মধ্যরাতের রাস্তা আজ হরিৎ বর্ণে, সুরার গন্ধে, জয় বাংলা ছন্দে আর খেলা হবে গীতিতে মুখরিত। আর বাংলার ভবিষ্যৎটা আজকের মধ্যরাতের মতোই অন্ধকারাচ্ছন্ন লাগছে। একটা ভাতাজীবী জাতি, হাসপাতালে, রেশনের দোকানে লাইন দিয়েই নিজের ভবিষ্যতের ললাটলিখন লিপিবদ্ধ করেছে। তার আর কোনো ভবিতব্য নেই, তার চাকরির দাবি নেই, যে ক’টা চাকরি রয়েছে তাতে স্বচ্ছ নিয়োগের দাবি নেই, তার শিল্পায়নের স্বপ্ন নেই। আছে শুধু ভাতা, সেই ভাতার পয়সায় ভাত খেয়ে রাত দু’টোয় পিঠে বানিয়ে পার্টি অফিসে দিয়ে আসা।
সে গরিব, তার বেঁচে থাকার জন্য ভাতা দরকার। প্রচণ্ড দরকার। যাতে সে পরের মাসে আবার ভাতা পেতে পারে, আবার পরের মাসে, তার পরের মাসে, তার পরের মাসে… পাঁচ বছর কেটে গেলে আবার ভাতার লোভে ভোট- আবার ভাতার আশায় বারোভাতারি কাজকম্ম। তার ছেলেমেয়ের শিক্ষা নেই, শিক্ষা আছে তো চাকরি নেই। তার জীবনের মুখ্য উদ্দেশ্য কী? কেন ভাতাজীবী হওয়া!! এভাবেই পীট সিগারের ‘লিটল বক্সেস’-র মতো লিটল ভাতাজীবী প্রজাতি গড়ে উঠবে। মদের পয়সা ঠিক উঠে যাবে, ভরসা আছে।
নরেন্দ্র মোদী- যদি মায়ের দয়ায় চেয়ারটা ধরে রাখতে পারেন, শুরু থেকে শুরু করুন। ২০১৪-তে কেউ রামমন্দির বানাতে আপনাকে প্রধানমন্ত্রী বানায়নি। ধর্মের চচ্চড়ি অনেক রেঁধেছেন- এই ধারা চললে আপনার গদি আর বেশিদিন নেই। ইডি-সিবিআই দিয়ে লোককে ব্ল্যাকমেল করে মুনাফা তোলা বন্ধ করুন। দোষীদের শাস্তি দিন, তাদের ছেড়ে দিয়ে অর্থনৈতিক/রাজনৈতিক সুবিধালাভ করার চেষ্টা করবেন না।
অন্যের পুরোনো মদ নতুন বোতলে ঢেলে দুধ বলে বেচার চেষ্টা বন্ধ করুন। মদের গন্ধ লোকে বেশ চেনে। এভাবে সস্তার রাজনীতি করে ফাটকা খেলতে চাইলে কর্মীদের সমর্থন অচিরেই হারাবেন।











