Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ওরা আনবেই স্বপ্নের ভোর

2 C
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • August 1, 2025
  • 7:14 am
  • 6 Comments

আমার ঘরে বসেই রাস্তায় লোকজন, গাড়িঘোড়া, হরেক কিসিমের পণ্য নিয়ে হেঁকে যাওয়া ফেরিওয়ালাদের বেশ দেখতে পাই। মানুষের দেখা না পেয়ে যেসব প্রবৃদ্ধ মানুষ রীতিমতো হাঁপিয়ে উঠেছেন বলে আক্ষেপ করেন আমি এখনো পর্যন্ত সেই দলে নাম লেখাইনি। অনেক মানুষের ব্যস্ত চলাচলের দৃশ্যের মধ্যে আমাকে কেন জানিনা সবথেকে তৃপ্তি দেয় ব্যাগ কাঁধে নিয়ে স্কুলের পথে পা বাড়ানো ছাত্র ছাত্রীদের ছবি। হয়তো একটা সময় এদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি বলে। সকালের দিকে যারা যায় তাদের বেশির ভাগই যায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। দশটার পর দেখা মেলে মাতৃভাষা মাধ্যমের স্কুলের শিক্ষার্থীদের। চোখ তো আর ওদের মধ্যে ভাগাভাগির রেখা টানেনা।

কাল সারারাত বৃষ্টি হয়েছে আমাদের এখানে। চারিদিক জলে ট‌ইটম্বুর। আমাদের বাগানের‌ দশাও তেমনটাই। এমন ভেজা দিনে কি আর ছেলেমেয়েগুলো স্কুলে যাবে? এমন ভাবতে ভাবতেই একটা ভেসে আসা খবরে চোখ আটকে গেল। মানব জাতির আদিতম আরণ্যক জনগোষ্ঠীর কয়েকজন মানবক এই প্রথম জন অরণ্যের সোয়াদ পেতে চলেছে,তারা এখন থেকে স্কুলে যাবে শুধু নয় অন্যদের সঙ্গে একসাথে বসে নতুন নতুন পাঠ গ্রহণ করবে। মনটা আনন্দে ভরে উঠলো।দেশের মূল ভুখণ্ড থেকে প্রায় ১৩০০  কিলোমিটার দূরে বিচ্ছিন্ন কয়েকটি আগ্নেয় দ্বীপ নিয়ে গড়ে উঠেছে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ। এই অঞ্চলে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের ধ্বজা ওড়ানোর জন্য সরকার বড়োই উদগ্রীব। অথচ এই দ্বীপগুলোতেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাস করে পৃথিবীর আদিতম জনগোষ্ঠীর মানুষেরা। সব মিলিয়ে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ হলো এক আশ্চর্য নৃতাত্ত্বিক প্রয়োগশালা। আদিম জীবাশ্ম সমাজের বাসিন্দারা আজ‌ও আগলে রেখেছে মানুষের সমাজের ক্রম বিবর্তনের আশ্চর্য ইতিহাস। স্বাধীনতা আন্দোলনের কালের কালাপানি পার হয়ে তবেই পৌঁছে যাওয়া যায় তাদের কাছে – জারোয়া, ওঙ্গি,সোম্পেন, সেন্টিনালিজ, নিকোবরী ….. মানব জাতির আদিপুরুষ হলো এইসব বিলীয়মান জনগোষ্ঠীর মানুষেরা। এইসব মানুষদের জীবনে আমাদের চেনা ছকের উন্নয়ন অলীক স্বপ্নের মতো। তবে এরাও মাঝেমাঝে খবরের শিরোনামে উঠে আসে সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে।সম্প্রতি জানা গেছে যে আদিম ওঙ্গি সম্প্রদায়ের নয়জন শিক্ষার্থী – পাঁচ জন কিশোরী এবং চার জন কিশোর – দশম শ্রেণীর পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়ে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছে । এরা হলো এ্যালাগি ,কোকোই, মুকেশ, সোনিয়া, সুমা বোলিং,ওটিকালাই,পালিথ এবং গিতে। কোথায় পড়বে তারা? লিটল আন্দামানের ডুগং ক্রিক- এ অবস্থিত তাদের বাড়ি থেকে সমুদ্র পথে কুড়ি কিলোমিটার দূরের আর.কে.পুর স্কুলে । এইটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা সন্দেহ নেই। এতোদিনের ইতিহাসে এই প্রথম এমন একটি ঘটনা ঘটতে দেখে সরকারি আধিকারিক থেকে শুরু করে সকলেই প্রচণ্ডভাবে আলোড়িত হয়েছেন। বলার অপেক্ষা রাখেনা যে এই নবরত্ন শিক্ষার্থীরা আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের আদিম অরণ্যচারী আবাসিকদের জীবনকে নতুন আলোয় উদ্ভাসিত করলো।

