অভয়া কান্ডের প্রতিবাদে গতবছর উত্তাল আন্দোলনে সামিল হয়েছিল এই রাজ্যের মানুষ।বিশেষকরে সিনিয়র ও জুনিয়র চিকিৎসকেরা। আন্দোলন ছিল শান্তিপূর্ণ। একবছর পরে কোলকাতা পুলিশ নানা অজুহাতে সিনিয়র ও জুনিয়র চিকিৎসকদের ডেকে পাঠাচ্ছে। ডাঃ পুণ্যব্রত গুণ, ডাঃ তমোনাশ চৌধুরী, ডাঃ অনিন্দ্য মন্ডল সহ অনেককেই ডাকা হয়েছে। আবার ২,৩ সেপ্টেম্বর ডাঃ মানস গুমটা, ডাঃ সুবর্ণ গোস্বামী ও ডাঃ দেবাশিস হালদারকে থানায় তলব করা হয়েছে।
আপাতদৃষ্টিতে কিছু নিরীহ প্রশ্ন করে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে আন্দোলনকারীদের মধ্যে একটা আত্মতুষ্টি আসতে পারে। ধূস। কিছুই না।
যদি তাই হয় রাষ্ট্র তলব করছে কেন?
আসলে এর পিছনে গভীর উদ্দেশ্য আছে।
এক-ভয়ের একটা বাতাবরণ তৈরী করা।
দুই-এই ভাবে জেরা করতে করতে দুম করে একজনকে গ্রেপ্তার করে নেওয়া। কিছুদিনের জন্য জেলে পাঠানো কাউকে কাউকে। এতে ভয়ভীতি এতোটা বাড়াও যাতে আন্দোলনের সাথে যুক্ত চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা সন্ত্রস্ত হয়ে যায়। আর সন্ত্রস্ত হলে আন্দোলনও করা যায় না।
আমাদের প্রশ্ন কেন এতোজনকে পর্যায়ক্রমে ডাকা হবে? তাও একবছর পর! এটা পুলিশের অতিরিক্ত খবরদারি ছাড়া আর কিছুই নয়। গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ।
রাষ্ট্রীয় খবরদারির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দরকার। ঐক্যবদ্ধভাবে।
সিনিয়র ও জুনিয়র ডাক্তার, মেডিকেল শিক্ষার্থীরা, অভয়া মঞ্চ, ভয়েস অফ অভয়া, নানান নারী সংগঠন, নাগরিক সংগঠন, মানবাধিকার সংগঠন সবাইয়েরই প্রতিবাদী কর্মসূচিতে নামা উচিত। কারণ রাষ্ট্রের এই খবরদারি বেশ বিপজ্জনক বিষয়। সতর্ক থাকা জরুরী।












