Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ভোট তো হবেই, কিন্তু তাতে লাভ হবে কার?

Screenshot_2026-04-04-18-28-20-75_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dipak Piplai

Dipak Piplai

Retired government employee and social worker.
My Other Posts
  • April 5, 2026
  • 8:36 am
  • No Comments

(এক)

এখন সংসদীয় ভোটের দামামা বেজেছে পশ্চিমবাংলায়। বিধানসভার। দলবদলের ছক্কা হাঁকাতে ব্যস্ত অনেক তাবড় নেতা। “আমাদের এতো জনকে ভাগিয়ে নিয়েছিলো ওরা। এবার দ্যাখ কেমন লাগে! ওদের দলের এতো জনকে ফুঁসলিয়ে এনেছি আমরা।” এই রকম ঘটনাই এখন টিভিতে-কাগজে সবচেয়ে মুখরোচক ব্যাপার। কোন দলের কোন নেতা কার হাত থেকে কোন দলের ঝাণ্ডা হাতে তুলে নিলেন, সেই খবরেই বাজার মাত‌। ‘গণতন্ত্র’ এবার হয়তো রেসের ঘোড়ার মতো ছুটবে‌ দলবদলুদের কৃপায়। ‘সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা পশ্চিমবাংলা’ গঠনের দিকে অগ্রগতি আর ঠেকায় কে!

আজ পদ্মফুল তো কাল ঘাসফুল। সকালে লালঝাণ্ডা তো বিকালে তেরঙ্গা ঝাণ্ডা। কিম্বা আজ ঘাসফুল তো কাল সকালেই পদ্মফুল। ভোটের বাজারে এই সুবিধাবাদী আয়ারাম-গয়ারামদের গুরুত্ব এখন সাঙ্ঘাতিক! এদের নিয়ে নেতা-নেত্রীদের কী উল্লাস! এইসব পাল্টিরাম রাজনীতিবিদরাই নাকি পশ্চিমবাংলাকে সবরকম দূষণ থেকে মুক্ত করবেন! চুরি-দূষণ, ধর্ষণ-দূষণ, বেকারি-দূষণ, ভাষা-দূষণ, মিথ্যা-দূষণ, জালিয়াতি-দূষণ, অসভ্যতা-দুষণ … যাবতীয় দূষণ নাকি ‘ভোট’ দিয়েই সাফ করা যাবে, আর তা এইরকম সামাজিক জঞ্জালদের নেতৃত্বেই! আজও তা হয়নি ঠিকই, কিন্তু হবেই। “বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহু দূর”!

‘বাম’ রাজনীতির যে নীতিহীন কুশীলব ব্যক্তিগত স্বার্থে নির্দ্বিধায় শাসকের পায়ে নিজেকে বিকিয়ে দিতে পারেন, তিনি নাকি রাজ্যসভায় গিয়ে ‘নীতিভিত্তিক’ লড়াই করবেন! যে পুলিশ অফিসার জালিয়াতদের প্রমাণিত রক্ষক, তিনি নাকি সর্বভারতীয় স্তরের চুরি-চামারিকে আটকানোর সেনাপতি হয়ে উঠবেন! যে আইনজীবী ধর্ষকদের প্রহরী, তিনি নাকি ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দেবেন! এই সবকিছুই নাকি সম্ভব হবে ‘সংসদীয় গণতন্ত্র’-র ছোঁয়ায়! আমাদের এই জাদুবিদ্যাতেই অবিচল আস্থা রাখা উচিত, নানা দলীয় নেতা-নেত্রীরা আমাদের তা-ই বলেন। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার আর কোনও পথ নাকি নেই! তাই মনে হয়, এই অন্তহীন গোলকধাঁধায় ঘুরে মরাই বোধহয় আমাদের ভবিতব্য!
কৃষকরা সর্বশান্ত হয়ে আত্মহত্যা করবে। শ্রমিকরা কাজ হারিয়ে এখানে-সেখানে ভিক্ষার ঝুলি হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়াবে। হাজার হাজার শিক্ষকের পদ বছরের পর বছর খালি থাকবে; শিক্ষক ছাড়া ইস্কুল চলবে; শিক্ষা না পেয়ে ছাত্রছাত্রীরা গণ্ডমূর্খ হবে। কর্মহীন নিরুপায় তরুণরা তোলাবাজ-ফেরেববাজ হয়ে উঠবে। এগুলোই বর্তমান পশ্চিমবাংলার ‘স্বাভাবিক’ চিত্র! কীভাবে সাধারণ মানুষ সুস্থ-স্বাভাবিক জীবন যাপন করবেন, তার হদিশ সংসদীয় রাজনীতির কোনও মাতব্বর দিতে পারবেন না। শুধুই নানা দলের নেতা-নেত্রীদের অর্থহীন বাগাড়ম্বর আর অনর্গল মিথ্যা প্রতিশ্রুতির বন্যা দেখে জীবন কাটানোই যেনো আমাদের কপাল!

