Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মায়ে ভ্রূণে দ্বন্দ্ব : পর্ব ২, ভ্রূণের অধিকার

Screenshot_2022-03-13-23-37-49-22_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Kanchan Mukherjee

Dr. Kanchan Mukherjee

Fetal medicine specialist
My Other Posts
  • March 14, 2022
  • 9:55 am
  • One Comment
(গর্ভপাত নিয়ে একটি কাল্পনিক কথোপকথন)
ডাক্তারবাবু, গর্ভ-উপনিষদ পড়েছেন?
না, অত সময় নেই। প্রয়োজনে গুগল করে নি।
সনাতন ভারতীয় শিক্ষা বলছে ভ্রূণের সংস্কার (Garbhsamskar) শুরু হয়ে যায় গর্ভাবস্থার আদিকাল থেকেই। অভিমন্যু চক্রব্যূহ প্রবেশ করতে শিখেছিলেন যখন তিনি সুভদ্রার গর্ভে। আর আপনার বক্তব্যে এ পর্যন্ত ভ্রূণের কোনো নিজস্ব কোনো ব্যক্তিস্বত্তা (personhood) পেলাম না।
সত্যি বলতে কি, ভ্রূণের অধিকার নিয়ে আলোচনায় ঢুকে আমারও হাল এখন অভিমন্যুর মতোই। বেরোনোর রাস্তা খুঁজে পাচ্ছি না। জয়ন্ত দাস, সুভাষ মুখোপাধ্যায় প্রমুখ প্রাজ্ঞ অগ্রজেরা সাবধান করেছিলেন বটে! দেখুন, এথিক্যাল দৃষ্টিভঙ্গিতে যদি দেখেন তাহলে ভ্রূণের বাহ্যিক অস্তিত্ব না থাকলেও হয়তো ব্যক্তিস্বত্তা আছে। কিন্তু শুধু আমাদের দেশে কেন, ইংল্যান্ড আমেরিকা সব দেশেই সেই স্বীকৃতি কেমন যেন ভাসাভাসা, আবছা।
কিন্তু Personhood না থাকলে তো একজন আগত মানবশিশুর কোনো অধিকারই থাকে না!
নৈতিকতার চোখে হয়তো আছে কিন্তু আইনের চোখে নয়। নৈতিকভাবে দেখতে গেলে একটি ভ্রূণের জীবিত অবস্থায় জন্মানোর অধিকার আছে। সুস্থ অবস্থায় জন্মানোর অধিকারও থাকা উচিত। আবার না-জন্মানোর অধিকারও থাকবে নাই বা কেন?
“না-জন্মানোর অধিকার!”..এ আবার কোন দেশী কথা?
কেন? এই তো মাত্র তিনমাস হলো ইংলন্ডে এক তরুণী তার মায়ের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কেস জিতেছেন এই মর্মে। মেয়েটির মেরুদন্ডে রয়েছে ভয়ানক জন্মগত ত্রুটি। ২০ বছর বয়সে তিনি দাবি করেছেন তাঁকে এই অবস্থায় পৃথিবীতে আনাটাই নাকি ঠিক হয় নি! (তথ্যসূত্র Times of India, 3 Dec 2021)
তার মানে ভ্রূণের অধিকার যদি বা কিছু থাকে, সব বিমূর্ত (notional)। আইনসম্মত কোনো অধিকার নাই?
আইনানুগ অধিকার থাকতে গেলে তো সেই ব্যক্তির আইনি মর্যাদা (legal status) থাকতে হয়। আর সেটা তারই থাকে আইন যাকে ব্যক্তি বা person এর স্বীকৃতি দেয়।
ডাক্তারবাবু, সংবিধানের Article 21 সম্পর্কে জানেন নিশ্চয়। প্রতিটি মানুষের বাঁচার অধিকার আছে। আগত মানবশিশুরই বা থাকবে না কেন? তাকে রক্ষা করার দায়িত্ব কার?
জানি না। প্রাথমিক দায়িত্ব গর্ভধারিণীর ওপর বর্তালেও সেটা কতখানি ন্যায্য তা বলতে পারব না। রাষ্ট্র যে বিশেষ দায় নেবে না সে তো চেরনোবিল বা ভোপাল গ্যাস ট্র্যাজেডি থেকেই পরিষ্কার। অসংখ্য বিকলাঙ্গ শিশুর দায়িত্ব কি সরকার নিয়েছে? তাছাড়া Article 21 তো Right to dignified existence এরও কথা বলে। কোনো সম্ভাব্য মাতাকে কি জেনেশুনে ভয়ানক অসুস্থ শিশুর জন্ম দিতে বাধ্য করা যায়? তাতে কার Dignity সুরক্ষিত হয়? তাছাড়া নিরাপদ গর্ভপাতও তো স্বীকৃত মানবাধিকারের অন্তর্ভুক্ত। এক কথায় Article 21 গর্ভস্থ ভ্রূণকে কোনো বিশেষ অধিকার দেয় না। (তথ্যসূত্র: Rights of an Unborn Child with reference to Article 21 of the Indian Constitution, LexForti Legal News Network, July 3, 2020)
তার মানে আইনের চোখে ভ্রূণের কোনো অধিকার নেই বললেই চলে। কিন্তু তার তো একটা মরাল স্টেটাস থাকবে? আর আইন যাই বলুক না কেন, মানবপ্রজাতির এক আগত সদস্যের প্রতি আমাদের কি আরো হিউম্যান হওয়া উচিত নয়? বিশেষত: ছ’ মাস মাতৃগর্ভে কাটানোর পর সে যখন ‘Viable’ বা বাধ্যতামূলকভাবে আর মা-নির্ভর নয়।
