বাবু সন্দীপ ঘোষ অ্যারেস্ট হয়েছেন। ডাক্তার বললাম না। বলার কোন কারণই নেই।
সন্দীপ এবার নিশ্চিত ভাবে সাসপেন্ড হবে। দুর্নীতির অভিযোগে অ্যারেস্ট হয়ে আটচল্লিশ ঘণ্টা লকাপে থাকলেই তার সাসপেনশন জারি হবে।
এরপরে যদি খুনের প্রমাণ লোপের আসামী হিসেবেও সে নথিভুক্ত হয়, তাহলে আমার পরামর্শ দেবার প্রস্তাব সে ভেবে দেখতে পারে।
“খুনের প্রমাণলোপ” জাতীয় না হলেও আমি নিজেও প্রমাণ লোপের অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলাম। আমি সেই প্রমাণ লোপের অভিযোগে অতীতের সাসপেন্ডেড এক ডাক্তার। এই অধিকারেই আমি তার আইন উপদেষ্টা হতে চাই।
প্রমাণ লোপ?
না, চমকে উঠবেন না। সেই প্রবল জ্বরে কম্পমান সময়ে যাবতীয় মন্ত্রী আমলা তারস্বরে চেঁচাচ্ছিল(মাননীয় তৎকালীন ববি-ভাষণ স্মর্তব্য) এটা নাকি ছিল “অজানা জ্বর”। মানে ইংরেজিতে ফিভার অফ আননোন অরিজিন। কখনও বা ডেথ ডিউ টু “থ্রম্বোসাইটোপিনিয়া।” মানে প্লেটলেট কমে মৃত্যু।
সেই রাষ্ট্রীয় বেদবাক্যেসম তথ্যের প্রমাণ লোপ করে আমি আমার ক্ষীণ গলায় বলতে চেয়েছিলাম, সেই জ্বর ছিল আসলে ছিল ডেঙ্গি। অজানা জ্বর নয়। নিশ্চিত ভাবে রাষ্ট্রের দেওয়া প্রামাণ্য তথ্যের প্রমাণ লোপ করতে চেয়েছিলাম আমার এক ফেসবুক পোস্টে।
দীর্ঘ আড়াই বছর রাষ্ট্রীয় হাস্যকর এক বিচার অভিনয়ে অংশ নিতে হয়েছে আমাকে। আমার অতিকষ্টের সেই অভিজ্ঞতা ও কী ভাবে লড়তে হবে সেই মূল্যবান উপদেশ আমি এই সন্দীপকে দিতে চাই।
অবশ্য খুন ও অন্যান্য ঘৃণ্য কাজের প্রমাণ লোপের যথার্থ অভিযোগে তার যদি ফাঁসি হয়ে যায় বা যাবজ্জীবন জেল, মানে সে যদি না থাকে আদৌ, তবে আমি এক অমূল্য সুযোগ থেকে বঞ্চিত হব বলাই বাহুল্য।
প্রমাণ লোপের সেই যে প্রমাণ, রাজ্য সরকারের সাসপেনশনের চিঠিতে আমার সেই পোস্টের কপি যুক্ত করেছিল সরকার।









