Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আন্দোলন আর ঝাঁপসা কাচের গল্প

Oplus_0
Dr. Proloy Basu

Dr. Proloy Basu

Paediatrician
My Other Posts
  • September 16, 2024
  • 7:25 am
  • No Comments

ঘটনাটি কালকের…

মূল ধর্ণাটা যেখানে চলছে, তার থেকে খানিকটা দূরে একটা ছাউনির তলায় বসে আছি। কানে ছোট বাচ্চা গুলোর স্লোগান ভেসে আসছে।

ভাবছিলাম, আমি তো না হয় রাতে ফিরে গিয়েছিলাম এখান থেকে বাড়িতে। এই বাচ্চা গুলো কাল সারা রাত এখানে বসে ছিল। তুমুল বৃষ্টি মাথায় করে। এখনও বসে আছে, ঠায়। স্লোগান দিচ্ছে। গান করছে। অনড়। অভয়। ডাক্তার, প্রতি মূহুর্তে মনে প্রাণে হাসপাতালে ফিরতে চাইছে। অথচ বাধ্য হচ্ছে রাস্তায় বসে থাকতে।

মনে মনে প্রণাম করলাম।

কাল রাতে যখন ফিরেছিলাম, তখন দেখেছিলাম মাটিতে বসার মতো কিছু প্লাস্টিকের ব্যবস্থা হয়েছে। খাবার দাবারের ব্যবস্থা হয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সল্টলেক শাখার ক্যান্টিনে খাবার হয়েছে। এসেছে আমাদের জন্য। ঘোষণা হয়েছে, ওখানকার হোস্টেলে আমরা যখন তখন যেতে পারি। খেতে পারি। টয়লেট ব্যবহার করতে পারি। চারটে বায়ো টয়লেটের ব্যবস্থা হয়েছে। রাতে বাড়ি ফিরে ফোনাফুনি করে আরো কিছু ব্যবস্থা করা হয়েছিলো। পরিমানে বাড়ানো হয়েছিল। তারপর… তারপর সব কিছুই করেছে সহনাগরিকরা। আমাদের অজান্তেই। স্বেচ্ছায়। আজ সকালে পৌঁছে দেখছি তেরোটা বায়ো টয়লেট, মাটিতে বসার যথেষ্ট প্লাস্টিক, বেশ কিছু স্ট্যান্ড ফ্যান, জেনারেটর, প্রচুর খাবার দাবার, জল…

কাল রাতে দেখে ফিরেছিলাম, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সল্টলেক শাখার ক্যান্টিনে খাবার হয়েছে। আজ দেখলাম, টেকনো ইন্ডিয়ার অফিস থেকে এসেছে খিচুড়ি আর ডিম ভাজা। সেখানকার টয়লেট ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে, কতৃপক্ষ।

বাচ্চাগুলোর কাছে যেতেই পরিচিত ছেলে গুলো বললো, “দাদা বারণ করো আর জল, খাবার দাবার নিয়ে আসতে। নষ্ট হবে এবার। আমরা খেতে পারবো না, এতো। বরং এই বেঁচে যাওয়া খাবার কোন সংস্থার মাধ্যমে ছোট বাচ্চাদের বা বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর ব্যবস্থা করো।”

কথা বলে এসে বসলাম। মূল ধর্ণাটা যেখানে চলছে, তার থেকে খানিকটা দূরে। পাশে এক অপরিচিত ভদ্রলোক বসে আছেন। মোবাইলে গান চালিয়ে রেখেছেন, “আর কবে…” ভাবলাম কোন ডাক্তার হবেন। নজর ঘুরিয়ে দেখতে পেলাম, স্রোতের মতো মানুষ আসছে। একাকী বা দলবদ্ধ ভাবে। স্বেছায়। আসছে ওই ধর্ণা মঞ্চের কাছে। খালি হাতে নয়। হাতে ব্যাগ ভর্তি খাবার। ক্রেট ক্রেট জলের বোতল। ফলমূল। কিছু না কিছু নিয়ে। কারো কারো মুখে স্লোগান, “জাস্টিস ফর অভয়া”, “জাস্টিস ফর আর.জি.কর”। কেউ বা একদম নিরব। আমরা আমাদের আত্মীয়দের বাড়ি গেলে যেমন হাতে করে কিছু নিয়ে যাই, ঠিক তেমন। আত্মীয়! মনের মনের মানুষ। প্রাণের টানে নিয়ে আসছে।

