Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

“মার্সি পিটিশন”

Bhagat Singh Rajguru Sukdev
Dr. Samudra Sengupta

Dr. Samudra Sengupta

Health administrator
My Other Posts
  • March 25, 2026
  • 7:45 am
  • One Comment
২৩ মার্চ, ২০২৬
একদম গোড়াতেই একটা কথা পরিষ্কার করে নেয়া ভালো যে তাঁর ও তাঁর কমরেডদের মৃত্যুদন্ড ঘোষণার দিন ( ৭ই অক্টোবর, ১৯৩০) থেকে ওই সাজা কাজে পরিণত হওয়ার দিন (২৩সে মার্চ, ১৯৩১) পর্যন্ত ভগৎ সিং নিজে কোনো রকমের প্রাণ ভিক্ষা চেয়ে আবেদন করেন নি। সবটাই তাঁর হয়ে অন্য কেউ করেছেন যার মধ্যে গান্ধীও আছেন।
নিজেকে যুদ্ধবন্দী হিসেবে বিবেচনা করে পাঞ্জাব এর গভর্নর এর কাছে ভগৎ সিং ফাঁসির বদলে গুলি করে মারার জন্য যে আবেদন করেন তার শুরুটা হচ্ছে এইভাবে – “we were sentenced to death on 7th October 1930 by a British Court, L.C.C Tribunal, constituted under the Sp. Lahore Conspiracy Case Ordinance, promulgated by the H.E. The Viceroy, the Head of the British Government of India….”
ভগৎ সিং এর ফাঁসির হুকুম হয়েছিল ৭ই অক্টোবর ১৯৩০ সালে। প্রখ্যাত আইন বিশেষজ্ঞ নূরানী তার বইতে লিখেছেন, “Finally, on October 7, 1930 the Special Tribunal on the Lahore Conspiracy Case delivered judgment convicting all the accused except three who were acquitted-Ajoy Kumar Ghosh, Jatindra Nath Sanyal and Des Raj. Sentence was pronounced on the other twelve. Bhagat Singh, Sukh Dev and Rajguru were sentenced to death.”
আলোচনার একেবারে শুরুতেই ফাঁসি নিয়ে গান্ধীর একটি মন্তব্য উল্লেখ করা যাক, “সম্পূর্ণ বিবেক নিয়ে আমি কোনো ব্যক্তিকে ফাঁসিতে ঝোলানো নিয়ে সহমত হতে পারবো না, ভগৎ সিং এর মতো সাহসী মানুষের ক্ষেত্রে তো কোনোমতেই নয়।” এবার দেখা যাক যে ৭ই মার্চ , ১৯৩১ এ জনসভায় ভাষণে বলা গান্ধীর ওই কথাগুলো “কথার কথা” না কি সত্যিই উনি এমনটা মনে করতেন।
ভগৎ সিং এর বিচার নিয়ে গান্ধীর হস্তক্ষেপ শুরু হয় তাঁদের মৃত্যুদন্ড ঘোষণার অনেক অনেক আগে। চার মে, ১৯৩০ ভাইসরয়কে চিঠি লিখে গান্ধী লাহোর যড়যন্ত্র মামলায় স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠনের তীব্র সমালোচনা করে লেখেন, “সাধারণ সব পদ্ধতি প্রকরণ জলাঞ্জলি দিয়ে ভগৎ সিং ও তার সাথীদের বিচারের জন্য একটা শর্টকাট খুঁজে পেয়েছেন আপনি। এটা কি খুব বিস্ময়কর মনে হবে, আমি যদি এইসব দাপ্তরিক কাজকর্মকে মার্শাল ল বা সামরিক আইনেরই একটা ঘোমটা টানা চেহারা হিসেবে চিহ্নিত করি?
মৃত্যুদন্ড ঘোষণার পরে প্রথম কংগ্রেস নেতা হিসেবে প্রতিবাদ করেন নেহেরু। ঘোষণার পাঁচদিন পরে এলাহাবাদে এক জনসভায় নেহেরু বলেন, “ভগৎ সিং এর পথ ও মতের সাথে একমত হই বা না হই, তাঁর বীরত্ব ও আর আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় আমাদের হৃদয় পরিপূর্ণ হোক। ..A man of his type is exceedingly rare. If the viceroy expects us to refrain from admiring this wonderful courage and high purpose behind it, he is mistaken. Let him ask his own heart what he would have felt if Bhagat Singh had been an Englishman and acted for England?”
