Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আমার সাহিত্য শিক্ষকেরা

195370815752243000
Dr. Arunachal Datta Choudhury

Dr. Arunachal Datta Choudhury

Medicine specialist
My Other Posts
  • September 14, 2023
  • 7:26 am
  • No Comments
যে কোনও উচ্চ(?)শিক্ষার জন্য আমি যে অনুপযুক্ত ঐতিহাসিক ভাবে প্রমাণিত বারবার। এই ব্যাপারের জন্য সম্মিলিত ভাবে দায়ী আমার নিম্নমেধা এবং পল্লবগ্রাহিতা। এটা কোনও অতিশয়োক্তি নয়।
এমনকি পড়াশুনোয়ও ডিগ্রি মানে এমডি কোর্স দুষ্প্রবেশ্য হওয়ায় আমাকে ভায়া আদালত ইউনিভার্সিটির চৌকাঠ ডিঙোতে হয়েছে। সেই সব আত্ম অবমাননার কাহিনি অন্যত্র একবার নয় বহুবার বলেছি।
আজ যেটি বলব তা হচ্ছে আমার অন্যরকম শিক্ষাগুরুদের কথা, আমার সাহিত্যগুরুদের কথা, যেটি অদ্যপি সে ভাবে কখনও বলিনি।
আমি গদ্য লিখতে পারি না। তার মানে অবশ্যই এই নয় যে আমি পদ্য লিখতে পারি। কিন্তু পদ্য আকারে ছোটো বলে, অন্যদের থেকে টুকে মেরে দিই। আর পদ্য লোকে এমনিতেই কম পড়ে। তেমন ধরা পড়ে না। এদিকে আমার আবার লিখে যশোলাভের বাসনা ষোলো আনার জায়গায় আঠারো আনা।
আমি যে গদ্য লিখতে পারি না সেই স্বতঃসিদ্ধকে অতিক্রম করার বাসনায় আমি কী না করেছি। অনীশ দেবের মত সুভদ্র পণ্ডিত মানুষকে, গদ্য লেখার শর্টকাট শেখার জন্য জ্বালাতন করেছি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। অসীম স্নেহবশে তিনি সহ্যও করেছেন। ফললাভ করিনি। তিনি আমায় বলেছেন, —- অরুণাচল, পদ্য লিখছ, কী আর করা। লেখো। কিন্তু গদ্য লিখো না।
আমি কিন্তু হাল ছাড়িনি। এই ব্যাপারে অদ্রীশ বর্ধন ত্রিদিব চ্যাটার্জি সহ আরও কতজনকে বিরক্ত করেছি, ইয়ত্তা নেই।
বাংলা ভাষায় গদ্য লেখা শেখানোর ক্লাস সে ভাবে কোথাও হয় বলে শুনিনি। এমন সময় খবর পেলাম গল্প লেখার ওয়ার্কশপ হবে। আমাদের এই কলকাতা শহরেই। ঐতিহ্যবাহী এক প্রকাশনা, আয়োজন করেছেন, দুজন সফল গদ্যকারকে দিয়ে গদ্য লেখা শেখানোর এই ওয়ার্কশপের।
শুনেই লাফিয়ে উঠলাম। এইবার, এতদিনে আমি সুযোগ পেয়েছি। রীতিমতো কোর্স করে ডিগ্রিধারী লেখক হব।
আমাকে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অপেক্ষারত দেখে আমার সহানুধ্যায়ী আর মুখচেনা উদ্যোক্তারা তো বটেই আমার নিরীহ শিক্ষক বেচারা দুজনও কেমন যেন ইয়ে হয়ে গেলেন। মানে ভেবলে গেলেন।
ছাত্রছাত্রীরা হয় তো ভাবছিল এই আপদটা ঢুকল কী করে? কী ভেবে? কী করতে এসেছে? ও কি ফ্যালনা? ও কি ফ্যাকাল্টি? নাকি ফ্যাসিস্ট?
দুজন শিক্ষক ছিলেন আমাদের সেই ওয়ার্কশপে। সমুদ্রতট মুখার্জি আর ঈশ্বরদীপ্ত ভট্টাচার্য।
শিক্ষক দুজনই আমার পূর্ব পরিচিত। আমার অতীতের বহু কলম-কিবোর্ড সংক্রান্ত অপরাধের ও অপচেষ্টার সাক্ষী। তাঁরা কর্মজীবনে অনেক যুদ্ধের সফল সৈনিক। দুজনেই সার্থক গদ্য লেখক। কিন্তু ব্যবহারিক জীবনে প্রশাসনিক পদে কাজ করতেন। কাজেই তাঁদের অভিজ্ঞতায় আমার মত বিস্তর ত্যাঁদড় সামলেছেন। কিন্তু এই রকমের একটা সারস্বত পরিবেশে আমি কী গণ্ডগোল পাকাতে এসেছি এইটি ভেবে তাঁরা কি কিছুটা হলেও চিন্তিত ছিলেন?
বিশ্বাস করুন, আমি কিচ্ছুটি গোলোযোগ পাকাইনি। কত কত বিষয় তাঁরা শেখালেন। প্লট ভাবা, প্লটের বিস্তার, পাঠককে আটকে রাখার মত লেখার কৌশল, ভাষার আর চিন্তার বিশুদ্ধতা। তাঁরা দুজন যখন লেকচার দিয়েছেন, কিম্বা পরের ইন্টারঅ্যাক্টিভ সেশনেও আমি টুঁ শব্দটি করিনি। তালে ছিলাম, যদি ডিগ্রির কাগজটা বাগানো যায় কোনওমতে।
ওয়ার্কশপ শেষে হাতেকলমে যাচাই হবে। লটারি করে চিরকুটে লেখা বিষয়াভাস বন্টিত হল। তার ওপরে লিখতে হবে পাঁচশ মতন শব্দের গদ্য, কাহিনি বা অন্য কিছু।
শেষে পরীক্ষা শেষে, কে কদ্দুর হৃদয়ঙ্গম করেছে গদ্য লেখার দুরূহ প্যাঁচপয়জার, সেই খাতা দেখা হল। আমার সামনেই সহপাঠীরা সবাই তারিফ কুড়োলো। কেউ এ প্লাস প্লাস, কেউ শুধু এ, কেউ ডিস্টিংশন। আমার খাতা সম্ভবত ইচ্ছে করেই একদম পরে দেখলেন স্যার।
এটা সম্ভবত যাতে অন্যরা এই ফেলুদার অবধারিত অনুত্তীর্ণ হওয়াটা খেয়াল না করে সেই জন্য।
খাতা দেখার সময়ে আমার চোখে আকুতি ফুটে উঠেছিল নিশ্চয়ই। সেই আকুতি নাকি আমার বয়স ও পাকাচুল, কী জানি ভেবে, আমার খাতা যিনি দেখছিলেন, বললেন, — অরুণাচলদা, যা লিখেছেন বেশ ইয়ে। তবে আমি তো আর প্রফেশনাল টিচার নই। যান পাশই করলেন, ধরে নিন। এই বলে আমার খাতার পাশে গোটা গোটা অক্ষরে লিখে দিলেন সি মাইনাস।
এর পরেও গদ্য লেখা শিখবার এই কুকীর্তি বা অপচেষ্টা যাই বলুন আবারও করেছি। আনাড়ি মাইন্ডস অনলাইন লেখা শেখানোর ক্লাস নিল। https://www.anariminds.com/course/short_story_writing/ সেখানেও গিয়ে ভিড় বাড়িয়েছি। সেই ক্লাসও করেছি।
করে বুঝেছি, আমি বাদল সরকার নই। তিনি ষাট পেরুনো ইঞ্জিনিয়ার, যাদবপুরে তুলনামূলক সাহিত্যের ছাত্র হয়েছিলেন। ছাত্র হয়েও শ্রদ্ধেয় ছিলেন, এমনকি তাঁর শিক্ষকদেরও(শঙ্খ ঘোষ, নবনীতা দেবসেন) কাছে।
একেবারে হালে খোঁজ খবর করে জুটেছিলাম শ্রী অরুণ আইনের কাছে। তিনি ইংরেজির মাস্টারমশাই। আমাকে দ্রুত টাইপ করার প্রকরণ শেখানোর পরেই আমি এই প্রায় সত্তরেও ইংরেজি পাঠে অক্ষম জেনে, একটা শিশুপাঠ্য ইংরেজি বই ধরিয়ে নিষ্কৃতি নিলেন।
আগেও কেউ বলেছেন, এবারেও বুঝলাম, বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে পরিচয় না হলে নাকি, বাংলা গদ্য লেখার স্বপ্ন না দেখাই ভাল।
এই ভাবে,
জীবনানন্দের ভাষায়,
অনেক ঘুরেছি আমি; অফ-লাইন অন-লাইন লেখার জগতে
সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে…
এবং শেষাবধি,
বুঝেছি, যার আটে হয় না তার আশিতেও হয় না।
আমার প্রত্যক্ষ সাহিত্যগুরুরা, আমার অসফল সাহিত্য শিক্ষকেরা আমার প্রণাম নিন।
PrevPreviousকনভেনশনের প্রেক্ষাপট
Nextকাগজ পড়ার সেকাল একালNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

