Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

খাবার যখন বিষ

293837861_5324338150991940_7182921898634775582_n
Dr. Soumyakanti Panda

Dr. Soumyakanti Panda

Paediatrician
My Other Posts
  • July 25, 2022
  • 8:43 am
  • No Comments
******************
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তখন মধ্যগগনে। জীবনধারণের যাবতীয় সাধারণ সামগ্রীর আকাল। নেদারল্যান্ডসে রুটির যোগান বন্ধ হয়ে গেল। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হ’ল বাচ্চাদের। সে বেচারারা খিদে পেটে বেশিক্ষণ থাকতে পারে না। অনেকেই অপুষ্টিতে ভুগতে শুরু করল। তার মধ্যেই এ এক অদ্ভুত ঘটনা! শিশু-চিকিৎসক ডা. ডিকি লক্ষ্য করলেন, তাঁর চিকিৎসাধীন কিছু বাচ্চা আগে থেকেই অপুষ্টিতে ভুগছিল। ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হ’ত। রুটির জোগান বন্ধ হতেই সে বাচ্চাদের অভাবনীয় উন্নতি হ’তে শুরু করল। যুদ্ধ-পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হ’লে মিত্রশক্তির বিমানে আবার রুটি আসা আরম্ভ হ’ল। সবাইকে অবাক করে বাচ্চাগুলোর অবস্থা আবার খারাপ হতে শুরু করলো। এ কী অদ্ভুত বৈপরীত্য! সত্যিই কপালে ভাঁজ ফেলার মতো ব্যাপার!
*****
এ ঘটনার উৎস খুঁজতে আমাদের পিছিয়ে যেতে হবে আরও বহু বহু বছর। আদিম মানুষ তখনো চাষবাস শেখেনি। খাবার বলতে ফলমূল আর কোনোদিন শিকার জুটলে তার কাঁচা মাংস। মানুষের শরীরও সেই খাবারেই অভ্যস্ত ছিল। খ্রিস্টের জন্মের আণুমানিক সাড়ে ন’হাজার বছর আগে মানুষ চাষবাস শিখলো। চাষ করা খাদ্যশস্য তার খাবারের প্রধান উপকরণ হয়ে উঠলো। মানুষ আগে কখনো এ ধরনের খাবার খায়নি। ফলে, এই খাবার তার কাছে ‘বহিরাগত অ্যান্টিজেন’। শরীর তাকে মানতে চাইবে কেন? সে এই খাবারের প্রতি বিরূপ হয়ে উঠলো। আগে থেকেই গড়ে ওঠা অ্যান্টিবডির প্রভাবে প্রথমেই বিকল হ’তে শুরু করল পাচনতন্ত্র। তারপর ধীরে ধীরে শরীরের অন্যান্য অঙ্গ। সাধারণ খাবার কারো কারো সহ্য না হওয়ার এই হ’ল গোড়ার কথা।
আণুমানিক ৮০০০ বছর আগে এ ধরনের রোগের প্রথম বর্ণনা দেন গ্রীক চিকিৎসক আরেটিয়াস। তিনি বলেন, “পাকস্থলী যদি খাবার ধরে না রাখতে পারে তাহলে সে খাবার হজম না হয়েই বাইরে বেরিয়ে যায়। সে খাবার আর শরীরের কাজে লাগে না।” এ ধরনের রোগের নাম দিলেন Koiliakos (গ্রীক শব্দ koelia মানে পেট)। আরও ১৭০০ বছর বাদে ডা. ম্যাথিউ বেইলি কিছু রোগীর (ঘন ঘন পাতলা পায়খানায় ভোগা) পেটের সমস্যার চিকিৎসা করতে গিয়ে দেখলেন, শুধু চালের খাবার খেলে তারা ভালো থাকে। ১৮৮৮ সালে ব্রিটিশ শিশু-চিকিৎসক ডা. স্যামুয়েল গি এ ধরনের রোগীদের জন্য গ্লুটেনহীন খাবারের উপকারিতা লক্ষ্য করলেন।
অনেকেই হয়তো এতক্ষণে বুঝতে পেরেছেন, রোগটার নাম সিলিয়াক ডিজিজ। কিছু কিছু মানুষ জিনগত ভাবে গ্লুটেন অথবা প্রোলামিন জাতীয় খাবারের প্রতি সংবেদনশীল হ’ন। তাঁরা গম, বার্লি বা রাইজাতীয় খাবার খেলে শরীরের অনাক্রম্যতা বিভিন্ন ধরনের রোগ-উপসর্গ সৃষ্টি করে। রোগ নির্নয়ের আধুনিক পদ্ধতি আবিষ্কারের পর প্রচুর মানুষের রোগ ধরা পড়ছে।
আমেরিকার জনসংখ্যার এক শতাংশ অর্থাৎ প্রতি একশো জনে একজন সিলিয়াক রোগাক্রান্ত। ভারতের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশে স্বাভাবিকভাবেই প্রচুর মানুষ আছেন যাঁরা রোগে ভুগছেন অথচ রোগ-নির্ণয় হয়নি। এ রোগ সম্পর্কে আধুনিক জ্ঞান সবে হালের কথা। ১৯৫০ সালে মার্গট শিনার খাদ্যনালীর ডিওডেনাম অংশের বায়োপ্সি করে এ রোগের মূল ক্ষতিগ্রস্ত অংশের বর্ণনা দেন। ১৯৬৪ সালের পর থেকে রক্তের বিভিন্ন অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করার পদ্ধতির প্রচলন হয়।