২৬শে জানুয়ারি, ১৯৩১ গান্ধী জেল থেকে ছাড়া পান। ৩১শে জানুয়ারি, ১৯৩১ এ ভগৎ সিং এর শাস্তি নিয়ে গান্ধী বললেন, “যাদের মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে তাদের ফাঁসিতে ঝোলানো উচিত নয়। আমার নিজস্ব ধর্ম এও বলে যে শুধু ফাঁসিতে ঝোলানো নয়, তাদের জেলেও ভরে রাখা উচিত নয়।”
প্রথম দিকে ভাইসরয় এর সাথে বৈঠকে গররাজি থাকলেও ১৪ই ফেব্রুয়ারি রাজি হয়ে যান কথাবার্তা বলতে। ঠিক হয় যে বৈঠক হবে ১৭ই ফেব্রুয়ারি। বৈঠক শুরুর ঠিক পাঁচ দিন আগে ভারত সচিব টেলিগ্রাম করে জানান যে প্রিভি কাউন্সিলে স্পেশাল লিভ আপিল নাকচ হয়ে গেছে। গোটা দেশ জুড়ে এক দমবন্ধ করা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। বোঝাই যাচ্ছিল যে ভাইসরয় এর হস্তক্ষেপ ছাড়া ওই বিপ্লবী ত্রয়ীকে বাঁচানো যাবে না।
গান্ধীর মুখ চেয়ে তখন কংগ্রেসীরা ছাড়াও অসংখ্য দেশবাসী, যদি উনি পারেন জীবন ভিক্ষা করতে। গান্ধী-আরউইন আলাপ শুরু হয় ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৩১ আর চলে ৫ই মার্চ অবধি। এই আলাপের শুরুতেই গান্ধী লিখে জানান যে, “ওয়ার্কিং কমিটি আমার সাথে একমত হয়েছে যে মৃত্যুদণ্ড মকুবের বিষয়টি শান্তিচুক্তির পূর্বশর্ত নয়। আমি সমঝোতার আলোচনার পাশাপাশি এটিকে উল্লেখ কেবল করতে পারি।”
১৮ই ফেব্রুয়ারি, গান্ধী প্রথমবারের জন্য ভগৎ সিং প্রসঙ্গ তুললেন। ওনার নিজের ভাষায়, “আমাদের আলোচনার সাথে এটার কোনও সরাসরি যোগ নেই, আমার পক্ষে এর অবতারণা হয়তো উচিতও হচ্ছে না কিন্তু আপনি (আরউইন) যদি বর্তমান বাতাবরণকে আরো অনুকূল করতে চান তাহলে ভগত সিংদের দণ্ডদান প্রক্রিয়াটি আপনাকে নিলম্বিত করতে হবে।”
উনি আরো লিখছেন যে ব্যাপারটি ভাইসরয়ের বেশ মনে ধরেছিল। ভাইসরয় বলেন, “এভাবে বিষয়টি আমার সামনে তুলে ধরার জন্য আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকলাম। মৃত্যুদণ্ড বাতিল করাটা খুব কঠিন কিন্তু স্থগিতাদেশ বিষয়টা অবশ্যই বিবেচনা করা যেতে পারে।
ওপরের বর্ণনা থেকে এটা পরিষ্কার যে গান্ধী আর আরউইন -দুপক্ষই মৃত্যুদণ্ড রহিত এর পরিবর্তে স্থগিত করায় উৎসাহী ছিলেন। কিন্তু কেন সে প্রশ্ন উঠে আসে। উত্তর কি হতে পারে দেখা যাক।
শ্রী বিজয়রাঘবচারীকে ২৯শে এপ্রিল, ১৯৩১ এ লেখা চিঠিতে গান্ধী জানাচ্ছেন যে, “শাস্তিদানের বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই স্যার তেজ বাহাদুরের মতো জুরিস্টদের সাথে (আরো দুজন ছিলেন – এম জয়কার, এবং শ্রীনিবাসন শাস্ত্রী) ভাইসরয় এর পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা হয়েছে এবং তুমি জানো যে ভাইরসয় এর ওপর ওনার প্রভাব কতটা কিন্তু কোনো লাভ হয় নি”
গান্ধী আঁচ করতে পেরেছিলেন যে আরউইনের নিজের ইচ্ছে যাই থাকুক না কেন, উনি চাপে আছেন, একেবারে মকুব করে দেয়া হয়তো সম্ভব হবে না। আর আইনগত ভাবে প্রিভি কাউন্সিল আবেদন নাকচ করে দেয়ার পরে ভাইসরয় এর পক্ষে মৃত্যুদণ্ড মকুব করে দেয়ার কোনো চান্স নেই। তাই এই মধ্যপন্থা। কালক্ষেপ এর এই স্ট্যাটেজি সফল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
