Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে

palm
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • November 27, 2025
  • 5:48 am
  • 3 Comments

নিবন্ধের শিরোনামটি খুব পরিচিত এক পংক্তি। কবিতাটির রচনাকার রবিঠাকুর। মাটিতে মাত্র একটি পা রেখেও সব্বাইকে পেছনে ফেলে যে অবলীলায় মাথার ওপরে আদিগন্ত বিস্তৃত আকাশ পানে তাকিয়ে থাকা যায় , তালগাছ তার সবথেকে ভালো উদাহরণ। এই ব্যাপারে অবশ্য তার প্রতিদ্বন্দ্বী হলো ঐ একই বর্গের আরও দুই প্রতিনিধি – সুপারি এবং নারকেল গাছ।

কিশোর বেলায় আমরা যে মাঠে দাপিয়ে বেড়াতাম সেই ধাড়া বাবুর মাঠ’ এর পশ্চিম প্রান্ত ঘেঁষে এক পেল্লায় লম্বা একঠেঙে তালগাছ ছিল। সেই গাছের ঝাঁকড়া মাথা থেকে উল্টনো কলসির মতো দেখতে বাবুই পাখির বাসা দুলতো বাতাসের দোদুলছন্দে। খেলায় মেতে থাকার অবসরে আমরা সবাই ঘাড় উঁচু করে ওইসব বাসার উড়ন্ত আবাসিকদের নজরবন্দি করার চেষ্টা করতাম । গাছটা এতটাই উঁচু ছিল যে আমাদের কচি চোখে তা ঠিক ঠাহর করতে পারতাম না। এভাবেই চলছিল দিনগুলো।ঠাকুমার কাছে এসে তালগাছের গপ্পো করতেই তিনি বলতেন – তাল গাছের কাছে বেশি যাইস না।বাজ পড়নের ভয় আছে।

বর্ষায় তেমন একটা সম্ভাবনা থাকলেও, শীতকালে সেই সম্ভাবনা যে নেই সেকথা তাঁকে বুঝিয়ে পারা যেত না। তালগাছের সঙ্গে বাবুই পাখি ও বজ্রপাতের একটা নিগূঢ় সম্পর্ক রয়েছে তা তখন থেকেই মাথায় যেন জেঁকে বসেছিল। তালগাছ ( Borassus flabellifer ) যে এক কার্যকর প্রাকৃতিক বজ্র শোষক সেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বজ্রপাত একালে হঠাৎ করে সৃষ্টি হ‌ওয়া কোনো প্রাকৃতিক ঘটনা এমনটা কখনোই নয় । যুগযুগ ধরে ভয়ঙ্কর বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভূটানের পরিচিতিই হলো The Land of Thunder Dragon হিসেবে।তাহলে উদ্বেগের কারণ কী? আসলে বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে আবহমণ্ডলের ভারসাম্যে যে বিরাট পরিবর্তন ঘটেছে তার দরুণ বজ্রপাতের ঘটনাও লক্ষণীয়ভাবে বেড়ে গেছে। বজ্রাহত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। বজ্রপাত জনিত কারণে মৃত্যুর পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা গেছে যে আমাদের রাজ্যে বছরে গড়পড়তা ৫০০ জন মানুষ এই বিপর্যয়ের কারণে প্রাণ হারান। সংখ্যাটা মোটেই হেলাফেলার নয়। এই বিপদের হাত থেকে মানুষজনকে রক্ষা করার জন্য একদিকে যেমন সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে তেমনি হাতে কলমে পরিস্থিতির মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ব্যাপকভাবে তালগাছ লাগানোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সরকারি আধিকারিকদের অভিমত – অধিক উচ্চতার কারণে তালগাছ এক কার্যকর প্রাকৃতিক কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করে এবং বাইরে থাকা মানুষজনকে বজ্রাহত হবার আশঙ্কা থেকে রক্ষা করে। এই পর্বে ৭৫০০০ তালগাছের চারা রোপণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের বর্ষার আগেই রাজ্যের তিনটি জেলায় – বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও পূর্ব বর্ধমান – সড়কের পাশে থাকা ফাঁকা জমিতে সারিবদ্ধভাবে এই গাছ লাগানোর কাজ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথের লাগোয়া জমিতে চার মিটার ব্যবধানে এই গাছ লাগানোর কাজ সম্পন্ন করা হবে। বন দফতরের আধিকারিকদের মতে আজকে চারা বসিয়ে, কালকে থেকেই এর সুফল পাওয়া যাবে এমনটা তাঁরা কখনোই ভাবছেন না।একটি তালগাছ কম করে ৩০ বছরে পূর্ণতা পায়। ততদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে আমাদের। আসলে এই প্রকল্পটি এক দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়ার কথা মাথায় রেখেই কার্যকর করা হচ্ছে। বনদপ্তরের এই প্রচেষ্টা বহু উদ্দেশ্যমূলক। গ্রামীণ অর্থনীতিতে তাল, খেজুর,সুপারি কিংবা নারকেল গাছের বিপুল ভূমিকা রয়েছে। থান্ডার রিসেপ্টর বা বজ্র শোষক হিসেবে কাজ করার সাথে সাথে যথাসময়ে এই গাছগুলো বহুসংখ্যক মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের কাজে লাগবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

