অভয়া ক্লিনিক শেষে ফিরছি। ডাক্তারদের উদ্দীপনার শেষ নেই, প্রথম দিনের হিসাবে রোগীর সংখ্যাও তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো। যাইহোক বিরাটিতে তৃণভোজীদের সভা চলছে। সেখানে একজন মহিলা তারস্বরে কুণাল ঘোষের কথাগুলো দশটা লোককে শোনাচ্ছে। ইগনোর করে এগোচ্ছি একটা ভিডিও এডিট করতে করতে। একজন বয়স্ক মানুষ পাশ দিয়ে যেতে যেতে বলছেন, “এরা আবার এসব অধিবেশন করছে!”
বললাম, “লজ্জা নেই কী করবেন বলুন!”
“বলছে এরা নাকি ফাঁসি চায়, নিজেরাই সব লোপাট করে এখন এসব কথা…”
“যা বলেছেন…”
“সন্দীপকে ছেড়ে রেখেছে কেন! ও তো মমতার লোক। ওকে অ্যারেস্ট করুক আগে”
“আসলে সরকারের কী সমস্যা বলুন তো? ওরা ভাবে মানুষ খুব বোকা”
“সবাই সব বুঝছে, এসব লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়ে আর হবেনা, ঠিক সময়ে লোকে জবাব দেবে”
“দেখা যাক…”
আমাদের রাস্তা আলাদা হচ্ছিল, বললাম, “কাকা আমি এলাম”
ভদ্রলোক বললেন, “আপনিও বুঝছেন তাহলে ব্যাপারটা!”
আমি ভাবলাম হায় রে, মায়ের কাছে মাসির গল্প!!
যাইহোক, এই ঘটনা মমতার ভোটের শেয়ার স্বাভাবিকভাবেই কমবে। কাকে বাঁচাতে এত ডেসপারেশন বুঝতে পারছি না। রঞ্জিত-সন্দীপ কি সত্যিই রিলেটেড?