১৯শে মার্চ গান্ধী দ্বিতীয়বারের মতো ভগৎ সিং এর প্রসঙ্গ ওঠালেন। এ নিয়ে আরউইন নিজের ডায়েরিতে লিখছেন, “চলে যাওয়ার আগে গান্ধী আমায় জিজ্ঞেস করলেন যে উনি ২৪শে মার্চ ভগৎ সিং এর মৃত্যুদন্ডের বিষয়টি কংগ্রেস কমিটিতে উল্লেখ করতে পারেন কিনা। আমি ওনাকে বললাম যে আমি বিষয়টি নিয়ে শঙ্কিত চিত্তে প্রচুর ভাবনাচিন্তা করেছি কিন্তু দণ্ডদান রহিত করার বিষয়ে বিবেকের কোনো সমর্থন পাইনি। আজকের তারিখে আমি স্থগিত করার সম্ভাবনা নিয়েই বিবেচনা করছি। কিন্তু বিষয়টি নানান কারণে খারিজ করলাম। ওনার নিজের ভাষায় খারিজের কারণগুলি:- “That postponement of execution, merely on political grounds when order had been passed seemed to me improper;
That postponement was inhuman in that it would suggest to the friends and relatives that I was considering commutation; and That Congress would have been able legitimately to complain that they had been tricked by Government. He appeared to appreciate the force of these arguments and said no more.”
চরম সিদ্ধান্ত নিতে আরউইন যে দোনোমনা করছেন সেটা বুঝে গান্ধী আরেকবার চেষ্টা করেন ভগৎ সিংদের বাঁচানোর। নিউজ ক্রনিকল এর সাংবাদিক রবার্ট বার্নি নিজের ডায়েরিতে ২১শে মার্চ লিখছেন, গান্ধী করাচি কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে তার যাত্রা শুরু করাটা আরেকদিন স্থগিত করলেন যাতে ভাইসরয় এর সাথে আরেকটু কথাবার্তা চালানো যায় ভগৎ সিংদের বিষয়ে।
২১শে মার্চ গান্ধী আরউইন এর সাথে দেখা করে আবার তাকে দণ্ডদানের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করেন। ২২সে মার্চ আবার দুজন মিলিত হন বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য। ভাইসরয় গান্ধীকে প্রতিশ্রুতি দেন বিবেচনার। কিছুটা আশা পেয়ে গান্ধী ভাইসরয়কে ২৩ তারিখ সকালে একখানি চিঠি লেখেন। ভাইসরয় এর মন গলানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে ভাইসরয়কে “ডিয়ার ফ্রেন্ড” হিসেবে সম্বোধন করে জনমতের উল্লেখ করেন গান্ধী। চিরন্তন শান্তি, বিপ্লবীদের হিংসার পথ পরিত্যাগের সম্ভাবনা, বিচারের ত্রুটির সম্ভাবনা উল্লেখ করে তার সাথে লর্ড আরউইন এর ক্রিশ্চিয়ান সেন্টিমেন্ট এর কাছে গান্ধী আবেদন করেন।
গান্ধীর এই স্বভাব বিরুদ্ধ আবেদন দেখে আরউইন খুবই বিস্মিত হয়েছিলেন। নন-ভায়োলেন্স এর প্রবক্তা বিপ্লবীদের জন্য আবেদন করেছেন ! ২৬শে মার্চ তাঁর বিদায়ী ভাষণে আরউইন বলেন, “আমি সেদিন মিস্টার গান্ধীর আবেদন শুনে ভাবছিলাম যে অহিংসার পূজারী হিসেবে খ্যাত এই মানুষটি কতটা আন্তরিকভাবে তাঁর মতবাদের একবারে মৌলিক বিরোধী মানুষদের প্রাণ ভিক্ষার জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু এসব ভেবে আমি আমার বিচারক্ষমতাকে প্রভাবিত হতে দিই নি”। অর্থাৎ গান্ধীর কাতর আবেদন জলে গেল।