আগেই বলেছি, যে ওঙ্গি সম্প্রদায়ের মানুষেরা আবহমানকাল ধরে আরণ্যক পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের গভীরভাবে খাপ খাইয়ে নিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জীবনে অভ্যস্ত। এরা আদিম সংগ্রাহকের জীবন যাপনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। মনে রাখতে হবে যে এদের সভ্যতা প্রাক্ কৃষি যুগের সভ্যতা। এমনি এক যাপন পরিসর থেকে উঠে আসা যে মোটেই সহজসাধ্য ছিলোনা তা বুঝতে একটুও কষ্ট করতে হয়না। এই মুহূর্তে এই জনগোষ্ঠীর সদস্য সংখ্যা সাকুল্যে ১৪০ জন মাত্র। এখানেও লড়াই, অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াই। এই নয়জনের সকলেই মানবিক শাখায় নাম লিখিয়েছে। বলতে দ্বিধা নেই আগামী দিনে এদের হাত ধরেই হয়তো ওঙ্গি সম্প্রদায়ের মানুষদের নব উত্তরণ ঘটবে, রচিত হবে নতুন ইতিহাস।

ওঙ্গি সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে বাকি দুনিয়ার সম্পর্ক স্থাপনের প্রচেষ্টার শুরু সেই ১৮৫৫ সালে। সভ্যতা ও সংস্কৃতির দুস্তর পার্থক্য তো ছিলই তার ওপর ছিল ভাষার ব্যবধান। গত শতকের সত্তরের দশকের একেবারে শুরুতে সরকারি প্রচেষ্টায় ওঙ্গিদের আধুনিক জীবনের সঙ্গে অভ্যস্ত করার কাজ শুরু হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের ডুগং ক্রিক এবং লিটল আন্দামানের সাউথ বে এলাকায় পাকা বাড়ি করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি দেওয়া হয় খাবার দাবার, পোশাক পরিচ্ছদ এবং আধুনিক চিকিৎসার সুযোগ। এতোদিনের নিরলস পরিশ্রম বোধহয় ফলবতী হলো। প্রাথমিক সমস্যার বেড়া ভেঙে বেরিয়ে ওঙ্গি সম্প্রদায়ের মানুষেরা এখন নতুন জগতের স্বাদ নিতে চলেছে। তবে নিজেদের আবহমানকালের যাপন ধারাকে অস্বীকার করে নতুনের নামে উন্নয়নের জোয়ারে গা ভাসাতে মোটেই ইচ্ছুক নয় এই আদিম অরণ্যচারী মানুষেরা ।আজকের ওঙ্গি সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পেছনে আন্দামানের স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ভূমিকা অপরিসীম। ২০১১- ১২ সালে সর্ব শিক্ষা অভিযানের অঙ্গ হিসেবে এই নয়জন শিক্ষার্থীকে স্কুলে ভর্তি করে দেওয়া হয়। ডুইং ক্রিকের প্রাথমিক বিদ্যালয়টিকে উন্নীত করা হয় মাধ্যমিক স্তরের স্কুলে যাতে করে তাদের পঠনপাঠনের ধারাবাহিকতায় কোনোরকম ছেদ না পড়ে। নিরলস প্রচেষ্টায় সফলতা এলো এতোদিন পরে। নয়জন শিক্ষার্থীকে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের উপযুক্ত করে তোলা সম্ভব হলো।

