Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

গানের ওপারে-২

FB_IMG_1630729245149
Dr. Hrishikesh Bagchi

Dr. Hrishikesh Bagchi

Associate Professor of Physiology in a government medical college
My Other Posts
  • September 8, 2021
  • 1:54 am
  • One Comment

মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যজনক বলটি সম্ভবত মহাকর্ষ। নিউটন যখন এই বল ও তার মহাকর্ষের সূত্রগুলো আবিষ্কার করলেন তাদের দিয়ে আমাদের সৌরজগতের সব গ্রহগুলোর পরিভ্রমণকাল নির্ভুলভাবে গণনা করা গেল। কেবল বুধের কক্ষপথ নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে ধোঁয়াশা কাটে নি। আইনস্টাইন যখন তার জেনালেল রিলেটিভিটি আবিষ্কার করলেন তখন নিউটনের মহাকর্ষের ধারণাটিকেই চরম আঘাত করলেন। তিনি স্পেসের বদলে স্পেস-টাইম এই ধারণাটিকে নিয়ে এলেন।

তা বলে কিন্তু একেবারেই ভাববেন না যে মহাকর্ষ বল বলে কিছুর অস্তিত্ব নেই, বা নিউটনের তত্ত্ব ভুল। আজও নাসা যখন ভয়েজার পাঠাচ্ছে মহাকাশে, আমরা পাঠাচ্ছি চন্দ্রযান সব ক্ষেত্রে আইনস্টাইনের রিলেটিভিটি তত্ত্ব দিয়ে নয় মহাকর্ষ বলের অভ্রান্ত গাণিতিক হিসেব মেনেই সেসব স্বনিয়ন্ত্রিত যান মহাজাগতিক ঘড়ির নিখুঁত সময় মেনে তাদের লক্ষ্যে পৌঁছচ্ছে বা নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে চলেছে।

আগেই বলেছি আইনস্টাইনের মতে মহাকর্ষ হল এই স্পেস-টাইমের নিভাঁজ ফ্যাব্রিকের মধ্যে বিরাট আকারের মহাজাগতিক বস্তুগুলোর চাপে যে বক্রতা সৃষ্টি হচ্ছে সেটাই। এই স্পেস-টাইমের বক্রতা দিয়ে আলোও যখন প্রবাহিত হয় সেটিও বেঁকে যায়। অলৌকিক শোনাচ্ছে তো! কিন্তু সত্যিই তা হয়। একজন ইংরেজ বিজ্ঞানী সূর্যগ্রহণের সময় আলোর এই বক্রতা প্রমাণ করেই সারা পৃথিবীতে জেনারেল রিলেটিভিটিকে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিলেন।

আইনস্টাইনের মহাবিশ্ব ত্রিমাত্রিক। তাই সম্ভাবনার খেলা যে কোয়ান্টাম মেকানিক্সে তা দিয়ে জেনারেল রিলেটিভিটিকে পুরোপুরি বোঝা গেল না। সবচেয়ে সমস্যা করল সেই মহাকর্ষ বল। মহাকর্ষ বল খুব খুব দুর্বল। তাই পরমাণুর কেন্দ্রের কণাদের মধ্যেকার খুব সামান্য দূরত্বের মধ্যে সেই বল কার্যকর হয় না। স্ট্যান্ডার্ড মডেলে যত কণা আছে তাদের মধ্যে মহাকর্ষকে একটি কণা গ্র্যাভিটন হিসেবে ধরে যদি সেই মডেলে রাখা যায় তবে গণনায় ভুলত্রুটি চলে আসে। তাই কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটিকে কিছুতেই জেনারেল রিলেটিভিটির সাথে এক করা যাচ্ছে না।