April 30, 2026 No Comments

না! আমি কাউকে বেইমান বলাটা সমর্থন করি না। সন্তানহারা মাকে বলাটা তো নয়ই! এটা অপ্রার্থিত, এবং আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়! তবে, রাজনীতির আখড়ায় প্রাচীনযুগ থেকেই এসব

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

April 30, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে বিশেষ করে ২০১১ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর পঞ্চায়েত – পুরসভা থেকে বিধানসভা – লোকসভা প্রতিটি নির্বাচন ঘিরে শাসক দলের প্রশ্রয়ে

ভারতে হাম: একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, তবু এত ঝুঁকি কেন?

April 30, 2026 No Comments

২৭ এপ্রিল ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

April 29, 2026 No Comments

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

April 29, 2026 No Comments

আমি তো চাইছি কালো মেঘে যাক দূর দিগন্ত ছেয়ে তপ্ত পৃথিবী নব রূপ পাক বর্ষায় ভিজে নেয়ে !! পথ শিশুরাও রাজপথে নেমে নিক অধিকার চেয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

Dr. Koushik Lahiri April 30, 2026

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

Bappaditya Roy April 30, 2026

ভারতে হাম: একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, তবু এত ঝুঁকি কেন?

Doctors' Dialogue April 30, 2026

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

Abhaya Mancha April 29, 2026

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

Shila Chakraborty April 29, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620123
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]