Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আমার দেশের মানুষ এখনো কি অল্প চাওয়া পাওয়াতে খুশি হয়!

27bhrPMCh_203752
Dr. Samudra Sengupta

Dr. Samudra Sengupta

Health administrator
My Other Posts
  • June 20, 2025
  • 7:45 am
  • One Comment
খবরটা আপাতদৃষ্টিতে এতই তুচ্ছ যে কোনো কাগজে কোনোদিন প্রকাশিত হবে না। তাই লেখার শেষ লাইনেই দিলাম। এই প্রসঙ্গে মনে পড়ে গেল যে একযুগ আগে স্বাস্থ্য দপ্তর রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল হকিকত জানতে একটি পেশাদারি বেসরকারি সংস্থাকে দিয়ে একটি পেশেন্ট স্যাটিসফ্যাকশন সার্ভে বা রুগীর সন্তুষ্টিবিধান নিয়ে একটি সমীক্ষা করায়। সেই সমীক্ষার ফলাফল নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের আধিকারিক ও আমলাদের একটি আলোচনা সভার সময়ে ওই সমীক্ষাটি তাদের সামনে সংক্ষিপ্তভাবে রাখার দায়িত্বে ছিলাম। সেই সময়ে ওই সমীক্ষার ফলাফলের একটি অংশ দেখে অবাক হয়ে যাই। ওই সংস্থার একজন কর্মচারীকে ডেকে পাঠিয়ে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করি। এও বলি যে, “আমার সন্দেহ সমীক্ষাটা হাসপাতালে না গিয়ে বাড়িতে বসে হয়েছে।”
সেই পেশাদারি সংস্থার তরুণ কর্মীটি আমার কথায় রীতিমত আহত ও অপমানিত বোধ করে এবং তর্কাতর্কির মাঝে আমাকে চ্যালেঞ্জ করে বলে যে সমীক্ষাটি বৈজ্ঞানিক সমস্ত নিয়ম মেনে পেশাদারি নিষ্ঠা আর সততার সাথে করা হয়েছে, প্রয়োজন হলে সে আবার আমার সামনে করতে প্রস্তুত। ফলাফলটা এমনই অবিশ্বাস্য ছিল যে আমার বস আবার একটা ছোট মাপের সমীক্ষা করাতে রাজি হয়ে যান। শর্ত একটাই, একই পদ্ধতিতে করতে হবে এবং আমাকে নিজেই করতে হবে।
অগত্যা ট্রেনে চেপে পাঁচ ঘন্টার যাত্রা শেষে পৌঁছে গেলাম বাংলার পশ্চিম প্রান্তের সেই দরিদ্র জেলাটির জেলা সদরে, সদর হাসপাতালে। শুরু করলাম সমীক্ষা।
যে ধরণের ডাটা বা তথ্যকে সংখ্যায় প্রকাশ করা মুশকিল সেই ধরণের তথ্য নিয়ে গবেষণা বা কোয়ালিটটিভ স্টাডির সময় লাইকার্ট সাহেবের তৈরি করা স্কেল কাজে লাগানো হয়। একটা উদাহরণ দিলাম। ধরুন আপনি একটা এড ফিল্ম বানিয়েছেন ওটা লোক কে দেখানোর আগে এড এজেন্সির মালিক জানতে চাইলো যে ফিল্মটা কেমন হয়েছে। ধরুন একশ জন মানুষ কে বেছে নেওয়া হল। এই একশ হল স্যাম্পেল সাইজ। এই একশ জনকে বেছে নেবার পদ্ধতি বা স্যাম্পলিং মেথড কিন্তু এমন হতে হবে যাতে তাতে সমাজের সকল শ্রেণী, লিঙ্গের ইত্যাদিএর একটা প্রতিনিধিত্বমূলক ব্যাপার থাকে। নইলে ওটা একপেশে বা বায়াসড হয়ে যাবে। ওই একশ জনই যদি কফি হাউস বা খালাসিটলার থেকে বেছে নেওয়া হয় তাহলে ওটা বায়াসড। এতো সব না করে অবশ্য আপনি আপনার বন্ধু বান্ধব আত্মীয় স্বজন মানে আপনার কাছের লোক এরকম একশ জনকে বাড়িতে নেমন্তন্ন করে ডেকে ওই ছবিটা দেখিয়ে জিজ্ঞেস করতে পারেন কেমন লাগলো।
এবার লাইকার্ট স্কেল। ছবিটা কেমন লেগেছে এটা পাঁচটা মাত্রা (বা ফাইভ পয়েন্ট স্কেল) এ এরকম হতে পারে: খুব ভাল, ভালো, চলনসই, খারাপ, খুব খারাপ। অর্থাৎ মাঝারিটা স্কেলের মধ্যি খানে আর দুই পাশে দু পয়েন্ট করে খারাপ/ ভাল। একশ জন কে জিজ্ঞেস করলে কেউ খারাপ কেউ চলনসই আবার কেউ ভালো বলবে। এইভাবে সংগৃহীত ডাটা থেকে আপনি এক বা একাধিক সিদ্ধান্তে আসতে পারবেন। যেমন মোটের ওপর বেশিরভাগ মানুষ ভালো বললো না খারাপ। করা বেশি ভালো বললো মেয়েরা না ছেলেরা, ধনী রা না গরিব রা, শিক্ষিত না মূর্খ রা ইত্যাদি। ঠিক এই লাইকার্ট স্কেল ধরে সমীক্ষা করে ফিরে এলাম সার্কিট হাউসে। ঐটা করার সময়েই টের পেয়েছিলাম। রাতে ল্যাপটপে ডাটা ভরে এনালাইসিস করতে গিয়ে ঝটকাটা আবার নতুন করে খেলাম। সেই অবিশ্বাস্য ফলাফলের পুনরাবৃত্তি। অনেক রাত হয়ে যাওয়া স্বত্তেও সেই বেসরকারি সংস্থার তরুণ কর্মীটিকে ফোনে ধরলাম। অকপটে ক্ষমা চাইলাম।
