Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

কাগজ পড়ার সেকাল একাল

Screenshot_2023-09-14-08-12-54-72_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Kanchan Mukherjee

Dr. Kanchan Mukherjee

Fetal medicine specialist
My Other Posts
  • September 14, 2023
  • 8:13 am
  • No Comments

‘কাগচ’ না ‘কাগজ’ তফাৎটা বোঝার আগে থেকেই বাড়িতে খবরের কাগজ দেখছি। রোববার দুপুরে খানদুয়েক দৈনিক চেবানোর পর আজ হঠাৎ মনে হল চার দশক ধরে কাগজ পড়ছি। এবার সময় এসেছে কাগজ পড়ার অভিজ্ঞতা বদলেছে কি না একটু ভেবে দেখার। বিশেষজ্ঞের মতামত নয়। একজন সাধারণ পাঠকের স্বভাবসিদ্ধ বাচালতা আর একবার প্রমাণ করা ছাড়া এই লেখার আর কোনো উদ্দেশ্য নেই।

ছোট থেকেই বাড়িতে ‘আমোদবাজার’ আসতো। হ্যাঁ, মা এই নামটাই ব্যবহার করতেন এবং এখনও করেন। আমার ঠাকুরদার নাম ছিল আনন্দ। তিনি এখন স্বর্গে। তবে মা তাঁর শ্রদ্ধেয় শ্বশুরমশায়ের নাম এখনও উচ্চারণ করেন না।

টিভি-হীন, নেট-হীন যুগে এবং সাতাশ-পাতের যৌথ পরিবারে একটি মাত্র খবরের কাগজ নিলে যা হওয়ার তাই হতো আমাদের বাড়িতে। প্রথমেই পাতা ভাগাভাগি। প্রভাবশালীরা(!) প্রথমেই প্রথম পাতা এবং খেলার পাতা নিয়ে নিতেন। আমরা পেতাম সম্পাদকীয়। দৈনন্দিন এই যুদ্ধের বাইরে থেকে ন’কাকা কাগজটি পড়তেন দ্বিপ্রাহরিক ভাতঘুমটি দেওয়ার ঠিক আগে। এমনিতে কাকা ছিলেন ভীষণ প্রগতিশীল। তবে শিশুশ্রম নিয়ে তেমন মাথা ঘামাতেন বলে মনে হয় না। দুপুরে কাগজ পড়াকালীন একটি চিমটে নিয়ে আমাকে তাঁর পাকা চুল তুলে দিতে হত। প্রতিটি সাদা চুলে দু’পয়সা আর ভুল করে কালো চুল তুলে ফেললে পাঁচ পয়সা জরিমানা। পুজোর আগে অবশ্য রেটটা একটু বাড়তো। হিসাবের স্বচ্ছতা নিয়ে আমার কিছু অভিযোগ ছিল। তবে তা জানানোর আগেই ন’কাকা চলে গেলেন দাদুর কাছে।

আমার ঁপিতৃদেব কাগজটি চাইতেন সন্ধ্যেবেলায় বাড়ি ফিরে। বেশির ভাগ দিনেই ততক্ষণে সেটি যেত হারিয়ে। এটা নিয়ে বাবা প্রথমে একপ্রস্থ গজগজ করে নিতেন। খাটের তলা বা আলমারির মাথা কোথাও থেকে উদ্ধার হলেও পাতাগুলো সব লুচি হয়ে থাকতো। আর সেটা হতো বাবার রাগের দ্বিতীয় কারণ। যাইহোক কাগজ হাতে পেয়ে তিনি সোজা চলে যেতেন “আপনার আজকের দিনটি” কলামে। নিজের কাটানো দিনটির সাথে ছাপানো রাশিফল না মিললে তিনি আরও রেগে যেতেন। মাঝে মাঝে সেই ‘অকাজের কাগজ’ বন্ধ করে দেবার হুমকিও দিতেন। কিন্তু মা যে ছিলেন ‘আমোদবাজার’ এর ভক্ত!

থাকতাম কলকাতা থেকে ট্রেনে ঘণ্টা চারেকের দূরে। বাড়িতে কাগজ দিতেন বাদলদা। বয়সে বাবার চেয়েও বড়। কিন্তু কিছু কিছু সম্বোধন যে সর্বজনীনতা পায় হয়তো তাকে স্বীকৃতি দিতেই আমরাও তাঁকে দাদা বলেই ডাকতাম। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা, মিটিং-মিছিল-অবরোধ-হরতাল পার করে বাদলদা ঠিক হাজির হয়ে যেতেন। প্রচণ্ড গরমে মাথা ঢাকা থাকতেন মিনি ছাতার সাইজে একটা তাল পাতার টুপিতে। বাহন বলতে ছিল দু’ চাকার একটি ক্রিং ক্রিং সাইকেল। রোদে পোড়া মুখটা দেখে মায়া হত। অনেকে খাবার জল অফার করতেন। পালে-পরবে নাড়ু মিষ্টিও। কিন্তু পাঁচ বাড়ি জল খাবার পর যেটা দরকার হয় সেই সুযোগটা কেউ কোনদিন দিয়েছেন বলে জানা নেই। তবে সেকালে “স্বচ্ছ ভারত মিশন” টাইপের কোনো চাপ ছিল না। ওনারও নয় আমারও নয়। যাকগে সে সব কুঅভ্যাসের কথা। বরং এখন আমার বাড়িতে যে ছেলেটি কাগজ দেয় তার সাথে পরিচয় করাই। দুঃখিত, আমি তার নাম জানি না। জিগ্যেস করার সুযোগও পাই না। সকাল সকাল একটা মস্ত বড় মোটরসাইকেল চড়ে আসে। পড়নে হাতকাটা গেন্জী। কানে গোঁজা ইয়ারফোন। কাগজটা লেটারবক্সের মাথায় রেখেই উধাও।