আমার প্রশ্ন হল দাঁড়িটা টানবেন কোথায়? মানুষের জেনেটিক কোড আছে এমন কোনো সত্তাকেই তো মানুষ বলা উচিত। আর সেই জেনেটিক কোড আরোপিত হয় ডিম্বাণুর নিষেকের সাথে সাথে। আর সে জন্যই তো ক্যাথলিকরা কোনো অবস্থাতেই গর্ভপাত সমর্থন করেন না। তাছাড়া প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে তো Viability এর সংজ্ঞাও বদলে যাচ্ছে। আগে ছিল ২৮ সপ্তাহ। এখন ২৪, এমনকী কোথাও কোথাও ২২ ! কিন্তু Viability stage পেরিয়ে গেলেই সত্যিই কি সে স্বাধীন? অপরিণত শিশুকে কি Ventilator এ দিতে হয় না? অনেক পরিপুষ্ট সদ্যোজাতেরও তো সহায়তা লাগে। আর Viability দিয়ে দেখতে গেলে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এসে যায়। আমাদের মানবিকতা কি তাহলে কারো নির্ভরশীলতার সাথে লিঙ্কড্?
ডাক্তারবাবু আপনি Personhood এর প্রশ্নে ফিরে আসুন। বাহ্যিক বা সামাজিক উপস্থিতি নেই বলে কি একটি ফিটাসের কোনো moral status থাকবে না? সে কি morally হিউম্যান কমিউনিটির সদস্য নয়?
মানুষের Moral কমিউনিটি শুধু মানুষ দিয়ে নয়, তৈরী হয় Persons দিয়ে। আর অধিকার রক্ষার প্রশ্নে হয়তো Humanity র চেয়ে Personhood বেশি গুরুত্বপূর্ণ কারণ moral community পুরোটাই persons দিয়ে ঘেরা। তাহলে এখন দেখতে হয় কাকে আমরা ‘person’ বলবো। সম্পূর্ণ লিস্ট দেওয়া সম্ভব নয় তবে একজনকে person বলে গণ্য করতে গেলে তার আত্মসচেতনতা (self consciousness) থাকতে হয়, বিচারশক্তি (rationality) থাকতে হয়, তার যোগাযোগ করার ক্ষমতা (ability to communicate) থাকতে হয়। গর্ভস্থ ভ্রূণ কি এই সমস্ত মানদন্ড পেরোয়?
হয়তো পেরোয় না তবে Viability র আশেপাশ একটি ভ্রূণ যথেষ্ট সংবেদী (sentient) হয়ে ওঠে। এর সমর্থনে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। সে বেশি আওয়াজে নড়ে ওঠে, ব্যাথা অনুভব করতে পারে। আর আপনি তার আত্মসচেতনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন?
আমি আপনার “anti cruelty principle” এর সাথে একমত। আর সেজন্যই viability র পর একজন নারী একান্ত বিশেষ কারণ ছাড়া গর্ভপাত চাইতে পারেন না। কিন্তু Sentience এসে গেলেই যদি অধিকার অর্জন হয়ে যায় তাহলে যে অন্য সমস্যা হতে পারে।
কি সমস্যা?
মানবসমাজের এক দুর্বল সদস্যের অধিকার রক্ষার দাবিতে যে অধিকারপন্থীরা বাজারে নেমে পড়বেন! তাঁদের আমি শ্রদ্ধা করি। কিন্তু এক দুর্বলের অধিকার রক্ষা করতে যে তার আশ্রয়দাতার শারীরিক অখন্ডতা (bodily integrity) অবমাননা করতে হয়। যেমন ধরুন, ভ্রূণের অসুস্থতার কারণে সিজার প্রয়োজন কিন্তু মা রাজি নন। সেই অবস্থায় তো তাঁকে অপারেশনে বাধ্য করা যায় না। ঠিক যেমনটি যায় নি আমেরিকার সেই “Born Again Christian” ভদ্রমহিলাকে। তাঁর মতে শরীরে কোনো অস্ত্রাপচার যে নরকযাত্রার নামান্তর!
এবার শেষ প্রশ্ন। আগত সন্তানের জন্য হবু মায়েরা জীবন পর্যন্ত বাজি রাখেন। আর ডাক্তার হয়ে আপনি বলছেন “মায়ে ভ্রূণে দ্বন্দ্ব”! কোনো মধ্যপন্থা কি হয় না?
মানছি “মায়ে ভ্রূণে দ্বন্দ্ব” একটি বেমানান শব্দবন্ধ। প্রায় সব ক্ষেত্রেই হবু মা এবং ভ্রূণের স্বার্থ কোথাও না কোথাও এক বিন্দুতে মেলে (Convergent) কিন্তু কখনও কখনও সেটা বিপরীতমুখী (divergent) হয়ে যায় এবং বিরল সেই পরিস্থিতিগুলোতেই লেগে যায় অত্যন্ত স্পর্শকাতর, নৈতিক সংঘাত। এ এক অত্যন্ত জটিল আলোচনা। হয়তো একটা Gradualist Approach নেওয়া যেতে পারে। ভ্রূণ যত পরিণত হয় তার নৈতিক মর্যাদাও তত প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে শারীরিক সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হবার আগে পর্যন্ত মায়ের অধিকারই শেষ কথা।
ঋণ স্বীকার:                                                                                                Rights, Duties and the Body: Law and Ethics of the Maternal–Fetal Conflict ROSAMUND SCOTT King’s College London
সমাপ্ত
PrevPreviousস্টেথোস্কোপঃ ১০২ ।।প্রিতম।।
Nextআই ভি এফ চিকিৎসায় খরচ কতোটা?Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Shubhanshu Pal
Shubhanshu Pal
4 years ago

