১৫ মে ২০২৬
১৪ বছর পেরিয়ে গেছে। এখনো দিল্লীর রাস্তায় নির্ভয়ারা নির্যাতিতা হয়েই চলেছে। আবারও চলন্ত বাসে গণধর্ষণ,পশ্চিম দিল্লির রানীবাগ এলাকায়। ৩০ বছরের শ্রমজীবী মহিলা, তিন কন্যার জননী। অসুস্থ স্বামী সহ পরিবারের দায়িত্ব তাঁর একার ওপর। হঠাৎ তাঁকে টেনে তুলে নিয়ে,দু ঘন্টা ধরে বাসের কন্ডাক্টর এবং ড্রাইভার চলন্ত খালি বাসে অবর্ণনীয় অত্যাচার চালিয়ে নাংলোই মেট্রো স্টেশনের কাছে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
২০২৪ সালের ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড রিপোর্ট অনুযায়ী মহিলাদের প্রতি অপরাধে শীর্ষস্থানটি রাজধানী দিল্লি শহরের দখলে। নির্ভয়াদের নির্ভয় করতে পারিনি আমরা। ৷ ধিক্কার জানাই প্রশাসনকে,যারা ব্যর্থ মেয়েদের নিরাপত্তা দিতে। গুরুতর জখম ঐ তরুণী,মরণাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে যেতে চান না। বলেন “আমার বাচ্চাদের কে রান্না করে দেবে”? জানিনা মেয়েদের এই করুণ পরিণতি কজনের প্রাণ কাঁদায়? “নির্মম চেতনাহীন পাষাণে” পরিণত হয়েছে সমাজ, প্রশাসন।
“এরা কি দেবে তোরে কিছু না কিছু না
মিথ্যা কবে শুধু হীন পরাণে,
কেনো চেয়ে আছো গো মা,মুখপানে”।
ঐ মায়ের যন্ত্রণা যাদের বুকে আঘাত করে, আসুন সেই সকলে একজোট হই। হতাশার জায়গা নেই। কষ্টকে ক্রোধে পরিণত করে এই অন্যায়ের নিরসনে আওয়াজ তুলি, তা না হলে নির্ভয়া ১,২,৩,৪….সংখ্যা অসংখ্য হয়ে যাবে। আমার আপনার মেয়েরাও হয়ে যেতে পারে একটা সংখ্যা।









