Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

জরুরী তলব

Screenshot_2022-02-01-00-14-44-47_99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817
Dr. Dipankar Ghosh

Dr. Dipankar Ghosh

General Physician
My Other Posts
  • February 1, 2022
  • 9:47 am
  • No Comments

[উইলিয়াম সিডনি পোর্টারের গল্প অনুকরণে লেখা। কোন গল্পটি মনে নেই- এই মুহূর্তে আমার ব‌ইয়ের সঞ্চয় পাঠভবন আমার থেকে দূরে আছে।

হ‍্যাঁ যাকে সবাই ও’ হেনরি বলে জানেন। মাত্র আটচল্লিশ বছর বয়সে ছ’শো গল্পের লেখক। প্রথম জীবনে ব‍্যাঙ্ক তছরূপের দায়ে তাড়া খেয়ে পালানো উইলিয়াম সিডনি পোর্টার- ছদ্মনাম ও’ হেনরি। এটাকে বলা যায় দেশীয় আত্তীকরণ]

ডুয়ার্সের বনভূমি দিয়ে ছুটে চলেছে ট্রেন। নববিবাহিত দম্পতি চলেছে মধুচন্দ্রিমায়। জানালা দিয়ে ঝিঁঝিঁর শব্দে ট্রেনের শব্দ ঢাকা পড়ে যায়। নববধূর মুখে একটু যেন উদ্বেগ, একটু আশঙ্কার ছাপ।যেন সে প্রহর গুনছে।

হতেই পারে। ফুলশয্যাও হয় নি। নববধূর শর্ত মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে হবে মিলন।

কামরার দরজায় হেলান দিয়ে ছেলেটা সিগারেট টানছে। সে ঐ মেয়েটার স্বামী। কিছুটা গর্বোদ্ধত। এমন একটা মেয়েকে রাজি করাতে পেরেছে।

মেয়েটি সত্যিই সুন্দরী। বাঙালি শ‍্যামলা গায়ের রঙ। পানের ডৌল মুখখানায়। ডাগর দুটি চোখ। জানালায় হাত রেখেছে।হাতের ওপরে মুখখানি। চূর্ণ কুন্তল এলো হাওয়ায় ওড়ে। আর ওড়ে নববধূর সিঁদুরের গুঁড়ো। শাল পিয়াল গাছ আর গুল্মের দল সোঁ সোঁ করে’পেরিয়ে যায়। দূরে ট্রেনের বাঁশি শোনা যায়।

মেয়েটার নাম ধরা যাক ছন্দা। স্বামী হয়তো বরেন্দ্র। সে এসে দ্রুত হাতে মালপত্র দরজার সামনে নিয়ে যায়। একটা লাল সুরকি ঢাকা, ছোট্ট নিঃসঙ্গ স্টেশনে তারা নেমে পড়ে। একটা মাত্র রিকশা দাঁড়িয়ে ছিলো। একটা মাত্র চায়ের দোকানের সামনে। সেই একটা মাত্র ছোট্ট স্টেশনে। বরেন্দ্র রিকশাওয়ালাকে ডেকে জিনিসপত্র তুলে ছন্দাকে রিকশায় তুলে’, নিজেও বসলো।
একটা সুন্দর সাজানো গোছানো কটেজ তাদের আস্তানা।

কটেজ মালিক ফুল দিয়ে ঘর সাজিয়ে রেখেছে। চমৎকার সব খাবার।কিন্তু ছন্দা খুঁটে খুঁটে খায়। নববধূর লজ্জায়। বিকেলে হাঁটতে যাওয়ার কথা। তারপর ওয়াইনের বোতল। ফুলশয্যা।

ছন্দা বিছানায় হাতে মাথা গুঁজে ছটফট করছে। “অসম্ভব মাথা ব্যথা” চোখ বেয়ে জল পড়ে। বরেন্দ্র মাথায় হাত বুলিয়ে দ‍্যায়।চুল এলোমেলো হয়ে যায়। “ওগো তুমি একটা ডাক্তার ডাকো নাহলে আমি মরেই যাবো….অসহ্য ব‍্যথা…..মনে হচ্ছে মাথাটা ছিঁড়ে যাবে….কিছু একটা করো…”

বরেন্দ্র পাগলের মতো ছুটে যায় রিকশাওয়ালার বাড়ি। সেখান থেকে হাসপাতাল। হাসপাতালের আউটডোর বন্ধ। একটা দ্বারোয়ান দেশী মদ খেয়ে, কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমোচ্ছে।

রিকশাওয়ালা বললো “ঐ ছোটো গ্রামটার পেছন দিকে একটা বুড়ো ডাক্তার থাকে, মনটা ভালো, ডাকলে আসে”

গ্রাম মানে কয়েক ঘর মানুষ। উত্তরবঙ্গের বাঁশ আর লতাপাতার ভেতর দিয়ে পথ। রিকশাওয়ালার বাড়ি এই গ্রামে। সে আর যাবে না। তার বাড়ির নেশা আর তাড়ির নেশা চেপেছে।

বরেন্দ্র হাঁটতে লাগলো। একটা জানালায় এক জন মানুষ বসে আছে। একটা ম্লান আলো জ্বলছে। মনে হচ্ছে ভেতর থেকে একটা গোঙানির শব্দ আসছে। মাঝে মাঝে। বরেন্দ্র সব কথা গুছিয়ে বললো।