কেনিং এবরণ, স্টেসসম্যান এর সম্পাদক আরেক সাংবাদিক গার্ডিয়ানের ডিন ফ্রেজারের সাথে এই বিষয়টি নিয়ে নির্মোহ আলোচনা করেছেন। তাদের লেখায় জানা যাচ্ছে যে লর্ড আরউইন গান্ধীর এর আবেদনে বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন। তিনি ব্রিটিশ জাজ স্যার রয় এমিলকে লেখা চিঠিতে গান্ধীর এই পত্র সম্পর্কে জানান। এও জানান যে ফাঁসির বিষয়ে তাঁর বিবেকের সায় ছিল না।
২৯শে মার্চ হারবার্ট এমার্সন, তদানীংতন গৃহ সচিবের সাথে গান্ধীর দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়। করাচি কংগ্রেসের আগে না পরে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হবে সে নিয়ে সরকার যে চিন্তিত তা সচিবের কথায় প্রকাশ পায়। সব দিক বিবেচনা করে সরকার যে আর দেরি করতে চায় না সেটিও সচিব জানান। উনি আগে না পরে এর বাইরে তৃতীয় আরেকটি সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন যদিও খুব সিরিয়াসলি নয়, সেটি হল দন্ড হ্রাস। এই হারবার্ট এমার্সন তাঁর স্মৃতিকথায় লিখেছেন যে ভগৎ সিং ও তার সাথীদের প্রাণ বাঁচানোর জন্য গান্ধীর প্রচেষ্টায় কোনো খাদ ছিল না, ওটাকে নামমাত্র বলাটা সত্যের অপলাপ।
গান্ধীর শেষ চেষ্টা ছিল আসফ আলীর মিশন যদি ওই বিপ্লবীদের থেকে একটা মুচলেকা নিয়ে আসতে পারে হিংসাকে নিন্দা জানিয়ে। শেষ পর্যন্ত সেটা হয় নি। বিপ্লবীরা অস্বীকৃত হন অমন ঘোষণাপত্র দিতে।
সেই ২৩ তারিখেই সন্ধ্যে সাতটায় কার্যকর হল সেই মৃত্যুদন্ড। খবরটা পাওয়ার পরে গান্ধী, প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান অনুযায়ী, visibly moved and deeply shocked”.
ভাইসরয় এর দোলাচল, গান্ধীর কাতর আবেদন সবই নিষ্ফল হল তার পেছনের কারণগুলি খুব অস্পষ্ট নয়। ভাইরসয় এর বিরাট ক্ষমতা ছিল আবার ছিল না। ভগৎ সিংদের সাজার বিষয়টা নিছক মৃত্যুদন্ড ছিল না। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যকে চ্যালেঞ্জ জানানোটা ইংল্যান্ড মোটেই লঘু করে দেখতে রাজি ছিল না। এর সাথে যুক্ত করুন সরকারের ওপর পাঞ্জাবের আইসিএস ক্যাডারদের চাপ। লাহোরের ব্রিটিশ পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত স্যান্ডারর্স এর বন্ধুবান্ধবদেরও চাপ ছিল সরকারের ওপর। তাদের কাছে জাস্টিস মানে চোখের বদলে চোখ।
২৯শে মার্চ, ১৯৩১ কংগ্রেসের করাচি অধিবেশন বসলো। অধিবেশন জুড়ে শোক, বিক্ষোভ। সর্দার প্যাটেল এর শোভাযাত্রা বিক্ষোভে বাতিল। গান্ধী দায়িত্ব দিলেন নেহেরুকে ওই মৃত্যুদন্ড নিয়ে প্রস্তাব আনার জন্য কারণ যুব ডেলিগেটদের মধ্যে নেহেরু খুব জনপ্রিয় ছিলেন। প্রস্তাব সমর্থন করলেন মদনমোহন মালব্য।
প্রস্তাবে বলা হল, “…. This Congress, while dissociating itself from and disapproving of political violence in any shape or form, places on record its admiration of the bravery and sacrifice of the late Sardar Bhagat Singh and his comrades, Sukhdev and Rajguru, and mourns with the bereaved families the loss of these lives. This Congress is of the opinion that this triple execution is an act of wanton vengeance and is a deliberate flouting of the unanimous demand of the nation for commutation”
