জন্মদিনে মৃত্যুহেন অন্ধকার,
উৎস খোঁজো মাংসপোড়ার গন্ধটার,
যাদের হাতে রাষ্ট্র ধৃত,
তাঁরাই যে ঢাল রাষ্ট্র-ধৃত’র
উৎস খোঁজো প্রাণপণে সেই সিংহাসনের অন্ধতার,
বিচার পাওয়ার মুখের ওপর করলো আইন বন্ধ দ্বার,
অ-দন্ত এক তদন্তফল,
ঢাক পিটিয়ে খাক কেবল,
উৎস খোঁজো বিচ্ছিরি সেই প্রহসনের মন্দতা’র ।
সেই মেয়ে তো আর ফিরবে না,
কমতি হবে ভিড় চেনা,
ঘড়ির কাঁটা ক্ষুধিত পাষাণ,
মেহের আলির যতই চেঁচান,
‘সব ঝুট হ্যায়’ ,
উপায় কোথায়, রোজের খিদের স্থির দেনা,
মনের ভেতর আন্দোলনে,
বাস্তবিকের ‘না’ চরণে,
মশাল যতই জ্বলুক ক্রোধে, ভোটের দুর্গ ঘিরবে না,
বিচার চেয়ে যতই চেচাও,
নিজের পায়ে নিজেই প্যাঁচাও,
থমকে হোঁচট খাবেই খাবে ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে না,
আইন পুলিশ থাকলে হাতে,
যায় না ক্রাইম বিরল খাতে,
চোখের সামনে দেখলো সবাই, কল্পিত সে মিথ্যে না।
কাল যদি যায় আরেক মেয়ে,
আবার পথে বিচার চেয়ে , ঘুরবে ভিড়, ফের অধীর,
জ্বলবে মশাল অযুত আবার
ঠোঁটে দ্রোহের কোরাস গেয়ে।
কিন্তু তাতে ফল কি হবে? বলতে পারো ফল কী হবে?
বাজুক যতই দ্রিম দামামা,
সইবে জ্বালা ফের নীরবে তার বাবা মা,
রাষ্ট্র প্রমাণ ফেলবে খেয়ে।
কারণটা কী? মেয়েদের জীবন ফেলনা নাকি,
এমনভাবেই অবিচারে হারবে দ্রোহ বারে বারে
ফিরবো সবাই ঘরে লবডংকা পেয়ে?
হেরো মানুষ, লড়িস কেন, ভেঙচাবে খুব আয়না যেন
লজ্জা শুধু উঠবে ফুটে দেখলে চেয়ে?
তাই তো বলি,
উৎস খোঁজো কন্যা বলি’র এই প্রথার,
জ্বালছো যখন দ্রোহের প্রদীপ,
দেখো তোমার নিজের সমীপ,
হয়তো তোমার পায়ের নিচেই অন্ধকার।
রাস্তাঘাটে লোকের ভিড়ে,
স্পর্শকামে খাচ্ছে ছিঁড়ে রোজই নারীর প্রাইভেসিকে,
তাকিয়ে থেকে অন্যদিকে,
দিচ্ছো না তো সঙ্গ তার?
স্পর্শকামী পেরিয়ে গিয়ে স্পর্শকে
সুযোগ পেলেই ভোল বদলায় ধর্ষকে,
নীরব থেকে,
অন্যদিকে যাচ্ছি দেখে,
তুমি আমিই হয়তো কোথাও মাপটা বাড়াই রন্ধ্রটার।
উৎস খোঁজো,
উৎস খোঁজো মাংসপোড়ার গন্ধটার,
আয়না থেকেই আসছে যদি,
তুমিই তবে সেই বিরোধী,
তোমার জন্য আসছে নেমে মেয়ের জীবনে অন্ধকার।
বদলে গেলে তবেই দিও জন্মদিনে সঙ্গ তার।