জানতে পারছিলাম, এই এনজিও বায়ো টয়লেট দিয়েছে, ওই অর্গানাইজেশন স্ট্যান্ড ফ্যান এনেছে, ইঞ্জিনিয়াররা চার্জিং স্টেশন বানিয়ে দিয়ে যাচ্ছে, কোন এক লজেন্স বিক্রেতা নিজের এক দিনের উপার্জন হাতে করে নিয়ে এসেছেন, এক সোসাইটি ত্রিপল দিয়ে গেছে, সুইগি, জোমাটো থেকে খাবার আসছে – বলছে যিনি বুক করেছেন, বলে দিয়েছেন, এখানে খাবার দিতে! মনের মধ্যে অদ্ভুতরকম স্পন্দন হচ্ছিল। সেই মূহুর্তে স্লোগান গুলোকে মনে হলো যেন, মহালয়া শুনছি।

“দেবী সজ্জিতা হলেন অপরূপা রণচন্ডী মূর্তিতে।
হিমাচল দিলেন সিংহ বাহন।
বিষ্ণু দিলেন চক্র।
পিনাকপাণি শঙ্কর দিলেন শূল।
যম দিলেন তাঁর দন্ড।
কালদেব সুতীক্ষ্ণ খড়্গ, চন্দ্র অষ্টচন্দ্রশোভা চর্ম দিলেন। ধনুর্বাণ দিলেন সূর্য্য, বিশ্বকর্মা অভেদ বর্ম।”

এই যে সহনাগরিকরা আসছেন, স্বেচ্ছায় – কেন? ভাবছিলাম। অকারণ, অহেতুক মন আর্দ্র হলো। চশমার কাঁচ ঝাঁপসা হয়ে গেলো। এই কলকাতাকে চিনতাম না। নতুন করে চিনছি।

ভাবতে ভাবতেই পাশের ভদ্রলোককে বললাম, “ভাবতে পারেন, এই ভাবে জন(অ)সাধারন আমাদের জন্য খাবার নিয়ে আসছে! এই দৃশ্য কখনো চোখে দেখবো ভাবিনি।” ভদ্রলোক জবাব দিলেন, “ডাক্তারদের উপর রাগ দেখিয়েছি আগে, কিন্তু বুঝিনি কোন পরিস্থিতিতে কাজ করেন তাঁরা। আপনাদের পোস্টে দেখেছি আপনারা বহুবার বলেছেন সঠিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পেতে আমাদের মতো জনসাধারণের পথে নামা উচিত। সরকার তার অন্তরায়। ডাক্তাররা নয়। বুঝিনি। ভুল বুঝেছি। বুঝেও চুপ থেকেছি। আজ আমাদের মতো মানুষ আপনাদের সাথে পথে আছে। আমার স্ত্রী পুত্র ভেতরে গেছে খাবার নিয়ে… শুধু অভয়াই নয়, এই পচে গলে যাওয়া সিস্টেম, এই নৈরাজ্য, এই ধান্দাবাজি, এই মিথ্যাচার, এই হুমকি কালচার সবমিলিয়ে চারিদিকে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি এবং কিছু মানুষের ভেক ধরা নরপশুদের হাত থেকে আমাদের রাজ্য কে বাঁচাতে যে সামাজিক বিপ্লব আপনারা করছেন, এত বাধা, বিপদ সব পার করে, দিনের পর দিন যে আপনারা যে রাস্তায় পরে আছেন, আমরা অন্তর থাকে এই লড়াইকে অকুণ্ঠ সমর্থন জানাই। এ লড়াই আপনাদের নয়, আমাদের সকলের, আমাদের সকলের অধিকারের লড়াই… সাথে আছি। থাকবো।”

আরো একবার চশমার কাঁচ আবার ঝাঁপসা হলো। হাত দুটো ধরে ধন্যবাদ শব্দটাও উচ্চারণ করতে পারলাম না। গলার কাছে একটা দলা যেন জমা হল। উঠে এলাম… ওই ভীড়ের মধ্যে মিশে গেলাম…

মনে মনে আবার প্রণাম সারলাম…

এটা মানুষের লড়াই। ডাক্তারদের নয়। মানুষ এই লড়াই বুঝে নেবে…

পরিশেষে,

এই পরিশেষ অংশটি এক সহনাগরিক লিখেছেন, নাম জানি না…

কোনটা শর্ত?
১২ থেকে ১৫ জন, না
সব হাসপাতালের প্রতিনিধি?

