পৃথিবীতে আপাতত একটাই কাজ বাকি আছে। শারদোৎসব… ইয়ে… সরি, সরি দুর্গাপুজো। আমরা আবার প্রকাশনীর পক্ষ থেকে পুজোয় বুক স্টল করি। রাগ করবেন না প্লিজ৷
রোজ রোজ নতুন নতুন নিয়ম কানুন আসছে। এগরোল খেলে মন্ডপে যাওয়া যাবে না। পুজোর কদিন পাখির মাংস খেলে সে পাখণ্ডী। যদিও শাসক দলের একজন আছেন, যিনি বেশ হোমড়াচোমরা এবং যে যাহাই বিতর্কিত মন্তব্য করছে, তিনি হুলুলু চোখে বলছেন এর সাথে দলের কোন সম্পর্ক নাই।
এদিকে বাংলার একমাত্র প্রদীপের সলতে যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে নাগা সন্ন্যাসীরা প্রতিবাদ জানাতে গিয়েছেন। কেন সেখানে জিন্সের জামা প্যান্ট পরে ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করে? গাঁজা খাওয়ার প্রতিবাদ করার জন্য তাঁদের বলা হয়েছিল। কিন্তু সুনির্দিষ্ট কারণের জন্য তাঁরা প্রতিবাদ করেননি।
এদিকে এসবের চেয়ে বহু দূরে আমি, রোজ স্কুটারে করে নাটাগড়ে রোগী দেখতে যাই। এবং দুদিন অন্তর অন্তর আমার বাইকের সকার ভাঙে। সারাতে প্রায় হাজার টাকা গচ্চা।
আমি একেবারে কনফিউজ। সোদপুর রোডে গর্ত আছে নোডাউট। কিন্তু সেসব গর্তে ফুলস্পিডে আমি একমাত্র পড়ি? আমারই একমাত্র সকার ভাঙে?
বেশি চেল্লামিল্লি করলে ভক্তরা রেডি আছে। যারা যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে নাগা সন্ন্যাসী ঢোকাতে পারে, তারা গরুর গাড়ি করে চেম্বারে যাওয়ার জন্যও উপদেশ দিতে পারে।
একটাই সমস্যা, কাউন্টার লজিক। গরু আমাদের মা। মাকে দিয়ে গাড়ি টানানো উচিত?
এই যুক্তি দিলেই একজন ধ্যানমগ্ন ঋষিবাবু এসে বলবেন যারা গরুর গাড়ি ব্যবহার করতে বলছে তারা দলের কেউ নয়।
অতএব সব ঘেঁটেঘুঁটে একাকার। কে দলের লোক আগে ঠিক হোক, তারপর সুভাষচন্দ্রকে নেতাজি বলা হবে।
আপাতত সোদপুর রোড দলের রাস্তা নয়। এই পৃথিবীরও রাস্তা নয়। চন্দ্রযানের বদলে স্কুটার নিয়ে গেলে যা হওয়ার তা হবেই। সরষের ফুল। দেবী দুর্গার ১১ খানা হাত।










