Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মূল ফটকে তালা লাগানোটা আপনার হাতে

FB_IMG_1602163602335
Dr. Sumit Banerjee

Dr. Sumit Banerjee

General physician
My Other Posts
  • October 31, 2020
  • 8:21 am
  • No Comments

এত লোকে সিগারেট খায়, তাদের কই ক্যানসার হয়না! কিন্তু আমার বড় মেসোর হয়েছিল। খুব বেশি সিগারেট খেতেন তা নয় কিন্তু! তবু হয়েছিল। নন স্মল সেল কারসিনোমা অফ লাং পাতি বাংলায় ফুসফুসে ক্যান্সার। ধরা যখন পড়লো, স্টেজ ফোর। লিভার থেকে শুরু করে মেরুদণ্ড, সব জায়গায় ছড়িয়ে গেছিল। তারপর শুধু দিন গোনা বাকি ছিল। মাস না পেরোতেই কষ্ট ফুরিয়েছিল চিরতরে।

এত লোক ড্রিংক করে সবার কই লিভার খারাপ হয় না। কিন্তু আমার বন্ধুর দাদার হয়েছিল। মাত্র    ত্রিশের কোঠায় জীবন থেমে গিয়ে, গোটা পরিবারটাকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দিয়েছিল।

হ্যাঁ এইসব কার্য-কারণগুলোর সম্পর্কগুলো বহুল প্রমাণিত এবং প্রচারিত। কিন্তু যেহেতু মানুষের শরীরটা পাটিগণিতের অংক নয়, তাই এখানে দুই এর সাথে দুই যোগ করলে চার হবেই তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।

আপনার রোগ হবে কিনা তা শুধু রোগের কারণের উপরে নয়, বরং আরো অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপনার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা, কিংবা ইমুনিটি। এই ইমুনিটি আবার তরকাতে নুনের মত। আলুনি হলে বিস্বাদ, নুন বেশী হলে মুখে তোলা দায়। বাচ্চা এবং বয়স্কদের এমনিতে ইমুনিটি কম থাকে, তার ওপর শরীরে অন্য কোনো ক্রনিক রোগ যেমন ডায়াবেটিস থাকলে কথাই নেই। সেসব ছাড়াও ইমুনিটি তাৎক্ষণিক সময় এবং ব্যক্তি বিশেষ কম বেশি হয়। স্কুলের ক্লাসে আমি আমার সহপাঠীদের থেকে বেশি অসুস্থ হতাম, অতিরিক্ত সাবধানে থাকার পরও!

এতো গেল ইমুনিটি কম থাকার কথা। কিন্তু শরীরের এই নিজস্ব অতি শক্তিশালী সেনাবাহিনীই যদি কোনো কারণে বিভ্রান্ত হয়ে যায়! তখন এদের অতিউৎসাহে জীবাণু বিজানুর যা হবে সে তো হবে, কিন্তু সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমাদের নিজের শরীর। এ অনেকটা ‘রক্ষকই ভক্ষক’ হয়ে ওঠার গল্প। আমাদের পরিচিত বহু অটো ইমিউন ডিসঅর্ডার আছে, যেখানে শরীরের এই নিজস্ব সেনাবাহিনী, আমাদের নিজেদের সুস্থ কোষদেরই মারতে শুরু করে। তাছাড়া আছে ‘সাইটোকাইন স্টর্ম’। যা এই গত কয়েকমাসে আমরা সবাই অনেকবার শুনেছি।

