Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মণিমামার ডাক্তারি (৩য় পর্ব)

316659820_5987060464662123_7098871723830094751_n
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • November 26, 2022
  • 9:02 am
  • No Comments
মামা নিজে একটা ওষুধের দোকান কেন দেয় না কে জানে! অবশ্য চেম্বারের বাইরে ছোট একটা ঘরে ডিস্পেন্সারি এখনো আছে। তবে সেটা নামেই। পুরনো কিছু শিশি-বোতল, কর্কের ছিপি, সিরাপ আর মিক্সচার ঢালার ফানেল, ডোজ লেবেল করা খাঁজকাটা লম্বা লম্বা সাদা কাগজের টুকরো। কিন্তু সব গুলোতেই প্রচুর ধূলো জমেছে। মান্ধাতার আমলের জিনিস সব। এখন আর ব্যবহার হয় না। মণিমামা বলে, নিয়ম পাল্টে গেছে। এসব আর চলবে না।
‘ফেলে দিলেই তো পারো। চেম্বারটা পরিষ্কার থাকে।’
মামা আঁৎকে ওঠে-‘ফেলিস না।
‘কেন? এগুলো আর কোন কাজে লাগবে?’
‘লাগবে, লাগবে। কোনদিন আবার আইন পাল্টে যায় কে জানে?’
মনিমামার সাথে তর্ক করে লাভ নেই। কিছুতেই মানবে না।
আপাততঃ রোগী নেই। বাঁচা গেছে। মামা খবরের কাগজের কাটিং খাতায় সাঁটতে ব্যস্ত। বাংলা, ইংরেজি মায় হিন্দি পর্যন্ত- যত রাজ্যের খবরের কাগজ ঘেঁটে তার থেকে ভুল বের করে খবরের কাগজের অফিসে চিঠি লিখে সেই ভুল ধরিয়ে দেওয়া- মামার হবি। মামা অবশ্য এটাকে সামাজিক কর্তব্য বলে মনে করে। গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ রক্ষা করা মণিমামার দায়িত্ব।
রোগী না থাকলেও মামার চেম্বার কখনই নিঃশব্দ থাকে না। পাশের ঘর থেকে কখনো হাম্বা-হাম্বা ডাক, কখনো কিঁচকিঁচ, কখনো ঘেউ ঘেউ শব্দ শোনা যায়। পাশের ঘরে পশু চিকিৎসক বিপুল কাঞ্জিলালের চেম্বার। গ্রামের লোক অনেক সময় একই সঙ্গে মানুষ ও গরুর চিকিৎসা করতে হাওড়া শহরের এই পাড়ায় চলে আসে। এখানে একই বাড়ির পাশাপাশি ঘরে পশু ও মানুষ দুয়েরই চিকিৎসা হয়।
‘বিপুল আমার প্র্যাকটিসের বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছে।’
‘কিভাবে? উনি তো ভেটেরেনারি ডাক্তার! উনি কিভাবে তোমার প্র্যাকটিসের ক্ষতি করবেন?’
‘ওসব যদি তুই বুঝতিস, তাহলে তোকে যাদবপুরে রাজমিস্তিরি গিরি পড়তে হত না।’ মামার বদ্ধমূল ধারণা আর্কিটেকচার হল রাজমিস্ত্রি-র কাজ শেখার একটু উন্নততর সংস্করণ।
‘গরুর চিকিৎসাতেই ব্যাটা গেঞ্জিলাল বোকা লোকগুলোর পকেট ফাঁকা করে দেয়। গরুর ওষুধ, গরুর খাবার- যতসব হাবিজাবি জিনিস কিনে পয়সা শেষ। তারপরে আমাকে আর দেখাবে কি করে?’
মাঝে মাঝে মামা নাকি ধার-বাকিতেও রোগী দেখে! মাণিমামা বলে, ‘ধারেও রুগী দেখি।’
কিন্তু সেই ধার কেউ কোনোদিন শোধ করেছে – এরকম কোনো খবর নেই।
কিছুক্ষণ পরে আবার কয়েকজন রুগী এল। চেম্বার চলছে। প্রবল গরমে আমার ঝিমুনি আসছে। ঢং ঢং করে একটা বাজল। চেম্বারের গ্র্যান্ডফাদার ঘড়িটা এখনো চলে! শান্তি মাসীর ফোন আসবে এখুনি।
মণিমামা রুগী দেখতে দেখতে হঠাৎ আমাকে ভেতরে ডেকে পাঠাল। ‘দ্যাখ, দ্যাখ গেঞ্জিলালের কান্ড!’
‘কেন? কি হয়েছে?’
‘আমার প্রেশক্রিপশনের পিছনের পাতায় গরুর ওষুধ লিখে দিয়েছে। দেখাচ্ছি মজা।’
মণিমামা আর কি মজা দেখাবে? মজা দেখালো গেঞ্জিলাল, থুড়ি কাঞ্জিলালের গরু। মামার কথা শেষ হতে না হতে বিকট স্বরে হা-ম্বা ডাক ছেড়ে সাদা-কালো ছোপ ছোপ একটা বিরাট গরু হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ল মামার চেম্বারে। দরজা-টরজা ভেঙ্গে একেবারে একাকার। তিড়িংবিড়িং লাফিয়ে রিসেপশনের জিনিসপত্র ভেঙেচুরে একশেষ।
গরুর পিছনে পিছনে ঢুকল ভেটেরেনারি ডাক্তারের কম্পাউন্ডার সনৎ। সে গরুটাকে একটা ইঞ্জেকশন দিতে গেছিল। মোটা সূঁচ সহ সিরিঞ্জটা তখনো গরুর পিছনের উরুতে ফুটে রয়েছে। সনৎ ঝাঁপিয়ে পড়ে সেটা টেনে বের করে দিতেই কয়েক সেকেন্ডের তান্ডবনৃত্য থেমে গিয়ে গরু শান্ত হয়ে গেল। আমি ততক্ষণে পুরোনো প্যাকিং বাক্সে ভর দিয়ে লাফিয়ে রুগী শোয়ানোর কৌচে উঠে পড়েছি। আর মামা দৌড়ে পালাতে গিয়ে ধুতি-টুতি জড়িয়ে একেবারে চিৎপটাং। হাঁটু চেপে ধরে উঃ-আঃ শব্দ করতে করতে বিপুলের গুষ্টি উদ্ধার করতে লেগেছে তখন।
মামাকে ওই অবস্থায় দেখে গরুটার বোধহয় মায়া হল। সুঁচ বের করে নিতে তার ব্যথা তখন কমে গেছে। সে এগিয়ে আরেক ব্যথাতুর দু-পেয়ে জীবের হাঁটুটা চেটে দিতে থাকল। সে এক দৃশ্য বটে!
ঠিক সেই সময় জগু ততক্ষণে আব্দুলকে ধরে মামার গাড়ীটা ঠিক করে চেম্বারে এসে হাজির। চোখ দুটো লাল। বেশ একটু গাঁজা টেনেছে মনে হল। কি আর করা! ওদের দুজনের সাহায্যে মামাকে ধরে ধরে গাড়ীতে তোলা হল। এক পা- দুপা করে হাঁটতে পারছে। বড় কোনো চোট লেগেছে বলে মনে হয় না। এক্সরে করে খারাপ কিছুই পাওয়া গেল না।
ব্যথার মধ্যেও মামার টনটনে খেয়াল। ‘গরুটাকে ধরে খোঁয়াড়ে দে।’
কথাটা সামন্ত-র উদ্দেশ্যে বলা। এইসব কাজের জন্য উপযুক্ত লোক হল ভজুয়া। কিন্তু সে তো আজ ছুটিতে। তাই গাড়ীর মেকানিক আব্দুল সামন্ত-র সাথে গরু নিয়ে চলল খোঁয়াড়ে।
গরু খোঁয়াড়ে গেলে অনেক টাকা গচ্চা দিয়ে তাকে ছাড়াতে হয়। কিন্তু সনৎ অনেক কাকুতি-মিনতি করেও মামাকে টলাতে পারল না।
বসার ঘরে মামার হাঁটুতে বরফ ঘষতে ঘষতে শান্তিমাসী বলল, ‘ওই অপয়া চেম্বার এবার ছাড়ো দেখি!’
কিন্তু মণিমামার চেম্বার নয়, বন্ধ হয়ে গেল বিপুল কাঞ্জিলালের চেম্বার। চিরতরে।
(শেষ)
PrevPreviousস্ট্রেস, ট্রমা ও মানসিক সমস্যা
Nextআমাদের হয়ে লড়তে আসবেন ক্ল্যারেন্স সুয়ার্ড ডারোNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