নতুন শিক্ষার্থীরা কেমন? তারাও কি  উচ্চ বেতনের সরকারি আমলা হতে চায়? আধিকারিকদের মতে এদের নিয়ে আশাবাদী হবার যথেষ্ট কারণ আছে, কেননা নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্মিতি নিয়ে সকলের‌ই স্পষ্ট ধারণা রয়েছে। এদের একজন হলো এ্যালাগি। তাঁর ইচ্ছা ভবিষ্যতে সে একজন বনবিভাগের আধিকারিক হতে চায়, যাতে সে তাদের এলাকার অরণ্যভূমিকে রক্ষা করতে পারলেই তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অরণ্যকে বাঁচিয়ে রাখার ঐকান্তিক ইচ্ছে থেকেই এ্যালাগি বন বিভাগের আধিকারিক হতে চায়।অন্যদিকে ওটিকালাইয়ের স্বপ্ন একজন শিক্ষিকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার। “আমি এমন একটা সমাজ থেকে উঠে এসেছি যে সমাজ এই সময় থেকে সবদিকেই অনেকটাই পিছিয়ে আছে।এই জঙ্গমতা উনতির অন্তরায়। একমাত্র শিক্ষক শিক্ষিকাদের হাত ধরেই আমরা সবাই নতুন আলোয় নিজেদের আলোকিত করতে পারি।”– ওটিকালাইয়ের বক্তব্য।

মুকেশের ইচ্ছে সে আদিবাসী মানুষদের মধ্যে কাজ করবে একজন আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক হিসেবে। তার ইচ্ছে কী করে আদিম অরণ্যচারী আবাসিকদের জীবন ও এই পরিবর্তনশীল জীবনের ব্যবধানকে কমানো যায় সেই বিষয়ে কাজ করার। নিজেদের আবহমানকালের যাপনকে খারিজ করে দিয়ে নয় বরং তথাকথিত আধুনিক জীবনকে খানিকটা পরিমার্জিত করেই মুকেশ এক নতুন টেকস‌ই জীবনযাপন পদ্ধতিতে সকলকে অভ্যস্ত করে তুলতে চায়। ভারি অন্যরকম তাদের ইচ্ছেগুলো।চিরায়ত ওঙ্গি সমাজ, সংস্কৃতি ও এক অনন্য যাপন শৈলী আজ এক পরিবর্তনের যুগসন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। নৃতাত্ত্বিকদের অনুমান,আজ থেকে ৫৫০০০–৬০০০০ বছর আগে সুদূর আফ্রিকা মহাদেশ থেকে এই জনগোষ্ঠীর আগমন ঘটে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে । নিগ্রিটো প্রজাতির এই মানবগোষ্ঠীর জনসংখ্যা সময়ের সাথে সাথে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কমছে। আজকের প্রজন্মের যে নয়জন ওঙ্গি মানবক প্রমিথিউসের মতো নতুন আগুন আনতে চললো এতোগুলো দিনের বেড়া টপকে তারাই হবে সমাজ বদলের অগ্রদূত। এই সময়ের এ্যালাগি, ওটিকালাই, মুকেশ ও তাদের বাকি ছয় সঙ্গী সত্যিকারের শিক্ষার স্বপ্ন বয়ে নিয়ে আসবে এই প্রাচীন সমাজে। শিক্ষা তো এক আশ্চর্য অনুঘটক। যদিও বহু ব্যবহারে অনেকটাই ক্লিশে হয়ে গেছে তবুও নতুন বিশ্বাসের বাতাস বুকে ভরে নিয়ে আরও একবার বলি– শিক্ষা আনুক চেতনা,আর চেতনা আনুক বিপ্লব,কুলপ্লাবি নদীর মতো।

উৎসর্গ

যাদের নিরলস প্রচেষ্টা ও পরিশ্রম এই অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছে, সেই সমস্ত গবেষক ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করছি এই নিবন্ধটি। অগ্রজপ্রতিম সুজন শ্রী সুমিত মুখোপাধ্যায়কে অসংখ্য কৃতজ্ঞতা জানাই আমাকে প্রাণিত করার জন্য।

আগস্ট ০২,২০২৫

PrevPreviousঅভয়া রাত, ঘুম নেই…..
Nextসমস্ত প্রতিবাদী মানুষ একজোট হবেন এমনটা আশা রাখিNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
6 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
10 months ago

আশাতীত ভালো খবর। সত্যিই নবরত্ন। মেয়েরা সংখ্যায় বেশি দেখে আর‌ও আনন্দ পেলাম। ওদের স্বপ্ন সফল হোক। ওদের খবর ছড়িয়ে পড়ুক।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
10 months ago

