২৮শে আগস্ট, ২০২৫ পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাঙ্গনে এক কালো দিন। আজ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস!
এই প্রতিষ্ঠা দিবসকে কেন্দ্র করে গত বেশ কিছুদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের সমাজ জীবনে যে কুনাট্য রঙ্গ রচিত হয়ে চলেছে, হেলথ সার্ভিসেস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তাকে তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি।
ঐতিহাসিক কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকার আর তার উপর ধারাবাহিক ও নির্বিচার আক্রমণ তেমনই এক ক্রূর ঐতিহাসিক সত্য।
ব্রিটিশ আমল থেকেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকার বারংবার লঙ্ঘিত হয়েছে, আর বাংলার শিক্ষিত ও সচেতন জনসাধারণ প্রতিবাদ করেছেন, আন্দোলন করেছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব ও স্বাধিকার রক্ষিত হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বাংলার বাঘ ও তৎকালীন উপাচার্য আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের ১৯২৫ সালের বিখ্যাত বক্তব্য আমরা সর্বদাই স্মরণ করি এক সচেতন আলোকবর্তিকা রূপে।
“Freedom first, freedom second and freedom always”
স্বাধীনতা পরবর্তীকালেও বিভিন্ন শাসকের হাতে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বার বার।
যে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে এই বিবৃতি প্রকাশ তা হল, শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার বেআইনি আবদার।
আরও একটি লক্ষণীয় বিষয় এই একই সুরে কথা বলছেন কিছু প্রসাদ পুষ্ট ও প্রসাদ আকাঙ্ক্ষী কয়েক জন কলেজ শিক্ষক, অধ্যক্ষ, উপাচার্য।
ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপিকা শান্তা দত্ত দে-র ব্যক্তিত্বপূর্ণ, নৈতিক এবং উপযুক্ত ভূমিকা এই সংকট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে আপাতত রক্ষা করেছে। আমাদের আশঙ্কা এই আক্রমণ পুনরায় হবে এবং নানা প্রকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর বিরুদ্ধে বাংলার শিক্ষিত সমাজের সচেতন বক্তব্য ও সম্মিলিত প্রতিবাদ একান্ত কাম্য। আমাদের সংগঠন হেলথ সার্ভিসেস অ্যাসোসিয়েশন বাংলার শিক্ষা প্রেমী শিক্ষিত সমাজ, শিক্ষক শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের কাছে এই বিষয়ে সম্মিলিত প্রতিবাদে সামিল হতে আহ্বান জানাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি সমস্ত স্তরের প্রগতিশীল ও প্রতিবাদী নাগরিক সমাজও এই প্রতিবাদে সামিল হবেন।
২৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত পরীক্ষায়, সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের স্বাভাবিক উপস্থিতি প্রমাণ করে দিয়েছে ছাত্রসমাজ সুবুদ্ধি ও সুস্থ শিক্ষা পরিবেশ রক্ষায় সামিল হতে আগ্ৰহী।
ডাঃ হীরালাল কোঙার
পক্ষে, হেলথ সার্ভিসেস অ্যাসোসিয়েশন, পশ্চিমবঙ্গ
২৫ ডিক্সন লেন, কলিকাতা ১৪











খুব ঠিক। এরা গোষ্টাপা বাহিনী।সদের তান্ডব দেখেছি কলেজ জীবনে।পরবর্তীতে বাম আমলে দেখলাম সিনারিও চেঞ্জ।তখন দেখলাম এসএফআই।একই পদ্ধতি বিরোধী ছাত্র কন্ঠ কে প্রাঙ্গণে ঢুকতে না দেয়া।সত্যি মদনা কি বিচিত্র এই দেশ এই ভূমি।