চারদিকে যখন গান্ধী প্রবল ভাবে সমালোচিত তখন গান্ধীর নিজের ভাষায়, “I was not here to defend myself and hence I have not placed the facts as to what I have done to save Bhagat Singh and his comrades. I have tried to persuade the Viceroy with all the methods of persuasion I had. After my last meeting with the relatives of Bhagat Singh, on the appointed date, that is , 23rd morning, I wrote a personal letter to the Viceroy, in which I had poured in my whole being-heart and soul-but it has all gone in vain…Pandit Malaviyaji and Dr Sapru also did their utmost.”
সুভাষ চন্দ্র বসু উত্তেজিত হয়ে গান্ধীকে বলেছিলেন, “গান্ধী-আরউইন” চুক্তি বাতিল করা হোক। “Because the execution was against the spirit, if not the letter, of the Delhi pact, they should, if necessary, break with the Viceroy on the question of Bhagat Singh and his two comrades. তার সাথে সুভাষ এটাও বলেছিলেন যে, “It must be admitted that he (Gandhi) did try his very best. গান্ধী যথাসাধ্য করেছেন।”
শোকার্ত, উত্তেজিত ক্ষুব্ধ প্রতিনিধিরা শেষমেষ শান্ত হন ভগৎ সিং এর বাবা কিষেন সিং এর কথায়। সবার চোখ দিয়ে জল পড়ছে যখন কিষেন সিং বলেছেন, “ভগৎ আমায় বলেছে দুশ্চিন্তা না করতে। আমায় ফাঁসিকাঠে ঝুলতে দাও। কিন্তু আপনারা আপনাদের সেনাপতিকে (গান্ধীজি) সমর্থন দেওয়া জারি রাখবেন। সব কংগ্রেসি নেতৃত্বকে সমর্থন দেয়া জারি রাখবেন। তাহলেই দেশের স্বাধীনতা আসবে। এই আমার আবেদন আপনাদের কাছে।”
ওপরের দীর্ঘ আলোচনা থেকে এটা ধারণা করা যেতে পারে যে মুচলেকা দিতে রাজি হলে হয়তো তাঁর প্রাণটা বেঁচে যেত। কিন্তু ভগৎ সিং দিতে রাজি হন নি। কারণ তিনিই প্রকৃত বীর। মন্মথনাথ গুপ্তা তার স্মৃতিচারণে এই বীরের জীবনের শেষ মুহূর্তগুলো স্মরণ করতে গিয়ে বলেছেন, “জল্লাদরা যখন এসে ওনাকে বলে, এবার ফাঁসিকাঠে ওঠার সময় হয়ে গেছে, তখন ভগত সিং তার সেলে একটি বইয়ে তন্ময় হয়েছিলেন। ওদের বলেন, “একটু দাঁড়িয়ে যাও। দেখছো না, একজন বিপ্লবী আরেকজন বিপ্লবীর সাথে কথা বলছে।” তাঁর কথায় ব্রিটিশ জল্লাদ বাহিনী সত্যিই থমকে দাঁড়িয়ে যায়। ভগৎ সিং বইয়ের ওই পাতাটা শেষ করে বইটা মুড়ে বন্ধ করে এগিয়ে যান ফাঁসিকাঠের দিকে, দৃপ্ত পায়ে। কী অদ্ভুত মানুষ !
যে বইটা ভগৎ সিং আর কোনদিনই শেষ করে যেতে পারেন নি সেই বইটার লেখিকার নাম ছিল ক্লারা জেটকিন। জার্মান প্রবাদপ্রতিম কম্যুনিস্ট নেত্রী। আর বইটার নাম ছিল, “রেমিনিসেন্স অফ লেনিন” – লেনিনের স্মৃতিচারণ। এক বিপ্লবীর সাথে আরেক বিপ্লবীর কথোপকথন অসমাপ্তই থেকে গেল চিরকালের মতো।
আজ শহীদ দিবস। ভগৎ সিং অমর রহে। শহীদ ভগত সিং আমাদের অধরা স্বপ্নের ভারতীয় নায়ক। শহীদ তোমায় লাল সেলাম।
PrevPreviousকেন্দ্র এবং রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা শাসক দলগুলি, নারীদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ।। #১ বিলকিস বানো কেস
Nextঅভয়া মানে একজনই নন অভয়া।। প্রলয় গানপন্থীNext
1 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Shabnam Talukhdar
Shabnam Talukhdar
1 month ago

