Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দিনহাটা, তমলুক ও অন্যান্য

440420700_10211791926510963_5373853793453963374_n
Dr. Bishan Basu

Dr. Bishan Basu

Cancer specialist
My Other Posts
  • May 4, 2024
  • 8:21 am
  • No Comments
এই তো ক’দিন আগেকার কথা, তার পর একটি সপ্তাহও পার হয়নি। স্বনামধন্য এক মন্ত্রী সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে জানালেন, অমুক অঞ্চলে কিছু ডাক্তার আবার দিনে ডাকাতি শুরু করেছে, এদের দাওয়াই দরকার।
প্রশ্ন করা যেতেই পারত, তাঁর মতো দাপুটে মন্ত্রীর এলাকায় ডাক্তার/উকিল/ব্যবসাদার/শিক্ষক/ইত্যাদি প্রভৃতি যে-ই হোন না কেন, তিনি ‘দিনে ডাকাতি’ করার সাহস পান কী করে, যেখানে স্বয়ং মন্ত্রীমহোদয় ও তাঁর দলের নিষ্ঠাবান কর্মী-সমর্থকরা রয়েছেন? তদুপরি, সেখানে তো নজর রাখার জন্য সরকারের কড়া নিয়ন্ত্রণে থাকা কর্মদক্ষ ও অতিমাত্রায় তৎপর প্রশাসকরা রয়েছেন, তাঁরাও কি সকলে একযোগে দায়িত্ব বিস্মৃত হয়েছেন?
অথবা এও জিজ্ঞেস করা যেতে পারত, পশ্চিমবঙ্গের মতো সততার সুনিবিড় ছায়ায় ঢাকা একটি রাজ্যে ‘কিছু ডাক্তার দিনে ডাকাতি’ শুরু করায় মন্ত্রীমহোদয় যে অত্যন্ত ব্যথিত হয়েছেন, তাঁর সেই মনোকষ্ট আমরা মর্মে মর্মে অনুভব করতে পারছি অবশ্যই – কিন্তু, তারপরও, ‘দাওয়াই দিতে হবে’ কথাটা কি তাঁর মতো সৎ শৃঙ্খলাপ্রেমী শান্তিপ্রিয় নেতার মুখে মানায়? বিশেষত যেখানে তাঁর সৎ ও নিয়মনিষ্ঠ সরকার ডাক্তারদের দায়িত্বের বিন্দুমাত্র স্খলন দেখলেই তার সুরাহা করার জন্য পাঁচসাতরকম ব্যবস্থা রেখেছেন – দেওয়ানি আদালত ফৌজদারি আদালত ক্রেতা সুরক্ষা আদালত মেডিকেল কাউন্সিলের তদন্ত ক্লিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট আইনানুসারী শাস্তি সরকারি ডাক্তারদের ক্ষেত্রে বিভাগীয় তদন্ত – দুচারখানা পয়েন্ট মিস করে গেলে মনে করিয়ে দেবেন, প্লিজ – তো তেমন ‘চলো নিয়মমতে’-র দেশে আগ বাড়িয়ে ‘দাওয়াই’ দেওয়ার আহ্বান তো ঠিক কথা নয়, তাই না?
কিন্তু আমরা সেসব প্রশ্ন করিনি। ইন ফ্যাক্ট, আমরা কিছুই বলিনি।
আমরা বলতে ডাক্তাররা। শুধু একটু শঙ্কিত হয়েছিলাম, কেননা ফুলের সুবাস সামান্য কিছু অঞ্চলে সীমিত থাকলেও পচা লাশের গন্ধ আরেকটু দূর অবধি ছড়ায়। অনুপ্রেরণাও তেমনই। স্থানীয় স্তরে থেমে থাকে না। বিষয় অনুসারে ছড়ায়। অতএব, ‘দাওয়াই দিতে হবে’ জাতীয় সুপরামর্শের অনুপ্রেরণা – বা উসকানি – যে শুধু মন্ত্রীমশাইয়ের খাসতালুকে সীমাবদ্ধ হয়ে থাকতে পারে না, সে আশঙ্কা আমাদের ছিলই। তদুপরি, এ এমন শাসনকাল, যা দেখলে জীবনানন্দের মা কুসুমকুমারী দাশ স্বয়ং গর্ববোধ করতেন। কেননা, তাঁর সেই ঐতিহাসিক আক্ষেপ, “আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে” – তেমন আক্ষেপের আর বিশেষ অবকাশ নেই। দিকে দিকে রাশি রাশি তেমন তাজা ছেলেদের ভিড়, যারা মাঝেমধ্যে ‘ছোট ছোট ছেলেদের ভুল’ করে বসলেও বসতে পারে, কিন্তু তারা কথা বাড়ায় না, এবং বলাই বাহুল্য, ‘কাজ’-এর ব্যাপারে তাহারা কদাপি পরাঙ্মুখ নহে।