Excellent elaboration Sir ?

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে

June 10, 2026 No Comments

পশ্চিম বাঙলায় শতকরা কতো শতাংশ মানুষ ‘রেগুলার’ বেসিসে কাজ করে অর্থাৎ মাস গেলে মাইনে পায়? যারা আছেন তাদের মধ‍্য থেকে যদি আবার গৃহ সহায়ক/সহায়িকা, আয়া

ধর্মের নামে ভাগ করে, ‘বাঙালি জাতি’র সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা চলছে

June 10, 2026 No Comments

(এক) ‘বাঙালি’ মানে কখনোই শুধু ইসলামিরা নন। শুধু হিন্দুরাও নন। অন্যান্য ধর্মবিশ্বাসীরাও নন। ধর্মীয় বিচারে ‘বাঙালি’ যা-কিছুই হতে পারে। কিন্তু ভাষিক বা সাংস্কৃতিক বিচারে যাঁরাই

ম্যানিয়া বা উল্লাস রোগ অথবা বাইপোলার ওয়ান রোগ

June 10, 2026 No Comments

একটি রোগের এত নাম কেন। সেটায় আসব। সাধারণ মানুষ ম্যানিয়া বলতে বোঝে একটা মানুষ সবসময় একটিমাত্র চিন্তা করে যাচ্ছে, নোংরার বাতিকে খালি হাত পা ধুচ্ছে

বিজ্ঞান, ব্যক্তিমানুষ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা – এখন গভীর প্রশ্নের মুখে

June 9, 2026 No Comments

৫ জুন, ২০২৬-এ নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর মতো বিখ্যাত সংবাদপত্রের একটি খবরের শিরোনাম ছিল “Police Remove Diabetes Experts From Conference for Distributing Critique of Trump Administration”

নিয়োগবিহীন ডেন্টাল-দীর্ঘ ৮ বছর!

June 9, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের কাছে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আরেক কঙ্কালসার চিত্র তুলে ধরার সময় এসেছে। ২০১৩ সালে জন্ম হয় WBHRB (West Bengal Health Recruitment Board)

সাম্প্রতিক পোস্ট

হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে

Dr. Amit Pan June 10, 2026

ধর্মের নামে ভাগ করে, ‘বাঙালি জাতি’র সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা চলছে

Dipak Piplai June 10, 2026

ম্যানিয়া বা উল্লাস রোগ অথবা বাইপোলার ওয়ান রোগ

Dr. Sumit Das June 10, 2026

বিজ্ঞান, ব্যক্তিমানুষ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা – এখন গভীর প্রশ্নের মুখে

Dr. Jayanta Bhattacharya June 9, 2026

নিয়োগবিহীন ডেন্টাল-দীর্ঘ ৮ বছর!

West Bengal Junior Doctors Front June 9, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

629749
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]