Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ডাক্তারির কথকতা-৪৩ অ্যানুয়াল হেল্থ চেক-আপ

C cover
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • August 30, 2025
  • 7:15 am
  • No Comments
আজ প্রথমে এক পরিবার এসেছিল তাদের ঊনআশি বছরের বৃদ্ধা (থুড়ি বয়স্কা, আশি বছর না হলে বৃদ্ধা বলা যাবে না এখন) মা কে নিয়ে এসেছিল। তিন মাস আগে তাঁর কোমর ভেঙেছিল। অপারেশন করে দিয়েছিলাম। রোগী দিব্যি হাঁটছিল। তারপর আবার পড়ে গিয়ে চোট পেয়েছে।
এক্স-রে করা হল। কোমরের অবস্থা খুব খারাপ। মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয়ে গিয়ে বেঁকে গেছে। অষ্টিওপোরোসিস হয়ে হাড়গুলো ঝাঁঝরা। কয়েকটা হাড় চ্যাপ্টা হয়ে গেছে। কোনোটা নতুন ভাঙা কিনা বোঝা যাচ্ছে না। এম আর আই স্ক্যান করা দরকার।
রোগীর ছেলে বলল, ‘এনার কি ভবিষ্যত?’
‘দেখুন, আমি তো ডাক্তার। রোগীর চিকিৎসা করি। ভবিষ্যত গণনা করা আমার কাজ নয়। তবে হ্যাঁ, এমনও হয়েছে, ১০১ বছরের রোগীর অপারেশন করেছি। তারপর তিনি সুস্থ শরীরে আরো তিন বছর বহাল তবিয়তে ছিলেন।আবার বিয়াল্লিশ বছরের ডায়াবেটিক রোগীর পায়ে পুঁজ হয়েছে। অপারেশনের পরিকল্পনা চলছে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঠিক আগের দিন রোগী নিজের বাড়িতেই হার্ট অ্যাটাক হয়ে হঠাৎ মারা গেছে। তাই ভবিষ্যতে কি ঘটবে, তা আমি বলতে পারব না।’
তারপর আর একজন রোগী এলেন। বেশ অবস্থাপন্ন। একটা ছোট অ্যাক্সিডেন্টে বুকের দুটো পাঁজর ভেঙেছিল দু’মাস আগে। এখন প্রায় সম্পূর্ণ সুস্থ। তিনি ভয়ে নিজে থেকেই মাসে দুবার করে এক্স-রে করান। এবারও করিয়ে নিয়ে এসেছেন।
‘ডাক্তারবাবু, হাড় জুড়ে গেছে?’
‘জুড়ছে। তবে এই হাড় পুরোপুরি না জুড়লেও সমস্যা ছিল না।’
শুনে রোগীর ছেলে আঁৎকে উঠল। ‘সে আবার কি?’
‘হ্যাঁ, বুকের সার্জারির সময় থোরাসিক সার্জেনরা এবং মেরুদন্ডের সার্জারির সময় স্পাইন সার্জেনরা অনেক সময় একটা পাঁজর কেটে রোগের আসল জায়গায় পৌঁছায়। তাতে তো রোগীদের কোনো অসুবিধা হয় না। তাহলে এক্ষেত্রে হবে কেন?’
রোগী বলল, ‘অদ্ভুত তো!’
আমি বললাম, ‘সেইজন্য পাঁজর ভাঙলেই, বিশেষ কোনো জটিলতা না থাকলে আমি বারবার এক্স-রে করাই না। প্রয়োজন নেই।’
রোগী বলল, ‘আসলে সবাই বলল, আর আমি ভয় পেয়ে গেলাম।’
‘মানুষের এই ভয়কেই মূলধন করে ব্যবসা চালাচ্ছে কত লোক ! আচ্ছা এটা ভেবে দেখেছেন, কিছু ডাক্তারকে কমিশন দিয়ে বেশী বেশী টেষ্ট লিখিয়ে অন্যায্য ব্যবসা করার থেকে অনেক কার্যকরী উপায় হচ্ছে সাংবাদিকদের ঘুষ দিয়ে সংবাদপত্রে বা ওয়েবসাইটে মিথ্যে লেখা লিখে জনসাধারণকে ভয় পাইয়ে দেওয়া- যাতে দলে দলে লোক অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হাসপাতাল-ল্যাবরেটরীতে দৌড়ায়।’
রোগীর ছেলে বলল, ‘কিন্তু অনেক সময় কর্পোরেট কোম্পানীগুলো তো এগুলো ফ্রী-তে করায়!’
বললাম, ‘ইংরেজীতে একটা কথা আছে- দেয়ার ইজ নো ফ্রী লাঞ্চ। ভেবে দেখেছেন কখনো- কর্পোরেট সংস্থাগুলো কোটি কোটি টাকা খরচ করে তাদের সুস্থ সবল তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতী কর্মীদের বাৎসরিক হেল্থ চেক আপ করায় কেন?’
‘কেন?’
‘তথ্য। এতে করে কর্মীদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য কোম্পানীর হাতে চলে যায়। তার উপর ভিত্তি করে কোম্পানীগুলো কর্মীদের নিয়োগ, পদোন্নতি, ছাঁটাই- এসব বিষয়ে তার ষ্ট্র্যাটেজি ঠিক করে।’
‘অ্যাঁ, বলেন কি?’
‘বড় বড় ল্যাবরেটরি বা হাসপাতাল গুলোর লাভ হয়- তারা অনেক খদ্দের (খদ্দের-ই বলা উচিত, কারণ এরা সুস্থ মানুষ, রোগী নন) এবং অনেক পরীক্ষা একসাথে পায়। তাই বেশ কিছু ডিসকাউন্ট দিয়েও তাদের লাভ থাকে।’
সবাই সমস্বরে বলল, ‘আর আমরা ফ্রী-তে বা সস্তায় হেল্থ চেক-আপ হচ্ছে বলে মহানন্দে লাফাতে লাফাতে পরীক্ষা করাতে যাই।’
‘ঠিক তাই।’
‘তাহলে রোগ হওয়ার আগে কি করে আটকানো যাবে?’
‘রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে। যেমন- ধূমপান ত্যাগ, ব্যয়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, টাটকা খাবার খাওয়া, মশা বা জলবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ – এসব তো করাই যায়। এছাড়া, কিছু জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিশেষ কোনো কোনো রোগ বেশী হয়। তাদের মধ্যে সবার ওই রোগনির্ণয় সংক্রান্ত পরীক্ষা বা স্ক্রিনিং টেষ্ট আগে থেকে করে লাভ হয়। যেমন ৪৫-৫৫ বছরের মহিলাদের মধ্যে স্তনের ক্যান্সার, ড্রাইভারদের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সারের স্ক্রিনিং টেষ্ট।’
রোগীর ছেলে জিজ্ঞাসা করল, ‘হেল্থ চেক আপ প্যাকেজে তো প্রচুর অপ্রয়োজনীয় টেষ্ট হয়?’
‘হয় তো! একটা উদাহরণ দেই। কয়েকদিন আগে একজন হোমরা-চোমরা পুরুষ রোগী আমাকে দেখাতে এসেছে। হাতে বেশ কিছু রিপোর্ট নিয়ে। তাতে কলকাতার এক নামকরা সরকারি হাসপাতালে করা একটা হেল্থ চেক আপ প্যাকেজে করা কিছু রিপোর্ট ছিল। তারমধ্যে দেখি ‘সি এ-১২৫’ নামক এক টেষ্টের রিপোর্ট। যেটা ওভারি বা ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করতে ব্যবহার হয়। এটা হয়ত অনিচ্ছাকৃত। কিন্তু এতে সরকারি হাসপাতালের মূল্যবান রিসোর্স নষ্ট হয়েছে।’
রোগী বলল, ‘এ তো বিয়েবাড়িতে গাদা গাদা খাবার নষ্ট করার মত ব্যপার।’
‘একদম তাই। আর দেখা যাবে, প্রত্যন্ত গ্রাম্য অঞ্চলে সামান্য এক্স রে বা রক্তের সহজ কিছু পরীক্ষার সুযোগ নেই বলে কত মানুষ মারা যায় বা শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে থাকে।’
‘বুঝেছি। আর এরকম পাগলের মত অকারণে বারবার এক্স-রে করতে দৌড়ব না।
PrevPrevious২৮শে আগস্ট, ২০২৫ পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাঙ্গনে এক কালো দিন
Nextচম্বলের ডাকাতিয়া ব‌উ ও এক আশ্চর্য রূপান্তরের কাহিনিNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

