আহ্, অরূপবাবু নস্ট্যালজিক করে দিলেন।
ঠিক এমনি করেই অভিমানী চিকিৎসক সন্দীপ ঘোষ স্বাস্থ্যভবনে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা করে এসেছিলেন। মানে, সংবাদমাধ্যমের ভাষায়, মুখ্যমন্ত্রীর কোর্টে বল জমা করে এসেছিলেন।
সহৃদয়া কোমলপ্রাণা মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন – সন্দীপ এফিশিয়েন্ট ছেলে। ও অভিমান করে দায়িত্ব ছেড়ে দিতে চাইছে। আমি ওকে যেতে দেব না। ওকে অন্য জায়গায় কাজের দায়িত্ব দেব।
তারপরই আরজিকরের প্রিন্সিপাল থেকে ডা সন্দীপ ঘোষকে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল পদে বদলি করা হয়। পাকেচক্রে ডা ঘোষ ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল হতে পারেননি এবং জেলে গেছিলেন সেসব অবশ্যই অবান্তর ডিটেইলস – কিন্তু আমরা জানি, এধরনের কেসে মুখ্যমন্ত্রীর কোর্টে বল গেলে তিনি কীভাবে তা খেলে থাকেন।
(আচ্ছা, ডা সন্দীপ ঘোষ এখন কোথায় আছেন? জেলে, নাকি আরামদায়ক কোনও আশ্রয়ে? সাসপেন্ড হলেও দুই-তৃতীয়াংশ অব্দি মাইনে সরকারি কর্মীরা পেয়ে থাকেন – ডা ঘোষ পাচ্ছেন তো? মিডিয়ার কেউ কিছু খবর রাখেন?)
তো যা-ই হোক, ইতিহাস সাক্ষী, এসব ক্ষেত্রে মাননীয়ার সহৃদয় সহযোগিতার কোনও অভাব ঘটে না।
সুতরাং…
আর হ্যাঁ, আপনাদের কেউ কেউ হয়ত মাননীয় অরূপ বিশ্বাস মহাশয়ের বাংলা বানানের বোধ ইত্যাদি নিয়ে শ্লেষাত্মক মন্তব্য করবেন। করবেন না, প্লিজ!
চিঠির উদ্দেশ্য কমিউনিকেশন। নেত্রী যেরকম বানান বুঝবেন, উনি যদি সেই বানানে না লিখে সুললিত ভাষায় সঠিক বানানে চিঠি লেখেন, আর সেখান থেকে কিছু ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয় – তার দায়িত্ব আপনারা নেবেন?
মনে রাখবেন, মাইকেল একবার বেসামাল অবস্থায় বিদ্যাসাগরমশাইকে যেকথা বলেছিলেন, তার চাইতে বড় সত্যি আর কিছু হয় না। বেসামাল অবস্থায় বলা অধিকাংশ কথা-ই অকপট ও সত্য – কিন্তু এই কথাটি চরম বড় সত্য।
কী সেই কথা? ধুর মশাই, ওটুকুও জানেন না! এজন্যই বলি, সিপিএম ইংরেজি তুলে দিয়ে শিক্ষার কোমর ভেঙে দিয়েছে।
যাক গে! মাইকেলের সেই অমোঘ উক্তিটি হলো –
হোয়েন ইন তৃণমূল, রাইট অ্যাজ তৃণমূলিয়ানস রাইট!
ব্যাস! এই শুনে স্বয়ং বিদ্যাসাগরই চেপে গেছিলেন, আপনি মশাই কোন লাটের বাট!
(ছবির সূত্র – একটি টিভিনাইন চ্যানেলের ফেসবুক পেজ থেকে পাওয়া। অরূপবাবুর অনির্বচনীয় পদত্যাগপত্রের ছবি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় মুখপাত্রর পোস্ট থেকে নেওয়া।)