এখন হাতে গরম একটা চর্চার বিষয়, “কয় দফায় ভোট”। জাল ভোট, মারামারি, খুনোখুনি – এসব তো হবেই। ‘গণতান্ত্রিক’ নির্বাচন বলে কথা! সত্যিকরেই ‘মানুষের মতামত’ জানার আগ্রহ কোনও দলের নেই; বরং নেতৃত্বের মত অনুযায়ী জনগণকে চালানোই তাঁদের ইচ্ছে। জনগণের মতামত যা-ই হোক, শাসকের গদিতে নিজেরা বসার তাগিদেই ‘সংসদীয় গণতন্ত্র’ নিয়ে এতো বাতেলাবাজি। এই মানসিকতার জন্যেই “চুপচাপ… ছাপ”- এই গোপন কৌশল তৈরি হয়। কতো হাজার ‘কেন্দ্রীয় বাহিনী’ এলো, কতো সংখ্যায় ‘পুলিশ’ দেওয়া হলো, টাকার আদ্যশ্রাদ্ধ করে কতো ‘অবজার্ভার’ নিযুক্ত হলো,… সবই ‘মায়া’! ভোটুরে রাজনীতির কেষ্টবিষ্টুরাই যদি আদর্শহীন, নীতিহীন, ধান্দাবাজ, মিথ্যাবাদী হয়, তবে তাঁদের উপর ভরসা করে সাধারণ মানুষের কী লাভ!
অসহায় মানুষ সামান্য ভিক্ষা পেলেও ‘ভগবানের দান’ মনে করেন, আর নিজেকে ভাবেন ভাগ্যবান। রাজনৈতিকভাবে খাদের কিনারায় পৌঁছে যাওয়া মানুষ যেমন অতি-নিম্নমানের নেতৃত্বের দয়ায় কিছু একটা করে খাবার রাস্তা পেয়ে গেলেই, দিগ্বিদিকজ্ঞানশূণ্য হয়ে তাঁরই চাটুকারিতা শুরু করেন। বিবেক, বিচারবোধ, মনুষ্যত্ব, সবই তখন লোপ পায়। মিথ্যা ও ধান্দাবাজি একমাত্র রাস্তা হয়ে ওঠে তাঁদের। ভোটুরে রাজনীতির জগতে, ‘নির্বাচনী ফলাফল’‌-এর পিছনে এই ধরণের সবকিছুরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। পাল্টি খাওয়া রাজনীতিবিদরা তখন আর বাস্তব ‘অবস্থা’ নিয়ে কিছুই বলেন না, শুধুই ‘বিরোধী’দের গালমন্দ করাই তখন তাঁদের বাঁচার জন্য একমাত্র কাজ হয়ে ওঠে। পরিণতি, মানুষের অবস্থা আগেও যা ছিলো, পরেও তা-ই থেকে যায়। অথবা আরও খারাপই হয়! তবে “তেলেভাজা শিল্প” কিংবা “ঘুগনি শিল্প”-র মতো কিছু নতুন উদ্ভাবনী চিন্তার রাস্তা তাঁরা পেয়ে যান বটে!
ভোট নিয়ে কয়েকদিন তর্কাতর্কি কিছু মানুষকে কিছুটা আনন্দ অবশ্যই যোগায়। যে-দল কিম্বা যে-ঝাণ্ডাই জিতুক, সাধারণ মানুষ যে-তিমিরে সেই তিমিরেই থেকে যান। ‘রাজ্যে’ এবং ‘কেন্দ্রে’ লাল, তেরঙ্গা, গেরুয়া,… নানা রঙের শাসনের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকেই তাঁরা বলেন, “যে যায় লঙ্কায় সে-ই হয় রাবণ”। সংসদীয় পণ্ডিতরা যা-ই বোঝানোর চেষ্টা করুন, মানুষ অভিজ্ঞতা থেকেই বোঝেন – ‘রাম’কে লঙ্কার আসনে বসালে সে-ও ‘রাবণ’ হয়ে যাবে। সংসদীয় পথে বড়লোকেরা কখনোই ‘গরীব’ হয়ে যাবে না; তাঁরা আরও বড়লোক হবেন। শাসকের পেটোয়া কয়েকজন বিপুল টাকা কামাবেন। কিন্তু গরীবরা কোনোদিনই ‘বড়লোক’ হতে পারবেন না; তাঁদের অবস্থা আরও খারাপই হবে। ‘ভোট’ হতেই থাকে, ‘সরকার’-ও যায়-আসে। কিন্তু সাধারণ মানুষের পোড়া কপাল আর ভালো হয় না! কোনও আমলে ‘সাম্প্রদায়িক’ হিংসার বাড়বাড়ন্ত ঘটতে পারে; কোনও আমলে চলে ‘রাজনৈতিক’ হিংসার তাণ্ডব; কখনও ঘটে ‘অর্থনৈতিক’ দাসত্বের আধিপত্য। কিন্তু মানুষের মতো ইজ্জত ও অধিকার নিয়ে বাঁচার পরিবেশ কখনোই তৈরি হয় না! তাই মেহনতী মানুষের জীবনে সুদিন স্থায়ীভাবেই অধরা থেকে যায়।