১৩ এপ্রিল ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে: সংগ্রামী গণমঞ্চ

April 19, 2026 No Comments

১৩ এপ্রিল ২০২৬ ভারতের ইতিহাসে একটি কালো দিন। সামাজিক অসাম্যের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণাকারী বাবা সাহেব আম্বেদকারের জন্মদিনের আগের দিন পশ্চিমবঙ্গের এক বিরাট অংশের মানুষ চরম

স্বৈরাচারী রাজ্য সরকারের গালে সপাটে থাপ্পড়

April 19, 2026 No Comments

১৭ এপ্রিল ২০২৬ রাজ্য সরকার এবং স্বাস্থ্য দপ্তর যে স্বৈরাচারী ও প্রতিহিংসাপরায়ণ নীতি অবলম্বন করে প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তারদের কণ্ঠরোধ করতে চেয়েছিল, আজকের হাইকোর্টের রায় তাদের

হস্তি-সাম্রাজ্য (ভবিষ্যতের গল্প)

April 19, 2026 No Comments

কালচক্র যেহেতু সতত ঘুর্ণায়মান, ভবিষ্যতকালে যা যা ঘটবে সেই সব কাহিনি সর্বকালবেত্তাদের কাছে কিছুই অজ্ঞাত নয়। আর লেখকের কলম আর পাঠক যেহেতু সর্বকালবেত্তা, তাই কালাতীত

উন্নাও মামলা ২০১৭

April 18, 2026 No Comments

।।অভয়া বা নির্ভয়া হই।।

April 18, 2026 No Comments

হয়নি বলা কেউ বোঝেনি আমার ব্যথা বলতে বাকি প্রাতিষ্ঠানিক গোপন কথা !! গ্যাঁজলা ওঠা বিকৃত মুখ ঢাকলো কারা সেমিনার রুম বন্ধ করতে ব্যাকুল যারা !!

সাম্প্রতিক পোস্ট

১৩ এপ্রিল ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে: সংগ্রামী গণমঞ্চ

Sangrami Gana Mancha April 19, 2026

স্বৈরাচারী রাজ্য সরকারের গালে সপাটে থাপ্পড়

West Bengal Junior Doctors Front April 19, 2026

হস্তি-সাম্রাজ্য (ভবিষ্যতের গল্প)

Dr. Arunachal Datta Choudhury April 19, 2026

উন্নাও মামলা ২০১৭

Abhaya Mancha April 18, 2026

।।অভয়া বা নির্ভয়া হই।।

Shila Chakraborty April 18, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618325
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]