বক্তব্যের কেন্দ্র থেকে কিঞ্চিৎ দূরে হলেও, মন্ত্রীমহোদয়ের উদাত্ত আহ্বানে সত্ত্বর সাড়া মিলেছে। তাম্রলিপ্ত মেডিকেল কলেজের ইমার্জেন্সিতে কাজ করার সময় দুই সদ্য-পাশ-করা তরুণ শল্যচিকিৎসককে কিছু তাজা ছেলে বাঁশ রড থান ইঁট ইত্যাদি সহযোগে মারধর করেছেন – গতকাল। আপনারা শুনে আশ্বস্ত হতে পারেন, দুই গণশত্রুই উচিত শিক্ষা পেয়েছে, দুজনেই গুরুতর জখম। দাওয়াই-এর পরিসর হাসপাতালে সীমাবদ্ধ না রেখে তাজা ছেলেরা লাগোয়া ছাত্রছাত্রীদের হস্টেলেও চড়াও হয়েছিলেন – দুর্ভাগ্যবশত সেখানে তেমন কৃতিত্বের স্বাক্ষর তাঁরা রেখে আসতে পারেননি।
মোদ্দা খবর বলতে এই। আগের আগের অনুচ্ছেদে ‘আমরা বলতে ডাক্তাররা’ বললাম, কেননা ডাক্তারদের গায়ে হাত-টাত পড়লে তথাকথিত শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষজন একযোগে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন, এমন নজির খুব একটা দেখিনি (ভুল কিছু বললে শুধরে দেবেন, প্লিজ)।
তো সাতিশয় বিনয়ের সঙ্গে প্রশ্ন করি, যে দুজন সদ্য-পাশ-করা শল্যচিকিৎসক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে জীবন শুরু করার মুহূর্তে এই অভিজ্ঞতার মুখে পড়লেন – এবং একইসঙ্গে তাঁরা আপনাদের হিরণ্ময় নীরবতাও প্রত্যক্ষ করলেন – পেশাজীবনে বৃহত্তর সমাজের প্রতি তাঁদের কী মনোভাব নিয়ে চলা উচিত বলে আপনার মনে হয়?
মেডিকেল কলেজে পড়তে আসা প্রথম বর্ষ ও দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা – কিছু গুণ্ডা যখন মদ্যপ অবস্থায় বাঁশ রড থান ইঁট নিয়ে তাদের হস্টেলে চড়াও হয়, এবং স্রেফ বরাতজোরে সেই ছাত্রছাত্রীরা বেঁচে যায় – চিকিৎসা-শিক্ষাজীবনের শুরুর এই অভিজ্ঞতা এবং সবকিছু দেখেও আপনাদের চুপ করে থাকা – এমন সামগ্রিক অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে তাদের ভবিষ্যৎ পেশাদর্শন ঠিক কেমন হওয়াটা স্বাভাবিক? আপনার কী মনে হয়??
এত কথা বলার অবশ্য মানে হয় না।
মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল বেরোলে মেধাতালিকার প্রথমদিকে থাকা এক ছাত্র জীবনের লক্ষ্য হিসেবে জানায়, তার স্বপ্ন সে ডাক্তার হওয়া। সেই স্বপ্নের কথা কেউ শেয়ার করলে তার ঠিক নিচে কোনও এক বুদ্ধিদীপ্ত ব্যক্তি মন্তব্য করে – বাঃ! খুব ভালো। হারামের পয়সা আর কমিশন কাটমানি কোথায় আছে, সেটা শুরুতেই বুঝে নিয়েছে।
সেই মন্তব্যে বেশ কয়েকজন লাইক দিয়েছে, অনেকে হাহা ইমোজি দিয়েছে, আর কেউ কেউ লাভ। কিন্তু কেউই প্রতিবাদ করেননি।
মাইরি বলছি, অপরিণতবুদ্ধির বশে আগে কিছু উচ্চ আদর্শের কথা বিশ্বাস করলেও আজ স্পষ্ট বুঝতে পারি – হ্যাঁ, আপনাকেই বলছি, এই ঘুণধরা পচাগলা পূতিগন্ধময় সমাজটা আপনার পক্ষে, আপনাদের পক্ষে পার্ফেক্ট [এবং তার বিপরীত কোনও আদর্শে যে কতিপয় সংখ্যক লোক বিশ্বাস করতে চায়, তারা আস্ত বোকা (চাইলে বাকিটা জুড়ে নিতে পারেন)]। কেননা, আপনাদের চরিত্রগত ক্লীবতা আপনাদের ঘেন্না শেখাতে পারেনি (পারছে, তেমন প্রমাণ অন্তত নেই) আর যারা ঘেন্না করতে পারে না, যারা রেগে যেতে শেখিনি, তারা মানিয়ে নেয়। এবং মানিয়ে নিতে নিতে তারা সেই সিস্টেমেরই অংশ হয়ে যায়। আর, পাব্লিক গেটস দ্য সিস্টেম দে ডিজার্ভ।
PrevPrevious৪০ বছর আগে কুচবিহারে
Nextনিভৃতকথন পর্ব ১৩Next
3 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