সারা রাত্তির ঘুম এলো না। এ কেমন করে হতে পারে। আমি নিজে খেয়ে দেখেছি সেই হাসপাতালের রুগীর ডায়েট বা পথ্য। ট্যালটেলে ডাল, মোটা চালের ভাত, আলু কুমড়োর ছোলার প্রায় তেল বিহীন একটা ঘাঁটা, সবচেয়ে ছোট মাপের একটুকরো ডিম আর তার ঝোল। ওই খাবার এর দু মুঠোর বেশি খেতে পারিনি। বিস্বাদ, পানসে, তেতো। সেই খাবারকে ৩০% রুগী বলছে খুব ভালো, ৪০% বলছে ভালো, ২০ শতাংশ বলছে মন্দ নই, আর মাত্র ১০% বলছে খারাপ। খুব খারাপ বলার মতো কেউ নেই। অবিশ্বাস্য।
লাইকার্ট স্কেলের সমীক্ষায় সব কিছু ধরা পরে না। তাই পরের দিন সকালে ফিরে গেলাম। এই ধাঁধার উত্তর আমাকে পেতেই হবে। অধিত বিদ্যা যা জানতাম প্রয়োগ করে এবার এফজিডি। ফোকাসড গ্রূপ ডিসকাশন। সেদিন সন্ধ্যায় এক্সপ্রেস ট্রেনে কলকাতা ফেরার সময় ভাবছিলাম। ট্রেনের দরজায় দাঁড়িয়ে দেখছিলাম দূরের জমাট বাঁধা অন্ধকারের মধ্যে ছোট ছোট টিলা পাহাড়গুলো কেমন করে একের পর এক অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছিল। স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র ধারী এক আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানের বকুনিতে দরজা ছেড়ে নিজের সিটে গিয়ে বসলাম। “স্যার ইয়ে বহুত খতরনাক ইলাকা হ্যায়, টেরোরিস্ট লোগো কা ইলাকা। যারা বাঁচকে”। একটি সিগারেট বিনিময়ের বদলে জুটলো একটি “থ্যাংক ইউ স্যার।”
স্বাধীনতার এত বছর বাদে যারা দুবেলা পেট ভরে খেতে পায় না, অখাদ্য কুখাদ্য খেয়ে পেট ভরাতে হয়, সেই সব মানুষরা যখন রুগী হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়, তাদের কাছে সেই খাবারই অমৃত মনে হয়। যে খাবারে আমার পরিমার্জিত, পরিশীলিত রসনা ঘৃনাভরে পরিত্যাগ করে, সেটাই তারা তৃপ্তি সহকারে খাচ্ছে। তাই ওই অবিশ্বাস্য ফলাফল। ট্রেনের গতি বাড়তে থাকে, অন্ধকার কমতে থাকে। এগিয়ে আসতে থাকে আলো ঝলমল মহানগরী। এসে দাঁড়ায় প্ল্যাটফর্ম এ। আরপিএফ এর সেই তরুন জওয়ানটি, আমার সিগারেট বিনিময়ের ঘন্টা কয়েক এর সঙ্গী, একটি ছদ্ম স্যালুট শেষে মিলিয়ে গেল। আমি প্রি পেড ট্যাক্সির লাইনে।
কানে খালি বেজে রইল ওই কথা গুলি। “বহুত খতরনাক” । আধপেটা, নিরন্ন কিছু মানুষ যারা আমার যাবতীয় বিদ্যাবুদ্ধি কে ঘোল খাইয়ে, লাইকার্ট স্কেল এর সত্যনাশ করে দিয়েছিল সেই “খতরনাক” লোকগুলোর কথা ভাবতে ভাবতে পেরিয়ে যাচ্ছি আলো দিয়ে সাজানো দ্বিতীয় হুগলি সেতু, ভিকটোরিয়া, রবীন্দ্রসদন, নন্দন …….
মিশিগান শহরের রেনসিস লাইকার্ট সাহেব, এবারের মতো ক্ষমা করে দেবেন স্যার। আবার আপনার কথা মনে পড়ে গেল। আমাদের জেলার একটি গ্রামীণ হাসপাতালে নব নিযুক্ত ব্লক মেডিক্যাল অফিসার অফ হেলথ এর উদ্যোগে চালু হল রোগীদের জন্য ডায়েট। সেই পথ্য পেয়ে রুগীর মুখে হাসি। আমার দেশের মানুষ এখনো কি অল্প চাওয়া পাওয়াতে খুশি হয়! তরুণ সহকর্মী বিএমওএইচ ডা: পাপিয়া রায় চৌধুরী এমডি কে অনেক আশীর্বাদ এই হাসি ফোটানোর জন্য।
PrevPreviousমানব না বন্ধনে মানব না এ শৃঙ্খলে
Nextডেমো ক্লাস ২Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Shabnam Talukhdar
Shabnam Talukhdar
1 year ago