(দুই)

হাজার হাজার কোটি টাকার এই পঞ্চবার্ষিকী ভোটোৎসবে সাধারণ মেহনতী মানুষের লাভটা কী? হয় তৃণমূল কংগ্রেস জিতবে; নয়তো বিজেপি; অথবা সিপিআই (এম)-এর নেতৃত্বে বামফ্রন্ট; কিংবা হয়তো কংগ্রেস। যে কটা আসনই পাবেন, তার জন্য এঁদের আগ্রহ বা উল্লাস স্বাভাবিক‌। কিন্তু এরা যে-ই জিতুক, মেহনতী জনগণের আনন্দ পাবার কোনও কারণ আছে কী? যাঁরা যেভাবে যে-কটা আসনেই জিতুক, সাধারণ মানুষের তাতে লাভ কী? এঁদের শাসনে মানুষ চিরকাল কী দেখেছেন? সেটাই হলো আসল শিক্ষা।

কংগ্রেস শাসনে দেখেছি, চালের বা কেরোসিনের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ করতে গিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষ পুলিশের গুলি খেয়ে মরেছে – ১৯৫৯ আর ১৯৬৬ সালে; কিন্তু এঁরা তার জন্য কখনও মানুষের কাছে ক্ষমা চায় নি। সিপিআই (এম)-এর নেতৃত্বে পরিচালিত ‘যুক্তফ্রন্ট’ অথবা ‘বামফ্রন্ট’ আমলে দেখেছি, জোতদারদের বিরুদ্ধে কোর্টের আদেশ অনুযায়ী আইনসম্মত লড়াই করতে গেলেও পুলিশের গুলিতে গণহত্যা হয় (১৯৬৭), কৃষক তাঁদের জমিরক্ষার চেষ্টা করলেও পুলিশ গুলি চালিয়ে তাঁদের হত্যা করে (২০০৭); এঁরাও হয়তো কখনো নাটক করে মৌখিকভাবে “দায় মাথায়” নিলেও, এই অমার্জনীয় অপরাধের জন্য জনগণের কাছে কখনোই ক্ষমা চান না। তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে এসে অনিবার্য অভিজ্ঞতা, চুরি-জালিয়াতি-ধর্ষণের বিরুদ্ধে মানুষ প্রতিবাদে নামলেই পুলিশ ও লুম্পেন বাহিনীর তাণ্ডব চলেই, লাঠিপেটা-গ্রেপ্তার নেমে আসেই; এঁরাও তার জন্য জনগণের কাছে কখনোই দোষ স্বীকার করেন না বা ক্ষমা চান না। পশ্চিমবাংলায় বিজেপি শাসন দেখার সৌভাগ্য (!) জনগণের এখনও হয় নি বটে, কিন্তু গুজরাট-মধ্যপ্রদেশ-মণিপুর ইত্যাদি নানা জায়গার অজস্র ঘটনাই জনগণের চোখ খুলে দিয়েছে; এঁদের নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক ঘৃণার চাষ সমাজকে কোন নরকে পরিণত করতে পারে তা পরিষ্কার।

