Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

গরম জিলিপি কিংবা নিছক ভূতের গল্প

Screenshot_2022-10-15-23-33-20-55_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Aniruddha Deb

Dr. Aniruddha Deb

Psychiatrist, Writer
My Other Posts
  • October 16, 2022
  • 8:57 am
  • No Comments

বিধিসম্মত সতর্কীকরণ—
১) ইহা ভূতের গল্প।
২) এই গল্পের নায়ক স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৩) খলনায়ক আমি। এর পরে আমার উল্লেখ গল্পে বিশেষ পাওয়া যাবে না। সে সব ধরে নিতে হবে।

মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সময় একদিন সবাই মিলে কী কারণে আড্ডা দিতে বেরিয়েছিলাম। কলেজে আড্ডা দেবার জায়গার অপ্রতুলতা ছিল বলতে পারি না, কিন্তু সেদিন মনে হয়েছিল কলেজে তো আড্ডা দিয়েই থাকি… আজ একটা নতুন কোথাও আড্ডা দিই। যখন কলেজ থেকে বেরিয়েছি, তখন কার মনে কী ছিল জানি না, কেউ হয়ত ভেবেছিল গঙ্গার ধার, কেউ গড়ের মাঠ, আবার কেউ বা হয়ত চেয়েছিল অন্য কোথাও… আদতে হলো কী, সিদ্ধান্ত না নিয়ে বেরোনোর ফলে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরতে ঘুরতে ক্রমশ আমরা দেখলাম সবাই কেমন দক্ষিণ কলকাতার দিকেই চলেছি — তার কারণ হয়ত এই, যে কুশীলব সবাই তখন দক্ষিণ কলকাতাবাসী। এবার আড্ডার জন্য পড়ে রয়েছে কেবল লেক… (আমরা ঢাকুরিয়া লেক বা রবীন্দ্র সরোবর নামদুটো বিশেষ ব্যবহার করতাম না)… সেটা কারও মনঃপুত হলো না, তখন আমাদেরই মধ্যে একজন বলল, চল আমার বাড়ি। কাছেই, এখন কেউ নেই, জমিয়ে আড্ডা দেওয়া যাবে, আর একটু পরেই পাড়ার দোকানে জিলিপি ভাজবে, গরম গরম জিলিপি খাওয়া যাবে।

চমৎকার আইডিয়া, আমরা সকলে গিয়ে হাজির হলাম গড়িয়াহাট মোড় থেকে ঢিল-ছোঁড়া-দূরত্বে চমৎকার এক দোতলা বাড়িতে। তার বসার ঘরে বসে আজেবাজে বকা হচ্ছে, এমন সময়, সব আড্ডাতেই যেমন হয়, হঠাৎ কথাবার্তায় একটা lull period এল। কেউ বোধহয় এমন একটা নিস্তব্ধতার সুযোগ নেবার জন্য ওঁৎ পেতে ছিল, চট করে বলল, প্ল্যানচেট করবি? খুব এক্সাইটিং হবে!

দেখা গেল কথাটা অনেকেরই মনে ধরেছে। খুব চট করেই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়ে তোড়জোড় শুরু হয়ে গেল।

মিডিয়াম কে হবে? এক বন্ধু বলল, আমি মিডিয়াম হতে পারি। আগে হয়েছি। আমি বেশ ভালো মিডিয়াম।

তাহলে এবার শুরু করো! কাকে ডাকা হবে?

কে যেন ফট করে বলল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর!

