Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

জ্বর কেন হয়? জ্বর কমানোর ওষুধ কিভাবে কাজ করে?

IMG_20201004_222944
Dr. Suvajit Shit

Dr. Suvajit Shit

General Physician
My Other Posts
  • October 5, 2020
  • 8:22 am
  • 3 Comments

জ্বর কোনো রোগ নয়। বরং এটিকে একটি রোগ উপসর্গ বলা যেতে পারে। আমাদের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করে। সারাদিনের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে তাপমাত্রা ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

সন্ধ্যার দিকে শরীরের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ হয়। পূর্ণবয়স্ক একজন মানুষের শরীরের কোর তাপমাত্রা মোটামুটিভাবে ৩৬-৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৮-১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট এর মধ্যে থাকে। যে কোনো কারণে তাপমাত্রা এর চেয়ে বেশি হলে তাকে জ্বর বলা হয়। সকালের দিকে মাপলে তাপমাত্রা ৯৮.৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং সন্ধ্যায় মাপলে ৯৯.৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট এর বেশি হতে হবে। জ্বর মাপা হয় ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার দিয়ে।

শরীরের কোর তাপমাত্রার সবচাইতে ভালো নির্দেশক হল Rectal temperature বা পায়ুপথের তাপমাত্রা। কিন্তু পরিমাপের সুবিধার্থে সাধারণত oral temperature অর্থাৎ মুখগহ্বরের তাপমাত্রা বা axillary temperature অর্থাৎ বগলের তাপমাত্রা মাপা হয়। স্বাভাবিকভাবে বগলের তাপমাত্রা মুখগহ্বরের চাইতে ০.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট কম থাকে এবং মুখগহ্বরের তাপমাত্রা পায়ুপথের চাইতে আরও ০.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট কম থাকে।

সবসময় রোগজীবাণু সংক্রমণের ফলেই যে জ্বর হয় এমনটা নয়। শরীরে কোনো অটোইমিউন রোগ যেমন রিউমাটয়েড আর্থাইটিসের কারণেও জ্বর হতে পারে। আবার অনেক দীর্ঘ সময় ধরে প্রখর রোদে থাকার ফলেও জ্বর হতে পারে।

শরীরে রোগজীবাণু প্রবেশ করলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি অংশ হিসেবে শরীরে কিছু রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণ ঘটে। এগুলিকে অটাকয়েডস (autacoids) বলা হয়। এই অটাকয়েডসের জন্যই যেমন ক্ষতস্থানে ব্যথা হয়, ফুলে যায় তেমনই জ্বরও হয়। শরীরে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের মূল কাজটি করে থাকে হাইপোথ্যালামাস। সংক্রমণজনিত রোগের প্রতিরোধে নিঃসৃত প্রোস্টাগ্ল্যানডিন জাতীয় অটাকয়েডসগুলি হাইপোথ্যালামাসের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী অংশে কাজ করে এবং শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। বেশি তাপমাত্রায় প্রতিরক্ষার জন্য সংঘটিত বিক্রিয়ার কার্যকারিতা এবং গতিবেগ বৃদ্ধি পায়।

সুতরাং জ্বর শরীরের জন্য খারাপ কিছু নয় বরং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে মজবুত করার ক্ষেত্রে জ্বরের ভূমিকা রয়েছে। তবে খুব বেশি তাপমাত্রায় শরীরের মেটাবলিক ক্রিয়াকলাপ বিঘ্নিত হতে পারে এবং দেহকোশের বিনাশ হয়। তাই জ্বর বেশি হলে সেক্ষেত্রে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্যারাসিটামল বা অ্যাসিটামিনোফেন সবচেয়ে নিরাপদ ওষুধ।

প্যারাসিটামল একপ্রকার সেন্ট্রাল অ্যানালজেসিক। এটি শরীরে রক্তের সঙ্গে মিশে যায় এবং প্রোস্টাগ্ল্যানডিন তৈরিতে সাময়িকভাবে বাধাদান করে। প্রোস্টাগ্ল্যানডিন জাতীয় অটাকয়েডস তৈরির জন্য দায়ী উৎসেচকটি হল Cyclooxygenase বা COX এনজাইম। প্যারাসিটামল এই COX এনজাইমকে ইনহিবিট করে বা অবদমিত করে। ফলে সাময়িকভাবে প্রোস্টাগ্ল্যানডিন তৈরি হতে পারে না, জ্বর কমে আসে।