রোগ উপসর্গঃ
বাচ্চারা বাইরের খাবার খেতে শুরু করার পরে ধীরে ধীরে সমস্যাগুলো আরম্ভ হয়। উপযুক্ত পুষ্টি ও বৃদ্ধি না হওয়া, ঘন ঘন পাতলা পায়খানা বা সামান্য কিছু ক্ষেত্রে কোষ্ঠকাঠিন্য, বমি, পেট ফুলে থাকা, রক্তাল্পতা, পেশী ও হাড়ের ক্ষয়, বাত, নার্ভের সমস্যা, মুখের ঘা, চামড়ার কিছু রোগ, মাসিক রজঃচক্র বন্ধ হওয়া, মানসিক রোগ ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকের ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা, হেপাটাইটিস কিংবা পিত্তনালীর প্রদাহ দেখা যায়।
রোগ নির্ণয়ঃ
রক্তের Anti-TG2 IgA বা IgG, EMA, HLA পরীক্ষা করা হয়। প্রয়োজনে খাদ্যনালীর এন্ডোস্কোপি এবং বায়োপ্সি করার দরকার হ’তে পারে। কখন কোনটা লাগবে সেটা চিকিৎসক ঠিক করবেন।
চিকিৎসাঃ
সঠিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পরে রোগ ধরা পড়লে সারা জীবনের জন্য গম, রাই, বার্লি আছে এমন খাবার বাদ দিতে হবে। চাল, ভুট্টা ইত্যাদি খাওয়া যাবে। বাদবাকি সাধারণ খাবারে সাধারণত অসুবিধে হয় না। অনেকের দুধ সহ্য হয় না। তাদের সেটাও বাদ দিতে হবে। বিশুদ্ধ ওটস জাতীয় খাবারে সমস্যা হয় না। তবে অনেক সময়েই তৈরি বা প্রক্রিয়াকরণের সময় ওটসের সাথে গ্লুটেন মিশে যায়। সেক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
এবার স্বাভাবিকভাবেই বেশ কিছু প্রশ্ন আসবে।
★গ্লুটেনহীন খাবার বলতে কী বোঝায়?
২০ পিপিএম বা এক কেজিতে ২০ মিগ্রার কম গ্লুটেন আছে এমন খাবারকে গ্লুটেনহীন বলে ধরতে হবে। সিলিয়াক ডিজিজে আক্রান্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই প্যাকেটের লেখা দেখে নিতে হবে।
★তাহলে কি একদমই গ্লুটেনজাতীয় খাবার খাওয়া নিষেধ?                                  জীবনটাই বিস্বাদ হয়ে যাবে যে…
একদম বন্ধ করার ফতোয়া নেই। সামান্য খাওয়া যেতে পারে। তবে প্রতিদিনের গ্লুটেনের পরিমাণ ৫০ মিগ্রার বেশি হওয়া যাবে না।
★কোন কোন খাবারে গ্লুটেন লুকিয়ে থাকতে পারে?
স্যুপ, চকলেট, ঠান্ডা পানীয়, ভেষজ চা, বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত খাবার, মদ, সস ইত্যাদি।
★দীর্ঘ আলোচনা। কোথাও বেশ জটিল। কাদের ক্ষেত্রে সতর্ক হবো?
বহুদিন ধরে রোগনির্ণয় না হওয়া পেটের রোগ, দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া, বারবার মুখের ঘা, আয়রন, ভিটামিন বি ১২, ফোলিক অ্যাসিডের অভাব, ডায়াবেটিস বা থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে এবং সেগুলো চিকিৎসায় ঠিকমতো সাড়া না দিলে সিলিয়াক ডিজিজের কথা মাথায় রাখা দরকার। পরিবারে খুব কাছাকাছি রক্ত-সম্পর্কের কারও সিলিয়াক ডিজিজ থাকলে সতর্ক হ’তে হবে।
বি.দ্র.– এ লেখা শুধুই সামগ্রিক ধারণা দেওয়ার জন্য। রোগের উপসর্গ দেখে রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আপনার চিকিৎসকই নেবেন।
PrevPreviousতোমাতে করিব বাস। পঞ্চম পর্ব।
Nextমেডিক্যাল কলেজের ইতিহাস (২য় পর্ব) – ১৮৬০ পরবর্তী সময়কালNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617877
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]