প্রথম পর্বের এই পরীক্ষামূলক পাইলট প্রজেক্টের জন্য অত্যন্ত বজ্রপাতপ্রবণ তিনটি জেলাকে বেছে নিয়ে স্কুল কলেজ হাসপাতালের আশপাশের এলাকাগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এই সব অঞ্চলে জনসমাগম বেশি হয় বলেই বিপদের ঝুঁকি অনেকাংশে বেশি। প্রাথমিকভাবে সাফল্য অর্জন করলে পরবর্তীতে এই কাজ রাজ্যের অন্যান্য বজ্রপাত প্রবণ এলাকাতেও সম্প্রসারিত করা হবে। প্রায় ১০০ ফিট উঁচু একটি তালগাছ তার শিকড় ছড়িয়ে দেয় অনেক দূর পর্যন্ত। এই কারণেই তা প্রাকৃতিক আর্থিং এর কাজ অন্যান্য গাছেদের থেকে অনেক ভালোভাবে করতে পারে। এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যের জন্য,তালগাছ বজ্রপাতের প্রাথমিক ধাক্কাটা অন্যদের থেকে আগেই সামলে নিয়ে কাছাকাছি থাকা মানুষের জীবনকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। উপরন্তু তালগাছের শরীরে থাকা জল এবং রস ( sap ) বৈদ্যুতিক মোক্ষণকে (charge) দ্রুততার সঙ্গে মাটির গভীরে পাঠিয়ে দিতে পারে। এই বিশেষ গুণের অধিকারী বলেই তালগাছ নিয়ে তালমাতাল সকলেই।আমাদের জীবন যাপনের ধারায় যে পরিবর্তন ঘটেছে তাকে আর কোনোভাবেই পুরনো খাতে ব‌ইতে বাধ্য করা যাবেনা। বজ্রপাত কি আগে হতোনা? বজ্রাঘাতে মানুষ কি মারা যেতনা? এই দুটি প্রশ্নেরই উত্তর – হ্যাঁ। তাহলে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে মানুষের তথাকথিত প্রগতির দায় বহন করতে আজকের পরিবেশ পরিমন্ডলকে। মানুষের কাজ কর্মের জন্য বাড়ছে উষ্ণায়নের প্রভাব, জলবায়ু বদলে যাচ্ছে, উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য বাতাসের জলীয়বাষ্পের উপস্থিতি বেড়ে গেছে যা বাতাসকে চঞ্চল, ঝঞ্ঝাপ্রবণ করে তুলছে নিয়মিত ভাবে। এর‌ই পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ন,অরণ্যভূমির যথেচ্ছ অপসারণ, দহন – বজ্রপাতের ঘটনা লক্ষণীয়ভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। সঙ্গে তালমিলিয়ে বেড়েছে বজ্রাঘাতে মৃত্যুর সংখ্যা।

এই ঘটনা কমানোর জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে খুব সুরাহা মিলবে না। চাই সর্বস্তরের মানুষের সচেতনতা।

