Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ভূতের ভর

IMG_20200220_001016
Alokesh Mondal

Alokesh Mondal

People's science activist
My Other Posts
  • February 20, 2020
  • 9:41 am
  • No Comments

ভোর পাঁচটার সময় ঘুম থেকে ওঠা এখন অভ্যাস হয়ে গেছে। ভারতী মণ্ডল যবে থেকে ভারতী সিং হয়েছে তখন থেকেই বদলের শুরু। বিয়ের পর জোড়বাঁধা মানুষটাকে আপন করা। তিন সন্তানের জন্ম দিয়ে লালন করা। আর স্বামীর কাজের সুবাদে বিহারের গ্রাম ছেড়ে কলকাতা শহরের ছোট্ট ঘরে নিজের সংসার করতে গিয়ে দিন রাতের ফারাক কবেই ঘুচে গেছে। শরীর অবশ্য সায় দেয় নি। মাস দুই আগেই প্রেসারের সমস্যা ধরা পড়ে। দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন যাপনের পরামর্শ ডাক্তারবাবু দিলেই যে সমাধান হবে তা তো নয়। নোটবন্দীর পর থেকে মানুষটার হাতে তেমন কাজ নেই। কলকাতা শহরে থেকে তিন ছেলেমেয়ের পড়াশোনা আর পাঁচটা পেট চালাতে একজন মানুষকে কতোটা পরিশ্রম করতে হয় তা ভারতী জানে। নিজেও কোনোভাবে আর্থিক সাহায্য করতে না পারার খেদ অন্তরকে বিদ্ধ করে। তাইতো সাংসারিক পরিশ্রমে নিজেকে উজাড় করে দিতে কসুর করে না ভারতী।

এবারের ছটপুজোয় কয়েকদিন আগেই বড়ো ভাসুরের শ্রাদ্ধ উপলক্ষে গ্রামের বাড়িতে সপরিবারে যেতে হয়েছিল। ক্যান্সারের কারণে তাঁর যন্ত্রণাদায়ক অকালবিয়োগের ঘটনা শুনে হাহুতাশ করেছে খুব। প্রচুর টাকাও খরচ হয়ে গেছে।
ছটপুজোর আগের দিন দুপুরের খাওয়া সেরে বাড়ির অন্যদের থেকে আলাদা ভাবে দাওয়ায় চুল আঁচড়াতে বসেছিল। সদ্য প্রয়াত বদরাগী ভাসুরের কথাই বেশি করে মনে পড়ছে। হম্বিতম্বিতে ভাইদের মধ্যে সেরা। পান থেকে চূন খসার জো ছিল না। অবশ্য রান্নার ভুলত্রুটি হলে তেমন রাগ করতেন না। হাতের পাঁচ বলে মেনে নিতেন। এই দাপুটে ভাসুরকেই শেষ দিনগুলোতে অবহেলা সইতে হয়েছে।……..

ভাবনার রেশ কোথা থেকে কোথায় পৌঁছে গিয়েছিল কেউ জানে না। ভারতীর মেজো জা তাকে একদৃষ্টে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে যেই না ডেকেছে গম্ভীর গলায় ভারতী তাকে এমন ধমক দিলো যে তার আক্কেল গুড়ুম। বড়ো ভাসুর যেমন করে বকাঝকা দিতো অবিকল সেই রকম হাবভাব। এরপর বাড়িময় শোরগোল পড়ে গেল। বিশু ভকত কে ডাকা হল। সে এই এলাকায় নামকরা গুনিন। বাচ্চাদের হাওয়া বাতাস লাগলে তার জলপড়াতেই সারে। তার কবজের গুণ লোকমুখে ফেরে। কিন্তু তার দ্বারা সমাধান হলো না। বিশু ভকতের পরামর্শে মোটরসাইকেলে করে আনা হলো আরও বড়ো গুনিনকে।

ততক্ষণে গ্রামের বাচ্চা বুড়ো সবাই হাজির। উঠানে চূন দিয়ে গোল করে গণ্ডি কাটা হয়েছে। গণ্ডির ভিতরে একটা মড়ার খুলি সামনে রেখে বসে আছে গুনিন। চারপাশে নানান উপাচার। মন্ত্রপাঠের সাথে নানান কেরামতি দেখিয়ে চলেছে। বড়ো ভাসুরের নাম ধরে তুই-তোকারি করে ডাকলে ভারতী সাড়া দিচ্ছে। গুনিনের লেকচার শুনে সবাই নিশ্চিত যে ভারতীর ওপর এখন তার বড়ো ভাসুরের আত্মা ভর করেছে। ভারতীকে ঝাঁটাপেটা করছে, জুতো নাকে ঘসছে, চুলের মুঠি ধরে ঝাঁকুনী দিচ্ছে। এতেই নাকি ভাসুরের প্রেতাত্মা পালিয়ে যাবে। গ্রামের লোক সেই মজা দেখছে। শেষে একটা জলভরা কলসি রাখা হলো ভারতীর সামনে। গুনিনের নির্দেশ মতো ওটা দাঁতের কামড়ে তুলে নিয়ে ভারতী ছুটে চললো লম্বা উঠোন বরাবর। তারপর ধপাস করে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারালো। ভুত ছেড়ে গেছে মনে করে ভিড় পাতলা হতে লাগলো। জলের ঝাপটা, পাখার বাতাস পেয়ে ভারতী চোখ মেলে তাকায়। সারা শরীরে ব্যথা, মাথা ভার লাগছে। সবার চোখে জিজ্ঞাসা অথচ ভারতীর কিছুই মনে নেই। লজ্জা পেয়ে অবিন্যস্ত পোষাক ঠিক করতে মনযোগ দেয় সে।