কোনটা খোলা মন?
রুদ্ধদ্বার বৈঠক, না
সরাসরি সম্প্রচারিত বৈঠক?

কোনটা আশ্চর্যের?
ভোররাতে ইমেইল, না
সন্ধ্যার পর পোস্ট মর্টেম?

কোনটা রাজনীতি?
সকলের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া, না
তড়িঘড়ি মৃতদেহ দাহ করিয়ে দেওয়া?

কোনটা চিকিৎসকের দায়িত্ব?
অসুস্থ দুর্নীতির মধ্যে বসে পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করা, না স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সুচিকিৎসার উপযুক্ত পরিবেশ সুনিশ্চিত করা?

উত্তর চাই

বললাম যে! মানুষের লড়াই, মানুষই বুঝবে…

PrevPreviousলড়াইটা ‘জনগণ বনাম ডাক্তার’ নয়
Nextস্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্যশিক্ষা-অধিকর্তা এবং রাজ্য মেডিকেল কাউন্সিলের দুর্নীতিগ্রস্ত তত্ত্বাবধায়কবৃন্দ, এঁদের পদে বহাল রেখে কোনও দুর্নীতির অভিযোগই খতিয়ে দেখা সম্ভব নয়Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

বহ্নিশিখা প্রীতিলতা

May 5, 2026 No Comments

★বহ্নিশিখা প্রীতিলতা★ সুস্মিতা গুহ মজুমদার পৃষ্ঠা ৯৬ হার্ড বাইন্ডিং মূল্য ৯০ টাকা। ছাড় দিয়ে ৭০টাকা প্রণতি প্রকাশনী নতুন বছরে ছোটোদের হাতে তুলে দিন সবচেয়ে মূল্যবান

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর

May 5, 2026 No Comments

যেহেতু পেশাপরিচয়ে আমি চিকিৎসক – এবং এমন চিকিৎসক যে সরকারী কর্মীও – তাই সরকারী স্বাস্থ্যপরিস্থিতিটাই সর্বপ্রথম নজরে আসে। দেখে যারপরনাই খুশী হলাম যে মাননীয়া মন্ত্রী

বাংলায় পালা বদল

May 5, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলো। ১৫ বছরের মাথায় তৃণমূল কংগ্রেসকে সরিয়ে সরকার গঠনের দিকে এগোচ্ছে বিজেপি। বেশ কিছু সংস্থার এক্সিট পোলে বিশেষজ্ঞরা আগাম বার্তা দিলেও তাদের

লাখো সূর্য

May 4, 2026 No Comments

যতই কেন সমস্যাতে জর্জরিত হই তোমার কাছে জানু পেতে বসতে রাজি নই!! স্থির নিশ্চিত দৃপ্ত সূর্য আছে বুকের মাঝে তাহলে আর জানু পেতে ভিক্ষা কার

মহালয়া ২০৩০

May 4, 2026 No Comments

পুরোনো লেখা চুনকাম করা সাদামাটা দেওয়ালটার এবড়ো খেবড়ো গায়ে একটা ক্যালেন্ডারও দুলছে না। অবশ্য দোলবার মতো তেমন হাওয়াবাতাসও খেলে না এই বিশ ফুট বাই বিশ

সাম্প্রতিক পোস্ট

বহ্নিশিখা প্রীতিলতা

Dr. Aindril Bhowmik May 5, 2026

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর

Dr. Bishan Basu May 5, 2026

বাংলায় পালা বদল

Piyali Dey Biswas May 5, 2026

লাখো সূর্য

Shila Chakraborty May 4, 2026

মহালয়া ২০৩০

Dr. Sukanya Bandopadhyay May 4, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620761
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]