তালগাছ লাগিয়ে এই সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রচেষ্টা সাধুবাদ যোগ্য । অন্যের কথায় নেচে উচ্চমূল্যের প্রযুক্তির ব্যবহারের কথা না ভেবে সরকার প্রাকৃতিক উপায়ে প্রাকৃতিক ঘটনাকে প্রশমিত করার কথা ভাবছেন। এই গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণ খুব জরুরি। আগামী দিনে এই গাছগুলো যখন পূর্ণ বয়স্ক হবে তখন বজ্রপাতের ঘটনাকে নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি খুলে যাবে অনেক অনেক অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। আমরা সবাই সেই সুদিনের অপেক্ষায় থাকবো।

নভেম্বর ২৫. ২০২৫

PrevPreviousগর্ভাবস্থায় টিটেনাস প্রতিষেধক
Nextহে মোর দুর্ভাগা দেশNext
4.5 2 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
3 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
5 months ago

এমন বিষয় নিয়ে ডাক্তারবাবুদের পত্রিকার লেখালেখি হবে ভাবিনি। এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই। বিষয় ভাবনার বিচারেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি লেখা। ধন্যবাদ সকলকে।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
5 months ago

ধন্যবাদ। মতামত জানানোর জন্য। তালগাছের গুণ কীর্তন করায় অবাক হবার কিছু নেই। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অথচ এককথায় উপেক্ষিত। তালগাছ ব্যয়বহুল যান্ত্রিক বজ্রশোষকের তুলনায় কোনো অংশেই কম কার্যকর হবেনা বলেই আমার বিশ্বাস।

0
Reply
Ritabrata Gupta
Ritabrata Gupta
5 months ago

Otyonto proyojon eii prokolpo!
Sarkarer eii shiddhanto ke shadhubad janai.

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

হকার

May 24, 2026 1 Comment

কয়েকদিন আগে এক ফেসবুক বন্ধু একটা পোষ্ট করেছিলেন – শিয়ালদহ এবং অন্যান্য স্টেশন চত্বরে হকার সরিয়ে দেওয়ার জন্য নাকি মধ্যবিত্ত মানুষজন খুব খুশি হয়েছেন। শিক্ষিত,

মাফিয়া

May 24, 2026 No Comments

১৯৪৩ সালে সিসিলি জয় করাটা মিত্রপক্ষের কাছে খুব জরুরি ছিল। জেনারেল প্যাটনের নেতৃত্বে অপারেশন হাস্কি নামের একটা অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে জয় লাভের জন্য

গগন মুখুজ্যের মোহর প্রথম পর্ব

May 23, 2026 No Comments

পুবের আকাশে আলতাপাটি শিমের রঙ ধরা মাত্র আরম্ভ হয়ে যায় বাস্তু গোলাপায়রাদের বকবকম। বারবাড়ির ঠাকুরদালানের পঙ্খের কাজ করা খাঁজগুলোয় ঘাড় গুঁজে রাত কাবার করে দেয়

যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা অথবা সভ্যতার সঙ্কট

May 23, 2026 1 Comment

হান্টিংটনের সভ্যতার সংঘাতের তত্ত্ব পন্ডিতদের বিতর্ক সভা আর পরিভাষা কন্টকিত পুঁথির পাতার বাইরে কতটা ছড়িয়েছিল সন্দেহ আছে| এই ভুবনের ভার যাদের করতলে,  মেঘের আড়াল থেকে

যে লড়াইয়ের শুরু মর্নিং ওয়াক থেকে…

May 23, 2026 2 Comments

১. কলকাতার কোল ঘেঁষে যেমন বিধাননগর উপনগরী, মুম্বাইয়ের ঠিক তেমনিই নবি মুম্বাই। একেবারে শুরুতে অবশ্য ডাকা হতো নিউ মুম্বাই নামে,পরে ইংরেজি নিউ শব্দের মারাঠিকরণ করে

সাম্প্রতিক পোস্ট

হকার

Kanchan Sarker May 24, 2026

মাফিয়া

Dr. Samudra Sengupta May 24, 2026

গগন মুখুজ্যের মোহর প্রথম পর্ব

Dr. Sukanya Bandopadhyay May 23, 2026

যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা অথবা সভ্যতার সঙ্কট

Debashish Goswami May 23, 2026

যে লড়াইয়ের শুরু মর্নিং ওয়াক থেকে…

Somnath Mukhopadhyay May 23, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

624895
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]