শালীন আনুগত্য বনাম অশালীন প্রতিবাদ

August 3, 2026 2 Comments

দুর্নীতি, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে চরম অব্যবস্থা এবং লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরে জমতে থাকা ক্ষোভ একটি ভয়াবহ ধর্ষণ ও হত্যাকে কেন্দ্র করে আসমুদ্র হিমাচল তোলপাড় করে

২৭ লক্ষ ডিলিটেড ভোটার: প্রতিবাদে সংগ্রামী গণমঞ্চ

August 3, 2026 No Comments

১-০৮-২০২৬ গত ৩০ শে জুলাই সংগ্রামী গণমঞ্চের একটি প্রতিনিধিদল রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সাথে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে অপেক্ষারত ২৭ লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে এবং ট্রাইব্যুনালগুলোর

The CJP vs BJP Jantar Mantar Thriller

August 3, 2026 No Comments

It was like a World Cup football match in which an unknown, unranked team with rookie players took on a much more powerful rival and

বাদাবনে বাঘে–মানুষে সংঘাত: প্রশমনের সন্ধানে

August 2, 2026 No Comments

প্রতিবেদকের সামান্য কথাঃ পড়াশুনার সময় পড়াশুনা করা হল না। অনিশ্চিত জীবন ছেড়ে অনেক বিলম্বে কর্মজীবনে প্রবেশ। চাকরির সুবাদে জেলা থেকে জেলান্তর। উত্তর, দক্ষিণ ও রাঢ়

একটি বিদ্যামন্দির তথা স্কুলের রাজনৈতিক চিঠি

August 2, 2026 1 Comment

(এই চিঠিটি দেওয়া হয়েছে ৩০ জুলাই ২০২৬-এ) রায়গঞ্জের নামী স্কুল সারদা বিদ্যা মন্দির (বাংলা মিডিয়াম) স্কুলের তরফে এই চিঠিটি দেওয়া হয়েছে – “বিদ্যালয়ের আচার্য-আচার্যা, প্রাক্তন

সাম্প্রতিক পোস্ট

শালীন আনুগত্য বনাম অশালীন প্রতিবাদ

Gopa Mukherjee August 3, 2026

২৭ লক্ষ ডিলিটেড ভোটার: প্রতিবাদে সংগ্রামী গণমঞ্চ

Sangrami Gana Mancha August 3, 2026

The CJP vs BJP Jantar Mantar Thriller

Satya Sagar August 3, 2026

বাদাবনে বাঘে–মানুষে সংঘাত: প্রশমনের সন্ধানে

Bappaditya Roy August 2, 2026

একটি বিদ্যামন্দির তথা স্কুলের রাজনৈতিক চিঠি

Dr. Jayanta Bhattacharya August 2, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

657833
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]