Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আমার ভোট দেওয়া

Screenshot_2026-05-04-07-50-27-56_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817
Dr. Amit Pan

Dr. Amit Pan

Paediatrician, leader of doctors' movement
My Other Posts
  • May 4, 2026
  • 7:53 am
  • No Comments

জীবনের প্রথম যখন ভোট দি, তখন আমার ভোট দেওয়ার বয়সই হয়নি। ১৯৮৯ সালের মার্চ মাস থেকে কার্যকরী হয় ৬১তম সংবিধান সংশোধন যেখানে ভোটারের ন্যূনতম বয়স ২১ থেকে কমিয়ে করা হয় ১৮ বছর। তখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন রাজীব গান্ধী।

‘৬৭ এর নির্বাচনে কোলকাতার কাশীপুর কেন্দ্র থেকে জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী হিসাবে জয়ী হয়েছিলেন আমার পিসেমশাই সুশীল কুমার পাল। পরাজিত প্রার্থীদের ছিলেন CPIM এর পীযুষ দাশগুপ্ত এবং ফরোয়ার্ড ব্লকের হেমন্ত কুমার বসু(যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয়)। পিসেমশাই পরে বলেছিলেন, ‘যেভাবে কংগ্রেসের বড় বড় নেতারা হারছিল, ধরেই নিয়েছিলাম মিনিমাম একটা state minister (রাষ্ট্রমন্ত্রী) তো হবোই’। ভাবতেই পারেননি, কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে চলেছে, ২৮০ টি আসনের মধ্যে জাতীয় কংগ্রেস পেয়েছিল ১২৭ টি আসন। কংগ্রেস হারতে পারে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না, এটা সেই যুগে সত্যিই ভাবা যেতো না। যাহোক, তৈরি হয় যুক্ত ফ্রন্ট, কিন্তু দু বছরের মধ্যেই আবার নির্বাচন।

আমাদের বাড়ি চিরকাল ঘোর কংগ্রেসী। দেশের বাড়ি আরামবাগে হওয়ায় ও অন‍্যান‍্য কিছু কারণে আমাদের বৃহত্তর পরিবার প্রফুল্ল সেনের কাছের বলেই বিবেচিত হতো এবং তৎকালীন কংগ্রেসের সবচেয়ে ক্ষমতাশীল ব‍্যক্তি অতুল‍্য ঘোষ থাকতেন কোলকাতায় আমাদের বাড়ির ঠিক সামনের একটি বাড়িতে, ভাড়াটে হিসাবে। কোলকাতায় কারবালা ট্যাঙ্ক লেনে আমাদের বাড়ি কারবালার পুকুর (ট্যাঙ্ক) বুজিয়ে প্রথম বাড়ি, সুতরাং বহু দিনের বাড়ি আর জনসংখ্যাও বেশ ভালোই। তাদের অনেকেই গেছে পিসেমশাইকে ভোট দিতে, যদিও কারুরই নাম কাশীপুর কেন্দ্রে থাকার কথা নয়। আর আমার তো ভোটার হতে তখনো চার বছর দেরি আছে, সবে মেডিকেল কলেজে ঢুকেছি। মফস্বলে বড় হয়ে ক্লাস ফোর থেকে ক্লাস ইলেভেনে ৬ বার স্কুল পাল্টিয়ে কোলকাতায় সবে এসেছি। হ্যাঁ, আমি স্কুলে ভর্তি হয়েছি একেবারে ক্লাস ফোর এ, তখন এ সব চলতো!!

যাহোক, কাশীপুরে পৌঁছাতেই অন্যদের সঙ্গে আমার হাতেও একটা স্লিপ দিয়ে একটা বুথে পাঠিয়ে দেওয়া হলো। কেউ চ্যালেঞ্জ করেছিল’ বলে তো মনে পড়ছে না, যদিও তখন দাড়ি কেন গোঁফও ভালো করে গজিয়ে ছিল কিনা সন্দেহ। আমার প্রথম ভোট যদিও জালি, সেখানে আমি আরও জালিগিরি করলাম। গেছি পিসেমশাই মানে কংগ্রেসকে ভোট দিতে, কিন্তু ছাপটা দিলাম কে. জি. বসুকে কাস্তে হাতুড়ি তারা চিহ্নে। কেন করেছিলাম ঠিক বলতে পারবো না, কারণ তখনো রাজনীতি নিয়ে আমার কোনো ভাবনা চিন্তা তৈরি হয়নি। হয়তো আমাকে দিয়ে ভোট দেওয়ানোর পদ্ধতিটা আমার ভালো লাগে নি, এটা তারই প্রতিক্রিয়া মাত্র। সেবার কে. জি. বসু জিতেছিলেন ২০১ ভোটে, তার মধ্যে আমারও অবদান ছিল। বস্তুতঃ, কে. জি.বোস (সেই ভাবেই পরিচিত ছিলেন) কে বা কী, এ সব জেনেছি অনেক পরে। আরও পরে পরিচয় হয় তাঁর ছেলে বাবুর (দীপঙ্কর) সঙ্গে।

