Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মরে গিয়ে ডা অর্চনা শর্মাকে প্রমাণ করতে হলো তিনি নির্দোষ

IMG-20220331-WA0072
Dr. Aniket Chatterjee

Dr. Aniket Chatterjee

Junior doctor in a medical college
My Other Posts
  • April 1, 2022
  • 8:00 am
  • No Comments

আমরা মনে করিয়ে দিতে পারি না, মনে করানোর সুযোগ দেওয়া হয় না যে রোগীর চিকিৎসার কিছুটা দায়িত্ব ডাক্তারের, কিছুটা রোগীর, আর বেশ কিছুটা সমাজের ও প্রশাসনের।

রাজস্থানে এক গাইনিকলজিস্ট ডাক্তার-ছাত্রী মারা গেলেন। আত্মহত্যা করলেন ড. অর্চনা শর্মা, তথা সমাজ-প্রশাসন মিলে হত্যা করলো এক নবীন ডাক্তারকে। রাজস্থানের ডাউসা এলাকায় এক প্রসূতির চিকিৎসা করছিলেন তিনি, যে প্রসূতি প্রসবের পর রক্তক্ষরণে মারা যান। প্রসূতির বয়স ছিল ২২, তাঁর এটা চতুর্থ প্রেগন্যান্সি ছিল, এবং আগের তিনটিই ছিল মেয়ে সন্তান, যাদের জন্ম হয়েছিল সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে। মেয়ে সন্তান তো আমাদের দেশে শুধুমাত্র বেটি, যারা ঘরের দায় বাড়ায়, আর পণের টাকার ওজন বাড়ায় বাপের সিন্দুকে। তাই ‘আর না কালী’ বলেও রক্ষা পাওয়া যায় না, ২২ বছর বয়সী মেয়েকে গিয়ে উঠতে হয় অপারেশন টেবিলে, সাত রাজার অমূল্য ধন ছেলে নিয়ে আসার জন্য। মেয়ের পর মেয়ে হয়েছে তিনবার, তাই আবার যাও হাসপাতালে ছেলে নিয়ে আসতে, নইলে এবার হয়তো বালিকা বধূকে মেরেই ফেলা হতো। এবারের প্রেগন্যান্সিতে পেটে ছেলে ছিল না মেয়ে কে জানে, কিন্তু মা আর ঘরে ফিরলো না, পোস্ট-পার্টাম হেমারেজের কারণে মারা গেলো হাসপাতালেই! এবারেই জেগে উঠলো সমাজ, জেগে উঠলো পৌরুষ! আমরা ঘরে কেরোসিন ঢেলে বউ পোড়াবো সেটা মানা যায়, কিন্তু চারবারের সিজারিয়ান সেকশনের ধকল সহ্য করতে না পারা মা রক্তক্ষরণে মারা যাবে, এটা কীকরে হতে পারে!

নিশ্চিত ডাক্তারের দোষ ছিল। দোষ ছিল না চতুর্থবার সিজারিয়ান ডেলিভারির, যেখানে প্রথম সিজারিয়ান সেকশনের পরই ডেলিভারি রিস্কি হয়ে যায়, এবং পরপর দুটো সিজারিয়ান সেকশনের পরই সেটাকে ‘হাই রিস্ক প্রেগন্যান্সি’ বলা হয়। এবং এরপরে আর প্রেগন্যান্ট হতে বারণ করা হয়। কিন্তু, আগের তিনটে বাচ্চা তো মেয়ে, তাদের তো সন্তান হিসেবে গণ্যই করা হয় না, তাই ছেলের খোঁজে মাকে অপারেশন টেবিলের হাঁড়িকাঠে চড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল!

ভারতে মায়েদের মৃত্যুর কারণ, অর্থাৎ প্রেগনেন্ট মহিলাদের মৃত্যুর কারণের মধ্যে সবচেয়ে উপরে হলো অবস্টেট্রিক হেমারেজ, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয় পোস্ট পার্টাম হেমারেজ (প্রসবের পর রক্তক্ষরণ)। সংখ্যাটা প্রায় ৪৬% এর কাছাকাছি। রাজস্থানের মতো জায়গায় বাল্যবিবাহ এবং কন্যাভ্রূণ হত্যার সংখ্যাটা কীরকম হবে, সেটাও আন্দাজযোগ্য। এতসব ফ্যাক্টরের উপস্থিতির ফলাফল? ড. অর্চনা শর্মার আত্মহত্যা। তিনি সুইসাইড নোটে লিখে গেলেন, ‘I didn’t kill anyone. Please stop harassing doctors for PPH, which is a known complication. Maybe my death will prove my innocence.’