প্রথম পাতা আর তার হেডলাইনসের ওজনই আলাদা। তবে আজকাল প্রায় দিনই আমি বুঝতে পারিনা কোনটা প্রথম পাতা। আগে কয়েক পাতা বিজ্ঞাপন। ধমাকা অফারের দিনে আরও বেশি। অবশ্য সবগুলোকে বিজ্ঞাপন বললে আমার মাথা কাটা যাবে। বোধহয় বলা উচিত বিজ্ঞপ্তি। করের টাকায় বিশিষ্টদের বিশাল বিশাল ছবিসহ যে সব নয়া প্রকল্প বা গুচ্ছ গুচ্ছ উদ্বোধনের ফিরিস্তি থাকে সেগুলোকে কি বিজ্ঞাপন বলা যায়! যাই হোক এরকম এক বা একাধিক লেয়ার টপকে শেষমেশ যখন আসল খবরে ল্যান্ড করি, দেখি ল্যাজ কাটা টিকটিকির মত পাতাটি লম্বালম্বি কাটা। এই অবধি পৌঁছনোর আগেই অবশ্য একটা না একটা হলুদ বা গোলাপি ফিনফিনে কাগজের হ্যান্ডবিল খসে পড়ে। ক্লাউড কিচেন থেকে ফেসিয়াল/ফলস/ পিকো বা পায়খানা সাফের আবেদন কি না থাকে সেখানে! এমনিতে পয়সাকড়ি মেঝেয় পড়ে গেলে আমি নগদের পরিমাণ না দেখে হেঁট হই না। কিন্তু ঘর নোংরা করার দায়ে ফাঁসি হতে পারে ভেবে তাড়াতাড়ি এইসব ছুটকো ছাটকা চিরকুট তুলে আগে বিনবন্দী করি।

এবার বলি আনাড়ি পাঠককে বিভ্রান্ত করার একটা ছোট্ট গল্প। দেখবেন ছুটির দিনেও এখন “ছুটি নয়” নোটিশ দেওয়া হয়। কারণ অনলাইন ভার্সন খোলা থাকে যে! আগে বাপু লেখালিখি হতো অনেক সোজাসাপটা। এত কথার মারপ্যাঁচ ছিল না। তাছাড়া, না পড়লে পিছিয়ে পড়ার হুমকি অথবা ভগবান ছাড়া অন্য কাউকে ভয় না পাবার মুচলেকাও কোন খবরের কাগজ দিত না। খবরের বিশ্বাসযোগ্যতা বা সত্যাসত্য নিয়ে আজ আর কথা তুললাম না।

ছোটবেলায় দেখতাম মাস শেষ হলে মা বাদলদাকে পয়সা মেটাতেন। আর এখন থাকে বছরের শুরুতেই আগামী বারো মাসের দাম চোকানোর লোভনীয় হাতছানি। ইলেক্ট্রিসিটি বিলের মতো এই হিসেবটাগুলোও আমি বুঝে উঠতে পারি না। কখনও কম্বো অফার। কখনও বা দীর্ঘদিনের গ্রাহকদের প্রতি লয়ালটির পারিতোষিক। সবই আছে, শুধু সত্যের প্রতি কেমন যেন একটা লয়ালটির অভাব!

PrevPreviousআমার সাহিত্য শিক্ষকেরা
Nextদীপ জ্বেলে যাও ১৪Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কিছুই বলতে চাইছি না

June 15, 2026 No Comments

কোন একটা হিন্দি সিনেমার একটা দৃশ্য মনে পড়ল। খোলা গর্তের পাশে দাঁড়িয়ে এক মাতাল গর্তের দিকে আঙুল তুলে জড়ানো গলায় বলছে – পঁচ্‌চিশ, পঁচ্‌চিশ… কোনও

অভয়া মঞ্চের প্রলয়-স্মরণ

June 14, 2026 No Comments

৯ জুন ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চ।

বর্তমান ভূত

June 14, 2026 No Comments

তুমি ভেবেছিলে কালজয়ী হবে ঠিক চোখ খুলে দেখো সড়ক নরক ভালো মানুষের লেগেছে মড়ক কাকে দেবে শত ধিক? গুণী জন ছিল পায়ের তলায় কাকে কাকে

পশ্চিমবঙ্গের এই ছোট দোকানিরা ভারতেরও নাগরিক

June 14, 2026 No Comments

রাতে ফেরার সময় দেখলাম ঢাকুরিয়া এবং বাঘাযতীন স্টেশনের ছোট দোকানদারদের (‘হকার’ শব্দটা ব্যবহার করলাম না) মধ্যে চাপা উত্তেজনা এবং বেশ খানিকটা ভয়। এঁদের কয়েকজনের সঙ্গে

ন্যায়বিচারের সন্ধানে অভয়া মঞ্চের অবিচল পথচলা ।। ৯ জুন ২০২৬ ।। ২২ মাস

June 14, 2026 No Comments

৯ জুন, ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চে অনুষ্ঠিত কর্মসূচী।

সাম্প্রতিক পোস্ট

কিছুই বলতে চাইছি না

Dr. Bishan Basu June 15, 2026

অভয়া মঞ্চের প্রলয়-স্মরণ

Abhaya Mancha June 14, 2026

বর্তমান ভূত

Shila Chakraborty June 14, 2026

পশ্চিমবঙ্গের এই ছোট দোকানিরা ভারতেরও নাগরিক

Dr. Koushik Dutta June 14, 2026

ন্যায়বিচারের সন্ধানে অভয়া মঞ্চের অবিচল পথচলা ।। ৯ জুন ২০২৬ ।। ২২ মাস

Abhaya Mancha June 14, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

631186
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]