রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসে , রাজনীতিক স্বদেশি নেতা সন্দীপ বলেছিলো, “সত্য মানুষের লক্ষ্য নয়, লক্ষ্য হচ্ছে ফল লাভ।”
আর এই ফললাভ যেন তেন প্রকারেণ সিদ্ধ হলেই হলো! কংগ্রেস ছেড়ে আসা সন্দীপ আসলে কোন শ্রেণীর স্বদেশী নেতা? না সে করেছে ইংরেজদের জেলে কারাবরণ, না কোনও প্রকৃত আত্মত্যাগ! সব কিছুই ছিলো তার শো অফ! ভড়ংবাজি! দলের কাজ উদ্ধারের জন্য ঘুষ, জুয়াচুরি, নৌকা ডুবানো যা যা সে করিয়েছে কোনওটার সঙ্গেই সমকালীন স্বদেশী রাজনীতি মেলে না! তখনকার স্বদেশী আন্দোলনের কোনও বইতে বিপ্লবীদের এসব কাজকম্ম পাওয়া যায়নি! সন্দীপ আসলে চেয়েছিলো নিখিলেশের জমিদারীর রাজকীয় সুখভোগ অনন্তকাল ধরে করে যাওয়া!
‘অমূল্য’ নামের ছেলেটিই ছিল আসল বিপ্লবী। পুলিশের গুলিতে মরতে ভয় পেতোনা। শহীদ হতে অনায়াসে বুক পেতে দিতে পারতো ব্রিটিশদের গুলির সামনে!
নিখিলেশের জমিদারী আজ গোটা পশ্চিমবঙ্গ। অমূল্য আজ একজন নয়। অনেক! ছবির বাইরেও সোনার টুকরো অমূল্যদের আমি চিনি। জানি। কথা বলি।
সন্দীপকে চিনতে নিশ্চয়ই ভুল হচ্ছেনা আপনার! ইনিই আসল ‘সন্দীপ’ !
রবীন্দ্রনাথ কতো বড় ঔপন্যাসিক! দার্শনিক!
কালজয়ী চরিত্ররা চোখের সামনে ।
ঘরে বাইরে আজ দাউদাউ আগুন জ্বলছে।











বাহ বেশ 👌