সবাই খুব উৎসাহভরে রাজি হয়ে গেল। মিডিয়াম কাগজ পেন্সিল নিয়ে বসল। আমাদের নিয়ম বুঝিয়ে দেওয়া হলো — মিডিয়াম কাগজে পেন্সিল ঠেকিয়ে বসে থাকবে। আমাদের রবীন্দ্রভাবনা/চিন্তা খুব জোরদার হলে তিনি আসবেন। আত্মা মিডিয়ামকে আচ্ছন্ন করলে পেন্সিল গোল-গোল ঘুরবে কাগজে। আমরা তখন প্রশ্ন করতে পারব। প্রশ্ন সবই এমন হতে হবে যার উত্তর ‘হ্যাঁ’, বা ‘না’-য়ে হয়। পেন্সিল যদি ওপর-নিচে নড়ে তাহলে উত্তর ‘হ্যাঁ’। যদি ডাইনে-বাঁয়ে নড়ে, তবে ‘না’। শুরু হয়ে গেল।

সবাই রবীন্দ্রনাথকে ধ্যান করছি, মিনিট কয়েক পরেই মিডিয়ামের হাতে পেন্সিল কাঁপতে শুরু করল। তারপরে একটা প্যাঁচ খাওয়ার মত গোল গোল করে ঘুরতে শুরু করুন। আত্মা এসে গেছে!

প্রশ্নোত্তর শুরু হল। কিন্তু রবীন্দ্রনাথকে ডাকার আগে তো কেউ ভাবেনি ওঁকে কী জিজ্ঞেস করা হবে! আর সে প্রশ্ন যে-সে প্রশ্ন হলে চলবে না! মাল্টিপ্ল্‌ চয়েস কোশ্চেনের মতো true-ফলস ঢঙে করতে হবে! ফলে — কেউ এসেছেন কি? — হ্যাঁ। — আপনি কি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর? — হ্যাঁ। — আপনি কি স্বর্গে থাকেন? — হ্যাঁ। ইত্যাকার দু’চারটে প্রশ্নের পরে সওয়াল ফুরিয়ে গেল। তখন একজন মহা বদ প্রশ্নকর্তা প্রশ্নের দায়ভার নিজ-স্কন্ধে তুলে নিল। জানতে চাইল, আপনি যখন বিশ্বভারতী তৈরি করেছিলেন, তখন কি ভাবতে পেরেছিলেন, সেখান থেকে পাশ করা ছেলেরা এমন ন্যাকা হবে?

পেন্সিল দৃশ্যত থমকালো। যে প্রশ্ন করেছিল, সে আরও একটু প্রাঞ্জল করে বলল, এই যে শান্তিনিকেতনী ছেলেরা গরু তাড়া করলে পালায়ও না, লাঠি নিয়ে তেড়েও যায় না, খালি (সুর করে) বলে, এই গরু, গুঁতাস না… এরকম হবে আপনি আন্দাজ করতে পেরেছিলেন?

তখনও উত্তর নেই… বোঝা-ই যাচ্ছে কবিগুরু ফাঁপরে পড়েছেন, এ প্রশ্ন অনেকটা ‘আপনি কি এখনও ঘুষ খান?’ এর মতো। হ্যাঁ-না দিয়ে উত্তর দেওয়া খুব কঠিন। টেবিলের চারপাশে বসা প্ল্যাটকারীদের মধ্যে একজন বলল, রেগে গিয়ে চলে যাবার আগে আর কিছু জানতে চা… তখন পরের প্রশ্ন এল…
— কোনও কোনও এক্সপার্ট বলে “শেষের কবিতা” আপনার শেষ কবিতার বই নয়। এটা কি সত্যি নয়? “শেষের কবিতা”-ই কি শেষ কবিতার বই?

আবার পেনসিলটা বেশ অনেকক্ষণ ঘুরছে, কে যেন অস্ফুটে বলল, জানে না, শালা। শেষে উত্তর এল — হ্যাঁ।

তখন জিজ্ঞেস করা হলো — শেষের কবিতার পরে আর কোনও কবিতাই লেখেননি?

উত্তর এলো — না!

তখন সবাই মিলে হইহই করে উঠল — শালা ইয়ার্কি হচ্ছে?

ভর ভেঙে গেল। মিডিয়াম চমকে বলল, কী হলো? কী হলো?