অনেক অনেক বিরুদ্ধতার সঙ্গে লড়াই করে ওদের এই আশ্চর্য উত্তরণ। এখানে পৌঁছতে গিয়ে ছেড়ে যেতে হচ্ছে অনেক কিছু যা ওঙ্গি সমাজের একান্ত সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়েছে এতোদিন। সেই পুরনো আপ্ত বাক্য মনে এলো — কিছু পেতে গেলে কিছু ছাড়তে হয়।

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
10 months ago

আশার খবর।লেখক হচ্ছেন আমাদের আশার ঝাঁপি। সচল থাকুন মন আর কলম।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
10 months ago

আশার ঝাঁপি!!!! এমন অভিধা আগে কেউ দেবার দুঃসাহস দেখাননি। মানসিক ভাবে বেশ চাঙ্গা বোধ করছি। ধন্যবাদ জানাই আপনাকে ওষুধের খরচ কমিয়ে দেবার জন্য।

0
Reply
Ritabrata Gupta
Ritabrata Gupta
10 months ago

It’s so very heartening to know this ! The education will surely broaden their horizon and they will ultimately be able to do good to their society with the newfound knowledge. I’m sure they’ll protect the nature for a better ecological system and better future. Thanks for such a good reading 📚

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Ritabrata Gupta
10 months ago

Thanks a lot for your optimistic comment. It’s a great news undoubtedly but l feel pity for the nine onge kids that they would perhaps bring some evils of the so called modern society. Let’s hope for the best as you have mentioned in your comments .

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

আউটারে দাঁড়িয়ে পড়েছে মৌসুমী এক্সপ্রেস?

June 11, 2026 No Comments

মনে করুন অনেক দূরের সফর শেষে আপনি বাড়ি ফিরছেন। ট্রেন বাড়ির কাছাকাছি যত‌ই এগিয়ে আসছে ততই স্বাভাবিক ভাবে আপনি ভেতরে ভেতরে এক আলাদা উত্তেজনা অনুভব

এদের কোন বিকল্প হয় নাকি!

June 11, 2026 No Comments

ট্রেনে উঠে চোখের সামনে দেখে কানে ঠং ঠং আওয়াজ শুনে বানানো মুড়িমশলা কিনে খেতে পাবো তো? তাছাড়াও তো আছে চায়ের মত গরম সিঙ্গাড়া। পেঁয়াজ লঙ্কা

শিকড়

June 11, 2026 No Comments

সত্যজিতের শঙ্কু-কাহিনীর যন্ত্রগোলক কম্পু গল্পের শেষে হিমশীতল গলায় ঘোষণা করেছিল –‘মৃত্যুর পরের অবস্থা আমি জানি।’ আর আজ ৭ই জুন ২০২৬, জনৈক সুকন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় চিৎকার করে

হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে

June 10, 2026 No Comments

পশ্চিম বাঙলায় শতকরা কতো শতাংশ মানুষ ‘রেগুলার’ বেসিসে কাজ করে অর্থাৎ মাস গেলে মাইনে পায়? যারা আছেন তাদের মধ‍্য থেকে যদি আবার গৃহ সহায়ক/সহায়িকা, আয়া

ধর্মের নামে ভাগ করে, ‘বাঙালি জাতি’র সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা চলছে

June 10, 2026 No Comments

(এক) ‘বাঙালি’ মানে কখনোই শুধু ইসলামিরা নন। শুধু হিন্দুরাও নন। অন্যান্য ধর্মবিশ্বাসীরাও নন। ধর্মীয় বিচারে ‘বাঙালি’ যা-কিছুই হতে পারে। কিন্তু ভাষিক বা সাংস্কৃতিক বিচারে যাঁরাই

সাম্প্রতিক পোস্ট

আউটারে দাঁড়িয়ে পড়েছে মৌসুমী এক্সপ্রেস?

Somnath Mukhopadhyay June 11, 2026

এদের কোন বিকল্প হয় নাকি!

Dr. Hiralal Konar June 11, 2026

শিকড়

Dr. Sukanya Bandopadhyay June 11, 2026

হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে

Dr. Amit Pan June 10, 2026

ধর্মের নামে ভাগ করে, ‘বাঙালি জাতি’র সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা চলছে

Dipak Piplai June 10, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

629952
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]