ক্রীড়া মন্ত্রী না ক্রিড়া মন্ত্রী, ক্রীড়াঙ্গন না ক্রিরাঞ্জন, অব্যাহতি না অব্যহতি? মন্ত্রী দ্বিতীয় বানান তিনটিই লিখেছেন। তিনি একই সঙ্গে বিদ্যুৎ দপ্তরের মন্ত্রী। তিনি ঐ দপ্তরের মন্ত্রীই থাকছেন। মন্ত্রী সভা থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা বলেন নি। একটা তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটির কথা অনুযায়ী একজন পুলিশ কর্তাকে সাসপেন্ড, দুজনকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আজ একটা স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম তৈরি করা হয়েছে। সেখানে রয়েছেন চারজন আই পি এস কর্তা। তারা সকলেই একজন শীর্ষ পুলিশ কর্তার অধঃস্তন যার ভূমিকা নিয়ে তদন্ত করা হবে। এই তদন্ত কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। আমদের অপেক্ষা করতে হবে কবে সেই কমিটির রিপোর্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে! একটি আশঙ্কা। সঠিক তদন্তের জন্য ঘটনার অকুস্থল সঠিক ভাবে অপরিবর্তিত অক্ষত অবস্থায় থাকবে কিনা? আমরা আর জি কর হাসপাতালের ‘অভয়া’র ঘটনা ভুলতে পারি নি।
৯ আগষ্ট ২০২৪ সকালে ‘অভয়া’র ঘটনা প্রকাশ্যে এল। তারপর ঘটনার অকুস্থল ও ঐ বিল্ডিং এর অন্যান্য জায়গার অনেক কিছু পরিবর্তিত হয়েছে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই। ১৪ আগষ্ট ২০২৪ ঐ বিল্ডিং এ ব্যাপক ভাঙচুর করে হয়েছিল। না, কোন রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নয়। ঐ ভাঙচুরের বিষয়ে কি তদন্ত হল কি ব্যবস্থা নেওয়া হল সেটা ধোঁয়াশায় ঢাকা।
একই ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি কোন সরকারের পক্ষেই সম্মানজনক নয় সুশাসনের পরিচয় নয়। রাজ্যবাসীর পক্ষে অসম্মানের অপমানের। দায়টা প্রসাশনের । একই সঙ্গে মন্ত্রীদের অশুদ্ধ বানান ও শব্দবন্ধ ব্যবহার করা নিয়ে তাদের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুললে তারা কি যুক্তি দিয়ে তার উত্তর দেন তার দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে আমাদের।










ঐ হে পরিপ্রেক্ষিত না পরিপ্রেক্ষিত লেখাটাও উচিত ছিল।