এরপর ‘৭১,’৭২ ভোটে জোরদার কর্মী, যদিও তখনো বৈধ ভোটার নয়। তখন বোধহয় এই সবে এতো কড়াকড়ি ছিল না। পুরুলিয়ায় ‘৭২ এর ভোটে জেলা স্কুল কেন্দ্রে CPIM পোলিং এজেন্টকে খাওয়ার বিরতি দিতে আমি ঢুকেছি বিকল্প হিসাবে। মনে হয় না আগে থেকে ঠিক ছিল, কারণ আমি একটা সাদা পাঞ্জাবী পড়েছিলাম, যার দুদিকে কে যেন কাস্তে হাতুড়ি তারার স্ট্যাম্প মেরে দিয়েছিল’। কংগ্রেসের এজেন্ট আপত্তি তুললো সিম্বল নিয়ে ভিতরে আসা যায় না। প্রিসাইডিং অফিসার বললেন, ‘যান, জামা পাল্টিয়ে আসুন ‘। আমি বললাম,’আমার আর জামা নেই’। প্রিসাইডিং অফিসার তো মহা ফাঁপরে, যাহোক শেষমেশ সমাধান হলো, দুটো সাদা কাগজ পিন দিয়ে লাগিয়ে চিহ্নের উপর ঢেকে দেওয়া হলো!!

যদিও এটা ঠিক যে আমার প্রথম ভোটে (সে যার নামেই দিয়ে থাকি) যাকে ছাপ দিয়েছিলাম, তিনি জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী কালে সেই সৌভাগ্য আর প্রায় কাজই করেনি, শুধু একবার ছাড়া ‘৭৭ এর লোকসভা নির্বাচনে, যেবার বিজয়ী হয়েছিলেন জনতা দলের বিজয় সিং নাহার। এ ছাড়া নিজের বা অপরের নামে যতবার যাকেই ভোট দিয়েছি, সেই পরাজিত হয়েছে। না, সে রকম কোনও গৌরবান্বিত ভূমিকায় নয় যে বেশ কায়দা করে বলতে পারবো,’আমি রব চিরকাল পরাজিতের দলে’। প্রতিবার যে CPIM এর পক্ষে ভোট দিয়েছি তাও নয়, কাটোয়ায় হরমোহন সিংহ যখন নির্দল প্রার্থী হলেন, আমি একমাস ছুটি নিয়ে চেম্বার বন্ধ করে ওনার সপক্ষে কাজ করার চেষ্টা করেছি এবং যথারীতি ওনাকে ভোটও দিয়েছি। ফলতঃ, আমার পছন্দের প্রার্থীর বেশ ভালোভাবেই পরাজয়!!

জীবনে আর কতোবার ভোট দিতে পারবো জানি না। কিন্তু আমার যা ট্র্যাক রেকর্ড, মনে হয় না কোনো প্রার্থী এর পরেও আমাকে ভোট দিতে বলবে!!

যাক, কী করা যাবে?! আমি বরং আগে ভাগেই মাফ চেয়ে নি এবার যাকে ভোট দিলাম তাঁর কাছে।

একবার ভেবেছিলাম, বিপক্ষ দলের প্রার্থীকে ভোট দি, তার হার নিশ্চিত করতে।

কিন্তু, পারলাম না!
কী করা যাবে!!

PrevPreviousজনস্বাস্থ্য: বিমা মডেলের পরিবর্তে আসুক ইউনিভার্সাল হেল্থ কভারেজ
Nextমহালয়া ২০৩০Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

গর্ভস্থ শিশুর মাথা নিচের দিকে আছে না ওপরদিকে?

June 17, 2026 No Comments

যোগ নিয়ে দুটো কথা

June 17, 2026 No Comments

যোগ নিয়ে মোটামুটি একটা হুলুস্থূল কান্ড বেঁধেছে, সেই সুবাদে দুটো কথা বলে দেই – যোগ ব্যায়াম খুব ভালো জিনিস। যদি রোজ অভ্যেস করেন। শরীর ভালো

অভয়া মঞ্চ: রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যুর বিচার চেয়ে সীমা মুখোপাধ্যায়

June 17, 2026 No Comments

৯ জুন, ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চ।

বাঁধ ভেঙে দাও……

June 16, 2026 4 Comments

সকলের খুব পরিচিত এক কবিতার দুটি চরণকে বদলে নিয়ে বলি – নদীকে আপন খাতে বহিবার / কেন নাহি দিবে অধিকার? বৃহত্তর মানবকল্যাণের নামে, নদীর স্বাভাবিক

অভয়া মঞ্চের অনীক-স্মরণ

June 16, 2026 No Comments

৯ জুন, ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চ।

সাম্প্রতিক পোস্ট

গর্ভস্থ শিশুর মাথা নিচের দিকে আছে না ওপরদিকে?

Dr. Kanchan Mukherjee June 17, 2026

যোগ নিয়ে দুটো কথা

Dr. Arunima Ghosh June 17, 2026

অভয়া মঞ্চ: রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যুর বিচার চেয়ে সীমা মুখোপাধ্যায়

Abhaya Mancha June 17, 2026

বাঁধ ভেঙে দাও……

Somnath Mukhopadhyay June 16, 2026

অভয়া মঞ্চের অনীক-স্মরণ

Abhaya Mancha June 16, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

632063
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]