তৃণমূল-সিপিআই (এম)-বিজেপি-কংগ্রেস, সকলের সঙ্গেই সকলের কিছুনাকিছু তফাৎ আছে। কারও মধ্যে চোর-জালিয়াত-মিথ্যাবাদীর আধিপত্য। কারও মধ্যে পুঁজিবাদী শ্রেণীর স্তাবকে ভর্তি। কারও মধ্যে ছেয়ে আছে দেশ-বেচে-দেওয়া দাঙ্গাবাজের দল, আর পুরো সমাজটাকে ঘৃণা-চাষের মৃগয়া ভূমিতে পরিণত করার কুশীলব। কেউ হয়তো বড়ো ভূস্বামী আর বিশাল বিশাল পুঁজিপতিদের স্তাবক‌।

এঁদের কার হাতে মেহনতী জনগণের স্বার্থ সুরক্ষিত? এঁদের জয়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি, ভূসম্পত্তির বিশাল বিশাল মালিক, রাঘববোয়াল শিল্পপতি, দাঙ্গাবাজ ও জাতিনিধনের পাণ্ডা, চোর-জোচ্চোর-জালিয়াত-ধর্ষক, … ইত্যাদিরা খুশি হতেই পারে। কিন্তু এদের জয়ে “অবোধের গোবধে আনন্দ” করার কোনও কারণ আছে কী?

নির্বাচনী ব্যবস্থায় হৈচৈ পড়ে গেছে। কয়েকহাজার কেন্দ্রীয় পুলিশ আমদানি, উচ্চস্তরের আইএএস ও আইপিএস অফিসারদের হঠাৎ অদলবদল, ইত্যাদি নানা কাণ্ড ঘটে চলেছে। কোনও রাজনৈতিক দল এতে খুশিতে ডগমগ; কেউ বা রেগে কাঁই; কারও অবস্থান “না ঘরকা, না ঘাটকা”। সে না হয় হলো। কিন্তু যাঁরাই জিতবে, সরকার গঠন করবে, তাঁরা সাধারণ মানুষের জন্য কী করবে? এই প্রশ্নটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তাঁরা কি সকল কর্মহীনের হাতে কাজের যোগান দিতে পারবেন? অভিজ্ঞতা তা বলে না। তাঁরা কি সকলের মুখে খাবার যোগাতে পারবেন? কোনোদিন তাঁরা সে চেষ্টাই করেন নি। প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারবেন? বহুবার এসব দাবি ওঠা সত্ত্বেও, কখনও এব্যাপারে তাঁদের কোনও হেলদোল দেখা যায় নি। বরং, শাসককে সরকারি শ্রেষ্ঠ সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে প্রিয়জনের কুকুরের ডায়ালেসিস করাতে দেখা গেছে! নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়বে না, এমন কোনও গ্যারান্টি এঁরা কেউ দিতে পারবেন? এটা-ওটা-সেটা (কু-)যুক্তি দেখিয়ে, সব শাসক চিরকালই মূল্যবৃদ্ধির পক্ষেই ওকালতি করেন। তাহলে শাসক বদল হলো বা একই থাকলো, ভোটারদের তো “অন্ধের কিবা দিন কিবা রাত” অবস্থা!
বরং উল্টোটাই সত্য। মানুষ যদি কখনও কোথাও কোনও সরকারি অন্যায়ের প্রতিবাদে আন্দোলন করতে গিয়ে, সরকারের বেঁধে দেওয়া গণ্ডীর মধ্যে শান্ত-সুবোধ বালকের মতো আচরণ করে, ঠিক আছে। না হলেই পুলিশ-ক্যাডার-লুম্পেন বাহিনী নৃশংসভাবে সেই আন্দোলন দমনে করবেই করবে। তবে কিছুনা কিছু ‘ভালো কাজ’ সকলেই করে। সাধারণভাবে দশকের পর দশক ধরে জনগণের ধারাবাহিক অভিজ্ঞতা ঠিক তা-ই বলে। ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা কিছু নেই। কৃষক, শ্রমিক, চাকুরে, ছাত্রছাত্রী, মহিলা, ডাক্তার, নার্স, শিক্ষক, … কেউই ছাড় পায় না। তেরঙ্গা-লাল-গেরুয়াতে কোনও তফাত সেক্ষেত্রে থাকে না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটা হলো, মানুষ তাহলে ভোটূরে রাজনীতিতে অংশ নেবেন কেনো? বিভিন্ন দলের নেতৃত্বকে খুশি রাখার জন্য? নাকি, তাঁদের ভয়ে? অথবা “সংবিধানের পবিত্রতা রক্ষা” নামক বিচিত্র এক কর্তব্যের দায়ে? যে ‘সংবিধান’ তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে মানুষের মতো সুস্থভাবে বাঁচতে দেয় না, সেই সংবিধানের প্রতি তাঁর দায় থাকবে কেনো? যে সাংবিধানিক পদ্ধতিতে ‘নির্বাচিত’ শাসকরা সারা দেশের বিরাট বিরাট রাষ্ট্রীয় সম্পদ একেক করে মুষ্টিমেয় স্তাবকদের কাছে ‘বিক্রি’ করে দিতে পারে, যে সাংবিধানিক গোলকধাঁধায় চোর জোচ্চোর জালিয়াত ধর্ষক সকলেই পার পেয়ে যায়, সেই একই সাংবিধানিক পদ্ধতিতে কীভাবে মেহনতী জনগণের স্বার্থ রক্ষা হতে পারে!
ভোটের বাদ্যি বাজছে, বাজুক। যারা জিতবে, জিতুক। যারা হারবে, হারুক। কিন্তু এই মৌলিক ও জরুরি প্রশ্নের জবাব কোথায় পাওয়া যাবে?

