ইতর বোঝায় কোথায় কীভাবে… কতটা… সর্বনাশ।
ইতরেরা ঘোরে মাঠে ময়দানে, অফিসে ও কাছারিতে।
তারা আগ্রহী, আতরের নয়, ইতর গন্ধ দিতে।
ইতর শব্দে গান লিখে টেপে হারমোনিয়াম রিড,
ইতর এবং খচ্চরদের অসহায় হাইব্রিড।
আমিও তাদের সঙ্গে মেলাই আমার ইতর গলা।
ইতর চোখকে দুনিয়া দেখায় ইতর এক পরকলা।
ইতর কালির ছাপটা আঙুলে ম্লান… তিন সপ্তাহে।
তার জের চলে পাঁচটা বছর। ব্যাপার সস্তা না হে!
ডঙ্কা আমার শঙ্কা আমার পার্লামেন্টে ছোটে।
রেকর্ড ভোটের ইতর অঙ্ক গিনেসের বইয়ে ওঠে।
ইতর স্বপ্নে, ইতর সিঁড়িতে, ইতর আঁধারে নামি।
ইতরের দেশে মেনে চলি গণ তান্ত্রিক ইতরামি।
ইতরের দেশে বাস করি বলে আমিও আজকে ভাই,
ইতর সময়ে, নিজেকে ইতর ঘোষণা করতে চাই।
★