আমাদের খেয়াল ছিল না, বেচারা মিডিয়াম তো ভর হয়ে ছিল, সে তো আর জানে না কী কথোপকথন হয়েছে!

তাকে বলা হলো, ব্যাটা! শেষের কবিতা শেষ কবিতার বই?

সে বলল, আমি কী করে জানব? উনি কী বললেন?

কে একটা প্রশ্নকর্তাকে বলল, মিডিয়াম শেষের কবিতা পড়েনি তুই জানলি কী করে?

প্রশ্নকর্তা খুক-খুক করে হাসল।

বাড়ির মালিক বলল, দাঁড়া দেখি, পাশের দোকানে জিলিপি ভাজা হলো কি না…

সে-ই আমার প্রথম আর সেই শেষ ভৌতিক অভিজ্ঞতা।

PrevPreviousMostbet Tr Resmî Web Sitesinde Giriş Ve Kayıt Olm
Nextবুঝতে পারছি, আমরা জিতে গিয়েছি।Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

মহল্লায় মহল্লায় অভয়া মঞ্চ গড়ে উঠুক…

February 7, 2026 No Comments

হাতে কলমে নদী পুনর্জীবন উদ্যোগ: প্রকৃত গঠনমূলক উন্নয়নের এক মহান কর্মযজ্ঞ

February 7, 2026 No Comments

কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ কিংবা শিল্পভিত্তিক নগরকেন্দ্রিক – বিশ্বের যে কোন সভ্যতা কোন না কোন নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। আবার কোন কারণে সেই নদী মাতৃকা শুকিয়ে

নিজেকে আমার অন্তত এখনও বৃদ্ধ মনে হয় না…

February 7, 2026 No Comments

ছোটবেলায় যখন শুনতাম কারও বয়স পয়ষট্টি, তখন ভাবতাম ‘কি বুড়ো” লোকটা! আজ সেই পয়ষট্টির “বুড়ো’ আরও এক কদম এগিয়ে গেল – সেই সাথে সরকার চিঠি

গত নভেম্বর থেকে কলকাতা হাইকোর্টে অভয়ার মামলা ৩৫ বার তালিকাভুক্ত হয়েছে!!

February 6, 2026 No Comments

“গত নভেম্বর থেকে কলকাতা হাইকোর্টে অভয়ার মামলা ৩৫ বার তালিকাভুক্ত হলেও আজ পর্যন্ত একবারও কার্যকর শুনানি হয়নি।” Justice Delayed is Justice Denied. প্রায় দেড় বছর

রূপসু এক্সপ্লোরেশন এবং অভয়া।। এভারেস্ট ও অভয়া শৃঙ্গ জয়ী দেবাশীষ বিশ্বাসের কাহিনী প্রকাশিত

February 6, 2026 1 Comment

সাম্প্রতিক পোস্ট

মহল্লায় মহল্লায় অভয়া মঞ্চ গড়ে উঠুক…

Abhaya Mancha February 7, 2026

হাতে কলমে নদী পুনর্জীবন উদ্যোগ: প্রকৃত গঠনমূলক উন্নয়নের এক মহান কর্মযজ্ঞ

Bappaditya Roy February 7, 2026

নিজেকে আমার অন্তত এখনও বৃদ্ধ মনে হয় না…

Dr. Swapan Kumar Biswas February 7, 2026

গত নভেম্বর থেকে কলকাতা হাইকোর্টে অভয়ার মামলা ৩৫ বার তালিকাভুক্ত হয়েছে!!

West Bengal Junior Doctors Front February 6, 2026

রূপসু এক্সপ্লোরেশন এবং অভয়া।। এভারেস্ট ও অভয়া শৃঙ্গ জয়ী দেবাশীষ বিশ্বাসের কাহিনী প্রকাশিত

Abhaya Mancha February 6, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

608887
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]