অল্প জ্বর হলে প্যারাসিটামল খাওয়ার দরকার নেই, অন্য উপায়ও আছে। যদি কাঁপুনি না থাকে, শরীরকে যথাসম্ভব অনাবৃত রাখুন, অতিরিক্ত জামাকাপড় পরা চলবে না। কপালে জলে ভেজানো কাপড় রাখা যেতে পারে বা আরও ভালো হয় যদি সারা শরীর জল দিয়ে মোছা যায়। জলে ভেজা কাপড় শরীরের থেকে লীনতাপ গ্রহণ করে, ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসে। তবে খুব বেশি জ্বর হলে প্যারাসিটামল খেতে হবে। সঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে, পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে ওষুধের মাত্রা যেন দিনে ২০০০ মিলিগ্রামের বেশি না হয়।

PrevPreviousতোমারো অসীমে
NextADHD…. The Unseen behind SeensNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
3 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
জয়দেব মাহাত
জয়দেব মাহাত
5 years ago

সুন্দর শিক্ষা ও সচেতনতামূলক লেখা।

0
Reply
Sourav Bysack
Sourav Bysack
Reply to  জয়দেব মাহাত
5 years ago

Paracetamol নিরাপদ ওষুধ বাজে বকা থামান জেনে এসে বলবেন কেমন
মোস্ট dangerous ওষুধ এর তকমা আছে paracetamol er Gaye
Baki ta খুব ভালো লিখেছেন

0
Reply
সত্যেন্দ্র পাল
সত্যেন্দ্র পাল
5 years ago

লেখক লিখেছেন ,প্যারাসিটামল হলো জ্বরের সবচেয়ে নিরাপদ ওষুধ |জ্বরের জন্য যে ওষুধগুলি ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে নিরাপদ| দেখলাম শুধু শুধু ঔষধ ব্যবহারের কথা বলেননি ,প্রয়োজনে ব্যবহার করতে বলেছেন |

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

July 31, 2026 No Comments

ইংল্যান্ডে থাকা আমাদের দেশের এক ছেলে, মুম্বাই থেকে তার বাবা- মা কে যন্তরমন্তরে পাঠিয়েছেন এই বলে, “বাবা, তুমি আমার হয়ে পুলিশের কাছে একটা ডান্ডা খেয়ে

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

July 31, 2026 No Comments

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৪ জুলাই ২০২৬ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ একটি ‘উপদেশ’ জারি করেছেন (মেমো নম্বর BMC/2192) তাঁর নিজস্ব প্রশাসনিক আওতাভুক্ত কলেজ, ছাত্রাবাস, হাসপাতাল, হাসপাতালের

আ জা দি

July 31, 2026 No Comments

আ -য়ে আক্রমণ, আ-য়ে আগ্নেয়াস্ত্র, আ -তে আর্তনাদ, আতংক, আশঙ্কা, আততায়ী, সবই বড় ভয়ানক আ। অমন আ’দের মুখে আগুন জ্বেলে, আকাশের মতো অন্য আ’দের চাই,

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

July 30, 2026 6 Comments

সাত সকালে ইউ টিউবে ভেসে আসা ছবিটা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়েছিলাম। আপনাদের‌ও নিশ্চয়ই চোখে পড়েছে অমন চমকদার দৃশ্যখানি – সারসার মহিলার দেহ শোয়ানো রয়েছে চিতার

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

July 30, 2026 No Comments

গত ২৪শে জুলাই শহর কলকাতায় এক রূপকথার জন্ম হল। পড়ন্ত সূর্যের মায়াবি আলোয় লাখো মানুষের মিছিলে জ্বলে উঠল হাজার আশার ঝাড়বাতি। এই রূপকথার নির্মাণ যারা

সাম্প্রতিক পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

Sukalyan Bhattacharya July 31, 2026

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

The Joint Platform of Doctors West Bengal July 31, 2026

আ জা দি

Arya Tirtha July 31, 2026

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

Somnath Mukhopadhyay July 30, 2026

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

Gopa Mukherjee July 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

656603
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]