ব্যাপারটা সহজ ভাষায় এরকম, আপনার ডেরায় জঙ্গী অনুপ্রবেশ ঘটেছে। প্রথমে চেষ্টা করেছিল বটে আপনার সেনাবাহিনী, বন্দুক নিয়ে যুদ্ধ করার। কিন্তু অচিরেই বোঝা গেল, সংখ্যায় জঙ্গীরা অনেক। বন্দুকে পেরে ওঠা দায়। অগত্যা এবার মিসাইল ছোড়া হলো। কিন্তু জঙ্গি তো আপনার ডেরায় মানে আপনার শরীরের ভেতরে। মিসাইলের আঘাতে জঙ্গীর সাথে সাথে আপনার নিজের লোকেরাও তো মরবে। তাই মরে। শরীরের সুস্থ কোষ গুলো ইমিউন সেলের তৈরি মিসাইল তথা সাইটোকাইন নামের কেমিক্যালে মারা যেতে থাকে। শিগগির এই সাইটোকাইন স্টর্ম না থামানো গেলে, অদূর ভবিষ্যতে জীবাণু আপনার কি পরিণতি করত কে জানে, আপনি নিজের সেনার এই মিসাইলেই পটল তুলবেন সেটা নিশ্চিত!

ইমুনিটি ছাড়াও আছে আরো বেশ কিছু পারিপার্শ্বিক বিষয় যা নির্ধারণ করে আপনার রোগ হবে কিনা, হলে সেটা কতটা ভয়ানক হবে। যেমন আপনার জেনেটিক গঠন। যেমন আপনার শরীরের ভাইরাল লোড, মানে অনুপ্রবেশকারী জঙ্গীর সংখ্যা। যে ভাইরাস আপনার শরীরে ঢুকেছে তার স্ট্রেইন, মানে ওদের আর্মির কোন রেজিমেন্ট আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে; এক এক রেজিমেন্টের শক্তি অবশ্যই একেকরকম। ইত্যাদি, প্রভৃতি।

কি হলো?! ভাবছেন এত কিছু আপনি কি করে কন্ট্রোল করবেন! সবই তো তাহলে ভাগ্যের ব্যাপার, নিয়তি! হমম…অনেক কিছুই আপনার হাতের বাইরে, সত্যি কথা বলতে গেলে একবার অনুপ্রবেশ ঘটে গেলে আপনার আর খুব বেশী কিছু করার নেই। তখন যা হবে সেটা আপনার ইমিউন বাহিনীর কর্মক্ষমতা আর অনুপ্রবেশকারীর শক্তি এই দুইয়ের ওপর নির্ভর করবে। আপনার চিকিৎসক বাইরে থেকে যুদ্ধের জন্য কিছু রসদের যোগান দিতে পারে খুব বেশি হলে! তাহলে আপনার ভূমিকাটা কি?!

আরে মশাই, মূল ফটকে তালা দেওয়ার ব্যবস্থা করাটাই যে আপনার হাতে। সেই তালাটা কত মজবুত হবে, তার চাবি কত সুরক্ষিত জায়গায় থাকবে সেটা আপনার হাতে। যদি অনুপ্রবেশ ঘটতেই না পারে, তাহলে যুদ্ধ শুরুই হবে না।
তাহলে যা যা নিয়ম মানতে বলা হচ্ছে তাতে কি কোভিড নামের এই নতুন জঙ্গীকে আটকানো সম্ভব!? উত্তর, হ্যাঁ সম্ভব।

প্রমাণ, আমি এবং আমরা। গত সাতমাসে সবচেয়ে বেশী এই ভাইরাসের সামনাসামনি আমরা হয়েছি। আমাদের পেশাটাই সামনে দাঁড়িয়ে রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা। কিছুদিন আগে আমাদের হাসপাতালে সব ডক্টর এবং মেডিক্যাল স্টাফদের এন্টিবডি টেস্ট হয়েছিল। এতে ধরা পড়ে অজান্তেই এই রোগ হয়ে গিয়ে আবার সেরেও গেছে কিনা। আশার কথা আমাদের 99% এর এন্টিবডি নেগেটিভ এসেছিল।

মানে, এতদিনে এটুকু নিশ্চিত যে নাক, মুখের মোট তিনটি ফুটো ঢাকা থাকলে (আজ্ঞে না, কিছু বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া N95 কিংবা N99 এর কোনো দরকার নেই, সাধারণ থ্রী লেয়ার সার্জিক্যাল মাস্ক যথেষ্ট।), বার বার আলকোহল যুক্ত স্যানিটাইজার কিংবা পাতি সাবান জল দিয়ে হাত পরিষ্কার করলে, কোনো অজুহাতেই অপরিষ্কার হাত নাকে মুখে চোখে না লাগলে, পাশের লোকের হাঁচি কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ড্রপলেটের আওতার বাইরে থাকলে…ফটকের তালা ভেঙে এই ভাইরাস আপনার শরীরে ঢুকতে পারবে না।