আইনস্টাইন মনে করতেন এই মহাবিশ্ব নির্দিষ্ট। তার কোনো সঙ্কোচন বা বিস্তার নেই। সৃষ্টির আদিতে যা ছিল এখনও তাই আছে। কিন্তু মহাকর্ষ তো সব কিছুকেই আকর্ষণ করছে। তাই এমন হওয়া উচিত ছিল যে সবকিছুই ক্রমে কাছে চলে আসবে এবং মহাকর্ষের জন্য সবকিছু একটার ওপর একটা হুড়মুড়িয়ে পড়বে। কিন্তু তা তো হচ্ছে না। তাই তাঁর তত্ত্বকে প্রমাণ করতে একরকম জোড়াতালি দিয়েই বললেন তাহলে এই মহাবিশ্বে নিশ্চই এমন কোনো শক্তি আছে যা মহাকর্ষের বিপরীত দিকে কাজ করছে। দুটি বিপরীতমুখী বলের ক্রিয়ায় আমাদের মহাবিশ্ব সুস্থিত আছে। তিনি সেই মহাকর্ষের বিপরীতমুখী বলটির নাম দিলেন ‘কসমোলজিক্যাল কন্সট্যান্ট’ বা মহাজাগতিক ধ্রুবক।

এর মধ্যে একটা সাঙ্ঘাতিক ব্যাপার হয়ে গেল। এডুইন হাবল নামে একজন মহাকাশবিজ্ঞানী যখন টেলিস্কোপ দিয়ে দূরের এক নক্ষত্র দেখছিলেন তিনি দেখলেন তাতে ‘রেড শিফট’ হচ্ছে অর্থাৎ নক্ষত্র থেকে নির্গত আলোক লাল বর্ণালির দিকে সরে যাচ্ছে। লাল বর্ণালির দিকে দীর্ঘতম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোই সরে যায়। তাই যদি হয় তবে ওই নক্ষত্র তো একই জায়গায় নেই, কাছেও আসছে না- তাহলে নির্ঘাৎ ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে। তাই যদি হয় তাহলে এই মহাবিশ্ব তো আইনস্টাইনের কথামতো নির্দিষ্ট নয় উল্টে প্রসারণশীল।

এই পর্যবেক্ষণ একটি অসাধারণ আবিষ্কার ছিল। যা মহাকাশবিজ্ঞানের রূপরেখাই পালটে দিয়েছিল। এর পরেই ধীরে ধীরে বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের মতবাদ মান্যতা পায়। আজ আমরা সবাই এটা বিশ্বাস করছি যে এক মহাবিস্ফোরণ থেকেই আমাদের এই মহাবিশ্ব তৈরি হয়েছিল। আজ এই মহাবিশ্বের সমস্ত ভর একদিন কোনো এক সময় একটা মটরদানার মত আকৃতিতে কেন্দ্রীভূত ছিল। বিস্ফোরণের পরে তার থেকেই এই সমগ্র মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে। সেই বিস্ফোরণের অভিঘাতে তা ক্রমশ পরস্পরের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এখনও যাচ্ছে। অর্থাৎ এই মহাবিশ্ব প্রসারণশীল।

তাহলে আইনস্টাইন যে বলেছিলেন মহাবিশ্ব নির্দিষ্ট, তার কি হল? হাবলের আবিষ্কার যখন হয় আইনস্টাইন তখনও জীবিত। তাই তিনি তার ‘কসমোলজিক্যাল কন্সট্যান্ট’ বা ‘মহাজাগতিক ধ্রুবকের’ ধারণাকে ‘ব্লান্ডার’ বলে বাতিল কাগজের ঝুড়িতে ফেলে দিলেন।

বিজ্ঞানীরা মনে করলেন বেশ তাই যদি হয় যে এই মহাবিশ্ব বিগ ব্যাং-এর পরে ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে তাহলে এতদিন পরে মহাকর্ষের প্রভাবে তার প্রসারণের গতি নিশ্চই আস্তে আস্তে কমে আসার কথা। আমাদের স্বাভাবিক বুদ্ধি তো তাই বলে। কিন্তু সারা পৃথিবীর মহাকাশ বিজ্ঞানীরা ১৯৯৮ সালে অন্য তিনজন বিজ্ঞানীর পর্যবেক্ষণ দেখে চমকে গেলেন। তারা যখন উন্নত টেলিস্কোপ ও উন্নত কম্পিউটার নিয়ে মহাকাশে কিছু সুপারনোভা পর্যবেক্ষণ করছিলেন তারা আবিষ্কার করলেন এই মহাবিশ্বের সব মহাজাগতিক বস্তুরা মোটেই তাদের নিজেদের থেকে দূরে সরে যাওয়ার গতি কমিয়ে দিচ্ছে না উল্টে তারা ক্রমশ তাদের গতি বাড়িয়ে পরস্পরের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