আমজনতা যাকে ‘ভুতের ভর’ বলেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানে তা ‘মানসিক রোগ’। অন্ধবিশ্বাসের আবহে বেড়ে ওঠা মানুষদের মধ্যেই এই ভুতে ধরার প্রকোপ দেখা যায়। অভাব, অতৃপ্তি, ক্ষোভ, বেদনা, বঞ্চনা, অবহেলা প্রভৃতি মানসিক যন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশের ফলে ‘ভূতের ভর’ হয়। রোগীর অবচেতন মন তার অবদমিত ইচ্ছা প্রকাশের সুযোগ পেয়ে যায়। অন্ধবিশ্বাসের ফলে এই অবস্থাকে রোগ না ভেবে ‘ভূতের ভর’ মনে করে ওঝা-গুনিন ডাকা হয়। একই ঘটনা মুসলিম পরিবারে হলে ‘জিনের ভর’ বলে অভিহিত হয়। ওঝা-গুনিনের কেরামতির পর একসময় রোগী রোগমুক্ত হয়। তখন তা মন্ত্র-তন্ত্রের গুণেই হয়েছে বলে মনে করা হয়। আসলে বিশ্বাসের ফলে এই সমস্যার উদ্ভব হয় বলেই বিশ্বাসের দ্বারাও এর পরিসমাপ্তি ঘটার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু এই ব্যবস্থার কুফল সম্পর্কে মানুষ উদাসীন থাকে। ওঝা-গুনিনকে প্রশ্রয় দিলে রোগীর শ্লীলতাহানি থেকে মৃত্যু সবকিছুই মেনে নিতে হয়। ‘ভূতের ভর’ আসলে সামাজিক ব্যাধি। দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন, ব্যাপক শিক্ষার বিস্তার, সমাজ সচেতনতা এবং ভুত-জিন-ঈশ্বর বিশ্বাসের কুসংস্কার থেকে মুক্ত হতে না পারলে ‘ভর’ এর চিকিৎসা পুরোপুরি সম্ভব নয়।

PrevPreviousনারীকে আপন ভাগ্য জয় করিবার কেন নাহি দিবে অধিকার
Nextচিকিৎসা পেশার নৈতিকতা – নুরেমবার্গ মেডিক্যাল ট্রায়াল, আবু ঘ্রাইব এবং আমরা-৩Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

নতুন বছরের প্রার্থনা

January 4, 2026 No Comments

উড়িষ্যায় মুর্শিদাবাদের তরুণের খুনের প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি জানিয়েছেন, তাদের স্লোগান ‘ঘরের ছেলে ঘরের ভাত খান’। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে ক্রমহ্রসমান কর্মসংস্থানের জন্য রাজ্যের মানুষকে

ভারতের কৃষকের দুর্দশা

January 4, 2026 No Comments

এ কথা বলা হচ্ছে যে, বিগত এক দশকে ভারত একটি অর্থনৈতিক সুপার পাওয়ার হিসাবে উঠে এসেছে। ভারতের ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্পগুলো ভারতের অর্থনৈতিক মানচিত্র বদলে দিয়েছে। উন্নয়নের

“হুটার বাজিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ছুটে যায় বলে”

January 4, 2026 No Comments

২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে উন্নাও-এর মেয়েটিকে নিয়ে এই লেখাটি বেরিয়েছিল ‘চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম’-এ৷ গতকাল কুলদীপ সিং সেঙ্গার জামিন পাওয়ার পর আবার শেয়ার করছি। “হুটার বাজিয়ে

সমাজ মাধ্যমে উদ্ভূত সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিবৃতি

January 3, 2026 No Comments

আপনারা সকলে অবগত আছেন গতকাল আমাদের সহযোদ্ধা ডাঃ অনিকেত মাহাতো সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট-এর ‘সভাপতি’ পদ থেকে পদত্যাগ করার কথা

চিল্লা-ই-কালান – এক চল্লিশ দিনের কাশ্মীরী আখ্যান

January 3, 2026 2 Comments

কথাটা কি খুব পরিচিত বা চেনা লাগছে? বোধহয় না। যদিও মাত্র দিন তিনেক আগেই সংবাদপত্রের পাতায় ছবি সহ এই বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। আপাদমস্তক গরম

সাম্প্রতিক পোস্ট

নতুন বছরের প্রার্থনা

Dr. Amit Pan January 4, 2026

ভারতের কৃষকের দুর্দশা

Nirmalendu Nath January 4, 2026

“হুটার বাজিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ছুটে যায় বলে”

Satabdi Das January 4, 2026

সমাজ মাধ্যমে উদ্ভূত সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিবৃতি

West Bengal Junior Doctors Front January 3, 2026

চিল্লা-ই-কালান – এক চল্লিশ দিনের কাশ্মীরী আখ্যান

Somnath Mukhopadhyay January 3, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

600448
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]