বুড়ো মাছি তাড়ানোর মতো করে হাত নেড়ে জানালো যাবো না।তারপরও বরেন্দ্র দরজায় আওয়াজ করছে, দেখে দরজা খুলে দিলেন। মুখে বেশ ক’দিনের না কামানো দাড়ি, বিষণ্ণ মুখের এক বৃদ্ধ ডাক্তার। সে রোগী দেখতে যেতে রাজি নয়। বরেন্দ্র নানাভাবে কাকুতি মিনতি করলো। শেষে বুড়োকে পবিত্র ডাক্তারি শপথের কথা মনে করিয়ে দিলো।

উশকো খুশকো চুলের ঈষৎ পৃথুল বুড়ো কোটটা গায়ে গলিয়ে নিলেন। পুরোনো রংচটা হয়তো, পাশ করার বছরে কেনা, ডাক্তারি ব‍্যাগটা হাতে তুললেন। তারপর দরজাটা বাইরে থেকে বন্ধ করে’ দুজনে হাঁটা দিলেন বন্ধুর পথে। বরেন্দ্র বারবার এগিয়ে যাচ্ছে, বুড়ো মোটা সোটা ডাক্তার খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে পেছনে পেছনে।

কটেজের দরজাটা হাট করে’ খোলা। বরেন্দ্র দৌড়ে গিয়ে ঘরে ঢুকলো। শূন্য ঘর। ডাক্তার হাঁফাতে হাঁফাতে ঘরে ঢুকে দেখে ও ফুলে সাজানো বিছানায় বসে’ আছে, হাতে একটা চিঠি। বুড়ো ভেতরে এসে বলে “রোগী কোথায়?”

বরেন্দ্র চিঠিখানা এগিয়ে দ‍্যায়। “বরেন্দ্র, আমি যাকে ভালবাসি, যে আমাকে ভালবাসে- তার সঙ্গে চললাম। দুঃখিত। নাহলে আমিও সুখী হতাম না। তুমিও না। ভালো থেকো।”

ডাক্তার ক্ষোভে ফেটে পড়লেন “আপনাদের লজ্জা হ‌ওয়া উচিত।ছি ছি ছি ছি ছি। একটা জঘন্য, নোংরা,পারিবারিক ব‍্যাপারে আপনারা…….আপনাদের কোনও লঘুগুরু জ্ঞান নিয়ে…..অমানুষ সব…..ইতর…..ছোটোলোক…”

বরেন্দ্র বিষ্মিত হয়ে বলে “এ আপনি কি বলছেন? এই আপনার মানবতা? আমি কতো কষ্টে ছন্দাকে ওর পরিবারকে রাজি করিয়ে….একটা সংসার পাতবো বলে….আপনার কোথাও এ কথাগুলো বলতে আটকাচ্ছে না? আমার এই শোকের সময়…”

ডাক্তার বিরস মুখে বলেন “শোক? আমি একটু আগে আমার একমাত্র সন্তানকে দাহ করে’ এসেছি… ঘরে আমার স্ত্রী এখনও মূর্ছাহত….”

ডাক্তার ধীরপায়ে অন্ধকার, শেয়াল ডাকা পথে ব‍্যাগ হাতে ফিরে চলেন।

PrevPreviousপারসোনালিটি বা ব্যক্তিত্ব
Nextভয় কি নিওকভ-এ?Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কিছুই বলতে চাইছি না

June 15, 2026 No Comments

কোন একটা হিন্দি সিনেমার একটা দৃশ্য মনে পড়ল। খোলা গর্তের পাশে দাঁড়িয়ে এক মাতাল গর্তের দিকে আঙুল তুলে জড়ানো গলায় বলছে – পঁচ্‌চিশ, পঁচ্‌চিশ… কোনও

অভয়া মঞ্চের প্রলয়-স্মরণ

June 14, 2026 No Comments

৯ জুন ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চ।

বর্তমান ভূত

June 14, 2026 No Comments

তুমি ভেবেছিলে কালজয়ী হবে ঠিক চোখ খুলে দেখো সড়ক নরক ভালো মানুষের লেগেছে মড়ক কাকে দেবে শত ধিক? গুণী জন ছিল পায়ের তলায় কাকে কাকে

পশ্চিমবঙ্গের এই ছোট দোকানিরা ভারতেরও নাগরিক

June 14, 2026 No Comments

রাতে ফেরার সময় দেখলাম ঢাকুরিয়া এবং বাঘাযতীন স্টেশনের ছোট দোকানদারদের (‘হকার’ শব্দটা ব্যবহার করলাম না) মধ্যে চাপা উত্তেজনা এবং বেশ খানিকটা ভয়। এঁদের কয়েকজনের সঙ্গে

ন্যায়বিচারের সন্ধানে অভয়া মঞ্চের অবিচল পথচলা ।। ৯ জুন ২০২৬ ।। ২২ মাস

June 14, 2026 No Comments

৯ জুন, ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চে অনুষ্ঠিত কর্মসূচী।

সাম্প্রতিক পোস্ট

কিছুই বলতে চাইছি না

Dr. Bishan Basu June 15, 2026

অভয়া মঞ্চের প্রলয়-স্মরণ

Abhaya Mancha June 14, 2026

বর্তমান ভূত

Shila Chakraborty June 14, 2026

পশ্চিমবঙ্গের এই ছোট দোকানিরা ভারতেরও নাগরিক

Dr. Koushik Dutta June 14, 2026

ন্যায়বিচারের সন্ধানে অভয়া মঞ্চের অবিচল পথচলা ।। ৯ জুন ২০২৬ ।। ২২ মাস

Abhaya Mancha June 14, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

631207
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]