আশ্চর্য এটা কিভাবে সম্ভব? তাহলে কি মহাকর্ষ বলে কিছু নেই? এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা অনেক বছর আগে এক বিজ্ঞানীর পর্যবেক্ষণ ও ধারণাকে সামনে নিয়ে এলেন। তিনি ভেরা রুবিন। একে মহিলা মহাকাশবিজ্ঞানী তারপর এমন বেয়াড়া মতবাদ। তারা একে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন অবহেলায়। কিন্তু এবার তাকে আবার সামনে নিয়ে এলেন। নতুন করে ভাবতে বসলেন রুবিনের কথা।

বিজ্ঞানীরা বললেন মহাকর্ষ নেই বলে সবকিছু ক্রমশ আরো দ্রুতিতে দূরে সরে যাচ্ছে না উল্টে মহাকর্ষ আছে বলেই তা সম্ভব। তারা বললেন তাহলে এই মহাবিশ্বে এমন কিছু গোপন ভর বা শক্তি আছে যাকে আমরা দেখতে পাই না। যা আমাদের দৃষ্টির বাইরে অথচ তার ভর সাঙ্ঘাতিক। এতই বেশি যে তা সব গ্রহ-নক্ষত্র-গ্যালাক্সিদের নিজের দিকে টেনে নিচ্ছে তীব্র মহাকর্ষ বলে। তারা তাদের নাম দিলেন ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি। আজ সবাই মেনে নিয়েছেন সারা মহাবিশ্বের ৬৭% ডার্ক ম্যাটার, ২৮% ডার্ক এনার্জি আর মাত্র ৫% আমাদের চারপাশের সকল পদার্থের জগত। মানে চাঁদ, পৃথিবী, গ্রহ, আমাদের মিল্কি ওয়ে নীহারিকা, অ্যান্ড্রোমিডা নীহারিকা, সব নেবুলা সব সবকিছু ওই মাত্র ৫%।

মজার ব্যাপার হল এই বিপুল ভর ও শক্তির মিলিত টান দেখা গেল আইনস্টাইনের মহাজাগতিক ধ্রুবকের সাথে মিলে যাচ্ছে। অর্থাৎ আইনস্টাইন যাকে বাতিল করে দিয়েছিলেন তার সেই বাতিল করা ধারণা আবার ফিরে এল। আজ তিনি বেঁচে থাকলে হয়ত বলতেন, ওটাকে বাতিল করাই আমার সবচেয়ে বড় ‘ব্লান্ডার’ ছিল।

এই পর্যবেক্ষণ এত সুদূরপ্রসারী যে তার জন্য ওই তিন বিজ্ঞানীকে সুইডিশ অ্যাকাডেমি ২০১১ সালের নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত করেছেন। তারা তাদের সম্মাননাপত্রে খুব সুন্দর লিখেছেনঃ ‘আমাদের পৃথিবীর ভবিষ্যৎ কী? কেউ মনে করেন পৃথিবী একদিন বরফ হয়ে যাবে, কেউ মনে করেন তা পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। এই তিনজনের আবিষ্কার আমাদের জানিয়েছে আমাদের পৃথিবী একদিন বরফ হয়ে যাবে’।

সত্যিই তো তাই। এই মহাবিশ্বের সবকিছুই যদি প্রচন্ড দ্রুতবেগে একে অপরের থেকে সরে যায় তবে আমাদের সূর্যও একদিন আমাদের থেকে বহু দূরে সরে যাবে। আর আমাদের প্রাণের উৎস দূরে চলে গেলে আমাদের পৃথিবী, একটি পাতলা নীল বিন্দু, তাপমাত্রা কমে কমে ক্রমেই বরফে ঢেকে যাবে।

(চলবে)

PrevPreviousইনফর্ম্যাল হেলথকেয়ার প্রোভাইডার ও নার্স প্র্যাক্টিশনার্স প্রসঙ্গে
Nextসারভাইকাল ক্যানসার নিয়েNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Pradip Sardar
Pradip Sardar
4 years ago

দারুণ লেখা। সমৃদ্ধ হলাম স্যার ৷

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617979
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]