May 1, 2026 No Comments

ঊনবিংশ  শতকের শুরুতে ইংল্যান্ডের সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ রবার্ট আওয়েন আট ঘণ্টা কাজ, আট ঘণ্টা বিশ্রাম এবং আট ঘণ্টা খুশি মত সময় কাটানোর দাবি তোলেন যা  শ্রমিক

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

May 1, 2026 No Comments

গত শতকের তিনের দশকে জন মেনার্ড কেইনস বলেছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি শিগগিরই এমন সুদিন এনে দেবে, যাতে মানুষকে সপ্তাহে পনের-ষোল ঘণ্টা কাজ করলেই চলবে।

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

May 1, 2026 No Comments

মাঝখানে উজ্জ্বল একফালি জমি, দুধারে ঢাল বেয়ে তরল অন্ধকার গড়িয়ে গিয়েছে, কিনারায় ছায়ার ফাঁকে ফাঁকে তালসুপারিহিজলতমাল যেখানে যেমন মানায় নিপুন হাতে গুঁজে দেয়া, আর্দ্রতার প্রশ্রয়

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

April 30, 2026 No Comments

না! আমি কাউকে বেইমান বলাটা সমর্থন করি না। সন্তানহারা মাকে বলাটা তো নয়ই! এটা অপ্রার্থিত, এবং আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়! তবে, রাজনীতির আখড়ায় প্রাচীনযুগ থেকেই এসব

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

April 30, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে বিশেষ করে ২০১১ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর পঞ্চায়েত – পুরসভা থেকে বিধানসভা – লোকসভা প্রতিটি নির্বাচন ঘিরে শাসক দলের প্রশ্রয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

Gopa Mukherjee May 1, 2026

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

Dr. Bishan Basu May 1, 2026

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

Debashish Goswami May 1, 2026

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

Dr. Koushik Lahiri April 30, 2026

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

Bappaditya Roy April 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620252
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]