মরে গিয়ে তাঁকে প্রমাণ করতে হলো তিনি নির্দোষ। অথচ রোগীর বাড়ির লোকের অভিযোগের ভিত্তিতে রাজস্থান পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে ৩০২ নং ধারায় কেস দাখিল করলো, যা কিনা খুনের ধারা! একজন ডাক্তারের বিরুদ্ধে খুনের ধারায় কেস করা হলো এইরকম কারণে এইরকম বয়সের একজন পেশেন্ট মারা যাওয়ার জন্য, এটা কি কেবল আমাদের প্রশাসনের দোষ, সমাজের দোষ নয়? কিন্তু সব দোষ ফিরে ফিরে এলো ডাক্তারের ওপর, খুনী প্রমাণের চেষ্টা করা হলো একজন ডাক্তারকে, যিনি তাঁর রোগীর চিকিৎসা করছিলেন এবং মায়ের প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টাই করছিলেন।

কোথায়, কবে, কীভাবে আমরা সমাজকে, প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলবো? ২২ বছরে চারবার মা হতে বাধ্য করা অপরাধ নয়? হ্যাঁ, বাধ্য করাই বলছি, কারণ গাইনি আউটডোর-ওয়ার্ডে কিছুদিন কাজ করলেই সূর্যের আলোর মতো স্পষ্ট বোঝা যায়, এই প্রেগনেন্সিতে মায়ের ইচ্ছা-অনিচ্ছা-অনুমতির দাম কতোটুকু! মেয়ের পর মেয়ের পর মেয়ে, এই জুয়াখেলায় সব জেনেশুনে ঘরের বৌকে পণ রাখা অপরাধ নয়? এটা খুন নয়? বাচ্চা বানানোরও নয়, ছেলে বানানোর মেশিন হিসেবে ঘরে পণ দিয়ে বৌ আনা সমাজের ক্যান্সারের লক্ষণ নয়? তারপর ডাক্তারের নামে অভিযোগ দায়ের করা হলো ৩০২ ধারায়, যা ভারতের সংবিধান দ্বারা নিষিদ্ধ, এই কেস করার সাহস কীকরে পেলো রাজস্থান পুলিশ? তারা ড. অর্চনার খুনী নয়? একে আমরা শুধুই আত্মহত্যা বলে ছেড়ে দেব? সমাজের প্রশাসনের অনুমোদন নিয়ে ডাক্তারদের হত্যা করা আজ নতুন কোনো ঘটনা নয়, আবার এই রোগীদের চোখেই ‘ভগবান’ স্ট্যাটাস বজায় রাখার জন্য সমাজের সে কী ঝুলোঝুলি!

শুধুমাত্র ডাক্তার, ওষুধ আর রোগী দিয়ে চিকিৎসা হয় না। তার সঙ্গে সমাজের দায় থাকে, রোগীর দায় থাকে, রোগীর পরিবারের দায় থাকে, দেশের রাজ্যের প্রশাসনের দায় থাকে। এই প্রতিটি দায় স্বীকার করতে হবে। আজ রাজস্থানের হাসপাতালের পরিকাঠামোর দায়, স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যার দায় কে নেবে? সরকার নেবে না, রোগী নেবে না, শুধু ডাক্তাররা নেবে? আর মারা যাবে সমাজের বিষ গলায় ঢেলে?

রোগীর পরিবারকে রোগীর থেকে আলাদা করতে করতে, রোগীর পরিবারকে সমাজের থেকে আলাদা করতে করতে আমরাও কিন্ত ক্লান্ত। ডাক্তারি কোনো সেবা কাজ নয় এখনের দিনে দাঁড়িয়ে, কোনো ডাক্তার অগ্নীশ্বর নয়, রোগীরা পরিষেবা পেতেই আসেন আমাদের কাছে। কোনো সার্ভিসে, পরিষেবা প্রদানকারীকে মেরে ফেলা যায় কি, আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া যায় কি? ভারতের সংবিধানে এই অনুমতি আছে? ভেবে দেখবেন, ডাক্তারদের মানুষ হিসেবে ভেবে, একটু ভেবে দেখবেন…

PrevPreviousখুপরির গল্প ২
Nextমানুষের বর্জ্য নাকি মহৌষধি?Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

April 30, 2026 No Comments

না! আমি কাউকে বেইমান বলাটা সমর্থন করি না। সন্তানহারা মাকে বলাটা তো নয়ই! এটা অপ্রার্থিত, এবং আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়! তবে, রাজনীতির আখড়ায় প্রাচীনযুগ থেকেই এসব

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

April 30, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে বিশেষ করে ২০১১ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর পঞ্চায়েত – পুরসভা থেকে বিধানসভা – লোকসভা প্রতিটি নির্বাচন ঘিরে শাসক দলের প্রশ্রয়ে

ভারতে হাম: একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, তবু এত ঝুঁকি কেন?

April 30, 2026 No Comments

২৭ এপ্রিল ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

April 29, 2026 No Comments

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

April 29, 2026 No Comments

আমি তো চাইছি কালো মেঘে যাক দূর দিগন্ত ছেয়ে তপ্ত পৃথিবী নব রূপ পাক বর্ষায় ভিজে নেয়ে !! পথ শিশুরাও রাজপথে নেমে নিক অধিকার চেয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

Dr. Koushik Lahiri April 30, 2026

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

Bappaditya Roy April 30, 2026

ভারতে হাম: একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, তবু এত ঝুঁকি কেন?

Doctors' Dialogue April 30, 2026

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

Abhaya Mancha April 29, 2026

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

Shila Chakraborty April 29, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620065
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]