এত ডাক্তার তাহলে কি করে আক্রান্ত হচ্ছে!? এতজন মারা গেলেন কি করে!? কারণ, আগেই বলেছি এটা আমাদের পেশা। আমরা এই ভাইরাসের আওতায় দিনে গড় দশ থেকে বারো ঘণ্টা থাকি। সপ্তাহে অন্তত ছয়দিন। মাসের পর মাস। বেঁচে থাকার তাগিদে তার মাঝখানে আমরা জল খাই, খাবার খাই, ওয়াশরুমে যাই। মুহূর্তের অসাবধানতায় হয়ত কখনো নাক চুলকে ফেলি। রুগীর থেকে দূরত্ব বজায় রাখা কোনোভাবেই আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তারপরও যতজন ডাক্তার এবং স্বাস্থ্য কর্মী এত গুলো মাস ধরে এই ভাইরাসের চোখে চোখ রেখে, দাঁতে দাঁত চিপে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন; অনুপাত হিসেবে তাদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কিন্তু সাধারণ মানুষের থেকে খুব বেশী নয়। কারণ সাবধানতা।

শেষে বলতেই হয় যদি কিছু হারায় তা আপনার হারাবে। যারা আপনাকে বিভিন্ন স্বঘোষিত থিওরি এবং তথ্য শোনাচ্ছে তারা ধাপার মাঠে আপনার সঙ্গী হতে আসবে না। আপনার সুরক্ষা শুধুমাত্র আপনারই দায়িত্ব। পালন করবেন কিনা সেটা আপনার ব্যাপার।

শুভ শারদীয়া সব্বাইকে। পরের বছরও যাতে শুভেচ্ছা জানানোর সুযোগ পাওয়া যায় সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের সবার???।

PrevPreviousহাইপারটেনশনের অ থেকে চন্দ্রবিন্দু- ১০
NextFestivities, Pandemic Norms and Suggestions from the Medical FraternityNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

Ramkamal Sen and His Significant Book Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) – A Faithful Chronicle of His Time

November 7, 2026 No Comments

Preliminary Words Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) was published in 1819 (according to Bengali calendar it was 1226). The period was the very early

এই বাংলায় এসআইআর কি ঠিক ছিল?

November 7, 2026 No Comments

সম্ভবত এস আইআার করে তৃণমূলকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে মমতার এই দাবির বিরোধিতা করতে গিয়ে কেউ কেউ দেখলাম বলছেন, পশ্চিম বঙ্গের এসআইআর নাকি ঠিকঠাক হয়েছে। গোলমাল

কাঁচি চলুক কেমিক্যালস নয়

November 7, 2026 No Comments

কর্তৃপক্ষ কখনোই দায়ী নয়…

November 6, 2026 No Comments

India Today এর এক সংবাদে প্রকাশ ২০০৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ এর সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিভিন্ন আই আই টিতে আত্মহত্যার মোট সংখ্যা হলো ১৭১, তার

অপপ্রচারের জবাবে

November 6, 2026 No Comments

৩ নভেম্বর ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

সাম্প্রতিক পোস্ট

Ramkamal Sen and His Significant Book Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) – A Faithful Chronicle of His Time

Dr. Jayanta Bhattacharya November 7, 2026

এই বাংলায় এসআইআর কি ঠিক ছিল?

Pallab Kirtania November 7, 2026

কাঁচি চলুক কেমিক্যালস নয়

Dr. Kanchan Mukherjee November 7, 2026

কর্তৃপক্ষ কখনোই দায়ী নয়…

Dr. Amit Pan November 6, 2026

অপপ্রচারের জবাবে

Doctors' Dialogue November 6, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

699435
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]