একজন কর্মচারীকে ডেকে জিজ্ঞেস করতেই সে বলল, ‘জানেন না, কাল রাতে সাহেব তো মারা গেছে।’

‘কোন সাহেব?’

‘ওই যে সাত নম্বর কটেজের জার্মান সাহেব। এক সপ্তাহ হল এসেছিল।’

‘সে কি? কিভাবে?’

‘সাপে কেটেছে। কটেজে ঢুকেছিল। বিরাট চন্দ্রবোড়া সাপ। আমাদের রাহুল সাপটাকে মেরেছে।’

চায়ের কেটলি বন্ধ করে ওরা ছুটল সাত নম্বর কটেজের দিকে। প্রচুর লোকজন জমায়েত হয়েছে সেখানে।

কটেজের বারান্দায় দেখা গেল একটা চন্দ্রবোড়া সাপের মৃতদেহ। পিটিয়ে মারা হয়েছে। ঘরের ভিতরে বিছানায় শায়িত জার্মান মায়ার সাহেবের দেহ। পরনে রাতের পোষাক। ঠোঁট নীল। লালচে মুখটা ধূসর হয়ে গেছে। ফুলেওছে। ঠোঁটের কোণায় গ‍্যাঁজলা।

পায়ের কাছে পোষাকের উপরে একটা আধূলির সাইজের গোল রক্তের দাগ। অরূপ প‍্যান্টটা একটু সরিয়ে ছোবলের দাগটা দেখে ভ্রু কোঁচকালো। সেখানে রক্ত জমাট বেঁধে রয়েছে। তারপর সে চিন্তিত মুখে এদিক-ওদিক তাকিয়ে মেঝেয় একটা ধাতব চাকতি দেখতে পেয়ে সেটা কুড়িয়ে নিল। চাকতিটা একটা এক টাকার কয়েনের মত। তবে তার মাঝখানে একটা চৌকো গর্ত করা। চাকতিটা সে টুক করে পকেটে পুরে ফেলল।

‘পুলিশে খবর দিতে হবে।’

‘খবর দেওয়া হয়েছে, এখনি এসে পড়বে।’ একজন বলল।

বিদিশা নাড়ির স্পন্দন ও চোখের পাতা সরিয়ে কর্ণিয়া রিফ্লেক্স দেখল।

‘নাঃ, অনেকক্ষণ মারা গেছে।’

রাহুল নামে এক কিচেনের ষ্টাফ সাপটাকে মেরেছে। সে বলল,
‘আপনি বুঝলেন কি করে?’

‘আমি হাসপাতালের নার্স। সুন্দরবনের হেল্থ সেন্টারে অনেক সাপে কাটা রোগী দেখেছি।’

‘ও’

বিদিশা ঘর থেকে বেরিয়ে ফাঁকায় এসে অরূপকে নীচুস্বরে বলল,
‘শ্বাসরোধে মৃত্যু। সুতরাং নিউরোটক্সিক পয়জন। চন্দ্রবোড়ার কামড়ে তো এরকম হয় না!’

‘কি রকম হয়?’

‘চন্দ্রবোড়ার বিষ হেমাটোটক্সিক। ওতে শরীরের রক্ত জমাট বেঁধে যায়। কিডনি নষ্ট হয়ে যায় তাতে। কিন্তু এরকম মুখচোখ নীলচে হয়ে যায় না।’

‘হুমম্।’ অরূপ এরপর আর কোনো কথা বলল না।

(চলবে)

ছবি: অন্তর্জাল

PrevPreviousস্পাইনের (মেরুদন্ডের) ব‍্যথার চিকিৎসা
NextZikaNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

রামচন্দ্র, মুসলিম দরবারে রামায়ণ, রামমন্দির, এবং আমাদের বর্তমান ভারতবর্ষ`

October 17, 2026 1 Comment

বুদ্ধদেব বসু প্রসঙ্গটি এভাবে উত্থাপন করেছিলেন – “ধর্ম নিয়ে বাদানুবাদ যেমন মহাভারতে একটি নিত্যকর্ম, রামায়ণে সে-রকম নয়। কেননা রামই সেখানে সর্বাধিপতি ও সর্বতোভাবে প্রতিদ্বন্দীহীন …

আশ্বিনের প্রাক শারদীয়া সন্ধে

October 17, 2026 No Comments

আশ্বিনের প্রাক শারদীয়া সন্ধে, বুধবার অনেকদিন ডায়েরি লেখা হয়নি। বিষয়বস্তুর অভাব ঘটেনি, মনকে সংহত করতে অপারগ হয়েছি। পথে আলো, ঘাটে আলো, হাটে-বাটে-মাঠে আলো, আকাশে বাতাসে

অমলেন্দুভূষণ চৌধুরী এবং বাবুন চ্যাটার্জির উপর আক্রমণকারীদের শাস্তি চাই।

October 17, 2026 No Comments

সুনীল আকাশ, সাদা পেঁজা তুলোর মত মেঘ, কাশ ফুল, ঢাকের বাদ্যের সঙ্গে পুজো সংখ্যার বই, গান ও দশভুজার প্যান্ডেলের সামনে বামপন্থীদের বইয়ের স্টল বাংলার শারদ

ইন্ডিয়ান রোড কংগ্রেস ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস নয়

October 16, 2026 No Comments

১৮৮৫ সালে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস তৈরী হয় – একথা এমনকি ডিপ-স্টেটের পে-রোলে থাকা ইতিহাসবিদরাও আমাদের জানতে দিয়েছিলেন। ঘটনা এতই পুরোনো যে এমনকি মোহনদাসজিও তখন প্রাপ্তবয়স্ক

রঙিন

October 16, 2026 No Comments

★ রঙিন ★ জীবনের ব্যাগে রঙ না থাকুক, রাস্তায় সাত রঙ বাধ্য হয়েই দ্রুতগতি যারা, মরে যা তারা বরং! বিদেশে ওরম মাল্টিকালার রাস্তা প্রচুর আছে।

সাম্প্রতিক পোস্ট

রামচন্দ্র, মুসলিম দরবারে রামায়ণ, রামমন্দির, এবং আমাদের বর্তমান ভারতবর্ষ`

Dr. Jayanta Bhattacharya October 17, 2026

আশ্বিনের প্রাক শারদীয়া সন্ধে

Dr. Sukanya Bandopadhyay October 17, 2026

অমলেন্দুভূষণ চৌধুরী এবং বাবুন চ্যাটার্জির উপর আক্রমণকারীদের শাস্তি চাই।

Dr. Punyabrata Gun October 17, 2026

ইন্ডিয়ান রোড কংগ্রেস ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস নয়

Dr. Bishan Basu October 16, 2026

রঙিন

Dr. Arunachal Datta Choudhury October 16, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

691688
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]