‘সুখবর’ দৈনিক পত্রিকায় ৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত।

PrevPreviousকেন্দ্র এবং রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা শাসক দলগুলি নারীদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ।। #৬ হাঁসখালি কেস
Nextকর্তৃপক্ষ দায়ী নয়!Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

An appeal to the Chief Justice of the Supreme Court

April 10, 2026 No Comments

আগামী ১৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টে S I R বিষয়ক শুনানি। তার আগে যদি এই রাজ‍্যের কয়েক লক্ষ মানুষ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে ইমেলে আবেদন করেন

পথে পথে থাকো সাথী । Pothe Pothe Thako

April 10, 2026 No Comments

দুই পাহাড়ের চাপে পিষে মরছে পশ্চিমবঙ্গবাসী

April 10, 2026 No Comments

আলুর সিজনে যেখানে খুচরো বাজারে চন্দ্রমুখী আলুর দাম কেজি প্রতি ২০ টাকার কম নয় সেখানে শ্রমসাধ্য, সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল আলু চাষ করে ন্যূনতম ফসলের

ডেভিড হেয়ার, ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজ এবং ভারতে “হসপিটাল মেডিসিন”-এর সূচনা

April 9, 2026 2 Comments

শুরুর কথা ডেভিড হেয়ারকে (১৭৭৫-১৮৪২০) নিয়ে গবেষণা বা জীবনীমূলক গ্রন্থের সংখ্যা অপ্রতুল নয়। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত হয়েছে সরজেশ মুখোপাধ্যায়ের লেখা The Life and Times of

ছমাস পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ নবজাতকের সেরা পুষ্টি ও সুরক্ষা

April 9, 2026 No Comments

৬ এপ্রিল ২০২৬ ডক্টরস’ ডায়ালগের ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

সাম্প্রতিক পোস্ট

An appeal to the Chief Justice of the Supreme Court

Sangrami Gana Mancha April 10, 2026

পথে পথে থাকো সাথী । Pothe Pothe Thako

Abhaya Mancha April 10, 2026

দুই পাহাড়ের চাপে পিষে মরছে পশ্চিমবঙ্গবাসী

Bappaditya Roy April 10, 2026

ডেভিড হেয়ার, ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজ এবং ভারতে “হসপিটাল মেডিসিন”-এর সূচনা

Dr. Jayanta Bhattacharya April 9, 2026

ছমাস পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ নবজাতকের সেরা পুষ্টি ও সুরক্ষা

Doctors' Dialogue April 9, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617075
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]