♥️♥️🙏🙏💐👍
কিছু বলার নেই। Excellent লেখা।
পুরো রুদ্ধ শ্বাস ছবি লেখা।বুঝলে ডক্টর সাব।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

Why India Needs More Doctors and Medical Colleges, Not More Entrance Examinations

June 20, 2026 No Comments

“I love you, Papa.” Those were among the last words reportedly left behind by a young woman in Dehradun who had spent years preparing for

রেডিয়েশন ক্যান্সার চিকিৎসার জাদুরশ্মি

June 20, 2026 No Comments

ক্যান্সার আর দুরারোগ্য নয়। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ক্যান্সারকে সম্পূর্ণ সারিয়ে তুলতে সক্ষম। তবে ক্যান্সারের চিকিৎসা আর পাঁচটা রোগের চাইতে আলাদা। সাধারণত মানুষের মনে ধারণা রোগ

অ-দেশ মানুষ

June 20, 2026 No Comments

এদেশ করেছে কাঁটাতার-বার, ওদেশ ঢুকতে দেয়না, আয় বাছা বলে নথি-প্রিয় মা’রা কেউ কোলে তুলে নেয় না, পুরুষ-রমণী-শিশু নিয়ে গড়া ওই ছোটো জটলাটি, খুঁজছে খুঁজবে খুঁজেই

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

June 19, 2026 2 Comments

মাথাভাঙ্গার মাসিক স্বাস্থ্য শিবির শেষ করে শ্রমজীবীর টিম রওয়ানা হল মাথাভাঙ্গা স্টেশনের দিকে। আসন্ন সন্ধ্যার শেষ রশ্মিপাতে’ রাঙা হয়ে উঠেছে পশ্চিমাকাশ। রাস্তার দু ধারে ঘন

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

June 19, 2026 No Comments

(এক) বাস্তব ঘটনাই সবচেয়ে ভালো শিক্ষক। অসংখ্য লেখালেখি বা বক্তৃতা যা বোঝাতে পারে না, চোখের সামনে ঘটতে থাকা ঘটনাবলী তা অতি অল্প সময়েই বুঝিয়ে দেয়।

সাম্প্রতিক পোস্ট

Why India Needs More Doctors and Medical Colleges, Not More Entrance Examinations

Satya Sagar June 20, 2026

রেডিয়েশন ক্যান্সার চিকিৎসার জাদুরশ্মি

Dr. Sayan Paul June 20, 2026

অ-দেশ মানুষ

Arya Tirtha June 20, 2026

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

Gopa Mukherjee June 19, 2026

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

Dipak Piplai June 19, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

633826
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]