অনবদ্য সংগ্রহ।
আগেও পড়ছি,আগের লেখা।
আবারো তেমন করেই নমন লেখাটায়।
বিশেষত এই ভীষন হালকা হয়ে যাওয়ার মূল্যবোধের সময়টায় যখন সমাজটার মিডিয়া বিচ্যুতি র এই পতনের পচনের এই যুগের এমন ইতিহাস নীরবে পরে থাকে এক কোণে থমথমে উজ্জ্বল এক শক্তিশালী সাক্ষ্য হয়ে। নিলাম পোস্ট খানি।🙏♥️🩵🥀🔥

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

নির্বাচনী কুরুক্ষেত্র পেরিয়ে দ্রোহের শপথ: অভয়া মঞ্চের রবিস্মরণ

May 13, 2026 No Comments

অভয়ার বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা স্বতঃস্ফূর্ত অভয়া আন্দোলন যাতে সময়ের স্রোতে হারিয়ে না যায় তাই ২০২৪ এর ২৮শে অক্টোবর গড়ে ওঠে অভয়া মঞ্চ। ২০২৪ এর

ভালো পাহাড়

May 13, 2026 No Comments

দিন কয়েক আগেই ফ্যাসিবাদের রথ গৈরিক বিজয়কেতন উড়িয়ে ঢুকে পড়েছে আমাদের নিজস্ব আঙ্গিনায়। গ্রহণের অন্ধকার আপাতত গ্রাস করেছে আশার সৌরজগৎ। সাম্রাজ্যবাদের বিজয় সৌধ অভ্রভেদী হিংস্র

গর্গ চ্যাটার্জির অবিলম্বে মুক্তি চাই।।

May 13, 2026 No Comments

ই ভি এম সংক্রান্ত একটি বক্তব্য রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন গর্গ চ্যাটার্জির বিরুদ্ধে এফ আই আর করে। তার ভিত্তিতে আজ কলকাতা পুলিশের সাইবার সেল গর্গ‌

লড়াইটা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়

May 12, 2026 2 Comments

দু কোটি নব্বই লক্ষ (৪৬%) ভোট পেয়ে বিজেপি আজ পশ্চিমবঙ্গের মসনদে। কারা এদের এতো ভোট দিলেন? সরকারি আর বেসরকারি তৃণমূলীরা যথারীতি এদের পুরো নির্বাচকমন্ডলিকেই (electorate)

জননেত্রী জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন

May 12, 2026 1 Comment

নিজ বাসস্থানের সন্নিকটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করছেন – তাঁর সঙ্গে তাল মিলিয়ে বেসুরো গলায় গান গাইছেন কুনাল ঘোষ ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (যিনি, যদ্দূর সম্ভব,

সাম্প্রতিক পোস্ট

নির্বাচনী কুরুক্ষেত্র পেরিয়ে দ্রোহের শপথ: অভয়া মঞ্চের রবিস্মরণ

Gopa Mukherjee May 13, 2026

ভালো পাহাড়

Debashish Goswami May 13, 2026

গর্গ চ্যাটার্জির অবিলম্বে মুক্তি চাই।।

Sangrami Gana Mancha May 13, 2026

লড়াইটা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়

Kanchan Sarker May 12, 2026

জননেত্রী জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন

Dr. Bishan Basu May 12, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

622148
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]